<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>

<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"

>
    <channel>
        <title>GBanglaNews.Com | Newspaper In Bangla </title>
        	<atom:link href="https://gbanglanews.com/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
        <link>https://gbanglanews.com/feed </link>
        <description>  </description>
        <language>bn</language>
                 
    
    <item>
		<title>তথ্যমন্ত্রীর গ্রামের বাড়িতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, ইলিশ-রসমালাইয়ের স্বাদে আপ্লুত </title>
		<link>https://gbanglanews.com/231</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Aug 2026 21:27:54 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/231</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বরিশাল সফরের দ্বিতীয় দিনে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের গৌরনদীর গ্রামের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন। সোমবার (১০ আগস্ট) গৌরনদী উপজেলার বাসভবনে এ মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। তথ্যমন্ত্রীর ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পোস্টে বলা হয়, কূটনৈতিক ব্যস্ততা ও আনুষ্ঠানিকতার বাইরে এ মধ্যাহ্নভোজ বরিশালের মাটি, মানুষ ও দেশীয় ঐতিহ্যবাহী খাবারের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আন্তরিক পরিচয়ের সুযোগ তৈরি করে। এর আগে তিনি তথ্যমন্ত্রীর বাড়ির আঙিনায় একটি গাছের চারা রোপণ করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মধ্যাহ্নভোজে বরিশালের নিজস্ব স্বাদ ও দেশীয় খাবারের বৈচিত্র্য দিয়ে অতিথিকে আপ্যায়ন করা হয়। নদীমাতৃক বরিশালের ঐতিহ্যের অন্যতম অনুষঙ্গ ইলিশসহ বিভিন্ন ধরনের মাছের পদ, নানা রকম ভর্তা-ভাজি এবং গ্রামবাংলার পরিচিত দেশীয় খাবার পরিবেশন করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;খাবারের আয়োজনে ছিল বরিশালের নদী-জলের সঙ্গে মিশে থাকা ইলিশ, আইড়সহ বিভিন্ন ধরনের মাছ। পাশাপাশি ছিল বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ভর্তা-ভাজির নানা পদ। এসব খাবারের মধ্য দিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সামনে বাংলাদেশের অতিথিপরায়ণতা ও ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতির আঞ্চলিক বৈচিত্র্য তুলে ধরা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মধ্যাহ্নভোজের শেষ পর্বেও ছিল স্থানীয় ঐতিহ্যের ছোঁয়া। মিষ্টান্ন হিসেবে পরিবেশন করা হয় গৌরনদীর বিখ্যাত শচীন ঘোষের রসমালাই, দধিসহ বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বরিশালের মানুষের আতিথেয়তা, স্থানীয় খাবারের বৈচিত্র্য এবং ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্নের স্বাদ&amp;mdash;সব মিলিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বরিশাল সফরের দ্বিতীয় দিনের এই মধ্যাহ্নভোজ পরিণত হয় এক ভিন্নধর্মী সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতায়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী </title>
		<link>https://gbanglanews.com/230</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Aug 2026 11:42:47 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/230</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। পুনঃপরীক্ষার সময় কোনো ধরনের ভুলত্রুটি ধরা পড়লে তা সংশোধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের সময় শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ১৯৯৮ সালের বোর্ড আইনে উত্তরপত্র পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে সেই ব্যবস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে। যারা ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে, সোমবার ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সে হিসাবে এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা&amp;mdash;দুই ক্ষেত্রেই কমেছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ </title>
		<link>https://gbanglanews.com/229</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Aug 2026 11:29:55 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/229</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার পরীক্ষায় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। সে হিসাবে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেন। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় ফরম পূরণ করেছেন ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রক্রিয়া শেষ হলো।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মারা গেলেন মেসির বাবা হোর্হে মেসি </title>
		<link>https://gbanglanews.com/228</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Aug 2026 18:34:54 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/228</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি মারা গেছেন। একাধিক আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমের বরাতে স্প্যানিশ গণমাধ্যম গোলডটকম এ তথ্য জানিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম ইনফোবায়ে ও রোসারিও৩ নেটওয়ার্কের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬৮ বছর বয়সে মারা গেছেন হোর্হে মেসি। বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গত জুনে বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হয়ে গোল করার পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন মেসি। ম্যাচ শেষে তাঁর কান্নার কারণ জানতে চাইলে মেসি জানিয়েছিলেন, এর সঙ্গে ফুটবলের কোনো সম্পর্ক নেই; তিনি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এরপর হোর্হে মেসির শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন খবর ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় মেসি পরিবারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, হোর্হে মেসি স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছেন এবং চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে গুজব ও জল্পনা না ছড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরিবারের পক্ষ থেকে হোর্হে মেসি ও তাঁর স্বজনদের ব্যক্তিগত পরিসর ও গোপনীয়তার প্রতি সম্মান দেখানোর অনুরোধও করা হয়েছিল। তবে হোর্হে মেসির মৃত্যুর খবর এখনো মেসি পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ছোটবেলা থেকেই লিওনেল মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন হোর্হে মেসি। ২০০০ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে মেসির বার্সেলোনায় যাওয়ার পথ তৈরি করতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ফুটবল খেলোয়াড়দের এজেন্ট হিসেবেও কাজ করেন হোর্হে মেসি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জুলাই জাদুঘরে কোনো ধরনের দলীয় ইতিহাস দেখতে চাই না: নাহিদ ইসলাম </title>
		<link>https://gbanglanews.com/227</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Aug 2026 18:26:47 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/227</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসকে কোনো দল বা গোষ্ঠীর একক বয়ানে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রকৃত ও পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরকে জাতীয় ইতিহাস চর্চার একটি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এখানে কোনো ধরনের দলীয় ইতিহাস দেখতে চান না তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শনিবার রাজধানীর গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, জাদুঘরের বর্তমান প্রদর্শনীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসের কিছু অংশ তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। পরিচিত কিছু মুখ ও ঘটনা বারবার এসেছে। তবে গণঅভ্যুত্থানের বিস্তৃত পরিসর, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও অঞ্চলের মানুষের অংশগ্রহণ সেভাবে উঠে আসেনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরতে হবে। সময়ের ধারাবাহিকতায় আন্দোলনের ঘটনাগুলো সাজানোর পাশাপাশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ভূমিকা এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলার আন্দোলনের ঘটনাগুলো আলাদাভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। এসব জায়গায় নির্যাতন, প্রতিরোধ ও মানুষের অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, &amp;lsquo;জুলাই জাদুঘরে কোনো ধরনের দলীয় ইতিহাস দেখতে চাই না। এটা প্রকৃত ইতিহাস চর্চার জায়গা এবং জাতীয় ইতিহাসের একটি কেন্দ্র হওয়া উচিত।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অতীতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস দলীয়করণের অভিযোগ এবং সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে পাঠ্যপুস্তক ও ইতিহাসের বয়ান পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষেত্রেও যেন একই পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস এমনভাবে সংরক্ষণ ও উপস্থাপন করতে হবে, যাতে দেশের সবাই এটিকে নিজেদের ইতিহাস হিসেবে ধারণ করতে পারেন। একই সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দলের স্বার্থে প্রকৃত সত্য পরিবর্তিত না হয়, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;জনবল সংকট নিয়ে উদ্বেগ&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;জাদুঘরের বর্তমান কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীর চাপ সামলানোর মতো পর্যাপ্ত জনবল বর্তমানে নেই। প্রায় ২০০ জনের মতো জনবল প্রয়োজন হলেও এখন মাত্র ১৫ থেকে ২০ জন কাজ করছেন। স্বল্প জনবল দিয়ে আপাতত স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তার মতে, এতে জাদুঘরের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের বিভিন্ন নিদর্শন ও ইতিহাস সম্পর্কে সঠিকভাবে জানাতে প্রশিক্ষিত জনবল প্রয়োজন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জাদুঘর পরিচালনায় আমলাতান্ত্রিক কাঠামোর পরিবর্তে বিশেষজ্ঞ এবং জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করেন&amp;mdash;এমন ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করার দাবি জানান তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘরটি স্বায়ত্তশাসিত কাঠামোয় পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আইন ও কাঠামো তৈরি করা দরকার। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থী, গবেষক, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। শুরু থেকে যারা জাদুঘর প্রতিষ্ঠার কাজে যুক্ত ছিলেন, তাদের অভিজ্ঞতাও কাজে লাগানো উচিত।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;আবু সাঈদসহ শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন প্রদর্শনের আহ্বান&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;জাদুঘরে শহীদ আবু সাঈদের উপস্থিতি নিয়েও কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আবু সাঈদ গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান প্রতীক। বর্তমানে প্রদর্শনীতে তাঁর ছবি না থাকার বিষয়টি জাদুঘর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবু সাঈদকে নিয়ে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে এবং সেটি জাদুঘরে প্রদর্শন করা হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন আরও বেশি পরিমাণে প্রদর্শনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, শহীদ পরিবারের কাছ থেকে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ বিপুলসংখ্যক স্মৃতিচিহ্ন পেয়েছে। এর একটি অংশ বর্তমানে প্রদর্শিত হচ্ছে। বাকি স্মৃতিচিহ্নগুলোও শৈল্পিকভাবে প্রদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গণভবনের পুরো ১৭ একর জায়গাকে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে জাদুঘরের পরিসর আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। বিভিন্ন ঘটনা, স্মৃতি ও নিদর্শন আরও বিস্তৃতভাবে দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্ব দেন।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;বাদ না দিয়ে পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস সংরক্ষণের তাগিদ&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসে সীমান্ত হত্যা, ভারতবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন ঘটনার স্মৃতি সরিয়ে ফেলার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। তাঁর মতে, ইতিহাসের অংশ হিসেবে এসব ঘটনাও যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা উচিত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, বিগত ১৬ বছরে দেশের ওপর যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার পাশাপাশি মানুষের প্রতিরোধ ও বিজয়ের ইতিহাসও জাদুঘরে তুলে ধরতে হবে। কোনো ঘটনা বাদ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস তৈরি করা সম্ভব নয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্বালানি খাতকে স্বনির্ভর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে </title>
		<link>https://gbanglanews.com/226</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Aug 2026 18:21:48 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/226</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্বালানিসহ দেশের প্রতিটি খাতকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও স্বনির্ভর করতে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে সরকার।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শনিবার (৮ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সংকট তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকার দেশ ও দেশের মানুষকে এই সংকট থেকে উত্তরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, সরকার অস্বীকার করছে না যে বর্তমানে দেশের মানুষ বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকটে রয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দিতে অতীতে নেওয়া অপরিকল্পিত উদ্যোগের খেসারত এখন দেশ, জনগণ ও সরকারকে দিতে হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অবস্থায় দেশ পেয়েছে। নানা সংকট কাটিয়ে উঠতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট থেকে মানুষকে ধীরে ধীরে বের করে আনতে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;স্বাস্থ্যসেবায় নতুন এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে সরকারের নীতি &amp;lsquo;প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর&amp;rsquo; উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষকে শুরুতেই রোগের কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে সচেতন করা গেলে অনেক রোগ সহজেই প্রতিরোধ ও নিরাময় করা সম্ভব।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ লক্ষ্যেই বিদ্যমান চিকিৎসাব্যবস্থার পাশাপাশি সরকার নতুন করে আরও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান তিনি। এসব স্বাস্থ্যকর্মী নাগরিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সচেতন করবেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্বাস্থ্যকর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমকে কার্যকর করতে প্রশিক্ষিত জনবল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;রাজনীতিতে পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততা নিয়ে সতর্কতা&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পেশাজীবীদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ততার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রায় সব ক্ষেত্রকেই প্রভাবিত করে। ফলে প্রত্যেকে নিজ নিজ মতাদর্শ অনুযায়ী রাজনৈতিকভাবে সচেতন বা সংগঠিত থাকতে পারেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে অতিমাত্রায় রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন না ঘটায়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তারেক রহমান বলেন, প্রথাগত রাজনীতির বাইরে এসে রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;চিকিৎসাসেবাকে জনবান্ধব করার উদ্যোগ&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও চিকিৎসাসেবাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে সমাবেশে বেশ কিছু প্রস্তাব উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে নিম ও অর্জুন গাছের চারা রোপণ করেন। পরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে চিকিৎসক সমাবেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও মোনাজাতের মাধ্যমে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ড্যাবের নেতাকর্মী ও চিকিৎসকেরা অংশ নেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলসহ অনেকে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>‘আমি বন্দী কারাগারে’ গায়ক মুজিব পরদেশী কারাগারে </title>
		<link>https://gbanglanews.com/225</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Aug 2026 22:42:25 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/225</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;১০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক মুজিব পরদেশীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে তাকে হাজির করা হলে বিচারক এ আদেশ দেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে ১০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের অভিযোগে মাগুরার আদালতে মুজিব পরদেশীর বিরুদ্ধে মামলা করেন ইদ্রিস আলী বিশ্বাস। মামলার শুনানি শেষে ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ মাগুরার দ্বিতীয় যুগ্ম দায়রা জজ মুহাম্মদ আনোয়ার ছাদাত তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং চেকের সমপরিমাণ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রায় ঘোষণার পর দীর্ঘদিন আদালতে আত্মসমর্পণ না করায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতে সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরবর্তীতে তাকে আদালতে হাজির করা হলে পুলিশ কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানায়। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই হেলাল উদ্দিন জানান, শুনানির সময় মুজিব পরদেশীর পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। অপরদিকে, বাদীপক্ষের আইনজীবী সফিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করে আদালতকে জানান, মামলার বিষয়ে অবগত থাকা সত্ত্বেও আসামি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। এ অবস্থায় জামিন দিলে বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উল্লেখ্য, মুজিব পরদেশীর প্রকৃত নাম মুজিবুর রহমান মোল্লা। আশির দশকে বাংলা লোকসংগীতের অঙ্গনে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তাঁর গাওয়া &lt;strong&gt;&amp;lsquo;আমি বন্দী কারাগারে&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;&amp;lsquo;সাদা দিলে কাদা লাগাই গেলিরে বন্ধুয়া&amp;rsquo;&lt;/strong&gt; এবং **&amp;lsquo;আমার সোনা বন্ধু রে&amp;rsquo;**সহ অসংখ্য গান বাংলা সংগীতপ্রেমীদের কাছে আজও সমান জনপ্রিয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি </title>
		<link>https://gbanglanews.com/224</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Aug 2026 20:52:39 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/224</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবারের দেখভাল এবং আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র দায়িত্ব।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুধবার (৫ আগস্ট) &amp;lsquo;জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস&amp;rsquo; উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, &amp;ldquo;বর্তমান সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মাহুতি দেওয়া শহীদদের পরিবারের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা। এটি সরকারের সবচেয়ে পবিত্র দায়িত্ব।&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, &amp;ldquo;যারা আন্দোলনে আহত হয়েছেন, চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন বা স্থায়ীভাবে অঙ্গহানির শিকার হয়েছেন, তাদের সুচিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা সরকারের নৈতিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব।&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারীদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাদের পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের মর্যাদা, অধিকার এবং কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য মন্ত্রণালয়ের আহ্বান </title>
		<link>https://gbanglanews.com/223</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Aug 2026 00:01:27 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/223</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) নির্দেশনার আলোকে দণ্ডিত আসামিদের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) প্রকাশিত এক তথ্য বিবরণীতে এ আহ্বান জানানো হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার আসামি ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের ওপর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) পূর্বেই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এই নিষেধাজ্ঞা জুলাই আন্দোলনের চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এতে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা, পূর্বে প্রকাশিত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বিভিন্ন মাধ্যম থেকে অপসারণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য প্রচার বা প্রকাশ না করার জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তথ্য বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (এনসিএসএ) দেশের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট আইনের সুস্পষ্ট ধারার কথা উল্লেখ করে দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মন্ত্রণালয় জানায়, আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করে অনেক গণমাধ্যম এ ধরনের বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকলেও এখনো কিছু গণমাধ্যম তা প্রচার করছে। এ বিষয়ে সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা এবং শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান জানিয়ে যেসব গণমাধ্যম আদালতের নির্দেশনা মেনে সংশ্লিষ্ট বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত রয়েছে, তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় দেশের সব ধরনের গণমাধ্যম&amp;mdash;টেলিভিশন, সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে&amp;mdash;আদালতের নির্দেশনা ও আইনি বাধ্যবাধকতার প্রতি সম্মান জানিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য বা বিবৃতি প্রচার না করার জন্য আবারও বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে </title>
		<link>https://gbanglanews.com/222</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Aug 2026 22:46:37 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/222</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলন ছিল জনগণের আন্দোলন এবং জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের কারণেই সেটি সফল হয়েছে। তিনি বলেন, এ আন্দোলনের কৃতিত্ব কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয়; বরং দেশের সর্বস্তরের জনগণের।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি)-এ আয়োজিত &lt;strong&gt;&amp;lsquo;গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অনিবার সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ&amp;rsquo;&lt;/strong&gt; শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী বলেন, &amp;ldquo;বাংলাদেশে জুলাই-আগস্টে যে আন্দোলন হয়েছিল, তা ছিল সম্পূর্ণ জনগণের আন্দোলন। জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই এই আন্দোলন সফল হয়েছে। জনগণ যখন সম্পূর্ণভাবে এ আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে, তখনই আন্দোলন সফল হয়েছে।&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, &amp;ldquo;এই আন্দোলনের সফলতার পুরো কৃতিত্ব দেশের সর্বস্তরের জনগণের। এটি কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের অর্জন নয়। গত ১৭ বছর ধরে বিএনপিসহ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে ছিল এবং কখনো জনগণকে একা রেখে মাঠ ছাড়েনি।&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;দেশ পুনর্গঠনে সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আন্দোলন ও সংগ্রামের সময় শেষ, এখন দেশ পুনর্গঠনের সময়। ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে ধৈর্যের সঙ্গে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার কাজ করছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংস্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপিই প্রথম রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রস্তাব সামনে আনে, যা পরবর্তীতে ৩১ দফায় রূপ নেয়। তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের সময়ে প্রতিবছর প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে এবং ব্যাংকিং, স্বাস্থ্য ও কৃষিখাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে অধিকাংশ জেলায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যা এবং জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট চালু করা হবে। পাশাপাশি আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে উপজেলা পর্যায়েও ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;দেশে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের বাস্তবতা স্বীকার করে তিনি বলেন, সরকার অজুহাত দিয়ে দায়িত্ব এড়াতে চায় না। সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে নিরন্তর কাজ করা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে জ্বালানি খাত ব্যাপক লুটপাটের শিকার হয়েছে, ফলে সেই খাত পুনর্গঠনে সময় লাগবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে মালয়েশিয়াও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং বিভাজিত প্রশাসনিক কাঠামো পেয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ধাপে ধাপে রাষ্ট্রীয় কাঠামো পুনর্গঠনের কাজ চলছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনে জনগণ এ কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। তাই এটি এখন শুধু বিএনপির নয়, বরং জনগণের ৩১ দফা। এর মূল লক্ষ্য জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি রাষ্ট্র পুনর্গঠন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বক্তব্য দেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ </title>
		<link>https://gbanglanews.com/221</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Aug 2026 19:19:38 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/221</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সৌদি আরবের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ওয়ালিদ এল-খেরেইজি। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের বিষয়ে উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈঠকে সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ এল-খেরেইজি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সৌদি আরব আগ্রহী। তিনি সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে সৌদি বিনিয়োগ সম্প্রসারণের আগ্রহের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, সৌদি আরব বাংলাদেশে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, সি-ফুড, ট্রপিক্যাল ফুড, কৃষিভিত্তিক শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী। একই সঙ্গে সৌদি আরবের উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ সময় জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। বর্তমান সরকার সৌদি আরবের সঙ্গে একটি কৌশলগত, বহুমাত্রিক ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশে বিনিয়োগের জন্য বর্তমানে অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাতে সৌদি বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে এবং এ খাতে সৌদি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈঠকের শেষে সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে সুবিধাজনক সময়ে সৌদি আরব সফরের আশা প্রকাশ করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সৌদি প্রতিনিধি দলে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুলাইমান বিন আবদুলআজিজ আল-ইয়াহইয়া, কনস্যুলার বিষয়ক উপমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ আল-শাম্মারি, মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মুহান্নাদ বিন আহমেদ আল-ইসা, বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ বিন আবিয়াহসহ পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বাংলাদেশের পক্ষে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদার </title>
		<link>https://gbanglanews.com/220</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Aug 2026 19:12:33 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/220</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আগামী ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। দিবসটিকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা, অপ্রীতিকর ঘটনা বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা মোকাবিলায় রাজধানীজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডিএমপির নিরাপত্তা পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পিকেট ও চেকপোস্টের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশেষ করে মহানগরের সব প্রবেশপথে তল্লাশি কার্যক্রম ও চেকপোস্ট পরিচালনা জোরদার থাকবে। পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সদস্যরা সাদা পোশাকে গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুগুলোতে দায়িত্ব পালন করবেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;যেসব স্থানে জনসমাগম বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে বিশেষ সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানস্থল ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ এলাকাকে বিশেষ নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় এনে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া সিটিএসবি ও আইএডি ইউনিটের সদস্যরা সাদা পোশাকে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রাখবেন। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত রাখা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডিএমপির নিয়মিত সদস্যদের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য, র&amp;zwnj;্যাব ও সিআইডির সদস্যরাও যৌথভাবে রাজধানীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। নিরাপত্তা কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকির জন্য ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি মাঠে উপস্থিত থাকবেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী জানিয়েছেন, ৫ আগস্ট উপলক্ষে রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জবিতে ছাত্রদল-শিবির দফায় দফায় সংঘর্ষ, ভিপি-জিএসকে মেরে বের করে দেওয়ার অভিযোগ </title>
		<link>https://gbanglanews.com/219</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Aug 2026 19:11:12 +0600</pubDate>
		<category>ক্যাম্পাস</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/219</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, অস্থায়ী আবাসন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন এবং মেডিকেল সেন্টারের উন্নয়নের দাবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে জকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জকসু প্রতিনিধিদের ওপর হামলা, প্ল্যাকার্ড ছিঁড়ে ফেলা এবং ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে ছাত্রদল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জকসু সূত্র জানায়, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, কেরানীগঞ্জে অস্থায়ী আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং মেডিকেল সেন্টারের সুযোগ-সুবিধা উন্নয়নের দাবিতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে অনুষ্ঠানে প্রবেশের চেষ্টা করেন জকসুর প্রতিনিধিরা। এ সময় তাদের বাধা দেওয়া হলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জকসু প্রতিনিধিদের অভিযোগ, একপর্যায়ে তাদের কাছ থেকে প্ল্যাকার্ড কেড়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানাসহ শিবির-সমর্থিত নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয়। তাদের দাবি, এ ঘটনায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, জকসু প্রতিনিধিরা অডিটোরিয়ামে প্রবেশের চেষ্টা করলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের বাধা দেন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক ড. কে. এ. এম. রিফাত হাসান। ভিডিওতে ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেলকে অডিটোরিয়ামের গেট বন্ধ করার নির্দেশ দিতে শোনা যায়। পরে অডিটোরিয়ামের সামনে ছেঁড়া প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে জকসু প্রতিনিধিদের বিক্ষোভ করতে দেখা যায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ঘটনার পর জকসু জিএস আব্দুল আলিম আরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ করেন, আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও তাদের অডিটোরিয়ামে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং ধাক্কাধাক্কির শিকার হতে হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহরিয়ার হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ছাত্রশিবির ও জকসু প্রতিনিধিরা পরিকল্পিতভাবে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করেছে। তাদের দাবি, নিজেরাই নিজেদের প্ল্যাকার্ড ছিঁড়ে ছাত্রদলের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি তুলে ধরতে গিয়ে জকসু প্রতিনিধিদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের সুফল পৌঁছাতে হবে রোগীর দোরগোড়ায়: এমপি শফিকুল ইসলাম মিলন </title>
		<link>https://gbanglanews.com/218</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Aug 2026 15:31:29 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/218</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. শফিকুল ইসলাম মিলন বলেছেন, স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি তখনই অর্থবহ হবে, যখন তার সুফল শহরের পাশাপাশি গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ মানুষের কাছেও পৌঁছাবে। শুধু বাজেট বাড়ালেই দায়িত্ব শেষ হয় না; বরাদ্দের প্রতিটি টাকা যেন মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ব্যয় হয়, সে বিষয়ে জবাবদিহিও নিশ্চিত করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর ১২টায় পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এমপি মিলন বলেন, একটি দেশের উন্নয়ন শুধু সেতু, সড়ক কিংবা বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণে সীমাবদ্ধ নয়। প্রকৃত উন্নয়নের মানদণ্ড হলো সাধারণ মানুষ কত সহজে, দ্রুত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে দেশের স্বাস্থ্যখাত অবহেলা, অনিয়ম ও দুর্নীতির শিকার হয়েছে। বিপুল অর্থ ব্যয়ে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও তার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছেনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, উপজেলা ও জেলা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও নার্সের সংকট, ওষুধের ঘাটতি, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের অকার্যকারিতা এবং ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতার কারণে রোগীদের দুর্ভোগ বেড়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংসদ সদস্য আরও বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যখাতকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে। ২০২৬&amp;ndash;২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ দশমিক ২ শতাংশ। সরকারের লক্ষ্য ধাপে ধাপে এ বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করা, যাতে দেশের প্রতিটি মানুষ সাশ্রয়ী ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, বাজেট বৃদ্ধির পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে চিকিৎসক ও নার্সের শূন্যপদ দ্রুত পূরণ, প্রয়োজনীয় ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের কার্যকর ব্যবহার এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম বা অবহেলার সুযোগ নেই।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অ্যাড. শফিকুল ইসলাম মিলন আরও বলেন, একটি হাসপাতালের সাফল্য শুধু অবকাঠামো নির্মাণে নয়; রোগী কত দ্রুত, আন্তরিকতা ও সম্মানের সঙ্গে চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটিকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. এসআইএম রাজিউল করিম।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া পবা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুর রাজ্জাক, নওহাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র শেখ মকবুল হোসেন, কর্ণহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা </title>
		<link>https://gbanglanews.com/217</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Aug 2026 14:46:09 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/217</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বিদেশে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট কোনো বক্তব্য দিলে সেটি গণমাধ্যম বা অন্য কোনো মাধ্যমে প্রচার করা আদালতের নির্দেশনা লঙ্ঘনের শামিল হবে। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে সরকার প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, &lt;em&gt;&amp;quot;আগাম কেউ যদি জানায় যে কালকে বক্তব্য দেওয়া হবে এবং সেটি প্রকাশ করে, তাহলে সেটিও আদালতের আদেশ লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। এ বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নেব।&amp;quot;&lt;/em&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, এর আগেও সরকার এ বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছিল। এবারও সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার বিষয়ে পুনরায় সতর্ক করা হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, &lt;em&gt;&amp;quot;আমরা আগেও একটি সতর্কতা দিয়েছিলাম। যারা বিষয়টি করেছেন, তাদের ব্যাপারেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এবারও আমরা স্মরণ করিয়ে দেব, কেউ যেন এ ধরনের কাজ না করেন এবং আদালতের নির্দেশনা মেনে চলেন।&amp;quot;&lt;/em&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার আদালতের বিকল্প নয়; বরং আদালতের দেওয়া আদেশ বাস্তবায়ন করাই সরকারের দায়িত্ব। কেউ যদি মনে করেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া উচিত নয়, তাহলে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়ে আইনগতভাবে আদেশটি চ্যালেঞ্জ করতে পারেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, আদালতের আদেশ বহাল থাকা পর্যন্ত তা মেনে চলা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সরকার আদালতের সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবারও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে বলেও জানান তথ্য উপদেষ্টা।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৬ আগস্ট থেকে সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর </title>
		<link>https://gbanglanews.com/216</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Aug 2026 14:31:18 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/216</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনের পর তিনি জাদুঘরটি পরিদর্শন করবেন। পরদিন ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) থেকে জাদুঘরটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, জাদুঘরের নির্মাণ বা ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানীসহ সারা দেশে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। জাদুঘর উদ্বোধন উপলক্ষে বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি বর্ণাঢ্য কনসার্টেরও আয়োজন করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জাদুঘরটি আরও সমৃদ্ধ ও তথ্যবহুল করা হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জাদুঘরে প্রবেশের বিষয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান জানান, উদ্বোধনের দিন (৫ আগস্ট) শুধুমাত্র জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য জাদুঘরটি উন্মুক্ত থাকবে। ৬ আগস্ট থেকে সাধারণ দর্শনার্থীরা নির্ধারিত টিকিট কেটে জাদুঘর পরিদর্শন করতে পারবেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি জানান, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধি, কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী, সংস্কৃতিজন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, জুলাই যোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং প্রধানমন্ত্রীর পলিসি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমানের।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে জাদুঘরের মহাপরিচালক অতিথি, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানাবেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঢাকার বাতাস আজ কতটা দূষিত? </title>
		<link>https://gbanglanews.com/215</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Aug 2026 14:28:30 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/215</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জলবায়ু পরিবর্তন, যানবাহনের ধোঁয়া এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রভাবে বিশ্বের অনেক শহরে বায়ুদূষণ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছালেও রাজধানী ঢাকার বায়ুমানে কিছুটা উন্নতি দেখা গেছে। টানা কয়েক দিন ধরে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত ২০টি শহরের তালিকার বাইরে রয়েছে ঢাকা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান &lt;strong&gt;আইকিউএয়ার (IQAir)&lt;/strong&gt;-এর সর্বশেষ &lt;strong&gt;এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI)&lt;/strong&gt; অনুযায়ী, বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ২৯তম। এ সময় রাজধানীর &lt;strong&gt;AQI স্কোর ছিল ৭৭&lt;/strong&gt;, যা আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী &lt;strong&gt;&amp;lsquo;মাঝারি&amp;rsquo; (Moderate)&lt;/strong&gt; পর্যায়ে রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তালিকায় এদিন সবচেয়ে দূষিত শহর ছিল &lt;strong&gt;সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ&lt;/strong&gt;, যার AQI স্কোর ছিল &lt;strong&gt;১৮৯&lt;/strong&gt;। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল &lt;strong&gt;গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কিনশাসা&lt;/strong&gt; (১৬০), তৃতীয় স্থানে &lt;strong&gt;কাতারের দোহা&lt;/strong&gt; (১৫৫), চতুর্থ স্থানে &lt;strong&gt;পাকিস্তানের লাহোর&lt;/strong&gt; (১৫৩) এবং পঞ্চম স্থানে &lt;strong&gt;বাহরাইনের মানামা&lt;/strong&gt; (১৫১)। এসব শহরের বায়ুমান &amp;lsquo;অস্বাস্থ্যকর&amp;rsquo; পর্যায়ে ছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, &lt;strong&gt;AQI ০-৫০&lt;/strong&gt; হলে বায়ুর মান &amp;lsquo;ভালো&amp;rsquo;, &lt;strong&gt;৫১-১০০&lt;/strong&gt; হলে &amp;lsquo;মাঝারি&amp;rsquo;, &lt;strong&gt;১০১-১৫০&lt;/strong&gt; হলে &amp;lsquo;সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর&amp;rsquo;, &lt;strong&gt;১৫১-২০০&lt;/strong&gt; হলে &amp;lsquo;অস্বাস্থ্যকর&amp;rsquo;, &lt;strong&gt;২০১-৩০০&lt;/strong&gt; হলে &amp;lsquo;খুব অস্বাস্থ্যকর&amp;rsquo; এবং &lt;strong&gt;৩০১-৪০০&lt;/strong&gt; হলে &amp;lsquo;ঝুঁকিপূর্ণ&amp;rsquo; হিসেবে বিবেচিত হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বায়ুমানের সূচক &lt;strong&gt;২০১-এর বেশি&lt;/strong&gt; হলে শিশু, প্রবীণ ও শ্বাসকষ্ট বা অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ঘরের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষেরও অপ্রয়োজনীয় বাইরে অবস্থান এবং দীর্ঘ সময় খোলা পরিবেশে থাকার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নামআগামী ১৬ আগস্ট বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এ সময়কে সামনে রেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। সরকার ও দলীয় সূত্রের দাবি, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় ভূমিকার মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এতে কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বাদ পড়ার পাশাপাশি নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ছয় মাসে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রী প্রত্যাশিত কর্মদক্ষতা দেখাতে পারেননি বা অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়িয়েছেন, তাদের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে।  সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমানে ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসম্পাদনের মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই মন্ত্রিসভায় রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন এবং প্রয়োজনে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।  এ ছাড়া টেকনোক্রেট কোটায় নতুন সদস্য, অতিরিক্ত উপদেষ্টা এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি দলের ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা এবং তরুণ সংসদ সদস্যদেরও মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।  রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি বা স্পিকার পদে নতুন করে কাউকে মনোনয়ন না দেওয়া হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান এবং সেলিমা রহমানের নাম সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।  এ ছাড়া নতুন মুখ হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এবং রকিবুল ইসলাম বকুলের নামও বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে।  সরকারের শরিক ও সমমনা দলগুলোর মধ্য থেকেও কয়েকজন নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ তালিকায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের নাম বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে।  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে অন্তত ১২ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। অতিরিক্ত দায়িত্বের কারণে কিছু মন্ত্রণালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছে সরকার। এ কারণে দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।  সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, মন্ত্রীদের মূল্যায়নে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি, প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন, জনভোগান্তি কমাতে নেওয়া উদ্যোগ, মাঠ প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং জাতীয় সংসদে সক্রিয় অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।  তবে এ বিষয়ে সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে সম্ভাব্য রদবদল ও আলোচিত ব্যক্তিদের নাম সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনায় রয়েছে। </title>
		<link>https://gbanglanews.com/214</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Aug 2026 14:01:26 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/214</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আগামী ১৬ আগস্ট বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এ সময়কে সামনে রেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। সরকার ও দলীয় সূত্রের দাবি, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় ভূমিকার মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এতে কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বাদ পড়ার পাশাপাশি নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ছয় মাসে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রী প্রত্যাশিত কর্মদক্ষতা দেখাতে পারেননি বা অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়িয়েছেন, তাদের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমানে ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসম্পাদনের মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই মন্ত্রিসভায় রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন এবং প্রয়োজনে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া টেকনোক্রেট কোটায় নতুন সদস্য, অতিরিক্ত উপদেষ্টা এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি দলের ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা এবং তরুণ সংসদ সদস্যদেরও মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি বা স্পিকার পদে নতুন করে কাউকে মনোনয়ন না দেওয়া হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান এবং সেলিমা রহমানের নাম সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া নতুন মুখ হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এবং রকিবুল ইসলাম বকুলের নামও বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সরকারের শরিক ও সমমনা দলগুলোর মধ্য থেকেও কয়েকজন নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ তালিকায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের নাম বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে অন্তত ১২ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। অতিরিক্ত দায়িত্বের কারণে কিছু মন্ত্রণালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছে সরকার। এ কারণে দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, মন্ত্রীদের মূল্যায়নে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি, প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন, জনভোগান্তি কমাতে নেওয়া উদ্যোগ, মাঠ প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং জাতীয় সংসদে সক্রিয় অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে এ বিষয়ে সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে সম্ভাব্য রদবদল ও আলোচিত ব্যক্তিদের নাম সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনায় রয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ছাত্র আন্দোলনের জেরে বিহার ও মধ্যপ্রদেশে মুখ থুবড়ে পড়ল বিজেপি </title>
		<link>https://gbanglanews.com/213</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Aug 2026 21:37:05 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/213</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ভারতের সাম্প্রতিক উপনির্বাচনের ফলাফল দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রাথমিক ফলাফলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রত্যাশিত ফল না আসায় দলটির জন্য এটি একটি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে একই সঙ্গে বিরোধী দলগুলোর জন্যও এটিকে নিরঙ্কুশ সাফল্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে বিহারের পাটনার বাঁকিপুর বিধানসভা আসন। ২০০৮ সালে আসনটি গঠনের পর থেকে প্রতিটি নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসা বিজেপি এবার সেখানে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েছে। প্রাথমিক ফলাফলের প্রবণতায় দেখা যাচ্ছে, দীর্ঘদিনের এই শক্ত ঘাঁটিতে বিজেপির ভোটের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টির প্রার্থী শক্ত অবস্থানে রয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাঁকিপুরে বিজেপির এই দুর্বলতা দলটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। উচ্চবর্ণের ভোটারপ্রধান এই আসন দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির অন্যতম নির্ভরযোগ্য ভোটব্যাংক হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে প্রার্থী পরিবর্তন এবং বিহারের রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তনের কারণে ওই ভোটারদের একটি অংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চবর্ণের ভোটারদের একটি অংশ এখন বিকল্প রাজনৈতিক শক্তির দিকে ঝুঁকছেন। তবে এই ভোট সরাসরি বিজেপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) বা কংগ্রেসের পক্ষে যায়নি, বরং নতুন রাজনৈতিক শক্তি জন সুরাজ পার্টির দিকে সরে গেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এছাড়া জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা নিয়ে বিতর্ক, শিক্ষার্থী ও তরুণদের অসন্তোষ এবং কর্মসংস্থান ইস্যুও ভোটারদের মনোভাবে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই উপনির্বাচনের ফলাফল শুধু বিজেপির জন্য সতর্কবার্তাই নয়, বরং ভারতের রাজনীতিতে নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান এবং ভোটারদের পরিবর্তিত মনোভাবেরও ইঙ্গিত বহন করছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই রাখার দাবিতে মানববন্ধন </title>
		<link>https://gbanglanews.com/212</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Aug 2026 18:33:49 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/212</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো)-এর প্রধান কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় স্থানান্তরের প্রস্তাব বাতিল করে রাজশাহীতেই বহাল রাখার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন &amp;lsquo;সচেতন রাজশাহীবাসী&amp;rsquo;র ব্যানারে কয়েকজন নাগরিক।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা নেসকোর প্রধান কার্যালয় স্থানান্তরের উদ্যোগের বিরোধিতা করে তা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;img alt=&quot;&quot; src=&quot;https://gbanglatv.com/wp-content/uploads/2026/08/WhatsApp-Image-2026-08-03-at-6.23.03-PM-300x225.jpeg&quot; style=&quot;height:225px; width:300px&quot; /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে অবস্থিত। উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সম্প্রতি প্রধান কার্যালয় বগুড়ায় স্থানান্তরের উদ্যোগের খবর প্রকাশ পাওয়ার পর রাজশাহীবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বলেন, প্রধান কার্যালয় অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হলে রাজশাহীর প্রশাসনিক গুরুত্ব কমে যাবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত প্রশাসনিক কাঠামো ও জনসেবামূলক কার্যক্রমও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তারা আরও বলেন, শিক্ষা, প্রশাসন ও আঞ্চলিক উন্নয়নের কেন্দ্র হিসেবে রাজশাহীর গুরুত্ব বিবেচনায় নেসকোর প্রধান কার্যালয় এখানেই বহাল রাখা জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট এবং উত্তরাঞ্চলের সুষম উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;img alt=&quot;&quot; src=&quot;https://gbanglatv.com/wp-content/uploads/2026/08/WhatsApp-Image-2026-08-03-at-6.23.00-PM-217x300.jpeg&quot; style=&quot;height:300px; width:217px&quot; /&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মানববন্ধন থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি স্থানান্তরের প্রস্তাব বাতিল করে নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই বহাল রাখার আহ্বান জানানো হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ সময় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, রাজশাহীর ন্যায্য দাবি বিবেচনা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তারা আশা করেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বলিউডকে আর আগের মতো ‘পরিবার’ মনে হয় না: সঞ্জয় দত্ত </title>
		<link>https://gbanglanews.com/211</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Aug 2026 16:53:13 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/211</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বলিউডে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। দীর্ঘ এই যাত্রায় হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্পের ব্যাপক পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করেছেন তিনি। তার ভাষ্য, একসময় বলিউডে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আন্তরিকতার পরিবেশ থাকলেও এখন ইন্ডাস্ট্রিটি অনেক বেশি প্রতিযোগিতামূলক ও কঠিন হয়ে উঠেছে। ফলে বলিউডকে আর আগের মতো &amp;lsquo;পরিবার&amp;rsquo; মনে হয় না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সম্প্রতি এআইজি হসপিটালসের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় দত্ত এসব কথা বলেন। তিনি জানান, অভিনয়জীবনের শুরুতে ইন্ডাস্ট্রির পরিবেশ ছিল অনেক বেশি আন্তরিক।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সঞ্জয় দত্ত বলেন, &lt;em&gt;&amp;ldquo;আমি যখন কাজ শুরু করি, তখন এই ইন্ডাস্ট্রিকে একটি পরিবারের মতো মনে হতো। সবাই একসঙ্গে থাকত, একে অপরকে সাহায্য করত। কিন্তু এখন এটি অনেক বেশি নির্দয় ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে। হলিউডের পরিবেশ অবশ্য ভিন্ন।&amp;rdquo;&lt;/em&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;১৯৮১ সালে &lt;strong&gt;&amp;lsquo;রকি&amp;rsquo;&lt;/strong&gt; সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় সঞ্জয় দত্তের। এরপর &lt;strong&gt;&amp;lsquo;খলনায়ক&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;, **&amp;lsquo;মুন্না ভাই এমবিবিএস&amp;rsquo;**সহ একাধিক জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি বলিউডের অন্যতম সফল অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সাক্ষাৎকারে কারাগারে কাটানো সময়ের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন এই অভিনেতা। তিনি বলেন, জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তিনি পেয়েছেন জেলেই&amp;mdash;আর তা হলো মানুষকে ক্ষমা করতে শেখা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তার ভাষায়, &lt;em&gt;&amp;ldquo;আমি ক্ষমা করতে শিখেছি। একজন কনস্টেবল আমাকে বলেছিলেন, &amp;lsquo;মানুষকে ক্ষমা করতে শিখুন, তাহলে জীবনে আরও বড় হতে পারবেন।&amp;rsquo; কেউ আপনাকে কষ্ট দিলেও তাকে ক্ষমা করে দিন।&amp;rdquo;&lt;/em&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সঞ্জয় দত্ত জানান, এই শিক্ষা তার জীবন ও দৃষ্টিভঙ্গিতে গভীর পরিবর্তন এনেছে এবং তাকে আরও ভালো মানুষ হতে সহায়তা করেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সবশেষে আদিত্য ধর পরিচালিত অ্যাকশন থ্রিলার &lt;strong&gt;&amp;lsquo;ধুরন্ধর&amp;rsquo;&lt;/strong&gt; সিনেমায় দেখা গেছে সঞ্জয় দত্তকে। চলচ্চিত্রটিতে তার অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রশংসা পেয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইমরান খানকে মুক্তি দিতে পাকিস্তানে গোপন আলোচনা? </title>
		<link>https://gbanglanews.com/210</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Aug 2026 16:35:53 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/210</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কিংবদন্তি ক্রিকেটার &lt;strong&gt;ইমরান খানের&lt;/strong&gt; শারীরিক অবস্থার অবনতির পর তাকে চিকিৎসাজনিত কারণে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে পর্দার আড়ালে আলোচনা চলছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান গত প্রায় তিন বছর ধরে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দী রয়েছেন। তার পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তাকে আত্মীয়স্বজন ও আইনজীবীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। সাম্প্রতিক সময়ে চোখের অস্ত্রোপচারের পর তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে বলেও তারা দাবি করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ইমরানের দুই ছেলে &lt;strong&gt;সুলাইমান খান&lt;/strong&gt; ও &lt;strong&gt;কাসিম খান&lt;/strong&gt; এক বিবৃতিতে বলেন, তাদের বাবাকে দীর্ঘদিন ধরে বাইরের পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে তার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমবিষয়ক উপদেষ্টা &lt;strong&gt;সৈয়দ জুলফি বুখারি&lt;/strong&gt;ও চিকিৎসাজনিত কারণে তাকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী &lt;strong&gt;নওয়াজ শরীফ&lt;/strong&gt; চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে ইমরান খানের ক্ষেত্রে দেশত্যাগ, রাজনীতি থেকে দূরে থাকা এবং প্রকাশ্যে নীরব থাকার মতো শর্ত আরোপ করা হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশ্লেষকদের মতে, ইমরান খান আপসহীন রাজনৈতিক অবস্থানের জন্য পরিচিত হওয়ায় তিনি এমন শর্ত সহজে মেনে নাও নিতে পারেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ২০২২ সালে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হন ইমরান খান। এরপর থেকে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয় এবং তিনি কারাবন্দী রয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে, পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী &lt;strong&gt;তালাল চৌধুরী&lt;/strong&gt; এসব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, ইমরান খানের মামলাগুলোর নিষ্পত্তি আদালতের মাধ্যমেই হবে এবং চিকিৎসাজনিত কারণে তাকে জামিন দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;দ্রষ্টব্য:&lt;/strong&gt; ইমরান খানকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্য বিভিন্ন সূত্র ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দাবির ভিত্তিতে প্রকাশিত।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র: সুবিধা ও কেনার নিয়ম </title>
		<link>https://gbanglanews.com/209</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Aug 2026 16:31:07 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/209</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র&lt;/strong&gt; বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর পরিচালিত একটি নিরাপদ বিনিয়োগ প্রকল্প। এতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে নিয়ম অনুযায়ী মুনাফা পাওয়া যায় এবং ৫ বছর শেষে মূলধনও ফেরত নেওয়া যায়।&lt;/p&gt;

&lt;h4&gt;কারা কিনতে পারবেন?&lt;/h4&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;সব শ্রেণি ও পেশার বাংলাদেশি নাগরিক।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪ অনুযায়ী স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিল।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;ভবিষ্যৎ তহবিল আইন, ১৯২৫ অনুযায়ী পরিচালিত ভবিষ্যৎ তহবিল।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;h4&gt;কোথা থেকে কিনবেন?&lt;/h4&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;জেলা সঞ্চয় অফিস&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের কার্যালয়&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;তফসিলি ব্যাংক&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;ডাকঘর&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;p&gt;সঞ্চয়পত্র কিনতে সাধারণত প্রয়োজন হয়:&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;একটি ব্যাংক হিসাব&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;নির্ধারিত আবেদনপত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;h4&gt;কী সুবিধা পাবেন?&lt;/h4&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;সরকারি বিনিয়োগ হওয়ায় তুলনামূলক নিরাপদ।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;বর্তমানে নির্ধারিত হারে &lt;strong&gt;বার্ষিক ১০.৪৪%&lt;/strong&gt; মুনাফা।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;৫ বছর শেষে মূলধন উত্তোলনের সুযোগ।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় গঠনে সহায়ক।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কেনা যায়।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;নমিনি মনোনয়নের সুবিধা রয়েছে। ক্রেতার মৃত্যু হলে নমিনি নিয়ম অনুযায়ী মেয়াদপূর্তির আগে বা পরে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারেন।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;মনে রাখবেন:&lt;/strong&gt; সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা, কর কর্তন এবং মুনাফার হার সময় সময় সরকার পরিবর্তন করতে পারে। তাই বিনিয়োগের আগে সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা যাচাই করা উচিত।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দুবাইয়ে বেনজীরের জামিন নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী </title>
		<link>https://gbanglanews.com/208</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Aug 2026 14:13:57 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/208</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে (দুবাই) বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের জামিন বাতিলের বিষয়ে সরকার একটি আইনজীবী প্রতিষ্ঠান (ল&amp;rsquo; ফার্ম) নিয়োগ করেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মন্ত্রী বলেন, বেনজীর আহমেদ যাতে দেশটি ত্যাগ করতে না পারেন, সে জন্য আদালত তাকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছেন। আদালত কেন জামিন দিয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ সরকার একটি ল&amp;rsquo; ফার্ম নিয়োগ করেছে। তিনি আরও বলেন, বেনজীর আহমেদের কাছে অন্য দেশের পাসপোর্টও থাকতে পারে বলে সরকারের ধারণা রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আওয়ামী লীগের কার্যক্রম প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটির কোনো কার্যকর তৎপরতা চালানোর সক্ষমতা নেই। তবে তারা বিদেশ থেকে মাঝে মাঝে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, উল্টো রথযাত্রা এবং সম্প্রতি মেট্রোরেল এলাকায় বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। উগ্রবাদী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যাতে সক্রিয় হতে না পারে, সে বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এনসিপির কর্মসূচিতে হামলার বিষয়ে তিনি জানান, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গরের বাংলাদেশ সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সফর শেষে দেওয়া ব্রিফিংয়ে তিনি বর্তমান সরকারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আস্থার বিষয়টি তুলে ধরেছেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদত্যাগ দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি </title>
		<link>https://gbanglanews.com/207</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Aug 2026 13:20:29 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/207</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. জাওয়াদুল হকের পদত্যাগের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে নিজেদের &amp;quot;রাজশাহীর আপামর ছাত্র-জনতা&amp;quot; পরিচয় দেওয়া একটি সংগঠন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার (৩ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ দাবি করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং পরে উপাচার্যের প্রতিকৃতি জুতাপেটা করে প্রতীকী প্রতিবাদ জানান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;img alt=&quot;&quot; src=&quot;https://gbanglatv.com/wp-content/uploads/2026/08/image_1785741455232-300x225.jpg&quot; style=&quot;height:225px; width:300px&quot; /&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্পের গাছ, পুরোনো ভবন ও সীমানা প্রাচীরসহ সরকারি সম্পদ বিক্রি, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, বিধিবহির্ভূত নিয়োগ, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম এবং আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে উপাচার্য জড়িত। এছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়ম লঙ্ঘন করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও তারা দাবি করেন। একই সঙ্গে উপাচার্যের সম্পদের উৎস তদন্তেরও দাবি জানান তারা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সমাবেশে রাজশাহী মহানগর বিএনপির সিনিয়র সভাপতি নুজরুল হুদা বলেন, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। অতীতে অনিয়ম ও বৈষম্যের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রাখা উচিত নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ সময় রাজশাহী মহানগর কৃষক দলের সভাপতি শরফুজ্জামান, বোয়ালিয়া পশ্চিম থানা বিএনপির সভাপতি সামসুল হোসেন মিলুসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বক্তারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৯০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ </title>
		<link>https://gbanglanews.com/206</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Aug 2026 22:25:08 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/206</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&amp;nbsp;
&lt;p&gt;সিলেট সীমান্তে পৃথক অভিযানে প্রায় ৯০ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শনিবার (২ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) সীমান্তবর্তী বাংলাবাজার, লাফার্জ, তামাবিল, প্রতাপপুর, পান্থুমাই ও সংগ্রাম বিওপি এলাকায় অভিযান চালায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;img alt=&quot;&quot; src=&quot;https://gbanglatv.com/wp-content/uploads/2026/08/761306769_898890059941943_5198245605794634532_n-300x225.jpg&quot; style=&quot;height:225px; width:300px&quot; /&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অভিযানে ভারতীয় গরু, কসমেটিকস, জিরা, মরিচ, কম্বল ও চিনি জব্দ করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ থেকে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ রসুনও আটক করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;img alt=&quot;&quot; src=&quot;https://gbanglatv.com/wp-content/uploads/2026/08/761653404_898890193275263_141106698259919028_n-300x185.jpg&quot; style=&quot;height:185px; width:300px&quot; /&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিজিবি জানায়, জব্দকৃত চোরাচালানি পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য &lt;strong&gt;৯০ লাখ ১৫ হাজার টাকা&lt;/strong&gt;।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;img alt=&quot;&quot; src=&quot;https://gbanglatv.com/wp-content/uploads/2026/08/763103839_898890119941937_447906648261237531_n-300x225.jpg&quot; style=&quot;height:225px; width:300px&quot; /&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক বলেন, সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলমান রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও জানান, জব্দকৃত মালামালের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।&lt;/p&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী </title>
		<link>https://gbanglanews.com/205</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Aug 2026 20:21:17 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/205</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হলে বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে এনে তার বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রোববার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের মধ্যে এ বিষয়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে দুই দেশের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আদান-প্রদান হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রতিমন্ত্রী জানান, আমিরাত কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ সরকারের কাছে কিছু অতিরিক্ত তথ্য চেয়েছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে সেই তথ্য সরবরাহ করেছে এবং বিষয়টি এখন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের নিজস্ব আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ সরকারও প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উল্লেখ্য, এর আগে গত জুন মাসে জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>প্রক্সি পরীক্ষায় চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে ৪৫তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্তসহ ৩ সরকারি চাকরিজীবী গ্রেফতার </title>
		<link>https://gbanglanews.com/204</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 31 Jul 2026 21:29:42 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/204</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি পরীক্ষার্থী দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ানো এবং প্রতারণার মাধ্যমে অন্যদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে ৪৫তম বিসিএসে সমবায় ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত একজনসহ তিন সরকারি চাকরিজীবীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শুক্রবার (৩১ জুলাই) সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রেফতারকৃতরা হলেন&amp;mdash;নুরন্নবী (৫৫), মো. সোহেল (৪০) এবং জুলফিকার আলী ওরফে রায়হান (২৯)। তাদের মধ্যে নুরন্নবী ও মো. সোহেল চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে কর অঞ্চল-২-এর বিভাগীয় কর কমিশনারের কার্যালয়ে অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত। অপরদিকে জুলফিকার আলী বর্তমানে মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে জুনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত এবং সম্প্রতি ৪৫তম বিসিএসে সমবায় ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সিআইডি জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অনুমোদনের ভিত্তিতে কর অঞ্চল-নোয়াখালীতে গ্রেড-১৩ থেকে গ্রেড-২০ পর্যন্ত বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য গত ৫ জুন লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে ১১২ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে নিয়োগের জন্য কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় কয়েকজন প্রার্থীর আবেদনপত্রে থাকা হাতের লেখার সঙ্গে মৌখিক পরীক্ষার সময় পূরণ করা চেকলিস্টের হাতের লেখার অমিল ধরা পড়ে। পরে পুনরায় লিখতে দিলে অসঙ্গতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জিজ্ঞাসাবাদে মো. কামাল উদ্দিন, মো. নাসফুরুল্লাহ ও মো. সুজন স্বীকার করেন যে, তারা নিজেরা লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেননি; তাদের হয়ে প্রক্সি পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ঘটনায় ২২ জুন নোয়াখালীর সুধারাম মডেল থানায় প্রতারণা, জালিয়াতি ও সহায়তার অভিযোগে পেনাল কোডের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। শুরু থেকেই সিআইডির নোয়াখালী জেলা ইউনিট মামলাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে মামলাটি সিআইডির তফসিলভুক্ত হলে তদন্তভার গ্রহণ করে সংস্থাটি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তদন্তে সিআইডি জানতে পারে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র অর্থের বিনিময়ে প্রক্সি পরীক্ষার্থী সরবরাহ করে বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষায় প্রকৃত প্রার্থীর পরিবর্তে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করত। দীর্ঘদিন ধরে চক্রটি সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর ধারাবাহিকতায় গত ৩০ জুলাই পৃথক অভিযানে নুরন্নবী ও মো. সোহেলকে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে কর অঞ্চল-২ কার্যালয় থেকে এবং জুলফিকার আলী ওরফে রায়হানকে কক্সবাজারের মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেফতার করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সিআইডি জানিয়েছে, এ মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ছয়জন এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) গ্রেফতার তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে এ সংঘবদ্ধ জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে সিআইডির অভিযান চলছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আগস্টেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম </title>
		<link>https://gbanglanews.com/203</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 30 Jul 2026 19:45:43 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/203</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও দেশের বাজারে আগস্ট মাসের জন্য ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের খুচরা মূল্য অপরিবর্তিত রেখেছে সরকার। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হওয়া মূল্যহার অনুযায়ী ডিজেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকায় বিক্রি হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে আগস্ট মাসের জন্য সর্বশেষ নির্ধারিত জ্বালানি তেলের মূল্যহারই বহাল রাখা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে গত ৩১ মে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। এরপর জুন ও জুলাই মাসেও দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়। ধারাবাহিকভাবে আগস্ট মাসেও একই মূল্য বহাল থাকছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সরকার গত বছরের মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চালু করেছে। এর আওতায় প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন মূল্য ঘোষণা করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর মূল্য নির্ধারণ করছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে মোট চাহিদার প্রায় ৭৫ শতাংশই ডিজেল, যা মূলত কৃষি সেচ, পরিবহন ও জেনারেটরে ব্যবহৃত হয়। বাকি ২৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ হয় পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিন, জেট ফুয়েল ও ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি তেলের মাধ্যমে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বর্তমানে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের মূল্য নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। অন্যদিকে জেট ফুয়েল, ফার্নেস অয়েল এবং এলপিজির মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব পালন করছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন </title>
		<link>https://gbanglanews.com/202</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 29 Jul 2026 13:39:02 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/202</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর নতুন প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল আইজিপি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন। বুধবার (২৯ জুলাই) সিআইডি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে সিআইডির ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা নবনিযুক্ত সিআইডি প্রধানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে, গত ২৮ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইনকে সিআইডির প্রধান হিসেবে পদায়ন করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সিআইডির দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি প্রেষণে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এনএসআইতে কর্মরত অবস্থাতেই তিনি অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল আইজিপি) পদে পদোন্নতি লাভ করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রায় তিন দশকের কর্মজীবনে তিনি ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। পরে পিরোজপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া সিআইডির সদর দপ্তর, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা ইউনিটে বিশেষ পুলিশ সুপার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদা; ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি); চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি); র&amp;zwnj;্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র&amp;zwnj;্যাব); পুলিশ সদর দপ্তর এবং বিভিন্ন পুলিশ রেঞ্জে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শিক্ষাজীবনে ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের সিটি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন। এছাড়া ফরেনসিক ল্যাবরেটরি ও আধুনিক পুলিশিং বিষয়ে মালয়েশিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>উলটো রথ টানার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হলো রথযাত্রা উৎসব </title>
		<link>https://gbanglanews.com/201</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 24 Jul 2026 19:42:29 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/201</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;উলটো রথ টানার মধ্য দিয়ে শুক্রবার (২৪ জুলাই) সম্পন্ন হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা। এর আগে গত ১৬ জুলাই শুরু হওয়া নয় দিনব্যাপী এই উৎসব নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সনাতন ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী, জগন্নাথ দেব &amp;lsquo;জগতের নাথ&amp;rsquo; বা বিশ্বজগতের অধীশ্বর। ভক্তদের বিশ্বাস, তার কৃপা লাভ করলে মোক্ষ বা মুক্তিলাভ সম্ভব। এই বিশ্বাস থেকেই প্রতিবছর জগন্নাথ দেব, বলদেব ও সুভদ্রা মহারাণীর বিগ্রহ রথে অধিষ্ঠিত করে রথযাত্রা ও উলটো রথযাত্রার আয়োজন করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উলটো রথযাত্রা উপলক্ষে শুক্রবার দেশের বিভিন্ন মন্দির ও ধর্মীয় সংগঠন নানা কর্মসূচির আয়োজন করে। সকালে হরিনাম সংকীর্তন, বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্রী যজ্ঞ, ভাগবত পাঠ ও আলোচনা, ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মহাপ্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে সকাল থেকেই হাজারো ভক্তের সমাগম ঘটে। শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্যকে ধারণ করে উৎসবমুখর পরিবেশে সেখানে উদযাপিত হয় উলটো রথযাত্রা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) বাংলাদেশের উদ্যোগে দিনব্যাপী আলোচনা সভা, হরিনাম সংকীর্তন, ভাগবত আলোচনা, ভজন-কীর্তন, ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বর্ণাঢ্য রথ শোভাযাত্রা এবং মহাপ্রসাদ বিতরণের আয়োজন করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আলোচনা সভা শেষে দুপুর ৩টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে ইসকন স্বামীবাগ আশ্রমের উদ্দেশে বর্ণাঢ্য উলটো রথ শোভাযাত্রা বের হয়। শ্রীশ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রা মহারাণীকে তিনটি সুবৃহৎ রথে অধিষ্ঠিত করে শোভাযাত্রাটি পলাশী মোড়, জগন্নাথ হল, জাতীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, কার্জন হল, হাইকোর্ট, জাতীয় প্রেস ক্লাব, মতিঝিল, শাপলা চত্বর, দৈনিক ইত্তেফাক, টিকাটুলি, রাজধানী সুপার মার্কেট ও দয়াগঞ্জ সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্বামীবাগ আশ্রমে গিয়ে শেষ হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;খোল-করতালের সুর, হরিনাম সংকীর্তন ও ভক্তদের জয়ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো শোভাযাত্রা। নারী-পুরুষ, শিশু ও বিভিন্ন বয়সী হাজারো ভক্ত এতে অংশ নেন। পাশাপাশি অসংখ্য দর্শনার্থী রথে ফুল অর্পণ করে প্রার্থনা করেন এবং শোভাযাত্রার বিভিন্ন স্থান থেকে উৎসব উপভোগ করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ধর্মীয় আলোচনা, ভাগবত পাঠ, ভজন-কীর্তন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাট্য পরিবেশনা, শিশুদের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা এবং ভক্তদের মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে যা বললেন স্পিকার </title>
		<link>https://gbanglanews.com/200</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 24 Jul 2026 19:37:54 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/200</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর সংবিধানের বিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। একই সঙ্গে স্পিকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে সংসদ সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, &lt;strong&gt;&amp;lsquo;শুক্রবার বিকেল ৫টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র আমি হাতে পেয়েছি। স্পিকার হিসেবে আমি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। ফলে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বর্তমানে আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্পিকার আরও বলেন, &lt;strong&gt;&amp;lsquo;যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি, সেদিনই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবেও শপথ নিয়েছি। একইভাবে ডেপুটি স্পিকারও শপথ গ্রহণের সময় এমন পরিস্থিতিতে স্পিকারের দায়িত্ব পালনের শপথ নিয়েছেন। এটি শপথেরই অংশ।&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, &lt;strong&gt;&amp;lsquo;তিনি শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যের কারণে পদত্যাগ করেছেন। আমি তার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করি। আমার বিশ্বাস, অতীতে যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, বর্তমানে জনগণের ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের প্রতি তিনি সবসময় সমর্থন ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছেন।&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে স্পিকারের কাছে পাঠানো পদত্যাগপত্রে মো. সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন, তিনি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছেন। হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারির পাশাপাশি সম্প্রতি তার &lt;strong&gt;অটোনমিক নিউরোপ্যাথি (Autonomic Neuropathy)&lt;/strong&gt; রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে তিনি মাঝে মাঝে ক্ষণিকের জন্য অচেতন হয়ে পড়েন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পদত্যাগপত্রে তিনি আরও বলেন, এসব শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে আর সম্ভব নয়। তাই সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন </title>
		<link>https://gbanglanews.com/199</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 24 Jul 2026 19:31:56 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/199</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্পিকারকে দেওয়া পদত্যাগপত্রে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার দায়িত্ব পালন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং শারীরিক অসুস্থতার বিষয় তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন&amp;mdash;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;&amp;lsquo;আমি মো. সাহাবুদ্দিন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ২০২৩ খ্রিস্টাব্দের ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করি এবং অদ্যাবধি নিষ্ঠা, সততা ও সংবিধানের প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন সরকারের পতনের পর দেশে শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংকটের সৃষ্টি হয়। সাংবিধানিক সংকট থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে আমি রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত কামনা করি। পরবর্তীতে আপিল বিভাগের পরামর্শক্রমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করি। সেই সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শক্রমে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে দেশ পরিচালনা করছে। বর্তমানে সরকারি দল ও বিরোধী দল গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে জাতীয় সংসদে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করছে। আমার সুদৃঢ় ও ইতিবাচক ভূমিকার কারণে দেশে কোনো সাংবিধানিক বিপর্যয় ঘটেনি।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য পরীক্ষায় &amp;lsquo;Autonomic Neuropathy&amp;rsquo; নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিকের জন্য অচেতন হয়ে যাই। বিভিন্ন রোগের কারণে সৃষ্ট শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যের ফলে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;এমতাবস্থায়, সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ করছি।&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রান্নার দুই মিনিটেই সবুজ গরুর মাংস, থানায় গেলেন ক্রেতারা </title>
		<link>https://gbanglanews.com/198</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Jul 2026 00:19:09 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/198</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;খুলনার পাইকগাছায় বাজার থেকে কেনা গরুর মাংস রান্না শুরু করার মাত্র দুই মিনিটের মধ্যেই সবুজ রং ধারণ করার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে মাংস ধোয়ার সময় পানির রং কালচে হয়ে যাওয়ার ঘটনাও স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তবে মাংসের রং পরিবর্তনের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কেউই নিশ্চিত মন্তব্য করতে পারেননি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জানা গেছে, বুধবার (২২ জুলাই) সকালে পাইকগাছা পৌর মাংস বাজারের ব্যবসায়ী ইসমাইল কসাইয়ের কাছ থেকে স্থানীয় একটি বেকারির কর্মচারীরা পিকনিকের জন্য ৩ কেজি ৯০০ গ্রাম ফ্রিজে সংরক্ষিত গরুর মাংস কেনেন। তাদের দাবি, রান্না শুরু করার মাত্র দুই মিনিটের মধ্যেই মাংসের রং সবুজ হয়ে যায়। এছাড়া মাংস ধোয়ার সময় পানির রংও কালচে হয়ে যায়। বিষয়টি দেখে তারা স্থানীয়দের জানান এবং পরে রান্না করা মাংস থানায় নিয়ে যান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অভিযোগের বিষয়ে মাংস বিক্রেতা ইসমাইল কসাই বলেন, একই মাংস সেদিন আরও অনেক ক্রেতার কাছে বিক্রি করা হয়েছে। কিন্তু ওই বেকারির কর্মচারী ছাড়া অন্য কোনো ক্রেতার কাছ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তার দাবি, মাংসে কোনো ধরনের রাসায়নিক বা ক্ষতিকর পদার্থ ব্যবহার করা হয়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, &amp;lsquo;আমি গত ১৫ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করছি। বেকারিতে ব্যবহৃত কোনো রং বা রাসায়নিক ভুলবশত রান্নার সময় মিশে যাওয়ার কারণেও এমন ঘটনা ঘটতে পারে।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী জানান, দুপুরে বেকারির কর্মচারীরা রান্না করা মাংসের কড়াই থানায় নিয়ে আসেন। তাদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হলেও তারা অভিযোগ দায়ের করেননি। কিছুক্ষণ পর তারা মাংস নিয়ে ফিরে যান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ঘটনায় বাজারে নিম্নমানের বা রাসায়নিকযুক্ত মাংস বিক্রির আশঙ্কায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত মাংসের রং পরিবর্তনের কারণ পরীক্ষাগারে যাচাই করা হয়নি এবং কোনো সরকারি সংস্থার পরীক্ষার ফলও প্রকাশিত হয়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্থানীয়রা দ্রুত মাংসের নমুনা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৫৬টি পাসপোর্টসহ মানবপাচার চক্রের ৭ সদস্য গ্রেফতার </title>
		<link>https://gbanglanews.com/197</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Jul 2026 17:41:56 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/197</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ভিসা জালিয়াতির মাধ্যমে প্রকৃত পাসপোর্টধারীর পরিবর্তে অন্য নারীকে ইতালিতে পাঠানো এবং বিদেশে নেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার (২১ জুলাই) সিআইডির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সিআইডি জানায়, গত ২০ জুলাই রাজধানীর গুলশান-১ এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রটির সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় গুলশান থানায় মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬ এবং দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রেফতারকৃতরা হলেন&amp;mdash;মো. বেলায়েত হোসেন (৪০), নাজমুল হাসান (১৯), মেহেদী হাসান (৩৭), মো. সোলাইমান সুমন (৩২), ফজলে রাব্বী (২৭), মো. তৌহিদুর রহমান (২৪) এবং কাওসার হোসেন (৪২)।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অভিযানের সময় তাদের অফিস থেকে তিনটি সিপিইউ, একটি এইচপি ল্যাপটপ, বিভিন্ন ব্যক্তির নামে থাকা ৫৬টি পাসপোর্ট, সরকারি-বেসরকারি ও বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির নামে ব্যবহৃত ১৫৩টি সিল, একটি লোহার এম্বোস সিল এবং নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী এক নারীর স্বামী দীর্ঘদিন ধরে ইতালিতে বসবাস করছেন। স্বামী ও সন্তানদের সঙ্গে ইতালিতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি ইতালির দূতাবাসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও পাসপোর্ট জমা দেন। পরে পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে নবায়নের জন্য দূতাবাসে গেলে অভিযুক্ত নাজমুল হাসানের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। নাজমুল নিজেকে ভিসা ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত কাজের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পরিচয় দিয়ে তাকে গুলশানের একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে নিয়ে যান। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বেলায়েত হোসেনসহ অন্যরা ইতালির ভিসা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তার সঙ্গে আর্থিক চুক্তি করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরবর্তীতে অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা আদায় করে এবং কিছু সময়ের জন্য তার পাসপোর্ট নিজেদের কাছে রেখে দেয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরে ভুক্তভোগীর স্বামী বাংলাদেশ থেকে স্ত্রী ও সন্তানদের ইতালিতে নেওয়ার জন্য বিমান টিকিটের ব্যবস্থা করেন। নির্ধারিত দিনে বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার সময় ভুক্তভোগী জানতে পারেন, তার পাসপোর্টে থাকা ইতালির ভিসা ব্যবহার করে ২৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখেই অন্য এক নারী ইতালি চলে গেছেন। তখনই তিনি প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে সিআইডির মানবপাচার শাখায় অভিযোগ করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অভিযোগের পর তদন্ত শুরু করে সিআইডি। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে চক্রটির সাত সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তদন্তে সিআইডি জানতে পেরেছে, চক্রটি বিদেশে যাওয়ার আগ্রহী ব্যক্তিদের টার্গেট করে ইতালির ভিসার প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করত। পরে তাদের পাসপোর্ট নিজেদের হেফাজতে রেখে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রকৃত পাসপোর্টধারীর পরিবর্তে অন্য ব্যক্তিকে বিদেশে পাঠানোর মতো গুরুতর অপরাধ সংঘটিত করত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এছাড়া জব্দ করা ৫৬টি পাসপোর্ট ও ১৫৩টি সিল থেকে ধারণা করা হচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে ভিসা জালিয়াতি ও মানবপাচারের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল এই চক্র।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সিআইডির প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা গেছে, চক্রটির মূলহোতা বেলায়েত হোসেন ২০১৬ সাল থেকে একই কৌশলে অন্তত ৩০ জনকে ইতালিতে পাঠানোর সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং প্রত্যেকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়েছেন। একই ধরনের অপরাধের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে বিমানবন্দর থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলাও বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বর্তমানে মামলার তদন্ত চলছে। জব্দ করা পাসপোর্ট, সিল, কম্পিউটারসহ অন্যান্য আলামতের ফরেনসিক পরীক্ষা, অভিযুক্তদের আর্থিক লেনদেন এবং দেশি-বিদেশি সহযোগীদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে বিদেশে কর্মসংস্থান, অভিবাসন বা ভ্রমণের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে পাসপোর্ট বা অর্থ হস্তান্তর না করার আহ্বান জানিয়েছে সিআইডি। একই সঙ্গে বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে সরকার অনুমোদিত বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং ভিসা জালিয়াতি বা মানবপাচারের সন্দেহ হলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সিআইডিকে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চ্যাম্পিয়ন স্পেন কত টাকা পাচ্ছে, রানার্সআপ আর্জেন্টিনা কত? </title>
		<link>https://gbanglanews.com/196</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Jul 2026 04:19:15 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/196</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর শিরোপা জয়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশাল অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারও নিশ্চিত করেছে স্পেন। ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলটি ফিফার ঘোষিত পুরস্কার কাঠামো অনুযায়ী প্রায় &lt;strong&gt;৪৮১ কোটি টাকা&lt;/strong&gt; পাবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে, ফাইনালে হেরে রানার্সআপ হওয়া আর্জেন্টিনার প্রাপ্তি প্রায় &lt;strong&gt;৩১৭ কোটি টাকা&lt;/strong&gt;। ফলে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের পুরস্কারের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে প্রায় &lt;strong&gt;১৬৪ কোটি টাকা&lt;/strong&gt;।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এবারের বিশ্বকাপের মোট পুরস্কার তহবিল ছিল প্রায় &lt;strong&gt;৬ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা&lt;/strong&gt;, যা আগের আসরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। ৪৮ দল নিয়ে আয়োজিত এই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলই পারফরম্যান্স অনুযায়ী আর্থিক পুরস্কার পেয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তৃতীয় স্থান অর্জনকারী ইংল্যান্ড পেয়েছে প্রায় &lt;strong&gt;২৭৯ কোটি টাকা&lt;/strong&gt; এবং চতুর্থ হওয়া ফ্রান্সের প্রাপ্তি প্রায় &lt;strong&gt;২৬০ কোটি টাকা&lt;/strong&gt;।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, এই অর্থ সরাসরি সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল ফেডারেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পরে সংশ্লিষ্ট ফেডারেশন তাদের নীতিমালা অনুযায়ী খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও দলের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে বোনাস হিসেবে অর্থ বণ্টন করবে। অবশিষ্ট অর্থ দেশের ফুটবল অবকাঠামো ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যয় করা হবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মেসির স্বপ্নভঙ্গ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন, নায়ক তোরেস </title>
		<link>https://gbanglanews.com/195</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Jul 2026 04:13:03 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/195</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে স্পেন। ২০১০ সালের পর এবার ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করে ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট পরেছে ইউরোপের দেশটি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রোববার (১৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে লিওনেল মেসির নেতৃত্বাধীন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে স্পেন। এর মধ্য দিয়ে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নও ভেঙে যায় আর্জেন্টিনার।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছিল স্পেন। এরপর দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ফাইনালে উঠে দুর্দান্ত নৈপুণ্যে দ্বিতীয় শিরোপা নিজেদের করে নেয় তারা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে, লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও শেষ পর্যন্ত স্পেনের কাছে হেরে রানার্সআপ হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;বিস্তারিত আসছে...&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিশ্বজুড়ে মেটার সার্ভারে বিপর্যয়, ফেসবুক-মেসেঞ্জার ব্যবহারে বিভ্রাট </title>
		<link>https://gbanglanews.com/194</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Jul 2026 14:36:53 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/194</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বিশ্বজুড়ে মেটার সার্ভারে আকস্মিক কারিগরি ত্রুটির কারণে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার ব্যবহারে ব্যাপক সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ কারণে অনেক ব্যবহারকারী তাদের অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রোববার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দুপুরের পর থেকে এ বিভ্রাট শুরু হয়। তবে কিছু ব্যবহারকারী মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে আংশিকভাবে সেবা ব্যবহার করতে পারছেন বলে জানা গেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ওয়েবসাইট ও অনলাইন সেবার বিভ্রাট পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান &lt;strong&gt;ডাউনডিটেক্টর&lt;/strong&gt;-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার ব্যবহারকারী ফেসবুক ব্যবহারে সমস্যার অভিযোগ জানিয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ব্যবহারকারীদের অভিযোগ, অ্যাকাউন্টে প্রবেশের চেষ্টা করলে &lt;strong&gt;&amp;quot;Account Temporarily Unavailable&amp;quot;&lt;/strong&gt; বার্তা দেখা যাচ্ছে এবং কোনোভাবেই লগইন করা যাচ্ছে না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আকস্মিক এ সমস্যার কারণে অনেকেই প্রথমে তাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তবে বিভিন্ন দেশ থেকে একই ধরনের অভিযোগ আসায় এটি সার্ভার-সংক্রান্ত কারিগরি সমস্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে ধারণা করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মেটা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সার্ভার বিভ্রাটের কারণ বা সেবা স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আর্জেন্টিনার আক্রমণ নাকি স্পেনের রক্ষণ, জয় হবে কার? </title>
		<link>https://gbanglanews.com/193</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Jul 2026 14:35:39 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/193</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আর মাত্র একটি ম্যাচ। এরপরই পর্দা নামবে ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর। রোববার (১৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ইতিহাসে প্রথমবার ৪৮ দল নিয়ে আয়োজিত বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছে ফুটবলের দুই পরাশক্তি। পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়ে শেষ পর্যন্ত শিরোপার লড়াইয়ে জায়গা করে নিয়েছে তারা। ফলে শক্তি, ফর্ম ও পরিসংখ্যান&amp;mdash;সব দিক থেকেই জমজমাট এক ফাইনালের প্রত্যাশা করছেন ফুটবলপ্রেমীরা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরিসংখ্যান বলছে, ফাইনালে সবচেয়ে বড় লড়াই হতে পারে স্পেনের দুর্ভেদ্য রক্ষণভাগ এবং আর্জেন্টিনার বিধ্বংসী আক্রমণভাগের মধ্যে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;চলতি বিশ্বকাপে স্পেন এখন পর্যন্ত মাত্র &lt;strong&gt;একটি গোল&lt;/strong&gt; হজম করেছে। পাশাপাশি বিশ্বকাপের এক আসরে &lt;strong&gt;ছয়টি ম্যাচে ক্লিন শিট&lt;/strong&gt; রেখে নতুন রেকর্ড গড়েছে দলটি। এছাড়া টানা &lt;strong&gt;৩৭ ম্যাচ অপরাজিত&lt;/strong&gt; রয়েছে স্প্যানিশরা, যা ফাইনালে আরও দীর্ঘ হতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা টানা &lt;strong&gt;১৪টি ম্যাচ জিতে&lt;/strong&gt; ফাইনালে উঠেছে। লিওনেল স্কালোনির দল চলতি বিশ্বকাপে ম্যাচের &lt;strong&gt;৮৫ মিনিটের পর সর্বোচ্চ আটটি গোল&lt;/strong&gt; করেছে, যা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার তাদের মানসিকতারই প্রমাণ।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;মুখোমুখি লড়াইয়ে সমানে সমান&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;আর্জেন্টিনা ও স্পেন এখন পর্যন্ত &lt;strong&gt;১৪ বার&lt;/strong&gt; একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে &lt;strong&gt;৬টি করে ম্যাচ জিতেছে&lt;/strong&gt; দুই দল, আর &lt;strong&gt;দুটি ম্যাচ&lt;/strong&gt; ড্র হয়েছে। অর্থাৎ অতীতের পরিসংখ্যানেও কোনো দলই অন্যটির চেয়ে এগিয়ে নয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বর্তমান ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং বর্তমান কোপা আমেরিকা ও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার এই লড়াইকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে উত্তেজনা। একদিকে স্পেনের সংগঠিত ও শক্তিশালী রক্ষণ, অন্যদিকে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনার আক্রমণাত্মক ফুটবল&amp;mdash;সব মিলিয়ে ফুটবলপ্রেমীরা অপেক্ষায় রয়েছেন আরেকটি স্মরণীয় বিশ্বকাপ ফাইনালের।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সন্ধ্যার মধ্যে যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস </title>
		<link>https://gbanglanews.com/192</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Jul 2026 12:45:20 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/192</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;দেশের সাতটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রোববার (১৯ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, &lt;strong&gt;খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার&lt;/strong&gt; অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে অস্থায়ীভাবে ঘণ্টায় &lt;strong&gt;৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার&lt;/strong&gt; বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে &lt;strong&gt;১ নম্বর নৌ সতর্ক সংকেত&lt;/strong&gt; দেখাতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শহীদ জিয়া হত্যার বিষয়ে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য </title>
		<link>https://gbanglanews.com/191</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Jul 2026 12:38:43 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/191</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেনকে গ্রেফতারের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র। তবে এসব তথ্যের বিষয়ে সেনাবাহিনী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, প্রায় ৪৫ বছর আত্মগোপনে থাকার পর গ্রেফতার হওয়া মোজাফফরকে জিজ্ঞাসাবাদে ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে সংঘটিত জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এসব তথ্য এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না বলেও সূত্রগুলো জানিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বর্তমানে মোজাফফর হোসেন সেনাবাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন। তাকে একটি বিশেষ ইউনিটে রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মোজাফফরকে গ্রেফতারের পর হত্যাকাণ্ডে তার ভূমিকা এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে নানা কৌতূহল তৈরি হয়েছে। অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, এই গ্রেফতার দীর্ঘদিনের আলোচিত মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সেনাবাহিনী থেকে আগেই মোজাফফরকে পলাতক ঘোষণা করা হয়েছিল। আইন অনুযায়ী তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখন জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ওই ঘটনায় তার ভূমিকা এবং অন্য কারও সম্পৃক্ততা সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যেতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানায়, জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই মোজাফফর পলাতক ছিলেন। তৎকালীন মেজর মঞ্জুরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে তিনি হত্যাকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় সেনা আইনে তার বিচার সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সেনা আইনের বিধান অনুযায়ী, কোনো সদস্য পলাতক থাকলে তাকে &amp;lsquo;অ্যাবসকন্ড&amp;rsquo; হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। কোর্ট মার্শাল পরিচালনার ক্ষেত্রে অভিযুক্তের উপস্থিতি ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক হওয়ায় এতদিন তার বিচার সম্পন্ন হয়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আব্দুল কাইয়ুম বলেন, জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে এখনও নানা প্রশ্ন রয়েছে। তার মতে, মোজাফফরের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য তদন্তে নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে তড়িঘড়ি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত হবে না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তৎকালীন সময়ে মোজাফফরকে ধরিয়ে দিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুই লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর সম্প্রতি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাকে রাজধানীর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের পর মোজাফফর প্রথমে আত্মগোপনে চলে যান এবং পরে সীমান্ত পেরিয়ে বিদেশে অবস্থান করেন। ১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে তিনি পরিচয় গোপন রেখে নীরবে বসবাস করছিলেন বলেও তদন্ত সংশ্লিষ্টদের দাবি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, মোজাফফরের বিচার সেনাবাহিনীর প্রচলিত আইন অনুযায়ী হবে এবং এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে বিএনপির একাধিক নেতা দাবি করেছেন, শুধু অভিযুক্তের বিচার নয়, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা পরিকল্পনাকারী ছিলেন এবং কারা তাকে দেশত্যাগ ও দীর্ঘদিন আত্মগোপনে সহায়তা করেছিলেন, তাও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জাতির সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অপরাধ বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ সত্য উদঘাটনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সেনাবাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। তার মতে, শুধু একজন অভিযুক্তের বিচার নয়, পুরো ঘটনার পেছনের পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চিহ্নিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক সামরিক অভ্যুত্থানের সময় নিহত হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ওই হত্যাকাণ্ডের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেনকে গত বুধবার রাতে রাজধানীর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরদিন তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সম্পাদকীয় নোট:&lt;/strong&gt; মূল প্রতিবেদনে &amp;quot;চাঞ্চল্যকর তথ্য&amp;quot;, &amp;quot;ইতিহাসের খলনায়ক&amp;quot;, &amp;quot;সবকিছু হুবহু বর্ণনা করেছেন&amp;quot;&amp;mdash;এ ধরনের যেসব দাবি করা হয়েছে, সেগুলোর কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। তাই জাতীয় দৈনিকের সম্পাদনা নীতির আলোকে সেগুলোকে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং নিশ্চিত তথ্য ও দাবির মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রাখা হয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঢাকার বাতাস আজ কতটা দূষিত? </title>
		<link>https://gbanglanews.com/190</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Jul 2026 12:30:36 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/190</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;রাজধানী ঢাকার সামগ্রিক বায়ুমান বর্তমানে সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও শহরের কয়েকটি এলাকায় বাতাসের মান এখনও অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে গুলশান ও বারিধারার কিছু এলাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা উদ্বেগজনক।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রোববার (১৯ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান &lt;strong&gt;আইকিউএয়ার&lt;/strong&gt;-এর প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ২১তম। এ সময় রাজধানীর এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI) স্কোর ছিল ৭৬, যা &amp;lsquo;মধ্যম&amp;rsquo; বা সহনীয় বায়ুমানের নির্দেশক।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে আইকিউএয়ারের রিয়েল-টাইম স্টেশনভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় দূষণের মাত্রা তুলনামূলক বেশি। এর মধ্যে গুলশানের &lt;strong&gt;গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল&lt;/strong&gt; এলাকার AQI স্কোর ছিল ১৫২, যা &amp;lsquo;সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর&amp;rsquo; বায়ুমানের পর্যায়ে পড়ে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া দূষণের তালিকায় রয়েছে গুলশানের &lt;strong&gt;বেজ এজওয়াটার আউটডোর&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;বারিধারা পার্ক রোড&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;বারিধারা লেকসাইড&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;উত্তর বাড্ডা&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;গুলশান লেক পার্ক&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;পুরান ঢাকার বেচারাম দেউড়ি&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;ধানমন্ডি&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;গোড়ান&lt;/strong&gt; এবং &lt;strong&gt;গুলশান-২-এর রব ভবন&lt;/strong&gt; এলাকা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান কারণ &lt;strong&gt;পিএম ২.৫ (PM2.5)&lt;/strong&gt; বা অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা। ২.৫ মাইক্রোমিটারের কম ব্যাসের এসব কণা সহজেই ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে রক্তপ্রবাহে মিশে যেতে পারে। এর ফলে হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস, হৃদ্&amp;zwnj;রোগসহ বিভিন্ন শ্বাসতন্ত্র ও হৃদ্&amp;zwnj;যন্ত্রের জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাজধানীর বায়ুদূষণের জন্য শীতকালীন আবহাওয়ার প্রভাব, যানবাহন ও শিল্পকারখানার নির্গমন, চলমান নির্মাণকাজের ধুলাবালি এবং আশপাশের ইটভাটাকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংশ্লিষ্টরা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে আইকিউএয়ারের সর্বশেষ বৈশ্বিক তালিকায় সবচেয়ে দূষিত শহর হিসেবে রয়েছে &lt;strong&gt;উগান্ডার কাম্পালা&lt;/strong&gt;, যার AQI স্কোর ১৯৮। এরপর রয়েছে &lt;strong&gt;ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর কিনশাসা (১৮২)&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা (১৬৮)&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো (১৬০)&lt;/strong&gt; এবং &lt;strong&gt;ভারতের দিল্লি (১৫১)&lt;/strong&gt;।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, AQI &lt;strong&gt;০-৫০&lt;/strong&gt; হলে বায়ুমান ভালো, &lt;strong&gt;৫১-১০০&lt;/strong&gt; হলে সহনীয়, &lt;strong&gt;১০১-১৫০&lt;/strong&gt; হলে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের জন্য অস্বাস্থ্যকর, &lt;strong&gt;১৫১-২০০&lt;/strong&gt; হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর, &lt;strong&gt;২০১-৩০০&lt;/strong&gt; হলে খুব অস্বাস্থ্যকর এবং &lt;strong&gt;৩০০-এর বেশি&lt;/strong&gt; হলে তা দুর্যোগপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিশ্বকাপের ফাইনালে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় কোনটি? </title>
		<link>https://gbanglanews.com/189</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Jul 2026 12:26:12 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/189</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়ের ব্যবধান তিন গোল। এখন পর্যন্ত কোনো দলই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তিন গোলের বেশি ব্যবধানে জয় পায়নি। এই রেকর্ডের অংশীদার তিনটি ফাইনাল, যার মধ্যে দুটি জয়ের মালিক ব্রাজিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশ্বকাপের অধিকাংশ ফাইনালই হয়েছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের। অনেক ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়েছে এক গোলের ব্যবধানে, আবার কয়েকটি ম্যাচ গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময় কিংবা টাইব্রেকারে। তবে মাত্র তিনবার কোনো দল তিন গোলের ব্যবধানে প্রতিপক্ষকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;ব্রাজিল ৫-২ সুইডেন (১৯৫৮)&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে স্টকহোমে স্বাগতিক সুইডেনকে ৫-২ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় ব্রাজিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মাত্র ১৭ বছর বয়সে পেলে জোড়া গোল করে বিশ্বমঞ্চে নিজের আগমনী বার্তা দেন। ভাভা করেন দুটি গোল এবং মারিও জাগালো যোগ করেন একটি গোল। সাত গোলের এই ম্যাচটি এখনো বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের ম্যাচ।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;ব্রাজিল ৪-১ ইতালি (১৯৭০)&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;১৯৭০ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়ামে ইতালিকে ৪-১ গোলে হারায় ব্রাজিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পেলে প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ইতালির রবার্তো বোনিনসেনিয়া সমতা ফেরালেও দ্বিতীয়ার্ধে জারসন, জাইরজিনহো ও কার্লোস আলবার্তোর গোল ব্রাজিলকে সহজ জয় এনে দেয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এই জয়ের মাধ্যমে ব্রাজিল তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জিতে এবং স্থায়ীভাবে জুলে রিমে ট্রফি নিজেদের দখলে নেওয়ার অধিকার অর্জন করে।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;ফ্রান্স ৩-০ ব্রাজিল (১৯৯৮)&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;বিশ্বকাপ ফাইনালে তিন গোলের ব্যবধানে জয়ের তৃতীয় ঘটনা ঘটে ১৯৯৮ সালে। প্যারিসে অনুষ্ঠিত ফাইনালে স্বাগতিক ফ্রান্স ৩-০ গোলে হারায় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জিনেদিন জিদান প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করেন। যোগ করা সময়ে ইমানুয়েল পেতি তৃতীয় গোল করে ফ্রান্সের জয় নিশ্চিত করেন। ফাইনালে ওঠার আগে ব্রাজিলকে ফেবারিট ধরা হলেও পুরো ম্যাচে ফ্রান্সই আধিপত্য বিস্তার করে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জিতে নেয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে এখনো এই তিনটি ম্যাচই ফাইনালে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের যৌথ রেকর্ড ধরে রেখেছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মন্ত্রিসভায় রদবদলের গুঞ্জন, আলোচনায় যারা </title>
		<link>https://gbanglanews.com/188</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Jul 2026 02:14:55 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/188</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্তি সামনে রেখে আগামী আগস্টে মন্ত্রিসভায় রদবদল এবং কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতার মূল্যায়নের ভিত্তিতে কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তন আনা হতে পারে। একই সঙ্গে কয়েকজন মন্ত্রীর কাজের চাপ কমাতে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন এবং মন্ত্রিসভার আকার সামান্য বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক সূত্রের ভাষ্য, দুই মন্ত্রীকে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে কোনো মন্ত্রী এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হননি। তাদের বক্তব্য, মন্ত্রিসভায় রদবদল বা দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জাতীয় নির্বাচনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান শপথ নেন। শুরুতে তার মন্ত্রিসভায় ৪৯ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। পরে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে গত ১ জুন পদত্যাগ করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আগস্টে সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হবে। সরকারের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এ সময়কে সামনে রেখে মন্ত্রিসভার সদস্যদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গঠনের সময়ই জানানো হয়েছিল যে, প্রথম ছয় মাস মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের দাবি, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতি এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ধীরগতি নিয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে অসন্তোষ রয়েছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন, তাদের কাজের চাপ কমাতে দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া যেসব মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে সমন্বয়হীনতা রয়েছে অথবা প্রশাসনিক কার্যক্রম প্রত্যাশিত গতিতে এগোয়নি, সেসব ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনা হতে পারে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্রগুলোর দাবি, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে অন্তত দুই জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। তবে কাউকে বাদ দেওয়া বা দায়িত্ব পরিবর্তনের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ছয় মাসের মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;আলোচনায় যাদের নাম&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;সরকার ও বিএনপির একাধিক সূত্রের দাবি, মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানো হলে কয়েকটি নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। আলোচনায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন এবিএম মোশাররফ হোসেন, সেলিমা রহমান, ড. আবদুল মঈন খান, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বরকত উল্লাহ বুলু এবং জয়নুল আবদিন ফারুক।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের নামও টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির জন্য বিবেচনায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে এসব নাম বা সম্ভাব্য রদবদল সম্পর্কে সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ দেওয়া হয়নি। ফলে বিষয়টি এখনো আলোচনা ও সূত্রনির্ভর তথ্য হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আতিফ আসলামের কনসার্টের টিকিট নিয়ে অনলাইন প্রতারণার অভিযোগে ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিন গ্রেফতার </title>
		<link>https://gbanglanews.com/187</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Jul 2026 13:05:06 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/187</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;অনলাইনে কনসার্টের টিকিট বিক্রির নামে প্রতারণামূলক প্রচারণা এবং তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহারের অভিযোগে একটি ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি মো. বখতিয়ার আবিদ খান (২১)। তিনি রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরীপাড়া এলাকার বাসিন্দা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সিআইডি জানায়, আগামী ২৪ জুলাই পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় অবস্থিত ক্রিকেটার্স একাডেমিতে জনপ্রিয় পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আতিফ আসলামের কনসার্টের আয়োজন করেছে &lt;strong&gt;ইভেন্ট সাজাই&lt;/strong&gt; ও &lt;strong&gt;মেইন স্টেজ ইনক&lt;/strong&gt;। কনসার্টের টিকিট বিক্রির জন্য আয়োজকরা &lt;strong&gt;গেট মাই টিকিট&lt;/strong&gt; প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে গত ৮ জুলাই থেকে প্রচারণা শুরু করে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তদন্তে জানা যায়, প্রচারণার সময় আয়োজকদের নজরে আসে &lt;strong&gt;বাংলাদেশ কনসার্ট অ্যান্ড ইভেন্ট কানেক্টস (বিসিইসি)&lt;/strong&gt; নামে একটি ফেসবুক গ্রুপে বিভিন্ন আইডি থেকে পূর্বে বাতিল হওয়া একটি কনসার্টের টিকিটের ছবি ব্যবহার করে আসন্ন কনসার্টের টিকিট বিক্রির বিজ্ঞাপন ও পোস্ট প্রচার করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অভিযোগে বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে গ্রুপটির অ্যাডমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি পোস্ট অপসারণের পরিবর্তে এক লাখ টাকা দাবি করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা না দিলে তিনি এ ধরনের পোস্ট অনুমোদন অব্যাহত রাখবেন এবং আয়োজক প্রতিষ্ঠান &lt;strong&gt;ইভেন্ট সাজাই&lt;/strong&gt; ও &lt;strong&gt;মেইন স্টেজ ইনক&lt;/strong&gt;-এর ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করার হুমকি দেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ঘটনায় কনসার্টের আয়োজক নিশা মাহবুবা সালাম বাদী হয়ে গত ১৫ জুলাই রাজধানীর পল্টন থানায় সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ২১(২), ২২(২) ও ২৭(২) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মামলার তদন্তভার গ্রহণের পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে সিআইডি। পরে ১৬ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. বখতিয়ার আবিদ খানকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১১ জব্দ করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সিআইডির দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বখতিয়ার আবিদ খান স্বীকার করেছেন যে, তিনি &lt;strong&gt;বাংলাদেশ কনসার্ট অ্যান্ড ইভেন্ট কানেক্টস (বিসিইসি)&lt;/strong&gt; ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিন এবং &lt;strong&gt;এ কে আবিদ খান&lt;/strong&gt; নামে একটি ফেসবুক আইডি ব্যবহার করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রেফতার আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;উল্লেখ্য,&lt;/strong&gt; এক লাখ টাকা দাবি ও হুমকির অভিযোগসহ মামলার অন্যান্য অভিযোগ তদন্তাধীন। এসব অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হলে তবেই সেগুলো আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠিত বলে গণ্য হবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৪৫ বছর আত্মগোপনের পর গ্রেপ্তার জিয়া হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোজাফফর, যেভাবে শনাক্ত করল ডিবি </title>
		<link>https://gbanglanews.com/186</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 17 Jul 2026 20:40:50 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/186</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;প্রায় ৪৫ বছর আত্মগোপনে থাকার পর সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সেনাসদরে হস্তান্তর করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডিবি সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিন বিভিন্ন পরিচয়ে আত্মগোপনে থাকায় মোজাফফরের অবস্থান শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে তার মেয়ের কর্মস্থল এবং শারীরিক একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যকে সূত্র হিসেবে ব্যবহার করে কয়েক মাস ধরে নজরদারি চালানোর পর তার অবস্থান নিশ্চিত করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অভিযানে অংশ নেওয়া ডিবির এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, গোয়েন্দারা প্রথমে জানতে পারেন মোজাফফরের মেয়ে একটি বেসরকারি টেলিকম প্রতিষ্ঠানে (এয়ারটেল) কর্মরত। সেই সূত্র ধরে কয়েক মাস ধরে তার মেয়ের কর্মস্থল ও গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে বনানী ডিওএইচএসের একটি সম্ভাব্য বাসা শনাক্ত করা হয়। এরপর ওই বাসার ওপর গোপনে নজরদারি শুরু হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডিবি কর্মকর্তাদের কাছে আগে থেকেই মোজাফফরের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের একটি তথ্য ছিল। তার নাকের নিচে একটি বড় তিল বা আঁচিল রয়েছে। দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকলেও এই জন্মচিহ্নই তাকে শনাক্ত করার অন্যতম প্রধান সূত্র হয়ে ওঠে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডিবির ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার গভীর রাতে পরিকল্পিত অভিযানে গোয়েন্দারা ছদ্মবেশে ওই বাসায় যান। নিজেদের টেলিকম প্রতিষ্ঠানের কর্মী পরিচয় দিয়ে বাসার দরজায় কড়া নাড়েন। দরজা খুলে এক বৃদ্ধ ব্যক্তি সামনে এলে কর্মকর্তারা তার পরিচয় জানতে চান। তিনি নিজের নাম মোজাফফর বলে পরিচয় দিলে এবং নাকের নিচের জন্মচিহ্ন মিলিয়ে দেখে গোয়েন্দারা নিশ্চিত হন যে তিনিই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. মোজাফফর হোসেন। এরপর ঘটনাস্থলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডিবির ওই কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকার জন্য মোজাফফর নিজের পরিচয়, চলাফেরা, পেশা ও বাসস্থান পরিবর্তন করেছিলেন। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে তার অবস্থান সম্পর্কে দীর্ঘদিন কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য ছিল না। তবে প্রতিটি অপরাধীই কোনো না কোনো সূত্র রেখে যায় এবং সেই সূত্র ধরেই শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে অভিযানের সময় গোয়েন্দারা কীভাবে পরিচয় গোপন করে বাসায় প্রবেশ করেন এবং গ্রেপ্তারের পুরো ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে যে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, তা ডিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্যের ভিত্তিতে জানা গেছে। এসব তথ্যের স্বাধীন যাচাইয়ের সুযোগ পাওয়া যায়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উল্লেখ্য, মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। প্রায় চার দশকের বেশি সময় আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৩৬ মিনিটে আর্জেন্টিনার ২৫৫ সফল পাস, ইংল্যান্ডের মাত্র ২০ </title>
		<link>https://gbanglanews.com/185</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 23:14:50 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/185</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয় শুধু স্কোরলাইনেই নয়, ম্যাচের পরিসংখ্যানেও ছিল স্পষ্ট। বিশেষ করে ইংল্যান্ড এগিয়ে যাওয়ার পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের দখলে নেয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম &lt;strong&gt;গ্লোবো&lt;/strong&gt;র ডাটা পার্টনার &lt;strong&gt;ফুটস্ট্যাটস&lt;/strong&gt;&amp;ndash;এর তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলের পর থেকে যোগ করা সময়ের ৯২তম মিনিটে লাউতারো মার্তিনেজের জয়সূচক গোল পর্যন্ত ৩৬ মিনিটে আর্জেন্টিনা ২৫৫টি সফল পাস সম্পন্ন করে। একই সময়ে ইংল্যান্ড সফল পাস দিতে পারে মাত্র ২০টি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ সময় আর্জেন্টিনা প্রতিপক্ষের গোলমুখে ৯টি শট নেয়, যার মধ্যে দুটি থেকে গোল আসে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড মাত্র তিনটি শট নিতে সক্ষম হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ম্যাচের শুরুতেও বল দখল ও পাস আদান-প্রদানে এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। গর্ডনের গোলের আগ পর্যন্ত দলটি ২৮২টি সফল পাস দেয়, যেখানে ইংল্যান্ডের ছিল ২৩৫টি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরিসংখ্যান বলছে, পুরো ম্যাচে কেবল শেষ ১০ মিনিটে আর্জেন্টিনার তুলনায় বেশি পাস আদান-প্রদান করতে পেরেছিল ইংল্যান্ড। তবে ওই সময়েও টমাস টুখেলের দল লক্ষ্যে কোনো শট রাখতে পারেনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের ৭২ থেকে ৮২ মিনিটের মধ্যে তিনটি পরিবর্তন আনেন ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল। তিনি উইঙ্গার অ্যান্থনি গর্ডন, মিডফিল্ডার ডেক্লান রাইস এবং রাইট-ব্যাক রিস জেমসকে তুলে নিয়ে মাঠে নামান ডিফেন্ডার এজরি কনসা, নিকো ও&amp;rsquo;রাইলি এবং ড্যান বার্নকে। ফলে দলটি আরও রক্ষণাত্মক কৌশলে চলে যায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এরপর আর্জেন্টিনা ম্যাচে সমতা ফেরানোর পর জয়সূচক গোলও আদায় করে নেয়। পিছিয়ে পড়ার পর শেষদিকে আক্রমণভাগে পরিবর্তন আনলেও ইংল্যান্ড আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ভাই-বোনের </title>
		<link>https://gbanglanews.com/184</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 23:10:54 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/184</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলার চরলক্ষ্মীদিয়া বালুচর গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নিহতরা হলেন&amp;mdash;ওই গ্রামের শমশের আলীর মেয়ে শরীফা আক্তার (৭) এবং ছেলে মাহমুদুল হাসান (৫)।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুপুরে বাড়ির পাশের বেগুনখেতে ছিল দুই ভাই-বোন। পরে বাড়ি ফেরার পথে খেতের পাশের পুকুরে পা পিছলে মাহমুদুল পড়ে যায়। ছোট ভাইকে উদ্ধার করতে শরীফাও পানিতে ঝাঁপ দেয়। কিন্তু সাঁতার না জানায় একপর্যায়ে দুজনই পানিতে তলিয়ে যায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরিবারের সদস্যরা তাদের খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পুকুর থেকে দুই শিশুকে উদ্ধার করেন। পরে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>খালে গোসলে নেমে এক গ্রামের চার শিশুর মৃত্যু </title>
		<link>https://gbanglanews.com/183</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 23:08:32 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/183</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় খালে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার চান্দেরকান্দি ইউনিয়নের বড়কান্দা গ্রামে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত চারজনই স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং একই গ্রামের বাসিন্দা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নিহতরা হলেন&amp;mdash;বড়কান্দা গ্রামের শামীম মিয়ার মেয়ে তাবিয়া (১৩), রুবেল মিয়ার মেয়ে আয়েশা (৯), রুবেলের মেয়ে জান্নাত (৮) এবং বিল্লাল মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া (১০)। তারা সবাই স্থানীয় &lt;strong&gt;গাউসিয়া নুরে মদিনা মহিলা মাদ্রাসার&lt;/strong&gt; শিক্ষার্থী ছিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনদের বরাতে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও তারা মাদ্রাসায় যায়। দুপুরে টিফিন বিরতির সময় ছয়জন শিক্ষার্থী পাশের একটি খালে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে গভীর পানিতে চার শিশু তলিয়ে যায়। সঙ্গে থাকা অপর দুই শিক্ষার্থী কোনোমতে তীরে উঠে স্থানীয়দের বিষয়টি জানায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে চার শিশুকে পানির নিচ থেকে তুলে আনেন। এর মধ্যে একজন ঘটনাস্থলেই মারা যায়। গুরুতর অবস্থায় অপর তিনজনকে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আশরাফুর রহমান জানান, দুপুরের দিকে তিন শিশুকে হাসপাতালে আনা হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, খালে গোসল করতে নেমে চার শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করলে কি খাবারের পুষ্টিগুণ কমে যায়? </title>
		<link>https://gbanglanews.com/182</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 22:30:21 +0600</pubDate>
