বরুণ-আনুশকার চমক নির্বাচন ছাড়া সরকার পরিবর্তন সম্ভব নয়: এরশাদ গোপালগঞ্জে ৮ দলীয় ভলিবলে বঙ্গবন্ধু ক্লাব চ্যাম্পিয়ন গোপালগঞ্জে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা ২০১৮ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং
||   বরুণ-আনুশকার চমক      ||   নির্বাচন ছাড়া সরকার পরিবর্তন সম্ভব নয়: এরশাদ      ||    গোপালগঞ্জে ৮ দলীয় ভলিবলে বঙ্গবন্ধু ক্লাব চ্যাম্পিয়ন      ||   গোপালগঞ্জে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা ২০১৮ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং      ||   মহাদেবপুরে নানা ফুলের সঙ্গে আমের মুকুলও সৌরভ ছড়াচ্ছে      ||   জেলখানা কোন ফাস্ট ক্লাস কেবিন নয়, যারা দন্ডপ্রাপ্ত হয় তাদেরকে সেখানে পাঠানো হয়----ফারুক খান      ||   গাইবান্ধায় সাংবাদিক জাভেদ হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে মানববন্ধন      ||   ৪৭ বছর পর কোটালীপাড়ায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ফলক      ||   মুকসুদপুরের ননীক্ষিরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী কেন্দ্র কমিটি গঠন      ||   গোপালগঞ্জের জলিরপাড় জে,কে,এম,বি মল্লিক স্কুল ছাত্রীর কৃতিত্ব      ||   এসএসসির হারানো আরও ৫০ খাতা উদ্ধার      ||   ইসরাইলি হামলায় আমরা সীমানা রক্ষা করব: মিশেল আউন      ||   আইপিএলের সূচি প্রকাশ      ||   আন্দোলনের অক্ষমতায় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিএনপি: কাদের      ||   রাণীনগরে বিধবাকে জবাই করে হত্যা ॥ পুত্র-পুত্রবধুসহ আটক -৩       
গোপালগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় আধুনিক পদ্ধতিতে ইক্ষু চাষে উৎসায়িত হচ্ছে কৃষক
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: ৭/১/২০১৮- গোপালগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় আধুনিক পদ্ধতিতে ইক্ষু চাষ করে সুফল পেতে শুরু করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। আগে ওই সব এলাকায় কৃষকরা সনাতন পদ্ধতিতে ইক্ষু চাষ করে আসছিলেন। আধুনিক ইক্ষুজাত ও ইক্ষু উৎপাদন প্রযুক্তি ব্যবহার না করে চাষাবাদ করায় এ সব এলাকায় ইক্ষুর ফলন কমে যায়। এতে তারা আর্থিক ভাবে কম লাভবান হতে থাকেন। ফলে কৃষকরা ইক্ষু চাষ হতে মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করেন। বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ইক্ষুজাত এবং ইক্ষু উৎপাদন কৌশল, প্রযুক্তি সমূহ চিনিকল বর্হিভুত ওই সব এলাকায় চাষীর জমিতে প্রয়োগ করে প্রদর্শনী স্থাপন ও কৃষকদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে কৃষকদের দৃষ্টি ভঙ্গি পাল্টে দিয়েছে। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পুকুরিয়া, চর পুকুরিয়া, সুলতানশাহী, তালা, মধুপুর ও সীমান্তবর্তী নড়াইল জেলার ডুমুরিয়া এলাকায় বিএসআরআই উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ইক্ষুজাত ও বিশুদ্ধ বীজ ব্যবহার করে ৪ থেকে ৫ গুন বেশী উৎপাদন পাচ্ছেন। ওই সব এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন ও চাষিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, যুগের পর যুগ ধরে তারা তাদের জমিতে ইক্ষু চাষ করে আসছেন। এখানে ইক্ষু ছাড়া অন্য কোন ফসল ভাল হয়না। অধিকাংশ জমিই উচু ও মাঝারী উঁচু। বন্যা বা বৃষ্টির পানি জমে না। এছাড়া ওই এলাকার মাটি দোআশ ও বেলে দোআশ। ফলে জমি ইক্ষু চাষের জন্য উপযোগী। উত্তর ডুমুরিয়া গ্রামের ইক্ষু চাষি হেমায়েত উদ্দিন মোল্লা (৬০) বলেন, বাব- দাদার আমল থেকে আমরা ইক্ষু চাষ করে আসছি। ভাল বীজ না লাগানোর কারনে ইক্ষু গুলো সরু ও রোগাক্রান্ত হয়ে পড়তো। রস শুকিয়ে যেত। আমরা ইক্ষু চাষ করে লাভের মুখ দেখছিলাম না। এক পর্যায় জমি পতিত রাখবো বলে সিদ্ধান্ত নেই। বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষনা ইনসিইটউট (বিএসআআই) রোগ তত্ত্ব বিভাগের পরামর্শে ও কৃষি গবেষনা ফাউন্ডেশনের কারিগরি ও আর্থিক সহয়তায় জমিতে ৪১ ও ৩৭ জাতের শোধনকৃত ইক্ষু বীজ রোপন করি। আমি আগে যে ফলন পেতাম বর্তমানে ওই জমিতে ৪-৫ গুন বেশী ফলন পাচ্ছি। একই গ্রামের ইমারেত মুন্সি (৬২) বলেন, দুই বিঘা (৫২ শতাংশ বিঘা) জমিতে তিনি ইক্ষু চাষ করেছেন। সনাতন পদ্ধতিতে চাষ করে আগে তার বিঘা প্রতি ব্যয় হতো ৫/৬ হাজার টাকা। ইক্ষু বিক্রি করতেন ১০/১২ হাজার টাকা। খুবই সামান্য লাভ হতো। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করতে সেচসহ প্রতি বিঘা জমিতে তার সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। অথচ তিনি ফলন পেয়েছেন প্রায় এক লক্ষ টাকার। উত্তর ডুমুরিয়া গ্রামের আব্দুল খালেক মোল্লার (৭০) সাথে কথা বলে জানা যায়, আমরা লাঙ্গলের ফলা দিয়ে নালা তৈরী করতাম। শোধনকৃত বীজ রোপন করতাম না। কখন কি সার প্রয়োগ করতে হবে জানতাম না। প্রতি বছর একই বীজ লাগাতাম। আমাদেরকে প্রশিক্ষন দেওয়া হয়েছে। এখন কোদাল দিয়ে ৮-৯ ইঞ্চি গভীর নালা তৈরী করে শোধনকৃত বীজ রোপন করি। মাত্রানুযায়ি টিএসপি, জিপসাম, জিঙ্কসালফেট এবং এমপি সার চারা রোপনের পূর্বে নালায় প্রয়োগ করে ভালভাবে মাটির সাথে মিশিয়ে দেই। ফলে ইক্ষু গাছগুলো স্বাস্থ্যবান হচ্ছে। রোগ বালাই থেকে নিরাপদ রাখা সম্ভব হচ্ছে। ইক্ষুচাষী দাউদ আলী মোল্লা (৭০) জানান, আমরা কেবলই চাষী নই। আমরা ইক্ষু দিয়ে গুড়ও তৈরী করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করি। এবার আমার ৪৬ শতাংশ জমিতে ইক্ষু লাগিয়েছি। আগে ওই জমিতে তার পাট হতো। পানির সমস্যর কারনে জমিতে ভাল পাট হয়না। আগে সামন্য কিছু জমিতে ইক্ষু লাগাতাম। এবার তিনি তার সিদ্ধান্ত পাল্টিয়েছেন। ইতোমধ্যে উন্নত জাতের ইক্ষু চাষের জন্য প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তিনি। ইক্ষু চাষ করে তিনি লাভবান হতে পারবেন বলে তার প্রত্যাশার কথা জানান। বাংলাদেশ সুগার ক্রোপ গবেষনা ইনস্টিটিউট-বিএসআরআই, ঈশ্বরদী, পাবনার রোগ তত্ত্ব বিভাগের প্রধান ও প্রকল্প কো-অর্ডিনেটর ড. মোঃ শামসুর রহমান বলেন, বেশী ফলন পেতে বাংলাদেশের যে সকল এলাকায় ইক্ষু চাষ হয় সে সব এলাকায বিশুদ্ধ বীজ রোপন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রতি তিন বছর অন্তর শোধন করা রোগ মুক্ত বীজ প্রতিস্থান করতে হবে। তবে ফলনটি আশানুরূপ হবে এবং সনাতন পদ্ধতিতে চাষ করে যে ফলন পাওয়া যেত-তা থেকে চার-পাঁচ গুন ফলন বেশী পাওয়া যাবে। কৃষকরা ইক্ষ চাষে উৎসায়িত হবে। চিনি আমদানী হ্রাস পাবে ।

ভিন্ন খবর
মহাদেবপুরে ৫ ভাইয়ের ফুলের প্রতি ভিন্নরকম ভালবাসা

গোপালগঞ্জে রেডক্রিসেন্টের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

ফরিদপুরে এবি ব্যাংকের সৌজন্যে শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরণ

মুকসুদপুরে শীতার্তদের মাঝে মুকুল বোসের কম্বল বিতরণ

মহাদেবপুরে ব্যাক্তি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

গোপালগঞ্জে বিনামূল্যে চক্ষু ও স্বাস্থ্য ক্যাম্প

গোপালগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় আধুনিক পদ্ধতিতে ইক্ষু চাষে উৎসায়িত হচ্ছে কৃষক

র‌্যাব-৮ ফরিদপুর ও রাজবাড়ী বাসীর আর্শিবাদ

বগুড়ায় দৈনিক ইত্তেফাকের ৬৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

গোপালগঞ্জ চক্ষু হাসপতালের রেটিনা বিভাগের উদ্বোধন

 
 
All rights reserved. Copyright © 2018 ONLINE GBANGLANEWS || Developed by : JM IT SOLUTION
জি বাংলা নিউজ পোর্টালের কোন সংবাদ,ছবি, কোন তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া কপি বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।