ঢাকা , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ , ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যে অভিযান গোয়েন্দা সিনেমাকেও হার মানিয়েছে অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তার বিষয়ে যা জানাল ডিবি পরাজিত শক্তি দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের ষড়যন্ত্র করছে: রিজভী নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে ‘জিরো টলারেন্স’ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই নারী শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে পরিবারসহ সবাইকে সচেতন হতে হবে: রাষ্ট্রপতি ইউপি নির্বাচন শুরু ২১ জানুয়ারি, পাঁচ ধাপে ভোটের পরিকল্পনা দিল্লিতে রেড অ্যালার্ট জারি লালমনিরহাট সীমান্তে ২ লাখ ৯ হাজার টাকার মাদকসহ আটক ২ মাস্কের এক পোস্টেই টালমাটাল আম্বানির সাম্রাজ্য মদসহ দম্পতি আটক তালা ভেঙে চুয়েটের প্রশাসনিক ভবনে নতুন উপাচার্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ গোসাইরহাটে মা ইলিশ সংরক্ষণে কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযান সরানো হচ্ছে সচিবালয়, ব্যয় হবে ৩৫০০ কোটি টাকা রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হুতিদের হামলা, পাকিস্তানি নাগরিক নিহত এআই নিয়ে শায়েখ সুদাইসের সতর্কবার্তা ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নেওয়া প্রকল্পগুলোর অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তের সুপারিশ সুলতানপুর সীমান্তে ৫৮ লাখ ৯১ হাজার টাকার ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য জব্দ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে প্রভোস্ট সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন রূপপুরে প্রথমবারের মতো সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া

জানা গেল অভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুর আসল কারণ

  • আপলোড সময় : ১১-১০-২০২৬ ১০:৩৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-১০-২০২৬ ১০:৩৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
জানা গেল অভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুর আসল কারণ

ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর ৮ অক্টোবর ভোরে গোয়ার নিজ বাসভবনে মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর পানাজি থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা করা হয়। পরে বাম্বোলির গোয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনার দিন ভোরে গোয়ার ডোনাপাওলার বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন নানা পাটেকর। তাঁকে দ্রুত মণিপাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।

‘ক্রান্তিবীর’, ‘প্রহার’, ‘আব তক ছাপ্পান’ এবং মারাঠি চলচ্চিত্র ‘নটসম্রাট’-এর মতো সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন নানা পাটেকর। তীব্র সংলাপ উপস্থাপন ও বৈচিত্র্যময় অভিনয়ের জন্য হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে তিনি বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেন।

১৯৭৮ সালে ‘গমন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তাঁর। পরে ‘সালাম বোম্বে’ ও ‘পারিন্দা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘আঙ্গার’, ‘তিরঙ্গা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘অগ্নিসাক্ষী’, ‘খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল’, ‘যশবন্ত’, ‘অপহরণ’ ও ‘রাজনীতি’।

১৯৯১ সালে ‘প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পরিচালক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেন নানা পাটেকর। হিন্দি চলচ্চিত্রের পাশাপাশি মারাঠি সিনেমা ও মঞ্চনাটকেও তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। শিল্প-সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে তাঁকে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রীতে ভূষিত করা হয়।

চলচ্চিত্রের বাইরেও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। ‘নাম ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে খরাপ্রবণ অঞ্চলের কৃষক ও গ্রামীণ মানুষের সহায়তায় কাজ করেছেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : gbanglanews

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
যে অভিযান গোয়েন্দা সিনেমাকেও হার মানিয়েছে

যে অভিযান গোয়েন্দা সিনেমাকেও হার মানিয়েছে