বরুণ-আনুশকার চমক নির্বাচন ছাড়া সরকার পরিবর্তন সম্ভব নয়: এরশাদ গোপালগঞ্জে ৮ দলীয় ভলিবলে বঙ্গবন্ধু ক্লাব চ্যাম্পিয়ন গোপালগঞ্জে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা ২০১৮ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং
||   বরুণ-আনুশকার চমক      ||   নির্বাচন ছাড়া সরকার পরিবর্তন সম্ভব নয়: এরশাদ      ||    গোপালগঞ্জে ৮ দলীয় ভলিবলে বঙ্গবন্ধু ক্লাব চ্যাম্পিয়ন      ||   গোপালগঞ্জে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা ২০১৮ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং      ||   মহাদেবপুরে নানা ফুলের সঙ্গে আমের মুকুলও সৌরভ ছড়াচ্ছে      ||   জেলখানা কোন ফাস্ট ক্লাস কেবিন নয়, যারা দন্ডপ্রাপ্ত হয় তাদেরকে সেখানে পাঠানো হয়----ফারুক খান      ||   গাইবান্ধায় সাংবাদিক জাভেদ হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে মানববন্ধন      ||   ৪৭ বছর পর কোটালীপাড়ায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ফলক      ||   মুকসুদপুরের ননীক্ষিরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী কেন্দ্র কমিটি গঠন      ||   গোপালগঞ্জের জলিরপাড় জে,কে,এম,বি মল্লিক স্কুল ছাত্রীর কৃতিত্ব      ||   এসএসসির হারানো আরও ৫০ খাতা উদ্ধার      ||   ইসরাইলি হামলায় আমরা সীমানা রক্ষা করব: মিশেল আউন      ||   আইপিএলের সূচি প্রকাশ      ||   আন্দোলনের অক্ষমতায় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিএনপি: কাদের      ||   রাণীনগরে বিধবাকে জবাই করে হত্যা ॥ পুত্র-পুত্রবধুসহ আটক -৩       
আজ ৭ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জ মুক্ত দিবস
এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ: ৭/১২/২০১৭- ৭ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জ মুক্ত দিবস। গোপালগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধাদের একটি গৌরবের দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ শহর পাক হানাদার মুক্ত হয়েছিল। এই দিনটি গোপালগঞ্জবাসীর কাছে আজও তাই স্মরণীয় ঘটনা ও শ্রেষ্ঠ এক স্মৃতি এবং আনন্দ ও উৎসবের দিন। এই দিনে সকালে সূর্য ওঠার সাথে সাথে বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে বিভক্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধারা শহরে প্রবেশ করেন। হাতে তাদের উদ্যাত রাইফেল ও বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত রক্ত লাল সূর্য সম্বলিত গাঁড় সবুজ জমিনের পতাকা। মুখে বিজয়ের হাঁসি। আজ আর শহরে হানাদার বাহিনী নেই। আজ এ শহর মুক্ত। আজ এ শহর সাহসী মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী মানুষের দখলে। এ যেন বন্দিত্ব মোচনের সুপ্রভাত। এ যেন মুক্তির অনাবিল সুখ। ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত হয় গোপালগঞ্জ শহর। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে গোপালগঞ্জের মিনি ক্যান্টনমেন্ট দুর্বল হয়ে পড়ে। টিকতে না পেরে ৬ ডিসেম্বর রাতে পাক সেনারা মিনি ক্যান্টনমেন্ট থেকে পালিয়ে ভাটিয়াপাড়া ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নেয়। ফলে গোপালগঞ্জ ৬ডিসেম্বর রাতেই শত্রু মুক্ত হয়। গোপালগঞ্জ, মাঝিগাতী, সুকতাইল, বৌলতলী, সাতপাড়সহ বিভিন্ন স্থানে পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ হয়। ৭ ডিসেম্বর শহর হানাদার মুক্ত দিবস এলেই মুক্তিযুদ্ধের এসব বীর সৈনিকেরা মুখর হয়ে ওঠেন স্মৃতিচারণায়। ফিরে যান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিময় দিন গুলোতে। রণাঙ্গনের সেই ভয়াল স্মৃতি, যুদ্ধ দিনের বিবরণ ও গৌরবময় বীরত্বগাথা স্মরণ করে হয়ে ওঠেন গর্বিত। তার আগে এই অঞ্চলে পাক বাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ লড়াই হয়। দিনটি পালন উপলক্ষে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয় বিভিন্ন কর্মসূচী। মুক্তিযোদ্ধা ও জনতার অংশ গ্রহনে একটি র‌্যালি বের করা হয়। জেলা প্রশাসক মোখলেসুর রহমান সরকারের নেতৃত্বে জেলা শিল্পকলা একাডেমী চত্বর থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও জনতার অংশ গ্রহনে র‌্যালিবের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। এ ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়। গোপালগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় ২৭ মার্চ থেকে। মুসলিম লীগ নেতাদের সহযোগিতায় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ৩০ এপ্রিল শহরে প্রবেশ করে। প্রথমেই তারা শহরের ব্যাংক পাড়ায় বঙ্গবন্ধুর বাড়ি (বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়) পুড়িয়ে দেয়। এরপর পাকিস্তানী সৈন্যরা ১০/১২টি দলে বিভক্ত হয়ে শহরের হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ির অবস্থান জেনে স্বর্ণপট্টি, সাহাপাড়া, সিকদারপাড়া, চৌরঙ্গী এবং বাজার রোডে লুটপাট করে। প্রায় এক হাজার ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়ে হত্যা আর নারী ধর্ষণ শুরু করে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাক হানাদাররা উপজেলা পরিষদের মিনি ক্যান্টনমেন্টে সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে হত্যা করে দেওয়া হয় গণকবর। ৬ ডিসেম্বর সূর্য উঠার সাথে সাথে বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে বিভক্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধারা শহরের দিকে আসতে থাকেন। চারিদিক থেকে মুক্তিযোদ্ধারা আক্রমণ শুরু করেন। ফলে পাক হানাদার বাহিনীর মনোবল ভেঙ্গে পড়ে। পাকসেনারা ৬ ডিসেম্বর গভীর রাতে গোপালগঞ্জ সদর থানা উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন জয় বাংলা পুকুর পাড়ের মিনি ক্যান্টমেন্ট ছেড়ে পালিযে যায়। ৭ ডিসেম্বর ভোরে গোপালগঞ্জে স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা উত্তোলন করেন মুক্তিযোদ্ধারা আর একই সাথে মুক্ত হয় গোপালগঞ্জ। ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জ শহর মুক্ত হওয়ায় সেদিনের সেই স্মৃতি আজো মুক্তিযোদ্ধাদেরকে তাড়িত করে। আজও তারা আনন্দে আলোড়িত হন।

সারা বাংলা
গোপালগঞ্জে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা ২০১৮ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং

গাইবান্ধায় সাংবাদিক জাভেদ হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে মানববন্ধন

৪৭ বছর পর কোটালীপাড়ায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ফলক

মুকসুদপুরের ননীক্ষিরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী কেন্দ্র কমিটি গঠন

গোপালগঞ্জের জলিরপাড় জে,কে,এম,বি মল্লিক স্কুল ছাত্রীর কৃতিত্ব

রাণীনগরে বিধবাকে জবাই করে হত্যা ॥ পুত্র-পুত্রবধুসহ আটক -৩

সুনামগঞ্জে জলমহাল দখল নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১

কাশিয়ানীতে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ১২৩ তম শাখার উদ্বোধন

গোপালগঞ্জে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল ভূমি নিবন্ধন

কোটালীপাড়া পৌরসভার ওয়ার্ড বিভক্তিতে অন্তহীন ত্রুটি

 
 
All rights reserved. Copyright © 2018 ONLINE GBANGLANEWS || Developed by : JM IT SOLUTION
জি বাংলা নিউজ পোর্টালের কোন সংবাদ,ছবি, কোন তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া কপি বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।