ইউক্রেনজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও আর্টিলারি হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। এতে অন্তত আটজন নিহত ও বহু বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। এ ছাড়া কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনের দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়া।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানায়, শুক্রবার রাতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের দখলে থাকা ক্রিমিয়া উপদ্বীপ থেকে মোট ১৭৪টি ড্রোন এবং রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চল থেকে দুটি জিরকন অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
বিমানবাহিনীর টেলিগ্রাম বার্তায় বলা হয়, ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ১৪১টি আকাশপথের লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস বা জ্যাম করেছে। ১৫টি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করা হয়। এ ছাড়া নয়টি অঞ্চলে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনী আরও দাবি করেছে, রাশিয়ার ছোড়া জিরকন ক্ষেপণাস্ত্র দুটি নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে পারেনি।
এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, কৃষ্ণসাগরে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় গেরান-৪ সিকার ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। জাহাজ দুটির একটি ওডেসাগামী ইউক্রেনীয় বাল্ক ক্যারিয়ার এবং অন্যটি ওডেসা বন্দরে নোঙর করা একটি ট্যাংকার। রাশিয়ার দাবি, উভয় জাহাজে সামরিক সরঞ্জাম পরিবহন করা হচ্ছিল।
খারকিভ অঞ্চলের গভর্নর ওলেহ সিনিহুভভ জানান, ১৪টি এলাকায় রুশ হামলায় পাঁচজন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। বালাকলিয়া ও লিপকুভাতিভকাসহ কয়েকটি এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
খারসন অঞ্চলের গভর্নর ওলেকসান্দর প্রকুদিনের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৫টি এলাকায় গোলাবর্ষণে তিনজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। এতে বহুতল আবাসিক ভবন, ব্যক্তিগত বাড়ি, একটি মোবাইল টাওয়ার ও গ্যাস পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দনেপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের প্রশাসনিক প্রধান ওলেকসান্দর গানজা বলেন, ড্রোন, আর্টিলারি ও আকাশ থেকে নিক্ষেপ করা বোমা ব্যবহার করে ১০টির বেশি এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে। এতে অন্তত দুজন আহত হয়েছেন বলে জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক