ফেব্রুয়ারি থেকে ফের ১০ টাকা কেজির চাল ভাঙ্গায় নকল ধরার কারনে শিক্ষক কে পিটিয়ে আহত বিজয় দিবসে চার শো নিয়ে দিনাত জাহান মুন্নী সিলেটে ছিনতাই চক্রের তিন সদস্য আটক
||   ফেব্রুয়ারি থেকে ফের ১০ টাকা কেজির চাল      ||   ভাঙ্গায় নকল ধরার কারনে শিক্ষক কে পিটিয়ে আহত      ||   বিজয় দিবসে চার শো নিয়ে দিনাত জাহান মুন্নী      ||   সিলেটে ছিনতাই চক্রের তিন সদস্য আটক      ||   জিতে ঘুরে দাঁড়াতে চায় জাতীয় পার্টি      ||   মুকসুদপুরে ৪১২ পিচ ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার      ||   রাণীনগরে গভীর নলকূপের মিটার চুরির হিরিক ॥ মুক্তিপণে মিটার ফিরে পাচ্ছে গ্রাহকরা!      ||   ১৯ ডিসেম্বর ঢাকায় আসছে মিয়ানমারের ওয়ার্কিং গ্রুপ      ||   এক ছবিতে পরী-মাহি      ||   ট্রাকচাপায় স্কুলছাত্র নিহত      ||   নিউ ইয়র্কে বোমা হামলা : অভিবাসন আইন কঠোর চান ট্রাম্প      ||   প্রাইভেটকারের ধাক্কায় পথচারী নিহত      ||   আবারও ট্রফি হাতে শেষ হাসি মাশরাফির?      ||   দাকোপের দুই জেলে সুন্দরবনে গুলিবিদ্ধ      ||   দাকোপে সিবিজি সদস্যদের খাঁচায় মাছ চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন       
দাকোপের মাঠে মাঠে সোনালী ধান
জিএম,আজম,খুলনা প্রতিনিধি: ৪/১২/২০১৭- সময়টা অগ্রহায়ণ মাসের মাঝামাঝি। মাঠের পর মাঠ জুড়ে আছে সোনা রং। কয়েক সপ্তাহ আগেও সেখানে শোভা পাচ্ছিলো সবুজের সমারোহ। সেই সবুজ ধানের গাছের শীষ সোনা রং ধারণ করেছে। পোক্ত হয়েছে ধানের দানা, আর ভারী হয়ে পড়েছে ধান গাছের মাথা। গাছগুলো সোজা হয়ে ওজন সইতে পারছে না । তাই নিচের দিকে শুয়ে পড়ে রয়েছে দানাভর্তি ধানগাছের শীষ গুলো। সময়ের তালে শীতের তীব্রতাও একেবারে কম নয়। বিলের চারপাশটা থাকে অনেকটা কুয়াচ্ছন্ন। সকালের সোনালী রোদ্রের তালে ফোঁটা ফোঁটা পড়ে শিশির। এরমধ্যে দলবেধে আইল ধরে কৃষক ছুটছেন জমিতে। আগে কাটলে নিরাপদে বাড়িতে আসবে সোনালী ফসল। তাই দলবেধেই তারা কাস্তে হাতে নেমে পড়েন ক্ষেতে। ধান কেটে আঁটি বেধে রাখেন ক্ষেতের মধ্যে। সন্ধ্যার মুহূর্তে শুরু হয় সেই আঁটি বোঝা বেধেঁ মাথায় করে বাড়ি নেওয়ার পালা। এরপর সাঁজিয়ে রাখা হয় বাড়ির উঠোনে। এ কাজে গৃহীনিরা অগ্রণী ভমিকা পালন করেন। সরেজমিনে উপজেলার তিনটি পোল্ডার ঘুরে দেখা যায়, ৩২ নং ও ৩১ নং পোল্ডারে পাকা আমন কাটায় ব্যস্ত কৃষক-কৃষাণীরা। সুতারখালী, কামারখোলা ইউনিয়ন নিয়ে ৩২ নং পোল্ডার ও চালনা পৌরসভা, পানখালী, তিলডাঙ্গা ইউনিয়ন নিয়ে ৩১ নং পোল্ডার। তবে ৩৩ নং পেল্ডারে কিছু কিছু ব্লকে পাকা ধান কাটছে। ধানের ফলনও ভালো হয়েছে । খোনা গ্রামের কৃষক লিটন বাওয়ালী বলেন, বর্গা নিয়ে ২ বিঘা জমিতে বিআর-২৩ জাতের ধান চাষ করেছি। ধানের ফলন বেশ ভালো। ধান দেখে কাটতে ভালো লাগছ্।