		<category>লাইফস্টাইল</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/182</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;কম তেলে স্বাস্থ্যকর রান্নার বিকল্প হিসেবে এয়ার ফ্রায়ারের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। চিপস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, কাবাবসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার অল্প তেলেই রান্না করা সম্ভব হওয়ায় অনেকেই এই যন্ত্র ব্যবহার করছেন। তবে প্রশ্ন উঠছে, এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করলে কি খাবারের পুষ্টিগুণ কমে যায়?&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশেষজ্ঞদের মতে, এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করলেই খাবারের পুষ্টিগুণ কমে যায়&amp;mdash;এমন ধারণা সঠিক নয়। বরং খাবারের ধরন, রান্নার সময়, তাপমাত্রা এবং পদ্ধতির ওপর পুষ্টিগুণ অনেকাংশে নির্ভর করে।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;কেন জনপ্রিয় এয়ার ফ্রায়ার?&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;এয়ার ফ্রায়ার গরম বাতাসের প্রবাহের মাধ্যমে খাবার রান্না করে। ফলে ডুবো তেলে ভাজার প্রয়োজন হয় না। এতে তুলনামূলক কম তেল ব্যবহার করে বাইরের অংশ মুচমুচে এবং ভেতরের অংশ নরম রাখা সম্ভব হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুষ্টিবিদদের মতে, কম তেল ব্যবহারের কারণে এয়ার ফ্রায়ারে তৈরি খাবারে অতিরিক্ত চর্বি ও ক্যালোরির পরিমাণ কম হতে পারে। এছাড়া কম সময় রান্না হওয়ায় তাপ-সংবেদনশীল কিছু পুষ্টি উপাদান তুলনামূলক ভালোভাবে সংরক্ষিত থাকতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;গ্যাসের চুলায় রান্না কি কম স্বাস্থ্যকর?&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্যাসের চুলায় রান্না করলেই খাবারের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়&amp;mdash;এমন ধারণারও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ভাপে রান্না, সেদ্ধ, কষানো বা ভাজা&amp;mdash;প্রতিটি পদ্ধতিরই আলাদা প্রভাব রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উদাহরণ হিসেবে, সবজি ভাপে রান্না করলে পানিতে দ্রবণীয় কিছু ভিটামিন, বিশেষ করে ভিটামিন সি, তুলনামূলক বেশি সংরক্ষিত থাকতে পারে। অন্যদিকে দীর্ঘ সময় পানিতে সেদ্ধ করলে এসব ভিটামিনের একটি অংশ পানিতে চলে যেতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া কিছু সবজি, যেমন ব্রকোলি বা পালংশাক, সঠিকভাবে রান্না করলে নির্দিষ্ট কিছু উপকারী যৌগ শরীরের জন্য আরও সহজলভ্য হতে পারে। আবার অতিরিক্ত তাপ বা দীর্ঘ সময় রান্নার ফলে কিছু ভিটামিনের পরিমাণ কমে যেতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;পুষ্টিগুণ ধরে রাখতে কী করবেন?&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;বিশেষজ্ঞদের মতে, রান্নার পাত্রের চেয়ে রান্নার কৌশল বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কম তেল ব্যবহার, নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় রান্না এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় তাপে না রাখলে খাবারের পুষ্টিগুণ তুলনামূলক ভালোভাবে বজায় থাকে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তারা আরও বলেন, এয়ার ফ্রায়ার বা গ্যাসের চুলা&amp;mdash;উভয় ক্ষেত্রেই প্রোটিন, খনিজ ও খাদ্যআঁশের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান সাধারণত অক্ষুণ্ণ থাকে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের জন্য সঠিক রান্নার পদ্ধতি অনুসরণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>গাজর কি সত্যিই দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়? </title>
		<link>https://gbanglanews.com/181</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 22:27:14 +0600</pubDate>
		<category>লাইফস্টাইল</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/181</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;শৈশব থেকেই প্রচলিত একটি ধারণা হলো, গাজর খেলে চোখের দৃষ্টি ভালো হয় এবং চশমার প্রয়োজন কমে যায়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজর চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলেও এটি দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় বা চশমার প্রয়োজনীয়তা দূর করে&amp;mdash;এমন ধারণার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গাজরে থাকা &lt;strong&gt;বিটা-ক্যারোটিন&lt;/strong&gt; শরীরে গিয়ে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়। ভিটামিন এ চোখের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে কম আলোতে দেখার ক্ষমতা ঠিক রাখতে এবং রেটিনার স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে এটি প্রয়োজনীয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে চিকিৎসকদের মতে, গাজর খাওয়ার অর্থ এই নয় যে দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তীক্ষ্ণ হয়ে যাবে বা চশমা ছাড়াই দেখা সম্ভব হবে। শরীরে ভিটামিন এ-এর ঘাটতির কারণে যে দৃষ্টিজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে, তা প্রতিরোধে গাজরসহ ভিটামিন এ-সমৃদ্ধ খাবার উপকারী। কিন্তু চোখের আকৃতি বা প্রতিসরণজনিত ত্রুটি, যেমন ক্ষীণদৃষ্টি (মায়োপিয়া), দূরদৃষ্টি (হাইপারোপিয়া) বা অ্যাস্টিগমাটিজম গাজর খেয়ে দূর করা যায় না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, যাদের শরীরে ভিটামিন এ-এর মাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গাজর খেলে দৃষ্টিশক্তির অতিরিক্ত কোনো উন্নতি হয় না। তবে গাজর একটি পুষ্টিকর সবজি। এতে থাকা আঁশ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদান সামগ্রিক স্বাস্থ্য, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা এবং ত্বকের সুস্থতায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অতিরিক্ত পরিমাণে দীর্ঘদিন গাজর খেলে কিছু মানুষের ত্বকে হলুদ বা কমলা আভা দেখা দিতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ অবস্থাকে &lt;strong&gt;ক্যারোটেনেমিয়া&lt;/strong&gt; বলা হয়। এটি সাধারণত ক্ষতিকর নয় এবং গাজর খাওয়ার পরিমাণ কমালে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে যায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, চোখ সুস্থ রাখতে শুধু গাজরের ওপর নির্ভর না করে সুষম খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা প্রয়োজন। লুটেইন ও জিয়াজ্যান্থিনসমৃদ্ধ সবুজ শাকসবজি, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ মাছ, বাদাম এবং ভিটামিন সি, ভিটামিন ই ও জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবার চোখের সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নিয়মিত রাতের খাবার না খেলে যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে </title>
		<link>https://gbanglanews.com/180</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 22:25:41 +0600</pubDate>
		<category>লাইফস্টাইল</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/180</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ব্যস্ত কর্মজীবন, দীর্ঘ যানজট, সামাজিক অনুষ্ঠান কিংবা ওজন কমানোর উদ্দেশ্যে অনেকেই রাতের খাবার এড়িয়ে চলেন। আবার কেউ কেউ ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ের অংশ হিসেবে নির্দিষ্ট সময়ের পর আর খাবার গ্রহণ করেন না। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মাঝে মধ্যে রাতের খাবার বাদ দিলে সাধারণত বড় ধরনের সমস্যা না হলেও এটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হলে শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাতের খাবার শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ঘুমের সময় দীর্ঘ সময় ধরে শরীর খাবার ছাড়া থাকে। তাই ঘুমের আগে পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি জোগাতে সহায়তা করে। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একসঙ্গে রাতের খাবার খাওয়ার অভ্যাস সামাজিক ও মানসিক সুস্থতার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০২১ সালে &lt;strong&gt;আমেরিকান কলেজ অব পেডিয়াট্রিশিয়ানস&lt;/strong&gt;-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত রাতের খাবার খাওয়ার অভ্যাস শিশুদের পুষ্টি, শিক্ষাগত সাফল্য এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে সহায়ক।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাতের খাবার বাদ দিলে অনেকের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় সবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবারের পরিমাণও কমে যেতে পারে। বিশেষ করে যারা দিনের অন্যান্য সময়ের তুলনায় রাতে বেশি পরিমাণে সবজি খান, তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণে ঘাটতি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;শরীরে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে?&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবারের সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন শরীরের জৈবঘড়ি (সার্কাডিয়ান রিদম) ও ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০২৩ সালে &lt;strong&gt;জার্নাল অব দ্য অ্যাকাডেমি অব নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েটেটিকস&lt;/strong&gt;-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় দিনে মাত্র একবার খাবার খাওয়ার অভ্যাসের সঙ্গে মৃত্যুঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। একই গবেষণায় নিয়মিত দুপুর বা রাতের খাবার বাদ দেওয়ার সঙ্গে হৃদ্&amp;zwnj;রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্কও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ ধরনের গবেষণা সম্পর্ক (association) নির্দেশ করে, সরাসরি কারণ (causation) প্রমাণ করে না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নিয়মিত রাতের খাবার না খেলে রক্তে শর্করার মাত্রায় ওঠানামা হতে পারে। এতে দুর্বল লাগা, ক্লান্তি, হাত কাঁপা বা শক্তি কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে, ২০২২ সালে &lt;strong&gt;সেল মেটাবলিজম&lt;/strong&gt; সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, গভীর রাতে খাবার খাওয়ার অভ্যাস ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া &lt;strong&gt;ইনোভেশন ইন এজিং&lt;/strong&gt; সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বিশেষ করে বয়স্কদের মধ্যে নিয়মিত খাবার বাদ দেওয়ার সঙ্গে বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও অনিদ্রার মতো সমস্যার সম্পর্ক থাকতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;কী করবেন?&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;বিশেষজ্ঞদের মতে, মাঝে মধ্যে কোনো কারণে রাতের খাবার বাদ পড়লে সাধারণত উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে এটি যেন নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত না হয়, সেদিকে নজর রাখা জরুরি। আর ওজন নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য থাকলে রাতের খাবার সম্পূর্ণ বাদ না দিয়ে পরিমিত ও সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং নিয়মিত শরীরচর্চা করাই স্বাস্থ্যকর উপায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কাশি সারাতে লবঙ্গ কতটা উপকারী </title>
		<link>https://gbanglanews.com/179</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 22:22:41 +0600</pubDate>
		<category>লাইফস্টাইল</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/179</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;সর্দি, অ্যালার্জি বা শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের কারণে হওয়া কাশি অনেক সময় দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত করে। এমন পরিস্থিতিতে ঘরোয়া উপাদান হিসেবে লবঙ্গ কিছুটা আরাম দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লবঙ্গে থাকা কিছু প্রাকৃতিক যৌগের প্রদাহরোধী ও জীবাণুরোধী বৈশিষ্ট্য গলার অস্বস্তি কমাতে এবং কাশির উপসর্গ উপশমে সহায়ক হতে পারে। তবে এটি চিকিৎসার বিকল্প নয়।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;প্রদাহ কমাতে সহায়ক&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;লবঙ্গে থাকা প্রদাহরোধী উপাদান শ্বাসনালীর প্রদাহ কমাতে সহায়তা করতে পারে। ফলে গলার জ্বালাপোড়া ও কাশির অস্বস্তি কিছুটা কমতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;জীবাণুরোধী বৈশিষ্ট্য&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে, যা নির্দিষ্ট কিছু ব্যাকটেরিয়া ও অণুজীবের বিরুদ্ধে কার্যকর হতে পারে। তবে ভাইরাসজনিত সংক্রমণ নিরাময়ে এর কার্যকারিতা নিশ্চিত নয়। তাই এটি সহায়ক উপাদান হিসেবে বিবেচিত হলেও চিকিৎসার বিকল্প নয়।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;কফ বের হতে সহায়তা&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;লবঙ্গ শ্লেষ্মা পাতলা করে কফ সহজে বের হতে সহায়তা করতে পারে। কফযুক্ত কাশিতে এটি কিছু ক্ষেত্রে স্বস্তি দিতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;কাশির অস্বস্তি কমাতে&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;লবঙ্গ গলার অস্বস্তি কমাতে এবং কাশির প্রবণতা কিছুটা হ্রাস করতে সহায়ক হতে পারে। ফলে রাতে ঘুমের ব্যাঘাত কমতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;যেভাবে ব্যবহার করা যায়&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;লবঙ্গের চা:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
এক কাপ ফুটন্ত পানিতে ১&amp;ndash;২টি লবঙ্গ দিয়ে ৫&amp;ndash;১০ মিনিট ঢেকে রাখুন। এরপর ছেঁকে গরম অবস্থায় পান করুন। স্বাদ অনুযায়ী মধু বা লেবুর রস যোগ করা যেতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;লবঙ্গ তেলের বাষ্প:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
নাক বন্ধ বা কফের সমস্যায় লবঙ্গ তেলের বাষ্প গ্রহণ কিছু ক্ষেত্রে আরাম দিতে পারে। তবে তেল সরাসরি ত্বকে বা মুখে ব্যবহারের আগে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;লবঙ্গ ও মধুর মিশ্রণ:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
১&amp;ndash;২টি লবঙ্গ থেঁতো বা গুঁড়া করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে অল্প পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আদা-লবঙ্গের মিশ্রণ:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
আদা ও লবঙ্গ একসঙ্গে বেটে অল্প পরিমাণে গ্রহণ করলে গলার অস্বস্তি কমতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, কাশি দুই সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে, শ্বাসকষ্ট, উচ্চ জ্বর, বুকে ব্যথা বা রক্তসহ কাশি দেখা দিলে ঘরোয়া উপায়ের ওপর নির্ভর না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ওটিটিতে শাকিব খানের ঈদের সিনেমা </title>
		<link>https://gbanglanews.com/178</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 22:19:53 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/178</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর এবার ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাচ্ছে শাকিব খান অভিনীত সিনেমা &lt;strong&gt;&amp;lsquo;রকস্টার&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;। আগামী ২৩ জুলাই দেশের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম &lt;strong&gt;চরকি&lt;/strong&gt;তে মুক্তি পাবে ছবিটি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সম্প্রতি চরকি তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সিনেমাটির মুক্তির ঘোষণা দেয়। ঘোষণায় বলা হয়, &lt;em&gt;&amp;lsquo;অহংকার থেকে অনুতাপ, পতন থেকে পুনর্জন্ম। ২৩ জুলাই বাকি সব প্ল্যান বাদ। কারণ, সিনেমা হল কাঁপিয়ে এবার &amp;lsquo;রকস্টার&amp;rsquo; আসছে চরকিতে।&amp;rsquo;&lt;/em&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি দর্শকদের মধ্যে আলোচনা তৈরি করলেও বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। তবে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তির মাধ্যমে এটি নতুন দর্শকশ্রেণির কাছে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;&amp;lsquo;রকস্টার&amp;rsquo;&lt;/strong&gt; পরিচালনা করেছেন আজমান রুশো। বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাতা হিসেবে পরিচিত এই নির্মাতার এটি প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সিনেমাটির কাহিনির কেন্দ্রীয় চরিত্র &amp;lsquo;আগুন&amp;rsquo;&amp;mdash;একজন তরুণ সংগীতশিল্পী। শাস্ত্রীয় সংগীতের পারিবারিক ঐতিহ্য থাকা সত্ত্বেও তিনি বাবার পথ অনুসরণ না করে রক সংগীতকে বেছে নেন। সাফল্যের শিখরে পৌঁছালেও ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন, সম্পর্কের জটিলতা এবং ভালোবাসার ট্র্যাজেডি তার জীবনকে ভিন্ন পরিণতির দিকে নিয়ে যায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন সাবিলা নূর। এছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন তারিক আনাম খান, দিলারা জামান, রোজী সিদ্দিকী, তানজিয়া জামান মিথিলা, সুনিধি নায়েক, পান্থ কানাই ও কাজী সাবির।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শাহরুখের ‘মান্নাত’ সম্প্রসারণে আর আইনি বাধা নেই </title>
		<link>https://gbanglanews.com/177</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 22:16:21 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/177</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের মুম্বাইয়ের বাসভবন &lt;strong&gt;&amp;lsquo;মান্নাত&amp;rsquo;&lt;/strong&gt; সম্প্রসারণের পথে আর কোনো আইনি বাধা নেই। বাড়িটিতে নতুন করে দুটি তলা নির্মাণের অনুমতির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা খারিজ করে দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ মামলাটি খারিজ করে জানায়, আবেদনকারীর উদ্দেশ্য নিয়ে আদালতের সন্দেহ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মামলাটি গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন আদালত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ভারতীয় সংবাদমাধ্যম &lt;strong&gt;এনডিটিভি&lt;/strong&gt; জানায়, পরিবেশকর্মী সন্তোষ দৌন্দকর অভিযোগ করেছিলেন, নিয়ম ভেঙে শাহরুখ খানকে &amp;lsquo;মান্নাত&amp;rsquo;-এ সপ্তম ও অষ্টম তলা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তার দাবি ছিল, সমুদ্রতীরবর্তী এ এলাকায় ৫ কোটি রুপির বেশি ব্যয়ের নির্মাণকাজে কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন, যা নেওয়া হয়নি। এছাড়া নির্মাণকাজের জন্য দুটি পুরোনো ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে সুপ্রিম কোর্ট এসব অভিযোগ গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি পুনরায় পরিবেশ আদালতে পাঠানোর আবেদনও নাকচ করে দেয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আগের অনুমোদন অনুযায়ী, &amp;lsquo;মান্নাত&amp;rsquo;-এ বেসমেন্টসহ ছয় তলা ছিল। নতুন ছাড়পত্রের ফলে ভবনটি বেসমেন্টসহ আট তলা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা যাবে। সম্প্রসারণ শেষে ভবনটির উচ্চতা হবে প্রায় ৩৭ মিটার।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সুপ্রিম কোর্টের এ রায়ের ফলে &amp;lsquo;মান্নাত&amp;rsquo;-এর নির্মাণকাজ এগিয়ে নিতে শাহরুখ খানের সামনে আর কোনো আইনি বাধা থাকল না।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফিফা মাতানো সঞ্জয় আসছেন ঢাকায় </title>
		<link>https://gbanglanews.com/176</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 22:14:23 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/176</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে আয়োজিত ফিফা ফ্যান ফেস্টে পারফর্ম করে আলোচনায় আসা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন ডিজে ও সঙ্গীত প্রযোজক সঞ্জয় দেব এবার আসছেন ঢাকায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশ্বকাপের অন্যতম অফিসিয়াল গান &lt;strong&gt;&amp;lsquo;সির সির&amp;rsquo;&lt;/strong&gt; পরিবেশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি পাওয়া এই শিল্পীর ১৮ জুলাই (শনিবার) বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক পার্কে ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশনসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ছয় দিনব্যাপী &lt;strong&gt;&amp;lsquo;শাহ সিমেন্ট ফ্যান ফেস্ট ২.০&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;-এর সমাপনী দিনে, ১৯ জুলাই, মঞ্চে পারফর্ম করবেন সঞ্জয়। এদিন বড় পর্দায় ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচারের পাশাপাশি থাকবে লাইভ কনসার্ট ও ডিজে পারফরম্যান্স।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গত ১৪ জুলাই শুরু হওয়া এ উৎসব প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উদ্বোধনী দিনে বড় পর্দায় দেখানো হয় ফ্রান্স ও স্পেনের মধ্যকার প্রথম সেমিফাইনাল ম্যাচ। সেদিন সংগীত পরিবেশন করেন ফিরোজ জং ও ডিজে সুমন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;১৬ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত উৎসবে পারফর্ম করবেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাসনিম আনিকা, মিলা ইসলাম এবং ডিজে সানি। ১৯ জুলাই সমাপনী আয়োজনে সঞ্জয়ের পাশাপাশি পারফর্ম করবেন ডিজে জাদু।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ থেকে ১৮ জুলাইয়ের অনুষ্ঠানের প্রবেশমূল্য ৩০০ টাকা। সমাপনী দিনের প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০০ টাকা।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>খলচরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছার কথা জানালেন পূর্ণিমা </title>
		<link>https://gbanglanews.com/175</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 22:12:41 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/175</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ঢালিউডে সফল ক্যারিয়ার গড়ে তোলা অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা এবার খলচরিত্রে অভিনয়ের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে মূলত ইতিবাচক ও রোমান্টিক চরিত্রে দর্শকদের মন জয় করলেও ক্যারিয়ারের এ পর্যায়ে এসে নিজেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে চান তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সম্প্রতি নিজের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পূর্ণিমা বলেন, তিনি পর্দায় এমন একটি খলচরিত্রে অভিনয় করতে চান, যা দর্শকের মনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পূর্ণিমার ভাষায়, &lt;em&gt;&amp;ldquo;আমার খুব ইচ্ছা খলনায়িকা বা ভিলেন টাইপ চরিত্রে অভিনয় করার। পর্দায় এমন একটি চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে চাই, যার প্রতি মানুষের তীব্র ঘৃণা তৈরি হবে।&amp;rdquo;&lt;/em&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত তাকে কোনো খলচরিত্রে দেখা যায়নি। তার ধারণা, নির্মাতারা হয়তো তাকে এমন চরিত্রে কল্পনা করেননি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অভিনেত্রীর ভাষ্য, &lt;em&gt;&amp;ldquo;সবাই ভাবেন আমার চেহারার সঙ্গে নেতিবাচক চরিত্র ঠিক জমবে না। দর্শকেরা আমাকে রোমান্টিক ও পরিপাটি লুকে দেখতেই অভ্যস্ত। তবে এবার এর বিপরীতে কিছু হলে খুব ভালো হতো।&amp;rdquo;&lt;/em&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করা পূর্ণিমা মনে করেন, একজন শিল্পীর জন্য বৈচিত্র্যময় চরিত্রে কাজ করার সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভবিষ্যতে ভিন্নধর্মী ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয়ের প্রত্যাশা করছেন তিনি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাজধানীর যেসব স্থানে বড় পর্দায় দেখা যাবে আর্জেন্টিনা-স্পেন বিশ্বকাপ ফাইনাল </title>
		<link>https://gbanglanews.com/174</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 22:09:36 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/174</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে বাংলাদেশে প্রতি আসরেই তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। সেই উন্মাদনার শেষ অধ্যায় হিসেবে আগামী রোববার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় অনুষ্ঠিত হবে &lt;strong&gt;ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬&lt;/strong&gt;-এর ফাইনাল। শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন উন্মুক্ত স্থান, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, পার্ক, মাঠ, হোটেল ও কনভেনশন সেন্টারে বড় পর্দায় ম্যাচটি দেখার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ভেন্যুতে প্রবেশ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;টিএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী কেন্দ্র (টিএসসি) বিশ্বকাপ ফাইনাল উপভোগের অন্যতম জনপ্রিয় ভেন্যু। উন্মুক্ত এই আয়োজনের স্পন্সর &lt;strong&gt;কোকা-কোলা বাংলাদেশ&lt;/strong&gt;। টুর্নামেন্টজুড়েই এখানে হাজারো ফুটবলপ্রেমীর উপস্থিতি দেখা গেছে।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;মহসীন হল&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মহসীন হলে ফাইনাল উপলক্ষে বিশেষ &lt;strong&gt;&amp;lsquo;ওয়াচ পার্টি&amp;rsquo;&lt;/strong&gt; আয়োজন করা হয়েছে। ম্যাচ দেখার পাশাপাশি দর্শকদের জন্য থাকবে বিভিন্ন ইন্টারঅ্যাকটিভ গেমস, ট্রফি-মার্চেন্ডাইজ জয়ের সুযোগ এবং জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের উপস্থিতি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এবং জাতীয় দলের ফুটবলার শেখ মোরসালিন।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;জগন্নাথ হল ও হলপাড়া&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;জগন্নাথ হল ও আশপাশের হলপাড়া এলাকাতেও বড় পর্দায় ফাইনাল ম্যাচ দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দর্শনার্থীরা বিনামূল্যে ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;মিরপুর সিটি ক্লাব মাঠ ও ডিওএইচএস সেন্ট্রাল ফিল্ড&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;মিরপুর পল্লবীর সিটি ক্লাব মাঠ এবং মিরপুর ডিওএইচএসের কেন্দ্রীয় মাঠেও বড় পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করা হবে ফাইনাল ম্যাচ। এসব আয়োজনও সবার জন্য উন্মুক্ত।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;বনানীর কামাল আতাতুর্ক পার্ক&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;খোলা আকাশের নিচে বিশ্বকাপ ফাইনাল উপভোগের জন্য বনানীর কামাল আতাতুর্ক পার্কেও বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। ম্যাচ সম্প্রচারের পাশাপাশি থাকবে সংগীত পরিবেশনা ও বিভিন্ন ফ্যান এনগেজমেন্ট কার্যক্রম।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;পাঁচতারকা হোটেল ও কনভেনশন সেন্টার&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;বাণিজ্যিকভাবে বড় পর্দায় খেলা দেখার আয়োজন করেছে রাজধানীর কয়েকটি হোটেল ও কনভেনশন সেন্টার। এর মধ্যে রয়েছে &lt;strong&gt;প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকা&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;হোটেল আমারি ঢাকা&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;লে মেরিডিয়ান ঢাকা&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;ক্রাউন প্লাজা&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;লেকশোর গ্র্যান্ড&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;এলিট কনভেনশন হল&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;আর্টিসান ওয়াচ পার্টি&lt;/strong&gt; এবং &lt;strong&gt;আইসিসিএল কনভেনশন হল&lt;/strong&gt;। এসব ভেন্যুতে প্রবেশের জন্য নির্ধারিত টিকিট বা ফি পরিশোধ করতে হবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আইসিসিতে বড় দায়িত্ব পেলেন তামিম </title>
		<link>https://gbanglanews.com/173</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 22:07:42 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/173</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বিশ্ব ক্রিকেটের প্রশাসনে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) নবগঠিত &lt;strong&gt;ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ কমিটির চেয়ারম্যান&lt;/strong&gt; হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্কটল্যান্ডের এডিনবরায় অনুষ্ঠিত আইসিসির বার্ষিক সভা শেষে বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আইসিসি বোর্ডের অনুমোদনে নতুন এই উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তামিমের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন ক্রিকেট নামিবিয়ার রুডি ভ্যান ভুরেন, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের দেবজিৎ সাইকিয়া, ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের রিচার্ড গোল্ড এবং ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার টড গ্রিনবার্গ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগের সংখ্যা ও প্রভাব দ্রুত বাড়তে থাকায় এ কমিটি গঠন করেছে আইসিসি। তবে কমিটির কার্যপরিধি, মেয়াদ কিংবা প্রথম বৈঠকের সময়সূচি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;একই সভায় তামিম ইকবালকে আরও একটি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে আইসিসি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নবনির্বাচিত সভাপতি হিসেবে তাকে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশের পরিচালক (Full Member Director) হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে আইসিসির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ কমিটির পাশাপাশি আইসিসি একটি &lt;strong&gt;গভর্ন্যান্স রিভিউ কমিটি&lt;/strong&gt;ও গঠন করেছে। এ কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন ভারতের দেবজিৎ সাইকিয়া। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার মোহাম্মদ মুসাজি এবং আইসিসির স্বাধীন পরিচালক রস রিভাজ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এডিনবরার সভায় মরিশাসকে আইসিসির &lt;strong&gt;১১১তম সদস্য&lt;/strong&gt; হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সহায়তার জন্য &lt;strong&gt;১ কোটি ২৮ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার&lt;/strong&gt; ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে আইসিসি বোর্ড।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নিজ বাড়ির সামনে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা </title>
		<link>https://gbanglanews.com/172</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 22:02:19 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/172</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় নিজ বাড়ির সামনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীরকে (৫৮) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। হামলায় আহত হয়েছেন বিএনপি কর্মী হাদিস মিয়া।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মিঠামইন বাজারে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন জাহাঙ্গীর। তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপি কর্মী হাদিস মিয়া। বাড়ির সামনে মোটরসাইকেল থেকে নামার পর দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে জাহাঙ্গীরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। বাধা দিতে গেলে হাদিস মিয়াকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্থানীয় লোকজনের চিৎকারে হামলাকারীরা পালানোর চেষ্টা করলে ঘটনাস্থল থেকে চাপাতিসহ বরগুনার বামনা উপজেলার চালিতাবুনিয়া গ্রামের হেলাল উদ্দিন (২৫) নামে একজনকে আটক করা হয়। পরে করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখোলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার দুধরাজপুর গ্রামের মহিন উদ্দিন (৩২) এবং একই উপজেলার মধ্যপাড়া গ্রামের শাকিল হোসেন ওরফে শাহীনকে (২৫) আটক করে পুলিশ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গুরুতর আহত জাহাঙ্গীর ও হাদিস মিয়াকে প্রথমে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীরকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত হাদিস মিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মিয়া দাবি করেন, একটি প্রভাবশালী চক্র ভাড়াটে খুনি দিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তিনি জানান, জানাজা ও দাফনের পর এ বিষয়ে দলীয় কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক আব্দুল আওয়াল দাবি করেন, স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে আটক হেলাল ৫০ লাখ টাকার বিনিময়ে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন বলে তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছেন। নিহতের চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফরিদ আহমেদও বিভিন্ন সূত্রে একই ধরনের তথ্য জানিয়েছেন। &lt;strong&gt;তবে এসব দাবির সত্যতা পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের পরিকল্পনাকারী কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, মামলা দায়েরের পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মিঠামইন বেড়িবাঁধের প্রায় ২০টি মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীর গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। ওই ঘটনার পর বিএনপি তার প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব সাংগঠনিক পদ স্থগিত করলেও গত ৫ জুলাই কেন্দ্রীয় কমিটি সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে। এর ১১ দিনের মাথায় তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৩ জনের </title>
		<link>https://gbanglanews.com/171</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 21:56:29 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/171</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আজমিরীগঞ্জ-শাল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের জলসুখা ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নিহতরা হলেন বানিয়াচং উপজেলার আমিরখানী এলাকার ফুল মিয়া ঠাকুরের ছেলে তানভীর ঠাকুর (১৮), একই উপজেলার নুরুল লস্করের ছেলে আবিদুল লস্কর (৩২) এবং আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামের চন্দনের ছেলে অন্তর (২৫)।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আহতরা হলেন চুনারুঘাট উপজেলার শেখেরগাঁও গ্রামের শহিদুল ইসলাম বাচ্চু এবং থৈগাঁও গ্রামের মিজান মিয়া। তাদের হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুলিশ জানায়, জলসুখা ব্রিজের ওপর বিপরীত দিক থেকে আসা দুটি মোটরসাইকেলের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই তানভীর ঠাকুর নিহত হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় আরও চারজনকে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আবিদুল লস্কর ও অন্তরকে মৃত ঘোষণা করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর হোসেন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কিশোরদের রাতের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নতুন বিধিনিষেধ আনছে যুক্তরাজ্য </title>
