বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর জাতীয় বেতনস্কেলের আওতাভুক্ত সুবেদার মেজর ও তদনিম্ন পর্যায়ের কর্মচারীদের মাসিক সীমান্ত ভাতা পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন হারে এ ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। এর আগে ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সংশ্লিষ্টরা প্রচলিত হারেই সীমান্ত ভাতা পাবেন।
এ সংক্রান্ত গেজেট ১৭ সেপ্টেম্বর জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগের প্রবিধি-৪ শাখা। এটি ২২ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গেজেটে স্বাক্ষর করেছেন ওই শাখার যুগ্মসচিব ড. মো. ফেরদৌস আলম।
গেজেট অনুযায়ী, জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ অনুসারে গ্রেড ও চাকরির বয়স বিবেচনায় সীমান্ত ভাতার নতুন হার নির্ধারণ করা হয়েছে। চাকরির বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাতার পরিমাণও বাড়বে।
গ্রেড-২০-এর কর্মচারীরা চাকরির বয়স পাঁচ বছরের কম হলে মাসে ১ হাজার ৪৪০ টাকা এবং ২০ বছর বা তার বেশি হলে ৩ হাজার ১২০ টাকা পাবেন। গ্রেড-১৯-এ এ হার ১ হাজার ৫৬০ থেকে ৩ হাজার ২৪০ টাকা এবং গ্রেড-১৮-এ ১ হাজার ৬৮০ থেকে ৩ হাজার ৩৬০ টাকা।
গ্রেড-১৭ থেকে গ্রেড-১৪ পর্যন্ত সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সীমান্ত ভাতা যথাক্রমে ১ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকা, ১ হাজার ৯২০ থেকে ৩ হাজার ৮৪০ টাকা, ২ হাজার ৪০ থেকে ৪ হাজার ৮০ টাকা এবং ২ হাজার ১৬০ থেকে ৪ হাজার ৫৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গ্রেড-১৩ থেকে গ্রেড-১০ পর্যন্ত সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ হার যথাক্রমে ২ হাজার ২৮০ থেকে ৪ হাজার ৮০০ টাকা, ২ হাজার ৫২০ থেকে ৫ হাজার ২৮০ টাকা, ২ হাজার ৬৪০ থেকে ৫ হাজার ৫২০ টাকা এবং ২ হাজার ৭৬০ থেকে ৫ হাজার ৬৪০ টাকা।
এ ছাড়া গ্রেড-৯-এ ২ হাজার ৮৮০ থেকে ৬ হাজার টাকা, গ্রেড-৮-এ ৩ হাজার থেকে ৬ হাজার ২৪০ টাকা, গ্রেড-৭-এ ৩ হাজার ১২০ থেকে ৬ হাজার ৩৬০ টাকা এবং গ্রেড-৬-এ ৩ হাজার ২৪০ থেকে ৬ হাজার ৪৮০ টাকা পর্যন্ত মাসিক সীমান্ত ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নতুন আদেশ ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। তার আগ পর্যন্ত অর্থ বিভাগের ২০১৫ সালের ১৮ অক্টোবরের স্মারক অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা প্রচলিত হারে সীমান্ত ভাতা পাবেন।
প্রেষণে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্যও বিশেষ শর্ত রাখা হয়েছে। কোনো প্রেষণে নিয়োজিত কর্মচারী সীমান্ত ভাতা গ্রহণ করলে তিনি নিজ নিজ বাহিনীর জন্য নির্ধারিত ঝুঁকি ভাতা, বিশেষ ভাতা অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা সার্ভিস ভাতা পাবেন না।
জি বাংলা ডেস্ক