উত্ত্যক্তের প্রতিবাদকারী বাবাকে কুপিয়ে হত্যার ৩ মাস পর মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফটবলের ফাইনাল জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন টুঙ্গিপাড়া ও মুকসুদপুর টেকনাফের চেয়ারম্যান বাড়ী থেকে ১৫ রোহিঙ্গা উদ্ধার রোহিঙ্গা সংকট দ্বন্দ্বশিকলে বন্দি কূটনীতি
||   উত্ত্যক্তের প্রতিবাদকারী বাবাকে কুপিয়ে হত্যার ৩ মাস পর মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার      ||   গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফটবলের ফাইনাল জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন টুঙ্গিপাড়া ও মুকসুদপুর      ||   টেকনাফের চেয়ারম্যান বাড়ী থেকে ১৫ রোহিঙ্গা উদ্ধার      ||   রোহিঙ্গা সংকট দ্বন্দ্বশিকলে বন্দি কূটনীতি      ||    রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতা বন্ধ করুন      ||   এমপি রানার জামিন স্থগিত      ||   গোপালগঞ্জে জাতীয় স্যানিটেশন মাসের র‌্যালী ও আলোচনা সভা      ||   গোপালগঞ্জে আমন ধানের উপর মাঠ দিবস      ||   টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ      ||   তিন মাস পর ফিরছেন খালেদা      ||   রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে আছে রাশিয়া ও চীন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী      ||   দেশের সব অর্জন আওয়ামী লীগের হাত ধরেই এসেছে: সিইসি      ||   বিপুল পরিমান কারেন্ট জাল ও মা ইলিশ জব্দ, আটক ৫      ||   নিখোঁজের একদিন পর ড্রেনে মিললো যুবকের লাশ      ||   মুকসুদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু       
স্কুলব্যাগ নয়, শিক্ষা ডিজিটাল হোক
মোস্তফা জব্বার: ৬/৯/২০১৭- স্কুলব্যাগের ওজন কমানোর জন্য সাধারণ প্রস্তাব হচ্ছে বইয়ের সংখ্যা কমানো। আমি মনে করি, প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় বইয়ের সংখ্যা কমানো গেলেও স্কুলব্যাগের ওজন কমানোটা ডিজিটাল যুগের সমাধান নয় বরং এখন দুনিয়ার সর্বত্র স্কুলব্যাগ উধাও করার প্রচেষ্টা চলছে। আমরা নিশ্চিত করেই জানি যে, ডেনমার্কের স্কুলে বই দিয়ে লেখাপড়া করানো হয় না। আমরা ডেনমার্কের শিশুদের জন্য সফটওয়্যার বানাতে গিয়ে দেখেছি যে, ওরা ওদের হাতে প্যাড বা ট্যাব তুলে দিয়েছে। সিঙ্গাপুরের ছেলেমেয়েরা আইপ্যাড দিয়ে পড়াশোনা করে। মালয়েশিয়ার স্মার্টস্কুলগুলোতে কাগজের বই কোনো প্রয়োজনীয় অনুসঙ্গই নয়। যুক্তরাজ্যের স্কুলগুলো সম্পর্কে দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় একটি খবর প্রকাশিত হয়েছিল। খবরটির অংশবিশেষ দেখেই বলা যাবে, ওজন কমানো নয়, ভারী ওজনের স্কুলব্যাগটাকে উধাও করাটাই সমাধান। আমরা নিজেরা কুয়োর ব্যাঙের মতো চারপাশটা দেখি বলে নিশ্চিত করে বলতে পারি না যে দুনিয়াতে কী ঘটছে। যুক্তরাজ্যের স্কুলগুলো নিয়ে প্রকাশিত খবরটির শিরোনাম; যুক্তরাজ্যের ৭০ শতাংশ বিদ্যালয়ে ট্যাবলেট। খবরটি এ রকম: যুক্তরাজ্যের প্রায় ৭০ শতাংশ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ট্যাবলেট কম্পিউটার। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নতুন প্রযুক্তির সুবিধা দিতে এবং শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তির সুবিধা নিতে ট্যাবলেট কম্পিউটার ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য। আর সে জন্যই বিদ্যালয়গুলোতে ট্যাবলেট কম্পিউটার দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি এক গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে। গবেষণার অংশ হিসেবে ৬৭১টি বিদ্যালয়ে জরিপ চালানো হয়। বিদ্যালয়গুলোতে ট্যাবলেটের এমন ব্যবহার বাড়ার ফলে প্রযুক্তির প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ যেমন বাড়ছে তেমনি বাসা এবং বিদ্যালয়ে প্রযুক্তির নানা সুবিধাও ব্যবহার করছে শিক্ষার্থীরা। বার্বি ক্লাক অব দ্য ফ্যামিলি, কিডস অ্যান্ড ইয়ুথ রিসার্চ গ্রুপের করা এ গবেষণায় বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের ৬৮ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৬৯ শতাংশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ট্যাবলেট কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় ৯ শতাংশ বিদ্যালয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি ট্যাবলেট ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে বিদ্যালয়ের বাইরে বাসায় প্রায় ৭০ শতাংশ তরুণ শিক্ষার্থী ট্যাবলেট কম্পিউটার ব্যবহার করে। শিক্ষার্থীদের ট্যাবলেট ব্যবহারের এমন হার ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বেশ সহায়তা করছে বলে জানিয়েছে গবেষক দল। যে হারে এ সংখ্যা বাড়ছে তাতে ২০১৬ সালের মধ্যে ট্যাবলেট ব্যবহারের সংখ্যা বেড়ে হওয়ার কথা নয় লাখ। এই বছরে সেটি মিলিয়ন অতিক্রম করে গেছে সেটি অস্বাভাবিক নয়। যুক্তরাজ্যের শিশুদের এই পরিসংখ্যান বস্তুত একটি ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থার রূপান্তরের দিকনির্দেশনা প্রদান করছে। ফোর্বসের ওয়েবসাইটে ডিজিটাল শিক্ষা নিয়ে অসাধারণ কিছু মন্তব্য পাওয়া গেছে। একটি মন্তব্য হচ্ছে, ৬০০ বছর আগে জার্মানির গুটেনবার্গ ছাপাখানা আবিষ্কার করে যে ধরনের বিপ্লব সাধন করেছিলেন শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর দুনিয়াটিকে সেভাবেই বদলে দেবে। এতেই বলা হয় যে, ডিজিটাল শিক্ষা এখন আর ডিজিটাল ক্লাসরুমে স্মার্ট বোর্ড, শিক্ষামূলক খেলা বা ক্লাসরুমের রূপান্তরই নয় বরং যেসব শিক্ষার্থী শিক্ষার সুযোগের বাইরে তাদের জন্যও এক অনন্য সুযোগ হতে পারে। প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশে আমরা কি স্কুলব্যাগটা গায়েব করার মতো অবস্থায় রয়েছি? বিষয়টি আমার মাথায় বহুদিন ধরে কাজ করছে বলে এর পরীক্ষা করার বিষয়টাও আমার মাথায় ছিল। ২০০০ সাল থেকেই আমি স্কুলের ক্লাসরুমে কম্পিউটার দিতে শুরু করি। তবে সেই সময়ে আমাদের দেশীয় উপাত্ত বা বাংলা ভাষার উপাত্ত না থাকার ফলে ক্লাসরুমে কম্পিউটার কোনো ঢেউ তুলতে পারেনি। বাধ্য হয়েই আমাকে কনটেন্ট তৈরিতে মনোযোগী হতে হয়েছে। ২০১৭ সালের শেষ নাগাদ চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত কনটেন্ট তৈরি করতে পারায় আমি ক্লাসরুমে কেবল কম্পিউটার বা প্রজেক্টর নয়, ছাত্রছাত্রীদের হাতে ডিজিটাল ডিভাইস প্রদান করতে শুরু করেছি। ২০১৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর নেত্রকোনার পূর্বধলার আরবান একাডেমির প্রথম শ্রেণীর ৩৯ জন শিশুর হাতে আট ইঞ্চি আকারের ৫০০ গ্রাম ওজনের ট্যাব তুলে দিয়েছিলাম। ওরা ওদের পাঠ্যবই সেই ট্যাবেই পায়। স্কুলব্যাগটাতে ভারী ওজনের বই তাদের বহন করতে হয় না। এক বছরের শেষ প্রান্তে ২০১৬ সালের নভেম্বরে আমরা স্কুলটির কর্তৃপক্ষ থেকে একটি প্রতিবেদন পেলাম। সেটি থেকে ধারণা নেয়া যেতে পারে যে, আমরা ব্যাগ ও কাগজবিহীন শিক্ষাব্যবস্থা চালু করতে পারছি কিনা। শিক্ষায় এর প্রভাব কেমন সেটিও তারা প্রকাশ করেছেন। প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক শিক্ষায় জ্ঞানসমৃদ্ধ সমাজ বিনির্মাণের অঙ্গীকার নিয়ে ২০১১ সালে নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলায় সম্পূর্ণ বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় নতুন ধারার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আরবান একাডেমি। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে শুরু থেকেই আরবান একাডেমি সরকার নির্ধারিত কারিকুলামের পাশাপাশি প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক শিক্ষার বিভিন্ন উপকরণ যেমন প্রজেক্টর ও শিক্ষামূলক কনটেন্ট ব্যবহার করে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। প্রাথমিক শিক্ষায় পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ হিসেবে বিজয় ডিজিটালের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও কারিগরি সহায়তায় আরবান একাডেমি ২০১৬ শিক্ষা বর্ষের প্রথম শ্রেণীর ৪০ শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেয় শিক্ষার অন্যতম আধুনিক উপকরণ মিনি ল্যাপটপ বা ট্যাব। প্রথম শ্রেণীতে বিজয় ডিজিটালের বিষয়ভিত্তিক কনটেন্ট বিজয় প্রাথমিক শিক্ষা-১ এর সহায়তায় ক্লাস পরিচালনা করা হয়ে থাকে। ক্লাসে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে রয়েছে কনটেন্টসমৃদ্ধ মিনি ল্যাপটপ ও কনটেন্ট উপস্থাপনায় শ্রেণী কক্ষে শিক্ষকের জন্য রয়েছে বৃহৎ আকারের ৪০ ইঞ্চি মনিটর ও ল্যাপটপ। ২০১৭ সালের শুরুতে পুরো এক বছরের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে আরবান একাডেমি একটি প্রতিবেদন পেশ করেছে। সেই প্রতিবেদনটির দিকে তাকানো যায়। প্রাথমিক শিক্ষায় পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ক্লাসরুম: আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রচলনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। প্রচলিত ও গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ভিন্ন আঙ্গিকে এটা বাস্তবায়ন যেমন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্দোলিত এবং উৎসাহিত করে ঠিক তেমনি এর সফল বাস্তবায়নেও রয়েছে অনেক চ্যালেঞ্জ। আরবান একাডেমির প্রথম শ্রেণীর ডিজিটাল ক্লাস পরিচালনার ফলে সকল দিক ও চ্যালেঞ্জগুলো পর্যালোচনা করে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ নিম্নে উপস্থাপন করা হলো। ডিজিটাল শিক্ষার ইতিবাচক দিক: আরবান একাডেমি নিজস্ব উদ্যোগে প্রথম শ্রেণীতে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ক্লাস চালুর ফলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে বেশকিছু সুবিধার ক্ষেত্র তৈরি হয় যা শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ডিজিটাল ক্লাস পরিচালনার অভিজ্ঞতায় বিভিন্ন পর্যায়ে এর সবল দিকগুলো নিম্নে উপস্থাপন করা হলো। ক) শিক্ষার্থী পর্যায়ে: ১) অডিও এবং ভিডিও কার্টুন/অ্যানিমেশনসমৃদ্ধ কনটেন্টের সহায়তায় পাঠ উপস্থাপনের ফলে প্রত্যেকটি ক্লাস শিক্ষার্থীদের কাছে বেশ আকর্ষণীয় হয় যাতে শিক্ষার্থীরা পাঠে অধিকতর মনোযোগী হচ্ছে। ২) নানান ধরনের মজাদার কনটেন্টের সহায়তায় পাঠ উপস্থাপন করায় ডিজিটাল ক্লাসে উপস্থিতি সাধারণ ক্লাসের চেয়ে অনেক বেশি হয়। ৩) শিক্ষার্থীরা সহজেই প্রাথমিক পর্যায়ের সাধারণ উপকরণ বিষয়ে ধারণা ও ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করতে পারছে। ৪) প্রাথমিক স্তরেই শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিভীতি কমে যাচ্ছে। ৫) সহজেই শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিবিষয়ক নিত্য-নতুন ধারণা লাভ করতে পারছে। ৬) সহজবোধ্য কনটেন্টের সহায়তায় শিক্ষার্থীরা অল্প সময়েই পাঠ আয়ত্ত করতে পারে। ৭) শিক্ষক-শিক্ষার্থী মিলে শ্রেণী কক্ষে সব সময় এক আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করে। ৮) শিক্ষার্থীদের সহজেই বাড়ির কাজ, সুন্দর হাতের লেখা ও অন্যান্য সহপাঠ ক্রমিক কাজে উদ্বুদ্ধ করা যায়। ৯) সহজেই শিক্ষক শ্রেণী কক্ষের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারেন। ১০) স্বল্প সময়েই শিক্ষার্থীদের বর্ণ ও শব্দের সঠিক উচ্চারণ এবং শুদ্ধ ভাষায় কথা বলানো শেখানো যায়। ১১) শিক্ষার্থীদের মাঝে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বৃদ্ধি পায়। ১২) সমভাবে ও অল্পসময়ে পাঠ/বিষয়বস্তু সব শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে যায়। ১৩) শিক্ষার্থীরা নিজেদের মূল্যায়ন নিজেরাই করতে পারে। ১৪) শিক্ষার্থীরা ভিশনারি হচ্ছে। ১৫) সাধারণ ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের শিক্ষার্থীরা অধিকতর মানসম্পন্ন শিক্ষা লাভের সুযোগ পাচ্ছে। ১৬) সাধারণ শিক্ষার্থীরাও অল্প সময়ে জড়তাহীনভাবে পাঠ গ্রহণে মনোযোগী হচ্ছে। ১৭) সব কারিকুলাম সহজে বহনযোগ্য। ১৮) শ্রেণী