পূজা মানেই আনন্দ, উৎসব আর অসংখ্য স্মৃতির হাতছানি। আর কয়েক দিন পরই শুরু হচ্ছে দুর্গাপূজা। উৎসবের আগমনী আবহ ইতোমধ্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। শৈশব-কৈশোরের পূজার স্মৃতি মনে রেখে যৌবনেও উৎসবে মেতে ওঠেন অনেকে। ব্যতিক্রম নন টালিউড অভিনেত্রী কৌশানি মুখার্জিও।
এবারের দুর্গাপূজায় কৌশানীর আনন্দের সঙ্গে যোগ হচ্ছে নতুন সিনেমা ‘বহুরূপী : দ্য গোল্ডেন ডাকু’। পূজায় মুক্তি পেতে যাওয়া সিনেমাটির প্রচারে বর্তমানে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন অভিনেত্রী। সপ্তমী পর্যন্ত সিনেমার প্রচারে ব্যস্ত থাকবেন তিনি। এরপর পরিবার নিয়ে পূজার আনন্দে মেতে উঠবেন।
অভিনেত্রী হওয়ার আগে পূজার দিনগুলো কেমন কাটত—এমন প্রশ্নের জবাবে একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কৌশানি বলেন, ‘তখন দড়ির ওপারে থাকতাম। মানে লাইন দিয়ে ঠাকুর দেখতাম। আর পূজার বিশেষ স্মৃতি বললেই, প্রেমের কথা মাথায় আসে। প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে যখন পূজার সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা হতো, প্রচুর ছেলে এসে ঝাড়ি মারত। সেখানে হঠাৎ করে আমাকে পছন্দ করে নেওয়া, আর সেখান থেকে প্রতিযোগিতায় জেতা।’
কৌশানি বলেন, ‘পূজার সেরা সুন্দরী’ তকমাটাই তখন তাঁর কাছে বিশাল ব্যাপার ছিল। ঘুরতে বেরিয়ে পুরস্কার জিতে বাড়ি ফেরার বিষয়টিই তাঁর কাছে দারুণ লাগত। তাঁর ভাইবোনেরাও বিষয়টি উদ্যাপন করতেন। গর্ব করে বলতেন, ‘আমাদের বোন এত সুন্দরী।’
পূজার প্যান্ডেলে সেই সময় প্রেম হতো কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে কৌশানি বলেন, ‘হ্যাঁ নিশ্চয়ই! পূজার কটা দিনের প্রেম, এ বিষয়টি দারুণ মজা লাগত। আবার সেই প্রেম পূজার কটা দিনই টিকে থাকত। তারপর ভেঙে যেত।’
এবারের পূজায় প্রেমিক অভিনেতা বনি সেনগুপ্তের সঙ্গে কী পরিকল্পনা রয়েছে, জানতে চাইলে কৌশানি বলেন, ‘আমার পূজার সব প্ল্যানেই থাকে বনি।’ একসঙ্গে ঠাকুর দেখা, রোম্যান্স ও পার্টি—সবই বনির সঙ্গে করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
পূজার দিনগুলোতে তাঁর দৈনন্দিন জীবনযাত্রাতেও বড় পরিবর্তন আসে বলে জানান কৌশানি। তাঁর ভাষায়, ‘এই কদিন আমার দিনযাপনের সাইকেল পুরো চেঞ্জ হয়ে যায়। দেখা গেছে—পূজার কয়েকটা দিন বের হচ্ছি হয়তো দুপুরে, আর বাড়ি ফিরছি ভোরে! বাকি সকালটা ঘুমাচ্ছি।’
বিনোদন ডেস্ক