		<link>https://gbanglanews.com/170</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 21:54:08 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/170</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;১৬ ও ১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নতুন নীতিমালা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাত ১২টা থেকে ভোর পর্যন্ত ছয় ঘণ্টার একটি স্বেচ্ছামূলক &lt;strong&gt;&amp;lsquo;ডিজিটাল কারফিউ&amp;rsquo;&lt;/strong&gt; চালু করা হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে এ ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক হবে না। ব্যবহারকারীরা চাইলে ডিফল্টভাবে চালু থাকা এই সেটিংস বন্ধ করে আগের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ক্ষমতাসীন লেবার সরকার বুধবার (১৫ জুলাই) এ পরিকল্পনার কথা জানায়। শিশু ও কিশোরদের অনলাইনে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ১৬ ও ১৭ বছর বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য এমন কিছু ফিচারও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ থাকবে, যেগুলো দীর্ঘ সময় প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় রাখতে ভূমিকা রাখে। এর মধ্যে ভিডিও শেষ হওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন ভিডিও চালু হওয়ার &lt;strong&gt;&amp;lsquo;অটোপ্লে&amp;rsquo;&lt;/strong&gt; সুবিধাও রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে যুক্তরাজ্য সরকার ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছিল। আগামী বসন্ত থেকে স্ন্যাপচ্যাট, টিকটক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও এক্সের মতো প্ল্যাটফর্মে এ নিয়ম কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে হোয়াটসঅ্যাপ ও সিগন্যালের মতো মেসেজিং অ্যাপ এই বিধিনিষেধের আওতায় থাকবে না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রস্তাবিত নীতিমালা বাস্তবায়নে নতুন আইন প্রণয়ন প্রয়োজন হবে। এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের অনলাইন সুরক্ষা মন্ত্রী কানিশকা নারায়ণ বলেন, অনেকের ধারণা কিশোররা সহজেই কারফিউ সেটিংস বন্ধ করে দেবে। তবে পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা ভিন্ন চিত্র দেখিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তার ভাষ্য, যুক্তরাজ্যে ৩০০-এর বেশি কিশোর-কিশোরী ও অভিভাবককে নিয়ে পরিচালিত একটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে রাতের বেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সঙ্গে অংশগ্রহণকারীদের ঘুম ও মনোযোগের মানও উন্নত হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কানিশকা নারায়ণ বলেন, এর আগে কয়েকটি প্ল্যাটফর্মে ডিফল্টভাবে একই ধরনের নিয়ন্ত্রণ চালু করা হয়েছিল। তখন ৯০ শতাংশের বেশি কিশোর-কিশোরী সেটিংস পরিবর্তন না করে আগের অবস্থাতেই রেখেছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টির শিক্ষা বিষয়ক মুখপাত্র লরা ট্রট এ পরিকল্পনার সমালোচনা করেছেন। তার মতে, যদি ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়, তাহলে ব্যবহারকারীরা সহজেই সেটি বন্ধ করতে পারলে কারফিউয়ের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে শিশু অধিকারবিষয়ক দাতব্য সংস্থা &lt;strong&gt;এনএসপিসিসি&lt;/strong&gt; এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও এটিকে যথেষ্ট মনে করছে না। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ক্রিস শেরউড বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি বাড়ায় এমন নকশাগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন না করলে অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম ও মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা পুরোপুরি কমানো সম্ভব হবে না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ইংল্যান্ডের চিলড্রেনস কমিশনার র&amp;zwj;্যাচেল ডি সুজাওও উদ্যোগটিকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, অনেক তরুণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কমাতে চাইলেও বাস্তবে তা করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই এ ধরনের নীতির কার্যকারিতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফেসবুকের মতো হোয়াটসঅ্যাপেও আসছে জন্মদিনের রিমাইন্ডার সুবিধা </title>
		<link>https://gbanglanews.com/169</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 21:51:18 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/169</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জনপ্রিয় ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপে ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন &lt;strong&gt;&amp;lsquo;জন্মদিনের রিমাইন্ডার&amp;rsquo;&lt;/strong&gt; ফিচার আনার কাজ করছে মেটা। নতুন এ সুবিধা চালু হলে পরিচিতজনের জন্মদিন মনে রাখা এবং সময়মতো শুভেচ্ছা জানানো আরও সহজ হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট &lt;strong&gt;ডব্লিউএবেটাইনফো&lt;/strong&gt;&amp;ndash;এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপে একটি নতুন &lt;strong&gt;&amp;lsquo;বার্থডে&amp;rsquo;&lt;/strong&gt; বিভাগ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই ফিচার চালু হলে যেসব ব্যবহারকারী স্বেচ্ছায় নিজেদের জন্মতারিখ যুক্ত করবেন, তাদের জন্মদিন ঘনিয়ে এলে বা নির্ধারিত দিনে সংশ্লিষ্ট পরিচিতদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিমাইন্ডার পৌঁছে যাবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে ফিচারটি এখনো উন্নয়ন পর্যায়ে রয়েছে। কবে এটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সময়সূচি জানায়নি হোয়াটসঅ্যাপ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বর্তমানে ফেসবুকে বন্ধুদের জন্মদিনের রিমাইন্ডার দেখানোর সুবিধা রয়েছে। গোপনীয়তাকেন্দ্রিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত হোয়াটসঅ্যাপেও একই ধরনের ফিচার যুক্ত হলে ব্যবহারকারীদের মধ্যে এর গ্রহণযোগ্যতা কেমন হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে নিয়মিত নতুন নতুন ফিচার নিয়ে কাজ করছে মেটা। এরই অংশ হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপে &lt;strong&gt;ইউজারনেমভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা&lt;/strong&gt; চালুর ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। এই সুবিধা চালু হলে অপরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় নিজের মোবাইল নম্বর গোপন রাখা সম্ভব হবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সমালোচনার মুখে ইনস্টাগ্রামের বিতর্কিত এআই ফিচার বন্ধ করল মেটা </title>
		<link>https://gbanglanews.com/168</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 21:49:06 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/168</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ব্যবহারকারীদের তীব্র সমালোচনার মুখে ইনস্টাগ্রামের নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ফিচার &lt;strong&gt;&amp;lsquo;মিউজ ইমেজ&amp;rsquo;&lt;/strong&gt; বন্ধ করে দিয়েছে মেটা। প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম &lt;strong&gt;টেকক্রাঞ্চ&lt;/strong&gt; এ তথ্য জানিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;চলতি সপ্তাহে চালু হওয়া এ ফিচারটি মেটার নতুন এআই ইমেজ জেনারেশন ব্যবস্থার অংশ ছিল। এর মাধ্যমে ইনস্টাগ্রামের যেকোনো উন্মুক্ত (পাবলিক) অ্যাকাউন্টের ছবি ব্যবহার করে নতুন ছবি তৈরি করা যেত। ব্যবহারকারীরা শুধু সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টের নাম উল্লেখ করলেই এআই সেই ছবিকে ভিত্তি করে নতুন ছবি তৈরি করতে পারত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ফিচারটি চালুর পরপরই ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। কারণ, কোনো ব্যবহারকারীর পাবলিক ছবি এভাবে ব্যবহারের আগে তাকে কোনো ধরনের নোটিফিকেশন দেওয়া হতো না এবং তার সম্মতিও নেওয়া হতো না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ নিয়ে সাধারণ ব্যবহারকারী, শিল্পী এবং বিভিন্ন ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান উদ্বেগ প্রকাশ করে। তাদের আশঙ্কা ছিল, এ প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যক্তিগত ছবি বিকৃত করে বিভ্রান্তিকর বা ভুয়া ছবি তৈরি করা হতে পারে। বিশেষ করে নারীদের ছবি অপব্যবহারের ঝুঁকি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সমালোচনার পর মেটা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে। এক ব্লগ পোস্টে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ফিচারটির উদ্দেশ্য ছিল সৃজনশীল কাজকে আরও সহজ করা এবং ব্যবহারকারীদের নিজেদের পাবলিক ছবি ব্যবহারের ওপর নিয়ন্ত্রণ দেওয়া। তবে ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়া প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত &lt;strong&gt;&amp;lsquo;মিউজ ইমেজ&amp;rsquo;&lt;/strong&gt; ফিচারটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর ছবি তৈরির ঘটনা বিশ্বজুড়ে বাড়ছে। তাই এ ধরনের প্রযুক্তি চালুর আগে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা, নিরাপত্তা এবং সম্মতির বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের চমকে দিতে আসছে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের ব্যাটারি </title>
		<link>https://gbanglanews.com/167</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 21:47:34 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/167</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;অ্যাপলের আসন্ন &lt;strong&gt;আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স&lt;/strong&gt; ব্যাটারি পারফরম্যান্সের দিক থেকে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের চমকে দিতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে একাধিক প্রযুক্তি প্রতিবেদনে। যদিও ডিভাইসটির ব্যাটারির ধারণক্ষমতা তুলনামূলক কম হতে পারে, তবুও উন্নত প্রসেসর, সফটওয়্যার অপটিমাইজেশন এবং নতুন থার্মাল ডিজাইনের কারণে এটি ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারিযুক্ত কিছু অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সমতুল্য ব্যাটারি ব্যাকআপ দিতে সক্ষম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রযুক্তি বিশ্লেষক &lt;strong&gt;আইস ইউনিভার্স&lt;/strong&gt;-এর তথ্য অনুযায়ী, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের ই-সিম সংস্করণে ৫,৫৬৭ এমএএইচ এবং নন ই-সিম সংস্করণে ৫,৩৯১ এমএএইচ ব্যাটারি থাকতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাটারির ধারণক্ষমতায় বড় পরিবর্তন না এনে বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী নতুন প্রসেসর, উন্নত সফটওয়্যার অপটিমাইজেশন এবং কার্যকর তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যাটারির স্থায়িত্ব বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে অ্যাপল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এতে আরও দাবি করা হয়েছে, অ্যাপলের নতুন &lt;strong&gt;এ২০ প্রো&lt;/strong&gt; চিপ আগের প্রজন্মের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী হতে পারে। পাশাপাশি &lt;strong&gt;আইওএস ২৭&lt;/strong&gt;-এ ব্যাটারি ব্যবস্থাপনায়ও উল্লেখযোগ্য উন্নতি আসতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নতুন থার্মাল সিস্টেম ফোনের অতিরিক্ত তাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে তুলনামূলক ছোট ব্যাটারি থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ সময় স্ক্রিন চালু রেখে ব্যবহার করা সম্ভব হতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল ব্যাটারির আকারই কোনো স্মার্টফোনের ব্যাটারি ব্যাকআপ নির্ধারণ করে না। উন্নত প্রসেসর, সফটওয়্যার অপটিমাইজেশন এবং কার্যকর তাপ নিয়ন্ত্রণের সমন্বয়ে তুলনামূলক ছোট ব্যাটারির ফোনও বড় ব্যাটারিযুক্ত ডিভাইসের সমান বা কখনো কখনো আরও ভালো পারফরম্যান্স দিতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের কয়েকটি স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে &lt;strong&gt;সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি&lt;/strong&gt; প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করলেও অ্যাপল এখনো প্রচলিত &lt;strong&gt;লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি&lt;/strong&gt; ব্যবহার করছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশেষজ্ঞদের মতে, সিলিকন-কার্বন ব্যাটারিতে একই আকারে বেশি শক্তি সংরক্ষণ করা সম্ভব হলেও প্রযুক্তিটি এখনো পুরোপুরি পরিণত নয়। চার্জিংয়ের সময় ব্যাটারির প্রসারণসহ কিছু প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জও রয়ে গেছে। তাই প্রযুক্তিটি আরও পরিণত হওয়ার পর ভবিষ্যতের আইফোনে এ ধরনের ব্যাটারি ব্যবহার করতে পারে অ্যাপল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো&lt;/strong&gt;, প্রতিবেদনে উল্লেখিত ব্যাটারি ক্ষমতা, এ২০ প্রো চিপ, আইওএস ২৭-এর উন্নতি এবং পারফরম্যান্স&amp;ndash;সংক্রান্ত সব তথ্যই এখন পর্যন্ত ফাঁস হওয়া তথ্য ও বিশ্লেষকদের দাবির ওপর ভিত্তি করে। অ্যাপল আনুষ্ঠানিকভাবে এসব তথ্য নিশ্চিত করেনি। ফলে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স বাজারে আসার পর বাস্তব পরীক্ষার মাধ্যমেই এর প্রকৃত ব্যাটারি পারফরম্যান্স জানা যাবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আবু সাঈদ জুলাই শহীদদের ইমাম, জুলাই বিপ্লবের রূহানী নেতৃত্ব: নাহিদ ইসলাম </title>
		<link>https://gbanglanews.com/166</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 21:44:28 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/166</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, শহীদ আবু সাঈদ &amp;lsquo;জুলাই শহীদদের ইমাম&amp;rsquo; এবং &amp;lsquo;জুলাই বিপ্লবের রূহানী নেতৃত্ব&amp;rsquo;।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রংপুরের পীরগঞ্জে জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আবু সাঈদ তৎকালীন সরকারের দমননীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। তার ভাষ্য, আবু সাঈদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই গণআন্দোলন গণঅভ্যুত্থান ও বিপ্লবে রূপ নেয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, &amp;ldquo;আবু সাঈদ আমাদের শহীদদের ইমাম, জুলাই বিপ্লবের রূহানী নেতৃত্ব এবং আমাদের সবার পূর্বসূরি।&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, আবু সাঈদের পাশাপাশি শহীদ মুগ্ধ, ওয়াসিম, ফারহান ফাইয়াজ, নাঈমা সুলতানা, রিয়া গোপ, হৃদয় চন্দ্র তরুয়াসহ আন্দোলনে নিহতদের প্রতি তারা শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে আহতদের প্রতিও সম্মান জানান তিনি। এছাড়া আন্দোলনে অংশ নেওয়া শ্রমিক, শিক্ষক, সাংবাদিক, আলেম, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, প্রবাসীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অবদানের কথাও স্মরণ করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি তাদের আদর্শ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাওয়াই তাদের প্রতি প্রকৃত সম্মান প্রদর্শন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন&amp;mdash;এই তিনটি বিষয় বাস্তবায়ন জরুরি। তার দাবি, নির্বাচন হলেও বিচার ও সংস্কারের প্রক্রিয়া এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় কার্যকর করার জন্য আপিল দ্রুত নিষ্পত্তিরও আহ্বান জানান তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এনসিপির আহ্বায়ক আরও দাবি করেন, মামলার রায় দ্রুত কার্যকর করার জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কবর জিয়ারত শেষে এনসিপির নেতারা শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদসহ দলের শীর্ষ নেতারা।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আর্জেন্টিনা তুমি একটা বিউটি—ফেসবুক পোস্টে কেয়া পায়েলের উচ্ছ্বাস </title>
		<link>https://gbanglanews.com/165</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 21:40:52 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/165</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ফুটবলপ্রেমীদের কাছে আর্জেন্টিনা বরাবরই আবেগের একটি নাম। সাধারণ সমর্থকদের পাশাপাশি শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকাও দলটির সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। সেই তালিকায় এবার নিজের নাম যুক্ত করলেন জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী কেয়া পায়েল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার জয়ের পর গত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কেয়া পায়েল লিখেছেন, &lt;strong&gt;&amp;lsquo;আর্জেন্টিনা তুমি একটা বিউটি&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;। সংক্ষিপ্ত এই পোস্ট প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা ব্যাপক সাড়া ফেলে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পোস্টটিতে ইতোমধ্যে অসংখ্য লাইক, মন্তব্য ও শেয়ার জমা পড়েছে। কেয়া পায়েলের ভক্তদের পাশাপাশি আর্জেন্টিনা সমর্থকরাও মন্তব্যের মাধ্যমে নিজেদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। অনেকেই অভিনেত্রীকে আর্জেন্টিনার একজন সমর্থক হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বর্তমানে কেয়া পায়েল দেশের ছোট পর্দার জনপ্রিয় ও ব্যস্ত অভিনেত্রীদের একজন। বিভিন্ন উৎসব ও বিশেষ আয়োজনের নাটকে নিয়মিত অভিনয় করছেন তিনি। অভিনয়ের ব্যস্ততার মধ্যেও ফুটবলের প্রতি তার অনুরাগের প্রকাশ ভক্তদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী </title>
		<link>https://gbanglanews.com/164</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 21:38:13 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/164</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশীদ ইয়াছিন বলেছেন, দেশের সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাগরিক যে ধর্মেরই হোন না কেন, রাষ্ট্র তাদের সমানভাবে নিরাপত্তা প্রদান করবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর মন্দিরে রথযাত্রার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কৃষিমন্ত্রী বলেন, যুগে যুগে একটি মহল হিন্দু-মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ ও সংঘাত সৃষ্টি করে কুমিল্লাসহ সারা দেশে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করেছে। তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপচেষ্টা সফল হতে দেওয়া হবে না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। পাশাপাশি জগন্নাথপুর মন্দিরের উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাসও দেন তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রথযাত্রার উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, জেলা প্রশাসক মিজ রোজী আক্তার, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক ভক্ত উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে পাঁচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠক </title>
		<link>https://gbanglanews.com/163</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 21:34:39 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/163</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত পাঁচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূত ও জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অংশ নেন ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ-মার্ক সেরে-চার্লে, স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিসটিয়াগা, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক, ইউরোপীয় ইউনিয়নের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (সিডিএ) বাইবা জারিনা এবং জার্মানির চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (সিডিএ) আনজা কারস্টেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈঠকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় অংশীদারদের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, প্রতিরক্ষা, বেসামরিক বিমান চলাচল (এভিয়েশন) এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতে সহযোগিতা আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে, ইউরোপীয় কূটনীতিকরা বাংলাদেশের সঙ্গে নিজ নিজ দেশের বহুমাত্রিক অংশীদারিত্ব আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী </title>
		<link>https://gbanglanews.com/162</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 21:31:41 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/162</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন ছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, সম্মানজনক বেতন-ভাতা এবং চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, একই সঙ্গে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম শিল্পের উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দিতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর একটি মিডিয়া গ্রুপের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শনকালে সেখানে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের আর্থিক অনিশ্চয়তা দূর করা না গেলে পেশাদার সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অপসাংবাদিকতার সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রকৃত ও মেধাবী সাংবাদিকদের এ পেশায় ধরে রাখতে হলে সম্মানজনক বেতন কাঠামো নিশ্চিত করা জরুরি। এটি বাস্তবায়ন করা গেলে সাংবাদিকরা নিরাপদ কর্মপরিবেশে স্বাধীনভাবে তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও পেশাগত দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারবেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, সংবাদপত্র শিল্পের মালিকদের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রকে এমন নীতিগত সহায়তা দিতে হবে, যাতে গণমাধ্যম শিল্পে বিনিয়োগ অব্যাহত থাকে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা, গণমাধ্যম সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, দায়িত্বশীল, স্বাধীন ও টেকসই গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তোলা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের প্রধান চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার ও গণমাধ্যমের সম্পর্ক নয়, বরং ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত লড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, প্রচলিত গণমাধ্যম বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতাদের উত্থানের ফলে বিজ্ঞাপনের বড় একটি অংশ ডিজিটাল মাধ্যমে স্থানান্তরিত হচ্ছে। এ বাস্তবতায় মূলধারার গণমাধ্যমকে প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সরকারি বিজ্ঞাপন বণ্টনের ক্ষেত্রে দর্শক ও পাঠক সংখ্যাকে গণমাধ্যমের মান নির্ধারণের অন্যতম ভিত্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়টি নির্ধারণে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মতবিনিময় সভায় &lt;strong&gt;ডেইলি সান&lt;/strong&gt;-এর সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, &lt;strong&gt;বাংলাদেশ প্রতিদিন&lt;/strong&gt;-এর সম্পাদক লোটন একরাম, &lt;strong&gt;কালের কণ্ঠ&lt;/strong&gt;-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মেহেদী হাসান তালুকদার, নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, &lt;strong&gt;নিউজ২৪&lt;/strong&gt;-এর বার্তা প্রধান শরিফুল ইসলাম খান, &lt;strong&gt;বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম&lt;/strong&gt;-এর সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, &lt;strong&gt;বাংলাদেশ প্রতিদিন&lt;/strong&gt;-এর নির্বাহী সম্পাদক এ কে এম মনজুরুল ইসলাম মনজু এবং &lt;strong&gt;কালের কণ্ঠ&lt;/strong&gt;-এর যুগ্ম সম্পাদক সাঈদ খান বক্তব্য রাখেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পাকিস্তান ভেঙে বেলুচিস্তানের ‘স্বাধীন রাষ্ট্র’ হওয়ার দাবি </title>
		<link>https://gbanglanews.com/161</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 21:28:27 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/161</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানকে &amp;lsquo;স্বাধীন রাষ্ট্র&amp;rsquo; হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে&amp;mdash;এমন দাবি করে একটি বিবৃতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ দাবির সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;lsquo;বেলুচিস্তান প্রজাতন্ত্র&amp;rsquo; নামে প্রকাশিত ভাইরাল বিবৃতিতে দাবি করা হয়, তারা বেলুচিস্তানের ৮৫ শতাংশের বেশি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। একই সঙ্গে একটি জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত, নতুন মুদ্রা এবং স্বাধীন প্রশাসনিক কাঠামো চালুর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ভারতীয় সংবাদমাধ্যম &lt;strong&gt;সিএনএন-নিউজ১৮&lt;/strong&gt; জানিয়েছে, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই বিবৃতির সত্যতা তারা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, নতুন প্রশাসন বেলুচিস্তানের খনিজ সম্পদ, গ্যাসক্ষেত্র ও কয়লাখনির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অঞ্চলটির সোনা ও তামার খনি, ১৫০টিরও বেশি গ্যাসক্ষেত্র এবং ১,২০০টির বেশি সচল কয়লাখনি বর্তমানে তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এছাড়া পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর কিছু কর্মকর্তা পদত্যাগ করে বেলুচদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন বলেও বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে। এতে বলা হয়, নিজস্ব নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কাঠামোর মাধ্যমে প্রশাসন পরিচালিত হচ্ছে এবং ২০২৬ সালের মধ্যে পাকিস্তানি বাহিনীকে অঞ্চল থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে বেলুচ নেতা মীর ইয়ার বেলুচ দাবি করেছেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ধীরে ধীরে বেলুচিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে এবং স্থানীয় জনগণ প্রতিরোধ আন্দোলনে ক্রমেই সক্রিয় হচ্ছে। তার ভাষ্য, আগে যেখানে মূলত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো প্রতিরোধে নেতৃত্ব দিত, এখন সাধারণ মানুষও এতে অংশ নিচ্ছে এবং পাকিস্তানি বাহিনীকে অঞ্চল ছাড়ার আহ্বান জানাচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্বঘোষিত &amp;lsquo;বেলুচিস্তান প্রজাতন্ত্র&amp;rsquo; আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি চেয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোকে আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে, তাদের ভূখণ্ড, আকাশসীমা কিংবা উপকূল পাকিস্তানের সামরিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। তাদের দাবি, বেলুচিস্তানকে স্বীকৃতি দেওয়া হলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা আরও জোরদার হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উল্লেখ্য, বেলুচিস্তানে দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন, নিরাপত্তা অভিযান এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা চলমান। তবে ভাইরাল হওয়া স্বাধীনতার দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে দাবিগুলোর সত্যতাও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আলজেরিয়ার এতিমখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ১১; আহত ১৯ </title>
		<link>https://gbanglanews.com/160</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 21:26:04 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/160</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সের পূর্বাঞ্চলীয় মোহাম্মাদিয়া এলাকায় একটি রাষ্ট্র পরিচালিত শিশু কল্যাণকেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। এ ঘটনায় আরও ১৯ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির জরুরি সেবা বিভাগ ও স্থানীয় গণমাধ্যম।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোরে &amp;lsquo;চাইল্ডহুড রিলিফ ইনস্টিটিউশন&amp;rsquo; নামের প্রতিষ্ঠানটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতিম, পরিত্যক্ত ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের আবাসন, চিকিৎসা এবং সামাজিক সহায়তা দিয়ে থাকে রাষ্ট্র পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠান। খবর &lt;strong&gt;আল জাজিরা&lt;/strong&gt;।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আলজেরিয়ার সিভিল প্রোটেকশন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে ১০ জন আহত হন। এছাড়া ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টজনিত গুরুতর সমস্যায় পড়েন আরও দুইজন। সাতজন মানসিক আঘাতের কারণে চিকিৎসা নিয়েছেন। উদ্ধারকর্মীরা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পাঁচজন বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সক্ষম হন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উদ্ধার অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন। সিভিল প্রোটেকশন বিভাগের প্রকাশিত ছবিতে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ভবনের করিডরে আগুন নিয়ন্ত্রণ এবং বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে উদ্ধারকর্মীদের তৎপরতা দেখা যায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট আবদেলমাজিদ তেব্বুন। এক শোকবার্তায় তিনি নিহত শিশুদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, শিশুদের মৃত্যু এবং অন্যদের আহত হওয়ার সংবাদ তিনি গভীর দুঃখের সঙ্গে গ্রহণ করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী সিফি ঘরিয়েব রাজধানীর মুস্তাফা পাশা বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের চিকিৎসা কার্যক্রম তদারকি করেন বলে জানিয়েছে আলজেরিয়ার সংবাদপত্র &lt;em&gt;আলজেরি প্যাট্রিওটিক&lt;/em&gt;।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>তুরস্কে কয়েক ঘণ্টার একটি অভ্যুত্থানচেষ্টা যেভাবে পালটে দিয়েছে গোটা দেশকে </title>
		<link>https://gbanglanews.com/159</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 21:23:00 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/159</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;এটি ২০১৬ সালের &lt;strong&gt;১৫ জুলাই তুরস্কের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানচেষ্টা&lt;/strong&gt; এবং এর দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক প্রভাবের একটি বিশদ বিবরণ। সংক্ষেপে মূল বিষয়গুলো হলো&amp;mdash;&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;অভ্যুত্থানচেষ্টা কীভাবে ঘটেছিল&lt;/h3&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;২০১৬ সালের ১৫ জুলাই রাতে তুরস্কের সেনাবাহিনীর একটি অংশ ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করে।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;ট্যাংক, যুদ্ধবিমান ও সশস্ত্র বাহিনী দিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা দখলের চেষ্টা হয়।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;সংসদ ভবনেও হামলা চালানো হয়, যা তুরস্কের ইতিহাসে নজিরবিহীন।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জনগণকে রাস্তায় নেমে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;সরকারি হিসাব অনুযায়ী, &lt;strong&gt;২৫৩ জন নিহত&lt;/strong&gt; হন, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;h3&gt;সরকারের প্রতিক্রিয়া&lt;/h3&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;সরকার যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত ধর্মীয় নেতা &lt;strong&gt;ফেতুল্লাহ গুলেন&lt;/strong&gt; ও তার নেটওয়ার্ককে দায়ী করে। গুলেন জীবিত থাকাকালে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;জরুরি অবস্থা জারি করা হয়, যা ২০১৮ সাল পর্যন্ত বহাল ছিল।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;হাজার হাজার সেনা কর্মকর্তা, বিচারক, পুলিশ, শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও সরকারি কর্মচারীকে গ্রেফতার, বরখাস্ত বা চাকরিচ্যুত করা হয়।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;বহু স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;h3&gt;রাজনৈতিক পরিবর্তন&lt;/h3&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;২০১৭ সালের গণভোটের মাধ্যমে সংসদীয় ব্যবস্থা বাতিল করে নির্বাহী রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা চালু করা হয়।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;প্রধানমন্ত্রীর পদ বিলুপ্ত হয়।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;h3&gt;বিতর্ক&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;সমালোচকদের মতে&amp;mdash;&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী মত দমন করা হয়েছে।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;বিচার বিভাগের স্বাধীনতা দুর্বল হয়েছে।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;সংবাদমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত হয়েছে।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;রাজনৈতিক ক্ষমতা অতিরিক্তভাবে প্রেসিডেন্টের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়েছে।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে সরকার বলছে&amp;mdash;&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;এসব পদক্ষেপ রাষ্ট্রকে ভবিষ্যতের অভ্যুত্থান ও নিরাপত্তা হুমকি থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় ছিল।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;এতে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা জোরদার হয়েছে।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;h3&gt;সামরিক বাহিনীর ভূমিকার পরিবর্তন&lt;/h3&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;সেনাবাহিনীর ওপর বেসামরিক সরকারের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করা হয়।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;সামরিক একাডেমি ও বিভিন্ন কাঠামো পুনর্গঠন করা হয়।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;অনেক বিশ্লেষকের মতে, এর ফলে তুরস্কে সামরিক অভ্যুত্থানের ঐতিহ্য কার্যত শেষ হয়েছে।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;h3&gt;পররাষ্ট্রনীতিতে প্রভাব&lt;/h3&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;সিরিয়ায় সীমান্তপারের সামরিক অভিযান বাড়ানো হয়।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়।&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের প্রক্রিয়াও কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;h3&gt;সামগ্রিক মূল্যায়ন&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;২০১৬ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানচেষ্টা মাত্র কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হলেও, এর প্রভাব তুরস্কের রাজনীতি, প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, সামরিক কাঠামো এবং বৈদেশিক নীতিতে গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন এনে দেয়। সমর্থকদের কাছে এটি রাষ্ট্র রক্ষার একটি মোড় পরিবর্তনের ঘটনা, আর সমালোচকদের মতে এটি তুরস্কে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল হওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>স্পেন নাকি আর্জেন্টিনা—কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপের ট্রফি? </title>