উপযোগী প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত শিক্ষামূলক কনটেন্ট সংগ্রহে রাখা যাচ্ছে। ১৯) ছোট ছোট ইংরেজি শব্দ বলার অভ্যাস বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০) শিক্ষামূলক গেমসের মাধ্যমে মেধাবিকাশের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ২১) অপ্রয়োজনীয় ও বিপথগামী হতে পারে এমন গেমস থেকে শিক্ষার্থীদের সঠিক পথে রাখার অভ্যাস গড়ে উঠছে। খ) শিক্ষক পর্যায়ে: ১) শিক্ষক সহজেই বিষয়বস্তু সব শিক্ষার্থীর নিকট সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারেন। ২) শিক্ষকরা অধিকহারে প্রাসঙ্গিক উদাহরণ দিয়ে ক্লাস পরিচালনা করতে পারেন। ৩) শিক্ষার্থীর মাঝে প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি করতে পারেন। ৪) সমভাবে ও অল্পসময়ে পাঠ/বিষয়বস্তু শিক্ষার্থীর মাঝে পৌঁছানো যায়। ৫) শিক্ষকদের পাঠ উপস্থাপনা সহজতর হয়। ৬) মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট শিক্ষকের সহায়ক হিসেবে কাজ করে। ৭) অল্প সময়ে সব শিক্ষার্থীকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা যায়। ৮) শ্রেণী উপযোগী অতিরিক্ত শিক্ষামূলক কনটেন্ট সংগ্রহে রাখা যায়। ৯) পর্যাপ্ত কো-কারিকুলাম/সহপাঠক্রমিক ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ১০) শিক্ষক শ্রেণী উপযোগী কনটেন্ট তৈরি করতে পারেন। ১১) সহজেই ক্লাসের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারেন। ১২) নিত্য-নতুন আপডেটেট বিষয়গুলো সহজেই সংগ্রহ করতে পারেন। ১৩) শিক্ষক প্রতিনিয়ত নিজেকে প্রশিক্ষিত করার সুযোগ পান। ১৪) ই-বুক ও ই-কনটেন্ট ব্যবহারে শিক্ষকদের পারদর্শিতা বৃদ্ধি পায়। নিজেরাও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করতে আগ্রহী হন। গ) প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে: ১) প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী নিজ নিজ পাঠে অধিকতর মনোযোগী হচ্ছে। ২) প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষা লাভের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। ৩) প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৫) বিভিন্ন পর্যায়ের পরিদর্শকের আগমনের ফলে নিত্য-নতুন ধারণা লাভের সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৬) সংশ্লিষ্টজনদের প্রতিষ্ঠানের প্রতি অধিকতর আস্থার মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে। ৭) প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও কমিউনিটিতে প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। ৮) আরবান একাডেমিকে সার্বিক বিবেচনায় একটি মানসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ৯) স্থানীয় কমিউনিটিতে প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১০) প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠানের বৃহত্তর পরিসরে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আরবান একাডেমির ইতিবাচক পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জগুলোও রয়েছে। আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ডিজিটাল করতে হলে এই চ্যালেঞ্জগুলোকেও মোকাবিলা করতে হবে। (সামনের পর্বে সমাপ্য) লেখক: তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, কলামিস্ট

কলাম
রোহিঙ্গা সংকট দ্বন্দ্বশিকলে বন্দি কূটনীতি

স্কুলব্যাগ নয়, শিক্ষা ডিজিটাল হোক

১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতা ছিল ২১ আগস্ট

আনন্দ এবং বেদনার কাহিনী

বাংলা ব্যাকরণ: রবীন্দ্রনাথের বিচারে

একটি বিস্ময়কর ঘটনা

 
 
All rights reserved. Copyright © 2017 ONLINE GBANGLANEWS || Developed by : JM IT SOLUTION
জি বাংলা নিউজ পোর্টালের কোন সংবাদ,ছবি, কোন তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া কপি বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।