ে তিনি আরও জানায়, ধানের আঁটি উচুকরে অনুমান করছি ১০০ আঁটিতে ৫ মণের বেশি ধান হবে। সুতার খালী গ্রামের কৃষক আলামিন গাজী বলেন, ৭ বিঘা জমিতে আমন চাষ করেছি। বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে পঁচিশশ টাকা। তবে ধান কেটে দেখেছি ভালো হয়েছে। প্রতি বিঘা ১৭ থেকে ১৮ মণ করে ধান পাবো। চুনকুড়ি গ্রামের কৃষক শচীন্দ্রনাথ মন্ডল বলেন, এবার ২ বিঘা জমিতে ব্রি-৭৬ ও মোটা জাতের ধান লাগিয়ে ছিলাম। ফলনও ভালো হয়েছে। চলতি বছর অতি বৃষ্টির কারণে পানিতে ডুবে গিয়েছিল বীজতলা । ফসলহানির আশংকা করেছিলাম। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরেও ধানের বাম্পার ফলন দেখে খুশি আছি। ক্ষেত থেকে ধান কেঁটে বাড়ি নেওয়া শেষের পথে। উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও কৃষানী এ্যাড. শুভদ্রা সরকার বলেন, ধানের মাঠ দেখলে পরাণ জুড়িয়ে যায়। এ বছর আমন ধানের ফলন অন্য বছরের তুলনায় অনেক ভালো। কিছু ব্লকে ধান পেকেছে, আর কিছু ব্লকে এখনো কাঁচা আছে। তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সব ধান বাড়িতে তোলা হবে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের অন্তত ৩০ জন কৃষকের সাথে কথা বলে জানাযায়, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর আমন ফসল অনেকটাই ভালো। বৈরী আবহাওয়ার কারনে বীজতোলার বেশ সমস্যা হয়ে ছিল। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরেও মাঠে মাঠে ধানের ফলন ভালো। তারপর কোন সমস্যা দেখা গেলে উপজেলা কৃষি অফিসকে অবহিত করা হতো। কৃষি অফিস সঙ্গে সঙ্গে পরামর্শ দিয়ে সব সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করে। যে জন্য উপজেলার মাঠে মাঠে কৃষিতে বিল্পব ঘটেছে। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, ১৯ হাজার হেক্টর জমিতে এ বছর আমন চাষ করা হয়েছে। এরমধ্যে বিআর-২৩, ১০, ১১, ব্রি-৩০, ৪৯, ৫১, ৫২, ৭২, ৭৩, ৭৬, ৭৭ সহ স্থানীয় কিছু উচ্চ ও লবন সহনশীল জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। দাকোপ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন এ প্রতিবেদকে বলেন, আমন নির্ভর দাকোপে এখন নানান ফসলে শস্যভান্ডারে পরিণত হয়েছে। চলতি আমন মৌসুমে, গত বছরের তুলনায় এবছর ফসলের লক্ষমাত্রা ছাড়ানোর জন্য আমরা নতুন নতুন জাতের ধান দেই কৃষকদেও মাঝে। ফসল বৃদ্ধি ও পোকামাকাড়ের হাত থেকে রক্ষার জন্য বিভিন্ন মাঠের ধরন বুঝে নানা কর্মসূচি দিয়ে থাকি। শ্রমিক সংকট নিরসনের জন্য প্রযুক্তির যন্ত্র (ধান কাটার) কিনতে উৎসহ দিয়ে থাকি। কয়েক জন কৃষিক এ মেশিন ক্রয় করেছে। তিনি আরও বলেন, এখানকার খাদ্যের চাহিদা পূরণ করে, অনেক পরিমাণের ধান বাজারে বিক্রি করতে পারবে স্থানীয় কৃষকরা।#

ফিচার
সূর্য সংগ্রাম ক্লাবের মাসিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় কলাবাড়ী ইউনিয়নে একটি রাস্তার দাবি হাজারও মানুষের

দাকোপের মাঠে মাঠে সোনালী ধান

 
 
All rights reserved. Copyright © 2017 ONLINE GBANGLANEWS || Developed by : JM IT SOLUTION
জি বাংলা নিউজ পোর্টালের কোন সংবাদ,ছবি, কোন তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া কপি বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।