ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করবে বাংলাদেশ ও ফ্রান্স বিশ্বজয়ী কুরআন হাফেজদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ বেনামি গণমাধ্যমের ফটোকার্ডে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা হলে ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী দুই রেঞ্জে নতুন ডিআইজিসহ পুলিশের ১১ কর্মকর্তাকে বদলি রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে বাংলাদেশ-চীনের ম্যাচ পরিত্যক্ত, না খেলেই সেমিফাইনালে টাইগ্রেসরা বৃষ্টিতে ভিজলো রাজধানী, ভোগান্তিতে জনজীবন ভাঙারির ঘরে মিলল নবম-দশমের ২ হাজার ২৬২ সরকারি বই, ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজয় সেতুপতি অভিনীত ‘মহারাজা’ এবার হলিউডে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মালয়েশিয়া দিবস উদযাপন অবৈধ ঋণদাতা অ্যাপের পেমেন্ট সেবা বন্ধের নির্দেশ উপসাগরীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প আগস্টে পোশাক রপ্তানিতে রেকর্ড চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে তিন মেয়াদি পরিকল্পনা স্বর্ণের দাম কি আরও কমতে পারে? স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইসির আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক আজ ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’ মানবতাবিরোধী অপরাধে জাফর ইকবালসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ শিক্ষাকে বাস্তবমুখী দক্ষতা ও উদ্ভাবনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী জুলাই শহীদ জুবায়েরের বোনের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

বর্ণাঢ্য আয়োজনে মালয়েশিয়া দিবস উদযাপন

  • আপলোড সময় : ১৭-০৯-২০২৬ ১০:৩৫:৩৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৯-২০২৬ ১০:৩৫:৩৮ পূর্বাহ্ন
বর্ণাঢ্য আয়োজনে মালয়েশিয়া দিবস উদযাপন

জাতীয় ঐক্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মালয়েশিয়া দিবস ২০২৬ উদযাপন করেছে মালয়েশিয়া। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে সারওয়াকের রাজধানী কুচিংয়ের বোর্নিও কনভেনশন সেন্টার কুচিংয়ে (বিসিসিকে) আয়োজিত জাতীয় অনুষ্ঠানে কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন।

সারওয়াক রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপদ্বীপ মালয়েশিয়া, সাবাহ ও সারওয়াকের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য তুলে ধরা হয়। সংগীত, নৃত্য, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও মঞ্চনাট্যের মাধ্যমে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা দিক উপস্থাপন করা হয়।

এবারের মালয়েশিয়া দিবসের আনুষ্ঠানিক প্রতিপাদ্য ছিল ‘মালয়েশিয়া মাদানি: কল্যাণ উপভোগ’। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে সারওয়াকের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির পাশাপাশি উপদ্বীপ মালয়েশিয়া ও সাবাহর সাংস্কৃতিক উপাদান তুলে ধরা হয়। ‘সেগুলাই সেজালাই’ শিরোনামের পরিবেশনাতেও সারওয়াকের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর পারস্পরিক সম্পৃক্ততার বিষয়টি ফুটিয়ে তোলা হয়।

অনুষ্ঠানে সারওয়াকের গভর্নর তুন ড. ওয়ান জুনাইদি তুয়ানকু জাফর, প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম, সারওয়াকের প্রিমিয়ার তান শ্রী আবাং জোহারি তুন ওপেং এবং সাবাহর মুখ্যমন্ত্রী দাতুক সেরি হাজিজি নূরসহ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ধোঁয়াশার কারণে ভেন্যু পরিবর্তন

এবারের জাতীয় অনুষ্ঠান আয়োজনে আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতিও বিবেচনায় নেওয়া হয়। কুচিং ও আশপাশের এলাকায় ধোঁয়াশার কারণে বাইরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা কিছু কর্মসূচিতে পরিবর্তন আনা হয়। পরে মূল জাতীয় অনুষ্ঠানটি বিসিসিকে ভবনের ভেতরে আয়োজন করা হয়।

এর আগে যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল জানিয়েছিলেন, ধোঁয়াশা পরিস্থিতি বিবেচনায় বাইরে আয়োজনের পরিবর্তে মূল অনুষ্ঠান অন্দরমহলে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিতির সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে ৫ হাজারের বেশি অতিথির উপস্থিতির প্রত্যাশা জানানো হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে মালয়েশিয়া অ্যাকটিফ প্রায় ৬ হাজার মানুষের অংশগ্রহণের কথা জানায়। অন্যদিকে বার্তা সংস্থা বার্নামা বিসিসিকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রায় ৫ হাজার দর্শকের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করেছে। ফলে অনুষ্ঠানে কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতি ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

দেশজুড়ে নানা আয়োজন

মালয়েশিয়া দিবস প্রতিবছর ১৬ সেপ্টেম্বর পালিত হয়। ১৯৬৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মালয়া, সাবাহ ও সারওয়াক এবং তৎকালীন সিঙ্গাপুরকে নিয়ে মালয়েশিয়া ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে সিঙ্গাপুর ফেডারেশন থেকে পৃথক হলেও ১৬ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

২০২৬ সালের জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য কুচিংকে বেছে নেওয়া হয়। বোর্নিও দ্বীপের সারওয়াকের এ শহরে জাতীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।

মালয়েশিয়া দিবস উপলক্ষে রাজধানী কুয়ালালামপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পৃথক কর্মসূচি পালিত হয়। কুয়ালালামপুরের দ্য টুন রাজাক এক্সচেঞ্জের (টিআরএক্স) রেইনট্রি প্লাজায় ‘কেরেতাপি সারং ২০২৬’ কর্মসূচিতে বিভিন্ন বয়সী মানুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও সারং পরে অংশ নেন।

এ ছাড়া কুয়ালা পার্লিসের জলসীমায় আয়োজন করা হয় ‘সমুদ্রযাত্রা কনভয়’। এতে ৮০টি নৌযান অংশ নেয় এবং প্রায় ৭০০ মানুষ যুক্ত হন। প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ নৌযাত্রাটি মালয়েশিয়ান ফিশারিজ ডেভেলপমেন্ট অথরিটির জেটি থেকে শুরু হয়। জাতীয় পতাকা ‘জালুর জেমিলাং’ দিয়ে সাজানো নৌযানগুলো এতে অংশ নেয়।

দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের এসব আয়োজনে স্থানীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জাতীয় পরিচয়ের নানা দিক তুলে ধরা হয়। কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে আঞ্চলিক আয়োজন—সব মিলিয়ে মালয়েশিয়া দিবস ২০২৬ ঘিরে দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : gbanglanews

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করবে বাংলাদেশ ও ফ্রান্স

বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করবে বাংলাদেশ ও ফ্রান্স