||   ফেব্রুয়ারি থেকে ফের ১০ টাকা কেজির চাল      ||   ভাঙ্গায় নকল ধরার কারনে শিক্ষক কে পিটিয়ে আহত      ||   বিজয় দিবসে চার শো নিয়ে দিনাত জাহান মুন্নী      ||   সিলেটে ছিনতাই চক্রের তিন সদস্য আটক      ||   জিতে ঘুরে দাঁড়াতে চায় জাতীয় পার্টি      ||   মুকসুদপুরে ৪১২ পিচ ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার      ||   রাণীনগরে গভীর নলকূপের মিটার চুরির হিরিক ॥ মুক্তিপণে মিটার ফিরে পাচ্ছে গ্রাহকরা!      ||   ১৯ ডিসেম্বর ঢাকায় আসছে মিয়ানমারের ওয়ার্কিং গ্রুপ      ||   এক ছবিতে পরী-মাহি      ||   ট্রাকচাপায় স্কুলছাত্র নিহত      ||   নিউ ইয়র্কে বোমা হামলা : অভিবাসন আইন কঠোর চান ট্রাম্প      ||   প্রাইভেটকারের ধাক্কায় পথচারী নিহত      ||   আবারও ট্রফি হাতে শেষ হাসি মাশরাফির?      ||   দাকোপের দুই জেলে সুন্দরবনে গুলিবিদ্ধ      ||   দাকোপে সিবিজি সদস্যদের খাঁচায় মাছ চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন     

ফেব্রুয়ারি থেকে ফের ১০ টাকা কেজির চাল ভাঙ্গায় নকল ধরার কারনে শিক্ষক কে পিটিয়ে আহত বিজয় দিবসে চার শো নিয়ে দিনাত জাহান মুন্নী সিলেটে ছিনতাই চক্রের তিন সদস্য আটক
গোপালগঞ্জে কোচিং সেন্টারের রমরমা ব্যবসা
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: ৫/১২/২০১৭- গোপালগঞ্জ জেলা শহরের স্বনামধন্য দুটি বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি করিয়ে দিতে শতাধিক কোচিং সেন্টার রমরমা ব্যবসা পেতেছে। বিদ্যালয় দুটিতে ভর্তির শত ভাগ নিশ্চয়তার নামে মাত্র তিন সপ্তাহের জন্য কোনো কোচিং সেন্টার ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করছে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে কোচিং সেন্টারে পাঠদান। অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদের নিয়ে রাত-দিন ছুঁটছেন ওই সকল কোচিং সেন্টারের দিকে। সকাল, বিকাল কিংবা রাত ভাঙা ঘরের মধ্যে সন্তানরা কোচিংয়ে ব্যস্ত। আর বাইরে অভিভাবকরা বসে বা দাঁড়িয়ে থাকেন। কোচিং সেন্টারের পড়া শেষ হলে সন্তানদের সাথে করে ঘরে ফিরেন অভিবাবকরা। আগামী ২০ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জ জেলা শহরের দুটি বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ডাবল শিফটে এ দুটি বিদ্যালয়ের ৪৮০ সিটের বিপরীতে লড়বে জেলার কয়েক হাজার মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী। যে করেই হোক স্বপ্ন পূরণে শিক্ষার্থীদের সাথে সাথে লড়াইতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন অভিভাবকরাও। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার হরিদামপুর গ্রামের অভিভাবক নিপা মন্ডল, শহরের মিয়াপাড়া এলাকার মনিরুজ্জামান, ব্যাংক পাড়ার বাসিন্দা রুমি বেগমের মতে গোপালগঞ্জ শহরে মান সম্মত উচ্চ বিদ্যালয় বলতে এস এম মডেল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ও বীনাপানি সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। আর জেলা শহরের এ দুটি বিদ্যালয়ের দিকেই অভিভাবকদের নজর বেশি। যে করেই হোক তাদের সন্তানদের ওই দুটি বিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে হবে। তাদের বিশ্বাস একবার এখানে ভর্তি করাতে পারলেই সন্তানদের ভবিষৎ উজ্জল হবে। আর এই বিশ্বাসকে পুঁজি করে জেলার অধিকাংশ অভিভাবক তাদের সন্তানদের ওই দুটি স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য ছুটছেন কোচিং সেন্টারে। এ কারণে শহরে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে শতাধিক কোচিং সেন্টার। ওই সকল কোচিং সেন্টারের মালিকেরা শিক্ষার্থীদের স্কুলে ভর্তির নিশ্চয়তা দিয়ে শিক্ষার্থীদের এ সব কোচিং সেন্টারে পড়তে উৎসাহিত করে আসছেন। আর কোচিং সেন্টার গুলো তিন সপ্তাহের জন্য হাতিয়ে নিচ্ছেন মাথা পিছু ২ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোকলেসুর রহমান সরকার অভিভাবকেরা যাতে অশুভ ফাঁদে পা না দেন সে আহবান জানিয়ে বলেন, সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতেই ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এখানে অন্য কোন সুযোগ নাই বলেও জানান তিনি। জেলার অধিকাংশ শিক্ষার্থী হয়ে পড়ছে কোচিং নির্ভর। এতে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সাধনে পরোক্ষ ভাবে সৃষ্টি করা হচ্ছে প্রতিবন্ধকতা। এ অবস্থা থেকে আশু উত্তোরণ প্রয়োজন বলে মনে করছেন জেলার সচেতন মহল।

শিক্ষাঙ্গন
গোপালগঞ্জে কোচিং সেন্টারের রমরমা ব্যবসা

নোবিপ্রবির ৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার

 
 
All rights reserved. Copyright © 2017 ONLINE GBANGLANEWS || Developed by : JM IT SOLUTION
জি বাংলা নিউজ পোর্টালের কোন সংবাদ,ছবি, কোন তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া কপি বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।