||   উত্ত্যক্তের প্রতিবাদকারী বাবাকে কুপিয়ে হত্যার ৩ মাস পর মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার      ||   গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফটবলের ফাইনাল জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন টুঙ্গিপাড়া ও মুকসুদপুর      ||   টেকনাফের চেয়ারম্যান বাড়ী থেকে ১৫ রোহিঙ্গা উদ্ধার      ||   রোহিঙ্গা সংকট দ্বন্দ্বশিকলে বন্দি কূটনীতি      ||    রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতা বন্ধ করুন      ||   এমপি রানার জামিন স্থগিত      ||   গোপালগঞ্জে জাতীয় স্যানিটেশন মাসের র‌্যালী ও আলোচনা সভা      ||   গোপালগঞ্জে আমন ধানের উপর মাঠ দিবস      ||   টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ      ||   তিন মাস পর ফিরছেন খালেদা      ||   রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে আছে রাশিয়া ও চীন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী      ||   দেশের সব অর্জন আওয়ামী লীগের হাত ধরেই এসেছে: সিইসি      ||   বিপুল পরিমান কারেন্ট জাল ও মা ইলিশ জব্দ, আটক ৫      ||   নিখোঁজের একদিন পর ড্রেনে মিললো যুবকের লাশ      ||   মুকসুদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু     

