ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ দলের দুই নেতাকে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১০ অক্টোবর) আটক হওয়া অন্য দুই নেতা হলেন সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকা।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভে যোগ দিতে তাঁরা রাজধানীতে পৌঁছেছিলেন। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
দিল্লিতে যাওয়ার আগে দীপকে জানিয়েছিলেন, বিক্ষোভে অংশ নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার হলেও তিনি প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, নিরাপত্তার বিধিনিষেধ আরোপ করে সাধারণ মানুষকে বিক্ষোভে যোগ দেওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করছে সরকার।
নিরাপত্তাবাহিনীর ব্যাপক মোতায়েন এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন দীপকে। তাঁর অভিযোগ, সরকারের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব তরুণ ও সাধারণ নাগরিকদের ভয় পাচ্ছে সরকার।
সিজেপির বিক্ষোভের আগে দিল্লিজুড়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে পুলিশ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে এ বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। তবে বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
পুলিশের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লি পুলিশ আইনের ৬৫ নম্বর ধারায় অন্তত ৬০০ জনকে আটক করা হয়েছে। বিক্ষোভ ঘিরে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
শনিবার সকাল ৬টা থেকে দিল্লির বিভিন্ন সড়কে কঠোর ট্রাফিক বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থানে যান চলাচলের পথ পরিবর্তন, ব্যারিকেড স্থাপন এবং গাড়ি তল্লাশির ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি মেট্রো পরিষেবায় বিধিনিষেধ, একাধিক ট্রেন বাতিল এবং রাজধানীর কিছু এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার খবরও প্রকাশিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক