ঢাকা , শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ , ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফাইনালের আগে বাবরকে নিয়ে উদ্বিগ্ন নন পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ গুরুদাসপুর থানার ওসি প্রত্যাহার, মামলা তদন্ত করবে ডিবি মিষ্টি আলুতে মিলবে চোখের সুরক্ষা, জানুন আরও ১০ গুণ ওষুধ নয়, জলপাই তেলেই কি কমবে ডায়াবেটিস? গবেষণা যা বলছে ইনস্টাগ্রামে দেখা যাবে ৯০ মিনিটের ভিডিও, আসছে নতুন ফিচার ব্যালন ডি’অর হাতছাড়ার পর ইয়ামাল, ‘একদিন আমার সময়ও আসবে’ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়েও কি ক্ষমতায় থাকছেন নেতানিয়াহু? নায়ক মান্নার ব্যবহৃত গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে রূপপুরের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম কত হতে পারে? খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে আইন বাস্তবায়নের ওপর জোর দিলেন প্রতিমন্ত্রী উত্তপ্ত অরুণাচল, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী পাঠিয়েছে ভারত প্রথম টেস্টের আগে মুশফিকের চোট, লিটনকে নিয়ে কী বললেন শান্ত? প্রচারণার শেষ দিনে আবেগঘন বার্তা মির্জা ফয়সল আমিনের হঠাৎ অরুণাচলে উড়োজাহাজে আনা হলো দাঙ্গা দমন বাহিনী আইজিপির ক্রসফায়ার ফেরানোর বক্তব্যে বিব্রত সরকার: রিজভী ৬৯ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি, সে রেকর্ড এখন এমবাপ্পের ঢাকা-চট্টগ্রামের একাংশ হঠাৎ বিদ্যুৎহীন ভেজাল খাদ্য ও স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি বন্ধ না হলে মৃত্যুর মিছিল থামবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সংসদের নিম্নকক্ষের মেয়াদ চার ও উচ্চকক্ষের মেয়াদ ছয় বছর করার প্রস্তাব সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে জানতে চায় সংসদীয় কমিটি

২২ দিন ইলিশ ধরা মানা, কেনাবেচাতেও নিষেধাজ্ঞা

  • আপলোড সময় : ১৫-০৯-২০২৬ ০৫:৪০:৩০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৫-০৯-২০২৬ ০৫:৪০:৩০ অপরাহ্ন
২২ দিন ইলিশ ধরা মানা, কেনাবেচাতেও নিষেধাজ্ঞা

প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে আগামী ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সারা দেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে। এ সময় ইলিশ পরিবহণ, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময়ও নিষিদ্ধ থাকবে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন-সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ বন্ধের সময় নির্ধারণ এবং মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, নিষেধাজ্ঞার সময়ে দেশব্যাপী মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনা করা হবে। ইলিশ আহরণ থেকে বিরত থাকা জেলেদের সরকার ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা দেবে।

সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে মা ইলিশ রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। বরিশাল, চাঁদপুর ও ভোলাসহ ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকাগুলোতে নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধের সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, নৌ পুলিশ, কোস্ট গার্ড ও মৎস্য বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজন হলে হটস্পটগুলোতে অতিরিক্ত নৌযান ও লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া হবে।

অবৈধভাবে ধরা ইলিশের বাজারজাত বন্ধে বরফকল, আড়ত ও বাজারেও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেন মন্ত্রী। চাঁদপুর মোহনা সহ ইলিশের প্রজননক্ষেত্রে অবৈধ জাল অপসারণে কঠোর অভিযান চালানোর কথাও বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, কোনো অবস্থাতেই নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা বা বাজারজাত করার সুযোগ দেওয়া যাবে না। মা ইলিশ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে আগামী মৌসুমে ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়বে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ইলিশের উৎপাদন দিন দিন কমে যাওয়ার কারণ গবেষণার মাধ্যমে খুঁজে বের করতে হবে। কোথায় দুর্বলতা বা কার্যক্রমে ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিষিদ্ধ জাল বন্ধের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এসব জাল উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকারের পাশাপাশি জেলে প্রতিনিধিদেরও জেলেদের নিষিদ্ধ জাল না কেনার বিষয়ে সচেতন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত রাখতে সরকার জেলেদের প্রণোদনা দিচ্ছে। এই সহায়তা যেন প্রকৃত জেলেদের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে তদারকি বাড়ানো হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইলিশের উৎপাদন কমে গিয়ে বিদেশ থেকে মাছ আমদানি করতে হচ্ছে—এটি উদ্বেগের বিষয়। কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা চিহ্নিত করে সবাইকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

ইলিশকে জাতীয় সম্পদ ও জিআই পণ্য হিসেবে রক্ষা এবং উৎপাদন বাড়াতে আগামী দিনে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. মীর হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, র‍্যাব, কোস্ট গার্ড, বিমান বাহিনী, নৌ পুলিশ ও বিজিবির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন। মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি এবং জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : M Mehedi Hasan Arif

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ফাইনালের আগে বাবরকে নিয়ে উদ্বিগ্ন নন পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ

ফাইনালের আগে বাবরকে নিয়ে উদ্বিগ্ন নন পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