উত্ত্যক্তের প্রতিবাদকারী বাবাকে কুপিয়ে হত্যার ৩ মাস পর মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফটবলের ফাইনাল জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন টুঙ্গিপাড়া ও মুকসুদপুর টেকনাফের চেয়ারম্যান বাড়ী থেকে ১৫ রোহিঙ্গা উদ্ধার রোহিঙ্গা সংকট দ্বন্দ্বশিকলে বন্দি কূটনীতি
রোহিঙ্গা সংকট দ্বন্দ্বশিকলে বন্দি কূটনীতি
সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা: ১৯/১০/২০১৭- কিছু অর্বাচীন প্রশ্ন তুললেও রোহিঙ্গা সমস্যা নতুন করে, বড় আকারে চেপে বসার পর থেকে এখন পর্যন্ত সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগের বেশ কিছু সাফল্য দৃশ্যমান। মিয়ানমারের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিতেও পরিবর্তন এসেছে বাংলাদেশের কূটনীতি ঠিক পথে আছে বলেই। কিন্তু তবুও প্রশ্ন ওঠে- কেন নিকট প্রতিবেশী ভারত কিংবা বাণিজ্যিক অংশীদার চীন পুরোপুরি আমাদের সঙ্গে নেই? কেন নেই রাশিয়াও? তারা আমাদের সঙ্গে নেই একথা যেমন বলা যাচ্ছে না, তেমনি পুরোপুরি আছে, তাও বলা যাচ্ছে না। নানা সমীকরণের কারণে এই বাস্তবতা। ছোট দেশ বাংলাদেশ। তার কূটনীতি সবসময়ই দূরতিক্রম্য দ্বন্দ্ব^শিকলে বন্দি। তাকে প্রশ্ন করা যায়, বিতর্ক করা যায় কিন্তু উড়িয়ে দেয়া যায় না। বাংলাদেশকে সেই স্বাধীনের পর থেকেই চলতে হচ্ছে সংকীর্ণ সুতার ওপর দিয়ে। কূটনীতিতে আদর্শ বনাম বাস্তববাদ এক অতি জটিল ও পরিচিত দ্বন্দ্ব। সব দেশকেই এর ভেতর দিয়ে যেতে হয়। যে দেশ আবার আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক উভয় ক্ষেত্রে নানা কারণে নানা দেশের ওপর নির্ভরশীল, তাকে তো বিশেষ সাবধানেই অবস্থান নিতে হয়। নিজের নৈতিকতার আদর্শে অবিচল থেকে অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার প্রতি সম্মানবশত সহনশীলতার পরিচয় দিয়ে আসছে বাংলাদেশ। বাস্তব কারণেই বাংলাদেশ কখনো কোনো যুদ্ধের পক্ষে, সংঘাতের সমর্থনে অবস্থান নেয়নি। এই মধ্য পন্থার সংস্কৃতি কিন্তু একটি মূল্যবান কষ্টার্জিত সম্পদ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের কূটনীতির বাস্তববাদিতার সঙ্গে এই দর্শন অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। তাই মিয়ানমারের উস্কানিতেও মিয়ানমারের আচরণের বিরোধিতা করেও প্রয়োজনে সহনশীলতার নীতি গ্রহণ করতে হয়। যারা নানাভাবে কূটনৈতিক ব্যর্থতার কথা বলছেন, তারা রাজনৈতিক কারণে একথা বলতেই পারেন। তবে ভাবা দরকার কূটনীতি জিনিসটা বরাবরই নির্দয়। আজকের দুনিয়ায় দেশের সঙ্গে দেশের বা অঞ্চলের সম্পর্কে জড়িয়ে থাকে ভূ-কৌশলগত রাজনীতি ও অর্থনৈতিক স্বার্থ। নৈতিকতা, মানবিকতার মতো বিষয়গুলো নিয়ে নাগরিক সমাজ যতই উদ্বিগ্ন হোক না কেন, শাসকের কাছে তখন সেটা গৌণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। মিয়ানমার প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এবং দেশটির ভূ-কৌশলগত অবস্থানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি যেমন একদিকে দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে, অন্যদিকে এটি ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরেরও একটি দেশ। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে স্থলপথে সংযোগ স্থাপনের যে কোনো চেষ্টা মিয়ানমারের ওপর দিয়ে হতে হয়। দেশটির সঙ্গে স্থল-সীমান্ত সম্পর্ক রয়েছে ভারত, চীন, বাংলাদেশ, লাওস ও থাইল্যান্ডের। এ রকম একটা দেশকে নিয়ে এশিয়ার দুই উদীয়মান শক্তি চীন ও ভারতের টানাপড়েন স্বাভাবিক। বিশেষত, মিয়ানমারসহ দক্ষিণ এশিয়া ও তার সংলগ্ন অঞ্চলে চীনের প্রভাব ক্রমবর্ধমান। ভারতকে সে ধীরে ধীরে আবদ্ধ করে ফেলছে। এই অবস্থায় সাউথ ব্লকের পক্ষে হাত গুটিয়ে থাকা অসম্ভব। সবাই নিজ নিজ স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে। বলার অপেক্ষা রাখে না, একটা দেশে যতই সংগঠিত জাতিগত নিধন চলুক, একুশ শতকের দুনিয়ায় পুঁজির স্বার্থ রক্ষা করাই কূটনীতির আসল ধর্ম। ওসব মানবিকতা নিয়ে ভাবার অবকাশ কোথায়! এই বাস্তবতা মেনে নিয়েই কূটনেতিক পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। মিয়ানমারের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার আন্দোলনের নেত্রী অং সান সুচি রোহিঙ্গা মুসলিমদের প্রতি সংঘটিত অন্যায় বৈষম্যের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন না। রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে বৌদ্ধ সন্ত্রাসী ও নিরাপত্তাবাহিনীর গণহত্যার বিষয়ে বরাবরই সুচি মুখে কুলুপ এঁটে আছেন। এই সমস্যা সংক্রান্ত কোনো প্রশ্নের জবাবও দিতে চান না তিনি। যেন দেশে বসবাসকারী দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গার মানুষের মতো বাঁচার অধিকারই নেই। যদিও আন্তর্জাতিক চাপে পড়ে সুর কিছুটা নরম করেছেন তিনি। সুচি কিছু বলছেন না, করছেন না, করবেনও না। কিন্তু বিশ্ব বিবেক কী করছে? কিংবা আমরাই বা কতটা কি করতে পারছি বা করতে পারি? মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে দেশ থেকে বিতাড়নের লক্ষ্যে সেদেশের সরকার ও বৌদ্ধ সংখ্যাগুরু জনগোষ্ঠীর পোড়ামাটি নীতি যে মানবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে তাতে বিশ্ব পরিসরের আলোচনাটা আরো জোরালো হওয়া দরকার। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সে দেশের সামরিক দমন নীতির প্রত্যক্ষ এবং তাৎক্ষণিক প্রভাবে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকা এখন বড় মানবিক সংকটের মুখে। ইতোমধ্যে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে ঢুকেছে এবং আরো লাখো অসহায় আশ্রয়প্রার্থী সীমান্ত দিয়ে আসার অপেক্ষায়। সামর্থ্য ও সক্ষমতা না থাকলেও বাংলাদেশকে তার সীমানা খুলে দিতে হয়েছে। এ দফায় যারা এলো তার আগে আরো পাঁচ লাখের মতো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবস্থান করছে। প্রায় তিন দশক ধরে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করছে বাংলাদেশে। মিয়ানমারে যখনই জাতিগত দাঙ্গা হয়েছে তখনই রোহিঙ্গারা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বেছে নিয়েছে এই দেশ। মিয়ানমারে সুপরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গা গণহত্যা চলছে। এটি বৌদ্ধদের সঙ্গে মুসলমানদের বিরোধ শুধু নয়, রোহিঙ্গাদের মধ্যে হিন্দুও আছে, তারাও একইভাবে নির্যাতিত হচ্ছে। এই মানবিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের কাছে গিয়েছে। সাধারণ অধিবেশন ও নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা হয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস মানবিক দুর্যোগ এড়ানোর জন্য পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বলতেই হবে, রোহিঙ্গা সমস্যা ইস্যুতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা শুরুর দিকে বোঝা না গেলেও এখন বেগবান হয়েছে। বাংলাদেশের পরীক্ষা এখন অনেক। একদিকে, ১০ লাখ বিপর্যস্ত হত দরিদ্র উদ্বাস্তুকে ব্যবস্থাপনায় রাখা, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনীতি বজায় রাখা। বলতে গেলে আমাদের কূটনীতির সবচেয়ে বড় পরীক্ষায় আজ দেশ উপনীত। বিপদের দিনের বন্ধু দেশ খোঁজার এক নতুন প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ। এসেছে ১৯৭৮, ১৯৯২, ২০১২-এ এবং আবার ২০১৭-তে দলে দলে রোহিঙ্গারা এসে ভরে গেল কক্সবাজার। মিয়ানমার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নির্মূল করতে চায় এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে গণহত্যা শুরু করেছে। তবুও দক্ষিণ সুদান, পূর্ব তিমুর কিংবা কসোভোর মতো সরব হতে পারছে না জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। বাংলাদেশ জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেছে। বাংলাদেশ শুরু থেকেই দ্বিপাক্ষিকভাবে সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করেছে। বিবেচনা করেছে মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক, ব্যবসা-বাণিজ্য। বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান চেয়ে আসছে। আবার আন্তর্জাতিকভাবেও এর সমাধানের দিকে যেতে চেয়েছে। কিন্তু মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের যে আচরণ, তাতে এটি আর দ্বিপাক্ষিকভাবে সমাধানের সুযোগ নেই। বাংলাদেশে পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আরো জোরালো প্রতিবাদ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থান নেয়া উচিত। আর সেই শক্ত অবস্থান নেয়ার সুযোগ এখন তৈরি হয়েছে। কারণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়টি প্রতিবাদ ও নিন্দার মুখে পড়ছে। তবে বাংলাদেশের জন্য পরিস্থিতি এতটা সহজও নয়। কোনো সন্ত্রাসী বা উগ্রপন্থিরা যেন বাংলাদেশে ঢুকতে না পারে, তাও দেখা। কারণ আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআই এবং উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসর সম্পর্কও নানা স্তরে উচ্চারিত। সাম্প্রতিক সমস্যার শুরু গত ২৪ আগস্ট। সেসময় রাখাইন রাজ্যের বিদ্রোহী রোহিঙ্গারা ২৪টি পুলিশ চেকপোস্টে সমন্বিত হামলা চালায় বলে দাবি করে মিয়ানমার সরকার। হামলার দায় স্বীকারও করে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)। পুলিশ পোস্টে হামলার পর রাখাইন রাজ্যে ব্যাপক অভিযান শুরু করে সরকারি বাহিনী, যার পরিণতি সাম্প্রতিক পরিস্থিতি। তবে এ কথাও ঠিক যে, ইসলামি জঙ্গিদের এমন দুএকটি বিচ্ছিন্ন আক্রমণের কথা বলে একটি দেশ আজকের এই সভ্য দুনিয়ায় এমন একটি মানবিক সংকট কি সৃষ্টি করতে পারে? আরসার সাম্প্রতিক দুই দফা হামলা হয়েছে একথা সত্য। কিন্তু মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নাগরিকত্বের ইস্যুটিই হচ্ছে আসল সমস্যা। কফি আনান কমিশনও বলেছিল, রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার স্বীকৃত হতে হবে এবং কফি আনান কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতেই বাংলাদেশ এবং বিশ্ব সম্প্রদায়কে সমাধান খুঁজতে হবে। রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশকে চাপে ফেলছে। বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিতে গিয়ে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। আবার মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় না দিয়েও উপায় থাকছে না। যারা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে তাদের ফেরত পাঠানো নিয়ে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়েও ২০০৫-এর পর থেকে নতুন কোনো প্রত্যাবাসন করতে পারেনি। বিষয়টি শুধু প্রত্যাবাসনের ব্যাপারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, রোহিঙ্গারা যে মিয়ানমারের নাগরিক তা প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে মিয়ারমার সরকারের ওপর চাপ দেয়ার ব্যাপারটি কোনো আমলেই করতে পারেনি বাংলাদেশ। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ভারত, চীনসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর এগিয়ে আসা জরুরি। রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীকে পাকিস্তান মদত ও বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এই সংকট সমাধানে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উভয় ধরনের কূটনীতিই জোরদার করতে হবে। আগেই যা বলেছি, চীন, ভারত ও রাশিয়া নিজ নিজ স্বার্থে মিয়ানমারের প্রতি কোমল দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখেছে। চীন অনেকটা আগ্রাসিভাবে মিয়ানমারের পক্ষে জাতিসংঘে ভেটো পর্যন্ত দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তার সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে চলেছে। উদীয়মান শক্তি চীনকে মোকাবিলা করতে যুক্তরাষ্ট্র চীনের ঘনিষ্ঠ মিত্র মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক চাচ্ছে। এছাড়া মিয়ানমারের প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদের আকর্ষণ তো আছেই। এমন এক বাস্তবতায় বাংলাদেশের কাছে একমাত্র পথ চীনসহ মিয়ানমারের ওপর প্রভাব বিস্তারকামী দেশগুলোকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরো সক্রিয় নীতি গ্রহণ করার উদ্যোগ নিতেই হবে। কেননা এই সমস্যা শুধু জনসংখ্যার সমস্যা নয়। বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা উপস্থিতি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক কাঠামো ভেঙে দিতে পারে, নতুন ধরনের জঙ্গি মনোভাবাপন্ন জনগোষ্ঠীর উত্থান ঘটাতে পারে, সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে বড় সংকট সৃষ্টি করতে পারে। লেখক: পরিচালক বার্তা, একাত্তর টিভি

কলাম
রোহিঙ্গা সংকট দ্বন্দ্বশিকলে বন্দি কূটনীতি

স্কুলব্যাগ নয়, শিক্ষা ডিজিটাল হোক

১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতা ছিল ২১ আগস্ট

আনন্দ এবং বেদনার কাহিনী

বাংলা ব্যাকরণ: রবীন্দ্রনাথের বিচারে

একটি বিস্ময়কর ঘটনা

 
 
All rights reserved. Copyright © 2017 ONLINE GBANGLANEWS || Developed by : JM IT SOLUTION
জি বাংলা নিউজ পোর্টালের কোন সংবাদ,ছবি, কোন তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া কপি বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।