আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বিদেশে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট কোনো বক্তব্য দিলে সেটি গণমাধ্যম বা অন্য কোনো মাধ্যমে প্রচার করা আদালতের নির্দেশনা লঙ্ঘনের শামিল হবে। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে সরকার প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
তিনি বলেন, "আগাম কেউ যদি জানায় যে কালকে বক্তব্য দেওয়া হবে এবং সেটি প্রকাশ করে, তাহলে সেটিও আদালতের আদেশ লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। এ বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নেব।"
তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, এর আগেও সরকার এ বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছিল। এবারও সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার বিষয়ে পুনরায় সতর্ক করা হবে।
তিনি বলেন, "আমরা আগেও একটি সতর্কতা দিয়েছিলাম। যারা বিষয়টি করেছেন, তাদের ব্যাপারেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এবারও আমরা স্মরণ করিয়ে দেব, কেউ যেন এ ধরনের কাজ না করেন এবং আদালতের নির্দেশনা মেনে চলেন।"
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার আদালতের বিকল্প নয়; বরং আদালতের দেওয়া আদেশ বাস্তবায়ন করাই সরকারের দায়িত্ব। কেউ যদি মনে করেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া উচিত নয়, তাহলে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়ে আইনগতভাবে আদেশটি চ্যালেঞ্জ করতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, আদালতের আদেশ বহাল থাকা পর্যন্ত তা মেনে চলা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সরকার আদালতের সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবারও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে বলেও জানান তথ্য উপদেষ্টা।
স্টাফ রিপোর্টার