ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ , ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফাইনালের আগে বাবরকে নিয়ে উদ্বিগ্ন নন পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ গুরুদাসপুর থানার ওসি প্রত্যাহার, মামলা তদন্ত করবে ডিবি মিষ্টি আলুতে মিলবে চোখের সুরক্ষা, জানুন আরও ১০ গুণ ওষুধ নয়, জলপাই তেলেই কি কমবে ডায়াবেটিস? গবেষণা যা বলছে ইনস্টাগ্রামে দেখা যাবে ৯০ মিনিটের ভিডিও, আসছে নতুন ফিচার ব্যালন ডি’অর হাতছাড়ার পর ইয়ামাল, ‘একদিন আমার সময়ও আসবে’ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়েও কি ক্ষমতায় থাকছেন নেতানিয়াহু? নায়ক মান্নার ব্যবহৃত গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে রূপপুরের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম কত হতে পারে? খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে আইন বাস্তবায়নের ওপর জোর দিলেন প্রতিমন্ত্রী উত্তপ্ত অরুণাচল, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী পাঠিয়েছে ভারত প্রথম টেস্টের আগে মুশফিকের চোট, লিটনকে নিয়ে কী বললেন শান্ত? প্রচারণার শেষ দিনে আবেগঘন বার্তা মির্জা ফয়সল আমিনের হঠাৎ অরুণাচলে উড়োজাহাজে আনা হলো দাঙ্গা দমন বাহিনী আইজিপির ক্রসফায়ার ফেরানোর বক্তব্যে বিব্রত সরকার: রিজভী ৬৯ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি, সে রেকর্ড এখন এমবাপ্পের ঢাকা-চট্টগ্রামের একাংশ হঠাৎ বিদ্যুৎহীন ভেজাল খাদ্য ও স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি বন্ধ না হলে মৃত্যুর মিছিল থামবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সংসদের নিম্নকক্ষের মেয়াদ চার ও উচ্চকক্ষের মেয়াদ ছয় বছর করার প্রস্তাব সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে জানতে চায় সংসদীয় কমিটি

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই খাবার

  • আপলোড সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ১২:৫০:০২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ১২:৫০:০২ অপরাহ্ন
হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই খাবার

বিশ্বে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হৃদরোগ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বা হৃদযন্ত্র ও রক্তনালির রোগ বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর প্রধান কারণ। ২০২২ সালে আনুমানিক ১ কোটি ৯৮ লাখ মানুষ হৃদ্‌রোগজনিত কারণে মারা যান, যা বিশ্বব্যাপী মোট মৃত্যুর প্রায় ৩২ শতাংশ। এর মধ্যে প্রায় ৮৫ শতাংশ মৃত্যু হয়েছে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের কারণে।

তবে জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন এনে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। এর মধ্যে নিয়মিত ফল ও সবজি খাওয়া অন্যতম সহজ ও কার্যকর উপায়। এসব খাবারে ভিটামিন, খনিজ, খাদ্যতন্তু ও প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা হৃদযন্ত্র ও রক্তনালির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে।

সম্প্রতি কার্ডিওভাসকুলার ইনোভেশন অ্যান্ড অ্যাপলিকেশন জার্নালে প্রকাশিত একটি পর্যালোচনামূলক গবেষণায় ফল ও সবজির সঙ্গে হৃদস্বাস্থ্যের সম্পর্কের বিষয়টি উঠে এসেছে।

গবেষণায় কী পাওয়া গেছে?

গবেষকরা ফল ও সবজি হৃদস্বাস্থ্যের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলে, সে বিষয়ে আগে প্রকাশিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণার তথ্য পর্যালোচনা করেছেন। এতে দেখা গেছে, যারা তুলনামূলক বেশি ফল ও সবজি খান, তাদের হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ফল ও সবজি একাধিক উপায়ে হৃদযন্ত্রকে সুরক্ষা দিতে পারে। অর্থাৎ, এগুলো শুধু একটি নির্দিষ্ট ঝুঁকি কমায় না; বরং হৃদরোগের সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক ঝুঁকির কারণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

কীভাবে হৃদযন্ত্রকে সুরক্ষা দেয়?

ফল ও সবজিতে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান হৃদযন্ত্র ও রক্তনালির জন্য উপকারী। এর মধ্যে রয়েছে—

খাদ্যতন্তু বা ফাইবার:
ফাইবার শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল শোষণ কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি হজমশক্তি ভালো রাখা এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতেও সহায়ক।

পটাশিয়াম:
পটাশিয়াম শরীরে সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট:
ভিটামিন সি ও ই, ফ্ল্যাভোনয়েড এবং ক্যারোটিনয়েডের মতো উদ্ভিদজাত উপাদান অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের কারণে রক্তনালির ক্ষতি থেকে শরীরকে সুরক্ষা দিতে পারে।

প্রদাহ কমাতে সহায়ক উপাদান:
দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের সঙ্গে হৃদরোগের সম্পর্ক রয়েছে। ফল ও সবজিতে থাকা বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়তা করতে পারে।

প্রাকৃতিক নাইট্রেট:
পালং শাক ও বিটরুটের মতো সবুজ শাকসবজিতে প্রাকৃতিক নাইট্রেট থাকে। এগুলো রক্তনালির কার্যকারিতা উন্নত করতে এবং স্বাস্থ্যকর রক্তচাপ বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে।

ফল ও সবজি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

অনেক ফল ও সবজিতে প্রাকৃতিকভাবে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এগুলো রক্তনালি শিথিল করতে এবং রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।

অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবারের পরিমাণ কমিয়ে খাদ্যতালিকায় ফল ও সবজির পরিমাণ বাড়ালে সময়ের সঙ্গে রক্তচাপ আরও স্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রাখা সম্ভব হতে পারে।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণেও উপকারী

ফল ও সবজিসমৃদ্ধ খাদ্যাভ্যাস কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সহায়তা করতে পারে।

আপেল, কমলা, নাশপাতি এবং ডালজাতীয় খাবারে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল কমাতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে প্রক্রিয়াজাত খাবার ও অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবারের পরিবর্তে তাজা ফল ও সবজি খেলে হৃদস্বাস্থ্যের জন্য আরও উপকার পাওয়া যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা হৃদস্বাস্থ্যের সর্বোচ্চ উপকার পেতে ফল ও সবজির পাশাপাশি পূর্ণ শস্য, বাদাম, ডালজাতীয় খাবার এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি খাদ্যতালিকায় রাখার পরামর্শ দেন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : M Mehedi Hasan Arif

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ফাইনালের আগে বাবরকে নিয়ে উদ্বিগ্ন নন পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ

ফাইনালের আগে বাবরকে নিয়ে উদ্বিগ্ন নন পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