		<link>https://gbanglanews.com/158</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 21:20:10 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/158</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ফুটবল বিশ্বের সব নজর এখন যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ও কোপা আমেরিকা জয়ী আর্জেন্টিনা। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে এই দুই দলের লড়াই ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে তুমুল উত্তেজনা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগে পরিসংখ্যানভিত্তিক পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে ডাটা বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান &lt;strong&gt;অপটা সুপার কম্পিউটার&lt;/strong&gt;। তাদের বিশ্লেষণে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে জয়ের সম্ভাবনায় সামান্য এগিয়ে রাখা হয়েছে স্পেনকে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অপটার পূর্বাভাস অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে স্পেনের জয়ের সম্ভাবনা &lt;strong&gt;৪৫ দশমিক ১ শতাংশ&lt;/strong&gt;, যেখানে আর্জেন্টিনার সম্ভাবনা &lt;strong&gt;২৯ দশমিক ৪ শতাংশ&lt;/strong&gt;। অন্যদিকে ম্যাচ অতিরিক্ত সময় বা টাইব্রেকারে গড়ানোর সম্ভাবনা &lt;strong&gt;২৫ দশমিক ৪ শতাংশ&lt;/strong&gt;।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে সুপার কম্পিউটারের এই পূর্বাভাস নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে রয়েছে ভিন্নমত। এবারের বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত বেশ কিছু ম্যাচের পূর্বাভাস মিললেও, সেমিফাইনালের ক্ষেত্রে সেই হিসাব পুরোপুরি সঠিক হয়নি। তাই অনেকের মতে, পরিসংখ্যান নয়, মাঠের পারফরম্যান্সই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের নাম।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আর্জেন্টিনার সামনে রয়েছে ইতিহাস গড়ার সুযোগ। ইতালি ও ব্রাজিলের পর তৃতীয় দল হিসেবে টানা দুইবার বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়তে পারে লিওনেল স্কালোনির দল। একই সঙ্গে এটি হবে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে, ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে স্পেন। অভিজ্ঞতা ও তরুণদের সমন্বয়ে গড়া দলটি পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;একদিকে লিওনেল মেসির সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপের আবেগ, অন্যদিকে স্পেনের নতুন প্রজন্মের শিরোপা জয়ের প্রত্যাশা&amp;mdash;সব মিলিয়ে এবারের ফাইনালকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম আকর্ষণীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরিসংখ্যান স্পেনকে সামান্য এগিয়ে রাখলেও ফুটবলে শেষ কথা বলে মাঠের লড়াই। এখন অপেক্ষা, মেটলাইফ স্টেডিয়ামের ফাইনাল শেষে বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি উঠবে স্পেনের হাতে, নাকি আর্জেন্টিনা ধরে রাখবে বিশ্বসেরার মুকুট।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আর্জেন্টিনা চতুর্থ শিরোপা জিততে পারবে না, এবার স্পেনের পালা—ইকার ক্যাসিয়াস </title>
		<link>https://gbanglanews.com/157</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 21:16:11 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/157</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালকে সামনে রেখে আর্জেন্টিনাকে খোঁচা দিয়েছেন স্পেনের কিংবদন্তি গোলরক্ষক ও ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইকার ক্যাসিয়াস। তাঁর বিশ্বাস, এবার আর্জেন্টিনা ইতিহাসের চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা জিততে পারবে না; বরং স্পেনই নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পাবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম &lt;strong&gt;এক্সে (সাবেক টুইটার)&lt;/strong&gt; দেওয়া এক পোস্টে ক্যাসিয়াস লেখেন, &lt;em&gt;&amp;lsquo;তোমরা এবার চতুর্থ তারকাটি পাচ্ছো না। চতুর্থ তারকার কোনো সুযোগ নেই। এবার আমাদের দ্বিতীয় তারকা জয়ের পালা। এগিয়ে যাও স্পেন।&amp;rsquo;&lt;/em&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুধবার (১৫ জুলাই) দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। ম্যাচে ইংল্যান্ড শুরুতে এগিয়ে গেলেও গোলের পর দলটির রক্ষণাত্মক কৌশলের কঠোর সমালোচনা করেন ক্যাসিয়াস।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। তবে লিড পাওয়ার পর কোচ টমাস টুখেলের দল আক্রমণাত্মক ফুটবল ছেড়ে রক্ষণ সামলাতেই বেশি মনোযোগ দেয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ প্রসঙ্গে ক্যাসিয়াস বলেন, &lt;em&gt;&amp;lsquo;গোল করার পরই তারা পুরো দল নিয়ে নিচে নেমে যায়। একেবারে কাপুরুষোচিত কৌশল! নিজেদের ডি-বক্সের বাইরে প্রায় বেরই হয়নি তারা। ফলে আর্জেন্টিনা বারবার আক্রমণের সুযোগ পেয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ম্যাচের ফল অন্যরকম হওয়ার সুযোগ খুব কম ছিল।&amp;rsquo;&lt;/em&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ম্যাচ শেষে দেওয়া আরেক পোস্টে সাবেক স্প্যানিশ অধিনায়ক লেখেন, &lt;em&gt;&amp;lsquo;ইংল্যান্ড নিজেদের ভুল রণকৌশলের কারণেই হেরেছে। শেষ ৩০ মিনিট তারা আর্জেন্টিনাকে পুরো ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের সুযোগ করে দিয়েছে।&amp;rsquo;&lt;/em&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ইংল্যান্ডের রক্ষণ ভেঙে শেষ পর্যন্ত সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। ৮৫তম মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজ গোল করে ম্যাচে সমতা আনেন। এরপর যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্তিনেজের গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আগামী রোববার (বাংলাদেশ সময় রাত ১টা) যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। ম্যাচটি জিততে পারলে আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয়বার এবং ইতিহাসে চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়বে। অন্যদিকে স্পেন শিরোপা জিতলে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এনসিপিতে যোগ না দেওয়ার কারণ জানালেন আব্দুল কাদের </title>
		<link>https://gbanglanews.com/156</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 19:59:47 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/156</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদের জানিয়েছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেওয়ার প্রস্তাব পেলেও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা ও কার্যকর ভূমিকার সুযোগ না দেখায় তিনি দলটিতে যোগ দেননি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর অনেক ছাত্রনেতা নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিতে যোগ দিলেও তিনি সচেতনভাবেই ভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আব্দুল কাদের বলেন, &amp;lsquo;এখনই এমপি বা মন্ত্রী হতে হবে&amp;mdash; এমন কোনো চিন্তা আমার নেই। জুলাইয়ের আগে যা বলতাম, তা-ই করার চেষ্টা করতাম। কিন্তু এখন রাজনীতিতে দায়বদ্ধতার বিষয়টি অনেকটাই দুর্বল হয়ে গেছে। অনেকে যা বলছেন, বাস্তবে তা করছেন না। এ কারণেই আমি এখন কোনো রাজনৈতিক দলে যুক্ত হইনি।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি জানান, এনসিপিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব পেয়ে নিজের সম্ভাব্য দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। জবাবে তাকে নিজ নির্বাচনী আসন গোছানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। এ বিষয়ে তিনি বলেন, &amp;lsquo;আসন গোছানোর রাজনীতি আমি করতে চাইনি। আমার মনে হয়েছে, সেখানে দায় নিতে হবে, কিন্তু কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ নেই।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আব্দুল কাদের আরও বলেন, এনসিপি ছাড়াও মূলধারার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং কয়েকটি বামপন্থি দল থেকেও তাকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। তবে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তিনি আশাবাদী নন বলে আপাতত কোনো দলে যোগ দিচ্ছেন না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ব্যক্তিগত জীবন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরিবারের বড় সন্তান হিসেবে এতদিন পরিবারের প্রতি যথেষ্ট সময় দিতে পারেননি। তাঁর বাবা পেশায় দারোয়ান এবং মা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। সম্প্রতি নানীর মৃত্যুর পর পরিবারকে আরও বেশি সময় দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তিনি উপলব্ধি করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, &amp;lsquo;আমি রাজনৈতিক মানুষ, রাজনীতি অবশ্যই করব। তবে আপাতত কিছুটা বিরতি নিয়ে পরিবারকে সময় দিতে চাই।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জীবন দেব, তবু ‘চব্বিশকে’ হারিয়ে যেতে দেব না: জামায়াত আমির </title>
		<link>https://gbanglanews.com/155</link>
		<dc:creator><![CDATA[M Mehedi Hasan Arif]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 19:57:25 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/155</guid>
		<description> জীবন দেব, তবু ‘চব্বিশকে’ হারিয়ে যেতে দেব না: জামায়াত আমির </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, &amp;lsquo;আল্লাহর কসম, জীবন দেব, কিন্তু &amp;lsquo;চব্বিশের&amp;rsquo; অর্জন হারিয়ে যেতে দেব না। বারবার সাধারণ মানুষ, ছাত্র, তরুণ, যুবক ও শ্রমিকদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত সাফল্য কিছু লুটেরা ছিনিয়ে নিয়েছে। এবারও ২০২৪ সালের অর্জন নষ্ট করার চেষ্টা চলছে।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমান সংসদ ও সরকার ২০২৪ সালের আন্দোলনেরই ফল। অথচ কেউ কেউ এ অর্জনের গুরুত্ব কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, &amp;lsquo;আমরা কখনোই আগের আন্দোলন ও ত্যাগকে অস্বীকার করিনি। সেই সময় জামায়াতের ১১ জন শীর্ষ নেতা, শত শত কর্মী জীবন দিয়েছেন, অসংখ্য মানুষ কারাবরণ করেছেন। তবে এটাও সত্য, ২০২৪ না হলে আজকের রাজনৈতিক বাস্তবতা সৃষ্টি হতো না।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল দেশে ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো এবং রাষ্ট্র সংস্কার নিশ্চিত করা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার জন্যই জনগণ আন্দোলন করেছে। গণভোট নিয়ে সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, &amp;lsquo;চারটি প্রশ্ন যদি জনগণ বুঝতে না পারে, তাহলে ৩১টি প্রশ্ন কীভাবে বুঝবে? জনগণকে অযোগ্য বা অজ্ঞ মনে করা জাতিকে অপমান করার শামিল।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিলেও পরে অবস্থান পরিবর্তন করেছে। তাঁর ভাষ্য, &amp;lsquo;জনগণের প্রায় ৭০ শতাংশ গণভোটের পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায় উপেক্ষা করা হলে জনগণই এর বিচার করবে।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংবিধান সংশোধন কমিটি নিয়েও প্রশ্ন তুলে জামায়াত আমির বলেন, সংবিধানে এ ধরনের কমিটির কোনো বিধান নেই। এ উদ্যোগের মাধ্যমে জুলাইয়ের চেতনা ও গণভোটের রায়কে আড়াল করার চেষ্টা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। এ কারণে জামায়াত সংসদে এর প্রতিবাদ জানিয়ে ওয়াকআউট করেছে বলেও উল্লেখ করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ভারত প্রসঙ্গ টেনে শফিকুর রহমান বলেন, &amp;lsquo;আমরা কোনো বিদেশি আশ্রয়ের রাজনীতি করি না। আমাদের আশ্রয় বাংলাদেশের জনগণ। এই দেশই আমাদের একমাত্র ঠিকানা।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। সঞ্চালনা করেন মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সম্পাদনা-সংক্রান্ত মন্তব্য:&lt;/strong&gt; মূল প্রতিবেদনে বক্তার একাধিক রাজনৈতিক অভিযোগ ও মতামত ছিল। সেগুলোকে বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং যাচাইযোগ্য তথ্যের সঙ্গে মতামতকে পৃথক রাখা হয়েছে। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি ও আবেগপ্রবণ ভাষা বাদ দিয়ে জাতীয় দৈনিকের সংবাদধর্মী শৈলীতে উপস্থাপন করা হয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বন্যা-জলাবদ্ধতায় আ.লীগ, ইন্টেরিম ও বিএনপি সরকারের আচরণ একই: এবি পার্টি </title>
		<link>https://gbanglanews.com/154</link>
		<dc:creator><![CDATA[Mehedi]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 19:50:04 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/154</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে আওয়ামী লীগ, অন্তর্বর্তী সরকার এবং বর্তমান বিএনপি সরকারের আচরণ ও অবস্থানের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য দেখা যাচ্ছে না। তিনি এ অবস্থাকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর পুরাতন পল্টনের বিজয়-৭১ চত্বরে এবি পার্টি আয়োজিত &lt;strong&gt;&amp;lsquo;বন্যা ও জলাবদ্ধতায় বিপন্ন মানবতার ভোগান্তি ও দুর্ভোগ&amp;rsquo;&lt;/strong&gt; শীর্ষক গণশুনানিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মজিবুর রহমান মঞ্জু অবিলম্বে সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম)-এর মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানান। একই সঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণে অতীতে বরাদ্দ অর্থের ব্যয়ের বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের আহ্বান জানান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও বন্যা সৃষ্টি হচ্ছে। অথচ বছরের পর বছর হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও সাধারণ মানুষ তার সুফল পায়নি। এসব অর্থ কোথায় ব্যয় হয়েছে এবং এ জন্য কারা দায়ী&amp;mdash;মেয়র, প্রশাসক, মন্ত্রী, সচিব বা ঠিকাদার&amp;mdash;তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে রাজনীতি নয়, বরং কার্যকর সমাধানের রাজনীতি প্রয়োজন। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যয় করা ১৩ হাজার ৪ কোটি টাকা, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ব্যয় হওয়া ৩৪৫ কোটি টাকা এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের জন্য বরাদ্দ ২ হাজার ২৬০ কোটি ২৪ লাখ টাকা কীভাবে ব্যয় হবে, সে পরিকল্পনাও জনসমক্ষে প্রকাশ করা উচিত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সরকারের মন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের সমালোচনা করে মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, তাদের বক্তব্য ও আচরণে নমনীয়তার পরিবর্তে রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতার বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি আদায়ে বারবার রাজপথে নামতে হচ্ছে, যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার প্রতিফলন। এ বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করারও দাবি জানান তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সভাপতির বক্তব্যে এবি পার্টির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. ওহাব মিনার বলেন, জনগণের দুর্ভোগ ও বাস্তব সমস্যার কথা জানতেই এ গণশুনানির আয়োজন করা হয়েছে। সময়মতো খাল, নালা ও জলাধার সংস্কার করা হলে নগরবাসীকে এত দুর্ভোগ পোহাতে হতো না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গণশুনানিতে অংশ নিয়ে শ্রমিক নেতা শাহ আব্দুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের কারণেই জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুস্তক ব্যবসায়ী সমিতির নেতা গাজী নাসির বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই রাজধানী পানিতে তলিয়ে যায়। মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের পরিবর্তে দায়িত্বশীলদের অসংবেদনশীল মন্তব্য জনমনে হতাশা সৃষ্টি করছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কানাডাপ্রবাসী সমাজসেবক শমসের আলী হেলাল বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতা জাতীয়ভাবে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে এনেছে। এ সমস্যা সমাধানে সরকারকে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নিতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নারী উদ্যোক্তা অ্যাডভোকেট সুলতানা রাজিয়া নিজ এলাকার জলাবদ্ধতার চিত্র তুলে ধরে সমাধানের জন্য কয়েকটি প্রস্তাব দেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অংশগ্রহণকারী শাপলা আক্তার বলেন, বর্ষাকালে রাস্তা খুঁড়ে উন্নয়নকাজ না করে শুষ্ক মৌসুমে পরিকল্পিতভাবে এসব কাজ সম্পন্ন করা উচিত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ছাত্র প্রতিনিধি মফিদুল ইসলাম বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে এবং সাধারণ মানুষ কর্মস্থলে যেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। কর্মজীবী নারী শাহিনুর আক্তার শিলা বলেন, রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে জলাবদ্ধতার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতাই দায়ী।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গণশুনানিতে আরও বক্তব্য দেন ব্যবসায়ী শাজাহান ব্যাপারী, উদ্যোক্তা বারকাজ নাসির আহমদ, নারী সংগঠক আমেনা বেগম, ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন শিবলু, সাতকানিয়ার বন্যাকবলিত এলাকার বাসিন্দা মোহসীনুল হক চৌধুরী এবং বাসচালক মনোয়ার হোসেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবিএম খালিদ হাসান, শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক কেফায়েত হোসাইন তানভীর, যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদীউজ্জামান খোকনসহ দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হেফাজতের আহ্বানে সাত দলের ইসলামী ঐক্যের ডাক </title>
		<link>https://gbanglanews.com/153</link>
		<dc:creator><![CDATA[Mehedi]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 19:48:11 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/153</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার বাবুনগর মাদ্রাসায় কওমি ধারার সাতটি ইসলামী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ইসলামী দলগুলোর মধ্যে বৃহত্তর ঐক্য প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে সম্মিলিতভাবে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈঠক শেষে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মুফতি সাজিদুর রহমান এক ভিডিও বার্তায় বলেন, জাতীয় স্বার্থ, ইসলামী শক্তির পারস্পরিক সহযোগিতা এবং মানবিক দায়িত্ব পালনের বিষয়গুলোকে সামনে রেখেই আলোচনা হয়েছে। তিনি বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় দেশবাসীর প্রতি এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈঠক-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, সাতটি ইসলামী দলের মধ্যে বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠার বিষয়ে নীতিগতভাবে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তবে ঐক্যের কাঠামো, রূপরেখা ও পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে আরও আলোচনা শেষে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈঠকে আমন্ত্রিত সাতটি দল হলো&amp;mdash; ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট এবং নেজামে ইসলাম পার্টি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে থাকা কয়েকটি কওমি ধারার দলকে ওই জোট থেকে বেরিয়ে বৃহত্তর ইসলামী ঐক্যে সম্পৃক্ত করার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে। তবে এ বিষয়ে বৈঠকে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা লিখিত ঘোষণা দেওয়া হয়নি। আপাতত সাত দলের মধ্যে সমন্বয় ও ঐক্যের ভিত্তি শক্তিশালী করার বিষয়টিকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চলতি বছরের শুরু থেকেই ইসলামী দলগুলোর মধ্যে বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য গঠনের বিষয়ে আলোচনা চলছিল। এর আগে বাবুনগরে হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের বৈঠকেও বিষয়টি আলোচনায় আসে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈঠকে হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, মহাসচিব মুফতি সাজিদুর রহমান, সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি খলিল আহমদ কাসেমী, নায়েবে আমির মাওলানা জসিম উদ্দিন, মাওলানা সালাহউদ্দীন নানুপুরী এবং বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাওলানা মাহফুজুল হকসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, নেজামে ইসলাম পার্টির আমির মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সোবহানী, খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমীসহ বিভিন্ন ইসলামী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে অংশ নেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঘোলা পানিতে কেউ কেউ মাছ শিকার করতে চায়: শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী </title>
		<link>https://gbanglanews.com/152</link>
		<dc:creator><![CDATA[Mehedi]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 19:45:46 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/152</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কিছু মহল নিজেদের পরিচয় গোপন করে পরিস্থিতিকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে। তার ভাষায়, &amp;lsquo;ঘোলা পানিতে কেউ কেউ মাছ শিকার করতে চায়।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এক প্রশ্নের জবাবে আন্দোলনের পেছনে কোনো সংগঠন বা গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না&amp;mdash;এমন প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, &amp;lsquo;পেছনে যেই থাকুক, সামনে আমরা আছি।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, সরকারকে বিব্রত করতে চায়&amp;mdash;এমন কিছু মহল বিভিন্ন ইস্যুতে নিজেদের পরিচয় গোপন করে পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে। আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে এমন অনেকে রয়েছেন, যারা শিক্ষার্থী বা পরীক্ষার্থী নন বলেও দাবি করেন তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি সরকার ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। শিক্ষামন্ত্রী তার মন্তব্যের জন্য ইতোমধ্যে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং পরীক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা পুনরায় নেওয়ার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আর কিছু বলার নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আরেক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আন্দোলনের বিস্তৃতি খুব বেশি নয়। সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকাসহ কয়েকটি জেলার সীমিত কিছু স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে। তবে গণমাধ্যমে প্রচারের কারণে বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় সচিবালয়ে গিয়ে পরীক্ষা স্থগিত বা বিনা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার মতো প্রবণতা দেখা গিয়েছিল। সেই ধারা এখনও কিছু ক্ষেত্রে অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তবে শিক্ষার মান ক্ষুণ্ন হয়&amp;mdash;এমন কোনো সিদ্ধান্ত সরকার গ্রহণ করবে না বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;পরীক্ষা নিয়ে আন্দোলনের প্রেক্ষাপট&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;রোববার দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভারি বর্ষণ ও জলাবদ্ধতার কারণে এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্রের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি ওঠে। তবে চট্টগ্রাম বিভাগ ছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকায় নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিওতে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের একটি মন্তব্য নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ওই অডিওতে পরীক্ষার্থীদের &amp;lsquo;ফার্মের মুরগি&amp;rsquo; বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এ ঘটনার পর শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, পরীক্ষা স্থগিত এবং যেসব পরীক্ষার্থী অংশ নিতে পারেননি তাদের পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরবর্তীতে জাতীয় সংসদে ওই মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী। একই সঙ্গে পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্রের পরীক্ষা পুনরায় নেওয়ার ঘোষণা দেন।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;বেনজীর আহমেদকে ফেরানোর চেষ্টা&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ এবং ওসমান হাদি হত্যা মামলায় ভারতে গ্রেপ্তার তিনজনকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার আশা করছে সরকার।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;কলেমাখচিত পতাকা ও উগ্রবাদ&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;দেশের বিভিন্ন স্থানে কলেমাখচিত পতাকা নিয়ে মিছিলের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি এমন কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, কিছু উগ্রপন্থি (এক্সট্রিমিস্ট) গোষ্ঠীর তৎপরতা থাকলেও দেশে কোনো সক্রিয় জঙ্গি সংগঠনের অস্তিত্ব সরকার দেখছে না।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;মাদকের বিরুদ্ধে &amp;lsquo;জিরো টলারেন্স&amp;rsquo;&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;মাদক নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকার মাদকের বিরুদ্ধে &amp;lsquo;জিরো টলারেন্স&amp;rsquo; নীতিতে রয়েছে। নতুন আইন কার্যকর হয়েছে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে আরও শক্তিশালী করতে অস্ত্র ও ডগ স্কোয়াডসহ প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;জুলাই আন্দোলনের হতাহত ও মামলা&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জুলাই আন্দোলনে আহতের সংখ্যা দুই হাজারের বেশি হতে পারে। তার দাবি, তৎকালীন সরকারের শেষ সময়ে হাসপাতালের নথি গায়েব করা, চিকিৎসা না দেওয়া, লাশ গুম বা বেওয়ারিশ হিসেবে দাফনের মতো ঘটনা ঘটেছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার কাজ চলছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া কথিত ভুয়া মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় অভিযোগের ভিত্তিতে অনেক মামলা হয়েছে। বর্তমানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং নির্দোষ ব্যক্তিদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। মিথ্যা মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী আদালত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঢাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা </title>
		<link>https://gbanglanews.com/151</link>
		<dc:creator><![CDATA[Mehedi]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 19:42:47 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/151</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;রাজধানী ঢাকায় ৭ থেকে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন ভূতাত্ত্বিক ও দুর্যোগ বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এ অঞ্চলের ভূমিকম্পের ৩০০ থেকে ৫০০ বছরের পুনরাবৃত্তির (রিটার্ন পিরিয়ড) চক্র প্রায় পূর্ণ হওয়ার পাশাপাশি সক্রিয় ফল্ট লাইনে দীর্ঘদিন ধরে চাপ সঞ্চিত থাকায় বড় ধরনের ভূমিকম্পের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে ঠিক কবে এমন ভূমিকম্প ঘটবে, তা পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, দুর্বল অবকাঠামো, বিল্ডিং কোড অমান্য করে নির্মাণ এবং দুর্যোগ প্রস্তুতির ঘাটতির কারণে সম্ভাব্য বড় ভূমিকম্পে রাজধানীতে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। সম্প্রতি ভেনিজুয়েলায় ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পের পর ঢাকার ভূমিকম্পঝুঁকি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গত ২১ নভেম্বর নরসিংদীর মাধবদীতে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। এতে কয়েকটি ভবন হেলে পড়ে এবং সারা দেশে ১০ জনের প্রাণহানি ঘটে। পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকটি অপেক্ষাকৃত কম মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, ছোট ছোট ভূমিকম্পকে বড় ভূমিকম্পের নিশ্চিত পূর্বাভাস বলা না গেলেও এগুলো ভূগর্ভস্থ টেকটোনিক কার্যকলাপের ইঙ্গিত বহন করে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ভূতাত্ত্বিকদের মতে, বাংলাদেশ ইন্ডিয়ান, ইউরেশিয়ান ও বার্মা&amp;mdash;এই তিনটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। ঢাকার কাছাকাছি মধুপুর ফল্ট এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ডাউকি ফল্ট দীর্ঘদিন ধরে বড় ধরনের শক্তি নির্গত না হওয়ায় সেখানে চাপ সঞ্চিত রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মেহেদী আহমেদ আনসারী বলেন, ঢাকার বিস্তীর্ণ এলাকা জলাশয় ভরাট করে গড়ে উঠেছে। এসব এলাকার নরম মাটি বড় ধরনের ভূমিকম্পে তরল পদার্থের মতো আচরণ (লিকুইফ্যাকশন) করতে পারে, ফলে বহুতল ভবন দেবে যাওয়া বা হেলে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, ভূমিকম্প কখন হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। তাই ক্ষয়ক্ষতি কমাতে এখনই প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। তার মতে, বড় ধরনের ভূমিকম্পে প্রাণহানির প্রায় ৯০ শতাংশই ভবন ধসের কারণে ঘটে। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্রধান প্রকৌশলী মো. আমিনুর রহমান বলেন, ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত কোনো বিশেষ কার্যক্রম না থাকলেও নতুন ভবন যেন মানসম্মতভাবে নির্মিত হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাজউকের ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ২১ লাখ স্থাপনা রয়েছে। গবেষণা অনুযায়ী, ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হলে দুর্বল কাঠামোর প্রায় ৭২ হাজার ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়তে পারে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে ৩ থেকে ৪ লাখ মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া চারতলার বেশি উচ্চতার ভবনের প্রায় ৪০ শতাংশকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বড় ধরনের ভূমিকম্পে প্রায় সাড়ে আট লাখ ভবন আংশিক বা সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশেষজ্ঞরা জানান, ঢাকার সবচেয়ে বড় দুর্বলতার মধ্যে রয়েছে জলাশয় ভরাট করে গড়ে ওঠা বসতি, বিল্ডিং কোড না মেনে ভবন নির্মাণ, সংকীর্ণ সড়ক, অতিরিক্ত জনঘনত্ব, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের নিয়মিত পরিদর্শনের অভাব, অপরিকল্পিত গ্যাস ও ইউটিলিটি লাইন এবং উদ্ধার সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তাদের মতে, ভূমিকম্প প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও কার্যকর প্রস্তুতির মাধ্যমে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। এ জন্য জাতীয় ভবন নির্মাণ বিধিমালা (বিএনবিসি) কঠোরভাবে বাস্তবায়ন, নতুন ভবনের ক্ষেত্রে মাটির লিকুইফ্যাকশন পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের রেট্রোফিটিং, উন্মুক্ত স্থান সংরক্ষণ, কমিউনিটি পর্যায়ে প্রশিক্ষণ, ঢাকার বিকেন্দ্রীকরণ, পুরান ঢাকার সড়ক প্রশস্তকরণ এবং পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র ও উদ্ধার সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তারা।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জামালপুরে বিএনপির কার্যালয়ে আগুন </title>
		<link>https://gbanglanews.com/150</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 02:22:50 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/150</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ইউনিয়ন বিএনপির একটি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার (১৬ মে) সকালে উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বিন্ন্যাফৈর নতুন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় থাকা ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়টি কয়েকদিন ধরে তালাবদ্ধ ছিল। সকালে স্থানীয় এক ব্যক্তি সেখানে গেলে অফিসের ভেতরে আগুনে পুড়ে যাওয়া ব্যানার, ফেস্টুন ও আসবাবপত্র দেখতে পান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরে বিষয়টি জানাজানি হলে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে যান এবং ঘটনার নিন্দা জানান। সরিষাবাড়ী থানা পুলিশও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় বিএনপি নেতারা দাবি করেছেন, এটি একটি পরিকল্পিত নাশকতা। তারা ঘটনার জন্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দায়ী করে বলেন, দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে সরিষাবাড়ী থানার তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>প্রাচীনকালে হজযাত্রার প্রধান পথগুলো </title>
		<link>https://gbanglanews.com/149</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 02:13:36 +0600</pubDate>
		<category>ধর্ম</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/149</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ইসলামপূর্ব যুগ থেকে আরবের বিস্তীর্ণ অঞ্চল থেকে পবিত্র কাবাঘর তাওয়াফ করতে মানুষ মক্কায় সমবেত হতো, সে সময়ও ছিল হজের বার্ষিক কার্যক্রম। ইসলাম হজকে ফরজ করার পর মক্কা ও মদিনার অভিমুখে মানুষের স্রোতধারা আরো প্রবল হয়। পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মুসলিমরা আসতে থাকে পবিত্র দুই নগরীতে। তারা সড়ক ও নৌপথে পাড়ি দেয় হাজার মাইলের দূরত্ব। তাদের গমনাগমনের ফলে কয়েকটি প্রধান প্রধান হজপথের সৃষ্টি হয়। ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত হজযাত্রীরা এসব পথ ব্যবহার করত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;বণিজ্যপথ থেকে হজপথ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
