ঢাকা , রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ , ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলা‌দেশ‌কে দাতা-গ্রহীতার দৃষ্টিকোণ থেকে দে‌খে না ইইউ : মাইকেল মিলার জনগণ শান্তিতে ঘুমাতে না পারলে সেই সরকারের দরকার নেই: জামায়াত আমির ৩ মাসের বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা, হিসাব শুরু কাল নতুন পে-স্কেলের হিসাব শুরু সোমবার, বেতন পেতে আইবাস++ ‘পে ফিক্সেশন’ করবেন যেভাবে জনগণকে শান্তি দিতে না পারলে সেই সরকারের দরকার নেই: শফিকুর রহমান সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে অভিযান জনগণ অন্ধ নয়, সবকিছু দেখছে: ডা. শফিকুর রহমান অক্টোবরের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়াসহ বেতন পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা মাল্টার দাম ৫২০ টাকা কেন, ব্যাখ্যা চেয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে আখতারুজ্জামানকে মুক্তি দিন: গোলাম পরওয়ার ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জনগণকেও দায়িত্ব নিতে হবে: প্রতিমন্ত্রী হাবিব দাবার বোর্ড হতে চাই না, আমরা আমাদের নিজেদের শর্তে খেলতে চাই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাকিবের সিনেমায় এবার পাকিস্তানি নায়িকা ‘আমি আওয়ামী লীগার না’— বলেই হেলমেট ছুড়ে ফেললেন আখতারুজ্জামান ঢাকার সাবরেজিস্টারদের পোস্টিংয়ে লটারি ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনীতিই গড়ে তুলতে পারে শক্তিশালী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে ইনভেস্টমেন্ট হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী ‘মোদি আমার বন্ধু হয়েও প্রশ্ন তোলেন ইউক্রেনের যুদ্ধে’! মেসির মালিকানায় প্রথম ম্যাচেই এলদেনসের বড় জয় ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় জমা পড়া সেরা কয়েকটি ছবি

সংস্কারের কথা বলে ইট তুলে নিলেন চেয়ারম্যান, চার মাসেও শুরু হয়নি কাজ

  • আপলোড সময় : ০৩-১০-২০২৬ ০৯:৫৯:২২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৩-১০-২০২৬ ০৯:৫৯:২২ পূর্বাহ্ন
সংস্কারের কথা বলে ইট তুলে নিলেন চেয়ারম্যান, চার মাসেও শুরু হয়নি কাজ

সংস্কারের কথা বলে রাস্তার পুরোনো ইট তুলে নেওয়ার চার মাস পেরিয়ে গেলেও নতুন করে কাজ শুরু হয়নি। বৃষ্টিতে ইটবিহীন সড়কের বিভিন্ন স্থানে জমেছে কাদাপানি। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন যশোরের মণিরামপুর উপজেলার বাকোশপোল গ্রামের বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঈদুল আজহার আগে নতুন করে রাস্তার কাজ শুরু হবে—এমন কথা বলে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নিস্তার ফারুক প্রায় ৭০০ ফুট রাস্তার পুরোনো ইট তুলে নেন। এরপর আর সংস্কারকাজ শুরু হয়নি। স্থানীয়ভাবে এখন বলা হচ্ছে, নির্বাচন শেষ না হলে কাজ শুরু হবে না।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মণিরামপুর উপজেলা সদরের বাকোশপোল গ্রামের সিদ্দিক মোড়ের অদূরে গয়েশপুর নিমতলা মোড়ের দিকে যাওয়া ইটের সলিং রাস্তার আব্দুল কাদের চৌকিদারের বাড়ি থেকে গোবিন্দ মাস্টারের বাড়ি পর্যন্ত অংশের পুরোনো ইট তুলে নেওয়া হয়েছে। ইট না থাকায় বৃষ্টির পানি জমে রাস্তার বিভিন্ন অংশ কাদায় পরিণত হয়েছে। এতে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঈদুল আজহার আগে রাস্তার নতুন কাজ শুরু হবে বলে তাদের জানানো হয়েছিল। সে অনুযায়ী পুরোনো ইট তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও নতুন সলিংয়ের কাজ শুরু হয়নি। ফলে বর্ষায় রাস্তার ওই অংশ দিয়ে চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় মণিরামপুর উপজেলার শ্যামকুড়, হেলাঞ্চি ও বাকোশপোল গ্রামে মোট ১ দশমিক ৯৮০ কিলোমিটার রাস্তা হেরিং বন্ড (এইচবিবি) সলিংয়ের কাজের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। এক কোটি ৪৬ লাখ ৭০ হাজার ৫১০ টাকা চুক্তিমূল্যে কাজটি পায় বাঘারপাড়া উপজেলার মেসার্স তন্নি এন্টারপ্রাইজ। প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী আবু হুরায়রা।

চুক্তি অনুযায়ী, গত ৩১ মার্চ কাজ শুরু করে ১০ জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হেলাঞ্চি ও শ্যামকুড় এলাকার কাজ শেষ করলেও বাকোশপোল গ্রামের আব্দুর রশিদের বাড়ি থেকে আব্দুল গফুরের বাড়ি পর্যন্ত ৬৫০ মিটার অংশের কাজ এখনো শুরু করেনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পিআইও দপ্তরের যথাযথ তদারকির অভাব ও ঠিকাদারের অবহেলার কারণে নির্ধারিত সময়েও কাজ শেষ হয়নি। অন্যদিকে পুরোনো ইট তুলে নেওয়ায় রাস্তার বর্তমান অবস্থায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

পুরোনো ইট তুলে নেওয়ার বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নিস্তার ফারুক বলেন, বাকোশপোলের ওই রাস্তার এইচবিবি সলিংয়ের টেন্ডার হওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদের করা পুরোনো সলিংয়ের প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ ফুট ইট তুলে নেওয়া হয়েছে। কিছু ইট অন্য কাজে ব্যবহার করা হয়েছে এবং কিছু পরিষদে স্তূপ করে রাখা আছে।

কাজ শুরু না হওয়ার বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ইট তুলে নেওয়ার পর বৃষ্টির কারণে ঠিকাদার কাজ করতে পারেননি। তিনি কয়েকবার ঠিকাদার ও পিআইও দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে কাজ শেষ করার তাগিদ দিয়েছেন। তবে এখনো কাজ শুরু না হওয়ায় তিনিও সমস্যায় পড়েছেন বলে জানান।

ঠিকাদার আবু হুরায়রা বলেন, মণিরামপুরে তিনটি রাস্তার মধ্যে দুটির কাজ শেষ হয়েছে। বৃষ্টির কারণে বাকোশপোলের রাস্তার কাজ করা সম্ভব হয়নি। দ্রুত সেখানে কাজ শুরু করা হবে।

তবে সরকারি প্রকল্পের নির্ধারিত সময়সীমা এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। মণিরামপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সেলিম খান বলেন, ঠিকাদারকে জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার সময় দেওয়া হয়েছিল। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি আর সময় বাড়ানোর আবেদন করেননি। ঠিকাদারকে কাজ শেষ করতে তাগাদা দেওয়া হচ্ছে। কাজ শেষ না করলে বিল দেওয়া হবে না।


নিউজটি আপডেট করেছেন : gbanglanews

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা হওয়া উচিত: রাশেদ খান

আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা হওয়া উচিত: রাশেদ খান