পবিত্র মক্কা ও মদিনা নগরীর চারদিক বিবেচনা করলে হজের প্রাচীন চারটি। তা হলো মিসরীয় পথ, শামের পথ, ইরাকি পথ ও ইয়েমেনি পথ। ইসলামপূর্ব যুগে এই পথগুলো ছিল আরবের প্রধান বাণিজ্য পথ। এই পথে আরব গোত্রগুলো বাণিজ্য কাফেলা পরিচালনা করত। ইসলাম আগমনের পর সেগুলো হজপথে রূপান্তরিত হয়। প্রাচীনকালে পথগুলো পরিচালনা করতেন খলিফা, আঞ্চলিক শাসক ও গোত্রপতিরা। এসব পথে যাত্রা বিরতির স্থান, বিশ্রামাগার, বাজার, মসজিদ ও পানির উত্স নির্মাণ করতেন। হজযাত্রীদের নিরাপত্তায় তারা বিশেষ পাহারার ব্যবস্থাও করতেন। অবশ্য ইসলামী ভূখণ্ডের সম্প্রসারণ ও ইসলামের প্রসার ঘটলে এই চার পথের পরিধি ও দূরত্ব বেড়েছিল এবং এর সাথে যুক্ত হয়েছিল আরো নতুন অনেক পথ।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;প্রাচীন হজপথের গুরুত্ব&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
প্রাচীন এসব পথ শুধু ধর্মীয় কারণে গুরুত্বপূর্ণ ছিল এমন নয়, বরং সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবও ছিল অপরিসীম। কেননা এই পথগুলো পৃথিবীর নানা প্রান্তের মানুষের ভেতর ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিনিময়ের কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। এই পথগুলো কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল বহু ঐতিহাসিক শহর, নগর ও বাণিজ্য কেন্দ্র। জেদ্দা, আসার, বাহরাইন, তাইজ, ইয়ামামা ও সানআর মতো ঐতিহাসিক নগরীর জন্মকথার সঙ্গে জড়িয়ে আছে হজপথের ইতিহাস। প্রাচীন হজপথের বিস্তারিত বিবরণ ইসলামের ইতিহাস বিষয়ক প্রাচীন গ্রন্থগুলোতে পাওয়া যায়। একাধিক মুসলিম ঐতিহাসিক হজের প্রাচীন পথগুলো চিহ্নিত করে গেছেন।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;হজের প্রধান চার পথ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
হজের প্রধান চারটি প্রাচীন পথের বিবরণ তুলে ধরা হলো।&lt;br /&gt;
১. কুফা বা ইরাকি হজপথ : ঐতিহাসিক এই হজপথটি দারবে জুবায়দা নামেও পরিচিত। হজের প্রাচীন পথগুলোর ভেতর এটিই সবচেয়ে বিখ্যাত। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাহাবি সাআদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.)-এর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী সর্বপ্রথম এই পথ ধরে ইরাকে অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। এই পথ ইরাকের রাজধানী বাগদাদ থেকে শুরু হয়ে মক্কায় শেষ হয়েছে। আব্বাসীয় খেলাফতের সময় কুফা হজপথটি সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক গুরুত্ব লাভ করেছিল। কেননা তা ইসলামী খেলাফতের রাজধানী বাগদাদের সঙ্গে পবিত্র দুই দুই মসজিদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছিল। এই পথে আইনে জুবায়দা (নাহরে জুবায়দা)-সহ হজ সম্পর্কিত একাধিক ঐতিহাসিক নিদর্শন আছে। কুফা হজপথের ধারে গড়ে উঠেছিল প্রাচীন ইসলামী শহর জুবালা, সা&amp;rsquo;লাবিয়া ও রাবাতা। আধুনিক সৌদি আরবের এই পথের সীমানা হলো আকাবা স্টেশন থেকে মক্কার উত্তর প্রান্ত পর্যন্ত।&lt;br /&gt;
২. শামি হজপথ : হজের প্রাচীন পথগুলোর একটি শামি হজপথ বা দারবুল শাম। বৃহত্তর শাম অঞ্চল তথা সিরিয়া, জর্ডান, লেবানন ও ফিলিস্তিন অঞ্চলের হজযাত্রীরা এই পথে হজে আগমন করত। শামি হজপথের সূচনা ধরা হয় দামেশক শহরকে। এরপর তা সিরিয়া, জর্ডান, উত্তর আরব, হিজাজ অতিক্রম করে মদিনা হয়ে মক্কায় পৌঁছায়। এই পথের হজযাত্রীরা মরুভূমি, পাহাড় ও শুষ্ক উপত্যকা অতিক্রম করত। তারা যাত্রাপথে কসর আল আজরাক, মাআন, তাবুক ও আল উলাতে যাত্রা বিরতি দিত, বিশ্রাম করত এবং পাথেয় সংগ্রহ করত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শামি হজপথটি মূলত আরবের সবচেয়ে পুরাতন ও জনপ্রিয় বাণিজ্য পথ ছিল। উমাইয়া খেলাফতের সময় এই পথ বিশেষ গুরুত্ব লাভ করেছিল। তারা এই পথে হজযাত্রার সহায়ক অনেক অবকাঠামো নির্মাণ করেছিল। আব্বাসীয় শাসকরাও এই পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নিয়েছিল। উসমানীয় শাসকদের আমলে এই পথের সর্বোচ্চ উন্নয়ন ঘটেছিল। উসমানীয় শাসকরা হজ কাফেলা পরিচালনার জন্য আমিরুল হজ এবং নিরাপত্তার জন্য সেনা দল নিযুক্ত করেছিল। তারা এই পথে একাধিক নিরাপত্তা চৌকি, দুর্গ, সরাইখানা ও পানির উত্স নির্মাণ করেছিল। বিশ শতকের শুরুতে তারা এই পথে হেজাজ রেলওয়ে নামে একটি যুগান্তকরী যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৩. মিসরীয় হজপথ: ইসলামের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হজপথ মিসরীয় হজপথ। এই পথ ধরে মিসর, সুদান, মধ্য আফ্রিকা, উত্তর আফ্রিকা, আন্দালুস (মুসলিম স্পেন) ও সিসিলির মুসলিম হজে গমন করত। এই পথের বৈশিষ্ট্য হলো এর একাংশ কখনো কখনো জাহাজে অতিক্রম করা হতো। আফ্রিকা ও স্পেনের হাজিরা মিসরের কায়রোয় মিলিত হতো। সেখান থেকে তারা সিনাই উপত্যকা অতিক্রম করে লোহিত সাগরের তীর ধরে এগিয়ে যেত। লোহিত সাগরের তীরে এসে হজ কাফেলা দুটি পৃথক পথ ব্যবহার করত। প্রথমটি শাগাব, বাইদাসহ অন্যান্য জনপদের ভেতর দিয়ে মদিনায় যেয়ে শেষ হতো। দ্বিতীয়টি উপকূল ধরে আল আইনুনা, আল মুওয়ালিহ, ধুবা, আল হুরা ও নাবাত অতিক্রম করে মক্কায় যেয়ে শেষ হতো।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যান্য হজপথের মতো এই পথেও মুসলিম শাসকরা যুগে যুগে অনেক অবকাঠামো নির্মাণ করেছে। এই পথের উন্নয়নে প্রথম মনোযোগ দিয়েছিল&amp;nbsp;ফাতেমি শাসকরা। তাদের পর মামলুক ও উসমানীয়রাও এই পথের উন্নয়নে অবদান রাখেন। তারা পথের ধারে পানির নালা, কূপ ও পুকুর খনন করেন। দুর্গ, নিরাপত্তা চৌকি, বিশ্রামাগার, বাজার ও মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। আধুনিক নৌযান আবিষ্কারের পর হাজিরা মিসরের আলেকজেন্দ্রিয়া থেকে জেদ্দা পর্যন্ত জাহাজে গমন করত। প্রাচীন এই হজপথে অনেকগুলো ঐতিহাসিক নিদর্শনও রয়েছে। যেমন ওয়াদি দিবার সাতটি কূপ, ইয়ানবুর খান আল-উশারা ও বদর মসজিদ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৪. ইয়েমেনি হজপথ : আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্ত ধরে ইয়েমেনের হাজিরা মক্কা-মদিনায় গমন করত। ইয়েমেনের উচ্চভূমির ওপর দিয়ে এই রাস্তা অগ্রসর হওয়ায় এর অপর নাম &amp;lsquo;আদ-দারবুল উলয়া ইয়েমেনিয়া&amp;rsquo;। ইয়েমেনি হজপথ জল ও স্থল পথের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছিল। হাজিরা একাধিক সমুদ্র বন্দর অতিক্রম করে গন্তব্যে পৌঁছাতেন। যেমন আল-সিরিন, আল-লাইস ও জেদ্দা। ইয়েমেনের সঙ্গে আরব উপদ্বীপের উত্তরাংশের সঙ্গে একাধিক বাণিজ্যপথ থাকায় স্থলপথটি একাধিক শাখায় বিভক্ত ছিল। এর ভেতর একটি খ্রিস্টপূর্ব হাজার অব্দেরও পুরাতন, যে পথ ধরে ইয়েমেনের সাবার রানি বিলকিস ফিলিস্তিনের নবী ও শাসক সুলাইমান (আ.)-এর সঙ্গে সাক্ষাত্ করতে যান, যার বর্ণনা পবিত্র কোরআনেও পাওয়া যায়। এডেন, তায়িজ, সানা, জাবিদ, সাআদা, তুরুবাহ, তায়েফ ইত্যাদি শহর এই হজপথের সঙ্গে যুক্ত ছিল। সবুজ উপত্যকা ও জনপদের ভেতর দিয়ে হজপথটি অতিক্রম করায় তা মূল নিরাপদ ও কম কষ্টকর ছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;অন্যান্য হজপথ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
উল্লিখিত চারটি হজপথ ছাড়াও প্রাচীন আরবে আরো তিনটি হজপথের সন্ধান পাওয়া যায়। তা হলো,&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
৫. বসরা হজপথ : এই পথের সূচনা হয়েছিল বসরা নগরী থেকে এবং শেষ হয়েছে মক্কায়। পথটি আরব উপদ্বীপের উত্তর-পূর্ব প্রান্ত অতিক্রম করে ওয়াদি আল-বাতিনে প্রবেশ করে। বসরা হজপথ বেশ কয়েকটি মরু অঞ্চল অতিক্রম করেছে। যার মধ্যে সবচেয়ে দুর্গম হলো দাহানা মরুভূমি। এরপর তা (আধুনিক সৌদি আরবের) আল কাসিম প্রদেশ অতিক্রম করে কুফা হজপথের সমান্তরলে অগ্রসর হয়। এভাবে উভয় পথ উম্মে খুরমান বা আওতাসে এসে মিলিত হয়, যা জাতুল ইরক থেকে ১০ মাইল দূরে অবস্থিত। বসরা হজ পথটি পুনরায় কুফা হজ পথের সঙ্গে আন-নুকরায় এসে মিলিত হয়েছে। সেখান থেকে একটি শাখা পথ মদিনার দিকে অগ্রসর হয়েছে। বসরা হজপথের দৈর্ঘ্য এক হাজার ৫২০ কিলোমিটার। এতে মোট ২৭টি যাত্রা বিরতির স্থান ছিল। যার মধ্যে চারটি ইরাক-কুয়েত সীমান্তে অবস্থিত এবং অবশিষ্টগুলো সৌদি আরবের ভেতর অবস্থিত। প্রাচীনকালে ইরাক থেকে হাজিদের বড় অংশ এই পথে যাতায়াত করত। পথটি তুলনামূলক দুর্গম হলেও যাত্রা বিরতির এক স্থান থেকে অন্য স্থানের দূরত্ব কম হওয়ায় হাজিরা সহজেই পাথেয় সংগ্রহ করতে পারত।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৬. ওমানি হজপথ : ওমানি হজ পথ আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলকে পবিত্র দুই মসজিদের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এর দুটি শাখা ছিল। একটি উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে সৌদি আরবের পূর্ব উপকূল হয়ে পশ্চিমের ইয়ামামার দিকে এগিয়ে গেছে। এরপর তা দারিয়াহতে এসে বসরা-বাহরাইন হজ পথের সঙ্গে মিলিত হয়। অন্য পথটি ওমানের পশ্চিমের দোফার ও ফারাক হয়ে অগ্রসর হয়েছে। এই পথটি ফার্ক থেকে ওয়াখলান, হাবাহ উপকূল ও শাহোর হয়ে ইয়েমেনি পথের সঙ্গে যুক্ত হয়।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৭. মক্কা-মদিনা সংযোগ সড়ক: হজের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হলো মক্কা-মদিনা মহাসড়ক। মহানবী (সা.) ৬২৯ হিজরিতে মক্কা বিজয় অভিযানের সময় যে পথে আগমন করেছিলেন সেটাই ছিল দুই নগরীর ভেতর প্রথম সংযোগ সড়ক। এটাও হজের একটি প্রাচীন পথ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র : সৌদি পিডিয়া, আরব নিউজ, সৌদি প্রেস এজেন্সি ও ইউনেস্কোর নিজস্ব ওয়েবসাইট।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হরমুজে ট্রানজিট পেতে তেহরানের দরজায় ইউরোপের দেশগুলো </title>
		<link>https://gbanglanews.com/148</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 02:09:26 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/148</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় দেশগুলো ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার (১৬ মে) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশ&amp;mdash;বিশেষ করে চীন, জাপান ও পাকিস্তান&amp;mdash;এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাওয়ার পর এবার ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতিনিধিরাও ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর নৌবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। তবে আলোচনায় কোন কোন দেশ অংশ নিচ্ছে, তা প্রকাশ করা হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কৌশলগত এই হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল সীমিত হয়ে পড়ে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এরপর ৮ এপ্রিল থেকে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্বের তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG)-এর প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবহন হওয়ায় হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব পড়েছে এবং ইরান এই পরিস্থিতিকে ভূরাজনৈতিকভাবে কাজে লাগাচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে চীনসহ কয়েকটি দেশের জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে একটি নতুন &amp;lsquo;প্রোটোকল&amp;rsquo; অনুযায়ী। একই সঙ্গে তারা জানায়, এই জলপথ ব্যবস্থাপনা এখন নতুন নিয়ম ও ফি কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন পেশাদার কাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে, যা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। এর মাধ্যমে শুধুমাত্র অনুমোদিত বাণিজ্যিক জাহাজ ও সহযোগী দেশগুলো সুবিধা পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চুক্তি না হলে ইরানের জন্য ‘খুব খারাপ সময়’ অপেক্ষা করছে </title>
		<link>https://gbanglanews.com/147</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 02:05:21 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/147</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[শিগগিরই কোনো শান্তিচুক্তিতে না পৌঁছালে ইরানের জন্য &amp;lsquo;খুব কঠিন সময়&amp;rsquo; অপেক্ষা করছে বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফরাসি গণমাধ্যম বিএফএমটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের উচিত দ্রুত একটি সমঝোতায় আসা, কারণ চুক্তি না হলে পরিস্থিতি তাদের জন্য নেতিবাচক হবে। ট্রাম্পের দাবি, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান&amp;mdash;উভয়ের জন্যই লাভজনক হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, নতুন করে আলোচনার বার্তা পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছে তেহরান। দুই দেশের এই উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থার মধ্যেই অচলাবস্থা ভাঙতে সম্ভাব্য বড় সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারেন ট্রাম্প&amp;mdash;এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান সংকটকে ঘিরে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রস্তুতি চলতে পারে, যদিও এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। একই সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক সমাধানের প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু হলে তা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কূটনৈতিকভাবে একটি বড় অর্জন হিসেবে দেখা যেতে পারে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হঠাৎ রাজধানীজুড়ে পুলিশের কড়া সতর্কতা </title>
		<link>https://gbanglanews.com/146</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 01:28:46 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/146</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজধানীতে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের সম্ভাব্য তৎপরতা রোধে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন কার্যক্রম নজরদারিতে রেখে শহরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, কন্ট্রোল রুম থেকে সম্প্রতি সব থানায় বিশেষ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। এতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, অলিগলি এবং ভোরের সময়গুলোতে অতিরিক্ত টহল ও নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র আরও জানায়, ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের পক্ষ থেকে কর্মসূচি পালনের আশঙ্কা থাকায় আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ বা অপরাধমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে শনিবার ভোরে বনানী এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের পোস্টার ও লিফলেটসহ মো. আশিক তপেদার (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিএমপি&amp;rsquo;র ভারপ্রাপ্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে এবং সম্ভাব্য সব ধরনের অপতৎপরতা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>‘জনস্বাস্থ্যকে গুরুত্ব না দেওয়ার ফলই বর্তমান হাম সংকট’ </title>
		<link>https://gbanglanews.com/145</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 01:14:27 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/145</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[দেশে সাম্প্রতিক সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে চার শতাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য ও শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এটি শুধু স্বাস্থ্য সংকট নয়; বরং দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতা, টিকাদান কর্মসূচির ঘাটতি এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অব্যবস্থাপনার প্রতিফলন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার (১৬ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট আয়োজিত &amp;lsquo;হামে শিশুমৃত্যু : জনস্বাস্থ্য সংকট ও উত্তরণের পথ&amp;rsquo; শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত দেশে অনেক শিশু হাম ও উপসর্গে মারা গেছে। এ সময়ে দেশে প্রায় ৫৫ হাজার শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৯ হাজার ১৬০ জন। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, প্রকৃত আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা জানান, দেশে সাধারণত ৯ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুরা হামে বেশি আক্রান্ত হলেও এবার ৯ মাসের আগেই অনেক শিশু সংক্রমিত হয়েছে। হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হওয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার চার দিন আগে থেকে এবং চার দিন পর পর্যন্ত অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। সময়মতো পূর্ণমাত্রায় টিকা নিলে হাম প্রতিরোধ সম্ভব হলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি টিকা সংগ্রহ, মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতাকে সামনে এনেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, হামের জটিলতা প্রতিরোধে ভিটামিন-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আগে সরকারি কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের প্রতি ছয় মাস অন্তর ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হলেও সাম্প্রতিক সময়ে সেই কার্যক্রম বন্ধ থাকায় মৃত্যুঝুঁকি বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ পরিস্থিতিতে সারাদেশে গণটিকাদান কর্মসূচি জোরদার, সরকারি হাসপাতালে বিশেষ হাম কর্নার চালু, নিয়মিত ভিটামিন-এ কর্মসূচি পুনরায় চালু, প্রান্তিক শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, টিকা উৎপাদনে জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যখাতে শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ এবং কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা পর্যায়ে জনস্বাস্থ্য কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানান বক্তারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তারা আরও বলেন, জাতীয় বাজেটের অন্তত ১৫ শতাংশ এবং জিডিপির ৫ শতাংশ স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ দিতে হবে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্যকে জনগণের মৌলিক অধিকার হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বানও জানান তারা। কোভিড-১৯ মহামারি থেকে শিক্ষা নেওয়ার পরও বাংলাদেশে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও জনস্বাস্থ্য খাতকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বর্তমান হাম পরিস্থিতি ভবিষ্যতের জন্য বড় ধরনের সতর্কবার্তা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. কাজী রকিবুল ইসলাম বলেন, দেশে বয়স্ক ও নবজাতকদের জন্য আইসিইউ থাকলেও পর্যাপ্ত পিআইসিইউ নেই। এবার ৯ মাসের আগেই শিশুদের আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা উদ্বেগজনক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, মায়ের দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে আগের মতো প্রচার-প্রচারণা না থাকায় ব্রেস্টফিডিংয়ের হার কমে গেছে। পাশাপাশি কোভিড-পরবর্তী সময়ে দারিদ্র্য ও মাতৃ পুষ্টিহীনতা বাড়ায় তার প্রভাব শিশুদের ওপরও পড়ছে। শিশুমৃত্যু ঠেকাতে আইসোলেশন ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, হামে এখনো যেভাবে শিশুমৃত্যু হচ্ছে, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। টিকাদানে গাফিলতি, জনস্বাস্থ্যকে গুরুত্ব না দেওয়া এবং কিছু ভুল নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণেই আমরা এ সংকটে পড়েছি। জনস্বাস্থ্যকে অবহেলার ফলই বর্তমান হাম সংকট। জনস্বাস্থ্যকে কোনো সরকারই কখনো গুরুত্ব দেয়নি।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ম্যাচ জিতেও শাস্তি পেলেন পান্ত </title>
		<link>https://gbanglanews.com/144</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 01:12:56 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/144</guid>
		<description> ম্যাচ জিতেও শাস্তি পেলেন পান্ত </description>
		<content:encoded><![CDATA[আইপিএলে ধীরগতির ওভার রেটের কারণে শাস্তি পেয়েছেন লক্ষ্মৌ সুপার জায়ান্টসের অধিনায়ক ঋষভ পান্ত। ১৫ মে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে নিজেদের মাঠে জয় পাওয়া ম্যাচে স্লো ওভার রেট বজায় রাখায় তাকে ১২ লাখ ভারতীয় রুপি জরিমানা করেছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলতি মৌসুমে লক্ষ্মৌ ও পান্তের জন্য এটি ছিল প্রথম ওভার রেট&amp;ndash;সংক্রান্ত শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা। আইপিএলের আচরণবিধির ২.২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রথমবার এমন অপরাধ করলে ১২ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়। দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে জরিমানার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ২৪ লাখ রুপিতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ মৌসুমে আইপিএলে ধীর ওভার রেটের ঘটনা যেন নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় সব দলের অধিনায়কই কোনো না কোনো সময়ে এ কারণে শাস্তি পেয়েছেন। এর আগে চলতি সপ্তাহে ধর্মশালায় পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে ম্যাচে একই কারণে ১২ লাখ রুপি জরিমানা গুনতে হয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেলকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলতি আসরে একই অপরাধে শাস্তি পেয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অজিঙ্কা রাহানে, চেন্নাই সুপার কিংসের রুতুরাজ গায়কোয়াড়, গুজরাট টাইটান্সের শুভমান গিল ও পাঞ্জাব কিংসের শ্রেয়াস আইয়ারও।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ম্যাচে লক্ষ্মৌর তিনটি উইকেট পড়লেও ব্যাট করতে নামেননি পান্ত। পরে ম্যাচ শেষে তিনি জানান, যেসব ব্যাটার এখনো পর্যাপ্ত সুযোগ পাননি, তাদের ম্যাচের অভিজ্ঞতা দিতেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পান্ত বলেন, &amp;lsquo;আমি ব্যাট করতে প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু তখন মনে হলো, যারা খুব বেশি ম্যাচ খেলেনি বা সুযোগ পায়নি, তাদের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। এটাই ছিল মূল ভাবনা। আমি নিজেও মাঠে থাকতে চেয়েছিলাম, তবে কখনো কখনো দলীয় ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্তকেও সম্মান জানাতে হয়।&amp;rsquo;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>‘আমাদের সুন্দর একটি আগামী হারিয়ে গেল’ </title>
		<link>https://gbanglanews.com/143</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 01:11:37 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/143</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার-এর অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে দেশের বিনোদন অঙ্গনে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী ও ভক্তরা তাকে স্মরণ করছেন গভীর ভালোবাসা ও বেদনায়। এবার কারিনাকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা তারিক আনাম খান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিচালক রেজাউর রহমান পরিচালিত &amp;lsquo;একসাথে আলাদা&amp;rsquo; সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছিলেন তারা। সিনেমাটির গল্প ও চিত্রনাট্য যৌথভাবে লিখেছিলেন কারিনা কায়সার ও রেজাউর রহমান। সেই কাজের স্মৃতি তুলে ধরে ফেসবুকে তারিক আনাম খান লেখেন, &amp;ldquo;আমাদের সুন্দর একটি আগামী হারিয়ে গেল। একসাথে থেকে আলাদা হয়ে গেল কারিনা কায়সার।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও লেখেন, &amp;ldquo;খুব অল্প সময়ের জন্য আমাদের দেখা, অল্প কথা, একটাই কাজ&amp;mdash; &amp;lsquo;একসাথে আলাদা&amp;rsquo;। অত্যন্ত আধুনিক ভাবনার একটি গল্প ছিল এটি। দুটি মানুষ কাছে থেকে কষ্ট পাওয়ার চেয়ে আলাদা হয়ে বন্ধু হয়ে থাকতে পারে কিনা, সেটাই ছিল গল্পের মূল বিষয়।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কারিনার কাজের প্রতি নিষ্ঠার কথাও উল্লেখ করেন এই অভিনেতা। তার ভাষায়, কারিনা কমেডি ঘরানার কাজ খুব ভালো বুঝতেন। সংলাপ, পরিস্থিতি ও অভিনয়ের সূক্ষ্ম দিকগুলো নিয়ে তিনি সবসময় মনোযোগী থাকতেন। শুটিং সেটে মনিটরের সামনে তীক্ষ্ণ নজরে পুরো কাজ পর্যবেক্ষণ করতেন এবং টিমের সঙ্গে নিরবে আলোচনা চালিয়ে যেতেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নতুন একটি পারিবারিক কমেডি ধারাবাহিক একসঙ্গে করার পরিকল্পনার কথাও জানান তারিক আনাম খান। তবে সেই স্বপ্ন পূরণের আগেই কারিনার চলে যাওয়া তাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। তিনি লেখেন, &amp;ldquo;সবাইকে কাঁদিয়ে কারিনা চলে গেল। হায়রে জীবন!&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একই সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে কারিনাকে ঘিরে নেতিবাচক আলোচনা না করার আহ্বানও জানান তিনি। বলেন, &amp;ldquo;দয়া করে কেউ তার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আর নোংরা আলাপ করবেন না। ও তো আর রইলো না।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দেন এই অভিনেতা। তিনি সবাইকে স্বাস্থ্য ও জীবনযাপনে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, &amp;ldquo;জীবন সুন্দর, জীবন মূল্যবান।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে সাধারণ জ্বরে আক্রান্ত হলেও পরে কারিনা কায়সারের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একইসঙ্গে হেপাটাইটিস এ ও ই-এর জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চেন্নাই নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকরা তাকে বাঁচাতে পারেননি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সামাজিক মাধ্যমে প্রাণবন্ত ও বাস্তবধর্মী কনটেন্ট নির্মাণের মাধ্যমে তরুণদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন কারিনা কায়সার। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও কাজ করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ইন্টার্নশিপ এবং ৩৬-২৪-৩৬।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আগামী ৫ বছরে জিডিপিতে আইসিটি-টেলিকম খাতের অবদান ১৫% করার লক্ষ্য সরকারের </title>
		<link>https://gbanglanews.com/142</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 01:09:17 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/142</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর টেলিকম ও আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেছেন, টেলিকম ও আইসিটি খাতকে সরকার দেশের অন্যতম &amp;lsquo;থ্রাস্ট সেক্টর&amp;rsquo; হিসেবে বিবেচনা করছে। আগামী পাঁচ বছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) এ খাতের অবদান ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের শীর্ষ ২০ দেশের মধ্যে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে আয়োজিত &amp;lsquo;টেলিকম খাতের ভবিষ্যৎ : নতুন সরকার কী ভাবছে&amp;rsquo; শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রেহান আসিফ আসাদ বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশের টেলিকম ও আইসিটি খাতের জিডিপিতে অবদান ১ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। তবে সঠিক নীতিমালা, প্রযুক্তি অবকাঠামো এবং সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে এই অবদান কয়েকগুণ বাড়ানো সম্ভব বলে সরকার মনে করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি জানান, গ্রাহকসংখ্যার বিচারে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ২০ দেশের একটি হলেও সেবার মানের সূচকে দেশের অবস্থান এখনও ৯০-এর পরে। আগামী পাঁচ বছরে এই অবস্থান পরিবর্তন করে আন্তর্জাতিক মানের টেলিকম সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কর কাঠামো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে মোবাইল অপারেটরদের কার্যকর করহার ৫৫ থেকে ৫৬ শতাংশ, যেখানে বৈশ্বিক গড় মাত্র ২২ শতাংশ। উচ্চ করহার বিনিয়োগ ও সেবার মান উন্নয়নে চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে আসন্ন বাজেটে গ্রাহকবান্ধব কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিদেশি বিনিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের এফডিআই-জিডিপি অনুপাত মাত্র শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশ, যা অত্যন্ত কম। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে সরকার দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত রোডম্যাপ তৈরি করছে, যাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য পরিবেশ পান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্মার্টফোন ব্যবহার বাড়াতে সরকার স্থানীয়ভাবে কমদামি স্মার্টফোন উৎপাদনের উদ্যোগ নিচ্ছে বলেও জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার মধ্যে স্মার্টফোন বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি সহজ কিস্তিতে ফোন কেনার সুযোগ দিতে মোবাইল অপারেটর ও ব্যাংকগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্পেকট্রাম নীতির বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু রাজস্ব আয় নয়; বরং ডেটা সেন্টার, ক্লাউড অবকাঠামো, কনটেন্ট ডেলিভারি এবং সাইবার নিরাপত্তাসহ ডিজিটাল অর্থনীতির সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাইবার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় অবকাঠামো, সরকারি তথ্য ও গ্রাহক ডেটা সুরক্ষায় দ্রুত উন্নয়ন প্রয়োজন। একইসঙ্গে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য অনুদান, ঋণ, কর্মপরিসর ও স্কেল-আপ সহায়তা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠী ও প্রযুক্তিগত দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। ২০৪৮ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে এবং এ যাত্রায় টেলিকম ও আইসিটি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফকির মাহবুব আনাম। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী, মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব)-এর মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকারসহ সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশের স্বার্থে আপস নয় — মির্জা ফখরুল </title>
		<link>https://gbanglanews.com/141</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 01:06:22 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/141</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[শনিবার রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত &amp;lsquo;ফারাক্কা লং মার্চ দিবস&amp;rsquo; উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি কখনোই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের স্বার্থ রক্ষায় বিএনপি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে এবং জনগণকে এ বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকার আহ্বান জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সভায় তিনি বলেন, ফারাক্কা আন্দোলন এখন শুধু একটি দিবস নয়, এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক। তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী-কে, যিনি জনগণের অধিকার ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় আজীবন সংগ্রাম করেছেন। ফখরুলের ভাষ্য অনুযায়ী, ভাসানীর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের মানুষ, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যকে রক্ষা করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, গঙ্গা বা পদ্মা নদীর পানি বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ফরাক্কা বাঁধের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পরিবেশ, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিকভাবে বিষয়টি তুলে ধরে বাংলাদেশের পক্ষে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিলেন। পরবর্তীতে খালেদা জিয়া-ও পানি চুক্তির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ সময় তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ফরাক্কা প্রকল্প চালুর অনুমতি দেওয়ার পর থেকেই দেশের জন্য সংকটের শুরু হয় বলে বিএনপির মূল্যায়ন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে। তাই এখনই দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে নতুন চুক্তি করতে হবে এবং পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায়, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎও এই চুক্তির ওপর নির্ভর করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে কিছু গোষ্ঠী অপপ্রচার চালাচ্ছে। গণতন্ত্র ও স্বাধীনতায় বিশ্বাসী সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শুরু হয়েছে শীতের মৌসুম, শীতের ফুলে রঙিন প্রকৃতি </title>
		<link>https://gbanglanews.com/135</link>
		<dc:creator><![CDATA[Md Helal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Jan 2023 14:04:17 +0600</pubDate>
		<category>লাইফস্টাইল</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/135</guid>
		<description> শুরু হয়েছে শীতের মৌসুম। আর এই শীতে প্রকৃতি ভিন্ন এক সাজে ধরা আমাদের মাঝে। ভোরবেলা শীতের বুড়ি কুয়াশার চাদরে ঢেকে দেয় মাঠের পর মাঠ। পাতায় পাতায় কুয়াশা আর শিশির বিন্দু সোনালী রোদে চকচক হয়ে ওঠে।  শীতের বেলায় রঙিন থাকে প্রকৃতি। আর এই রঙের উৎসবে বাড়তি আলো যোগ করে শীতকালীন বিভিন্ন রঙিন ফুল। ফুল ভালোবাসেনা এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।  </description>
		<content:encoded><![CDATA[শুরু হয়েছে শীতের মৌসুম। আর এই শীতে প্রকৃতি ভিন্ন এক সাজে ধরা&amp;nbsp;আমাদের মাঝে। ভোরবেলা শীতের বুড়ি কুয়াশার চাদরে ঢেকে দেয় মাঠের পর মাঠ। পাতায় পাতায় কুয়াশা আর শিশির বিন্দু সোনালী রোদে চকচক হয়ে ওঠে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শীতের বেলায় রঙিন থাকে প্রকৃতি। আর এই রঙের উৎসবে বাড়তি আলো যোগ করে শীতকালীন বিভিন্ন রঙিন ফুল। ফুল ভালোবাসেনা এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শখের বসে নিজের বাড়ির আঙিনা রাঙিয়ে তোলেন অনেকেই। বিভিন্ন অফিস-আদালত প্রাঙ্গনও সাজে বিভিন্ন ফুলে। প্রকৃতিতে এক ভিন্নমাত্রা যোগ করে। রূপ-বৈচিত্র্যে আর কোনো মৌসুমেই এরা এতটা মুগ্ধ করতে পারে না ফুলগুলো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিকেল বা সন্ধ্যায় চায়ের কাপের আড্ডায় প্রিয়জনের সাথে বেশ ভালোই কেটে যাবে বারান্দা বাগানে। অবসরে বিকেলে চায়ের কাপ হাতে অনেকেই রবীন্দ্রনাথ-শরৎচন্দ্রও পড়ে থাকেন। সময় কাটাতে এই ফুল গাছের যত্ন নিতে পারেন আপনিও।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শীতের মৌসুমে ফুল সবচেয়ে বেশি ফোটে। আজকাল দেশি বিভিন্ন ফুলের পাশাপাশি বিদেশি অনেক ফুলও হরহামেশা দেখা যায় বিভিন্ন জায়গায়। দেশে বাণিজ্যিক ভাবে সেসব ফুলের চাষও হচ্ছে। সেসব ফুলের সৌন্দর্যে সবাই মুগ্ধ হয়ে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশি-বিদেশি এই ফুলগুলোর ভিতর গাঁদা ফুলেরই অনেকগুলো জাত রয়েছে। বড় বড় ইনকা গাঁদা, ছোট ছোট চায়না গাঁদা, দেশি গাঁদা, রক্ত গাঁদা, হলুদে লাল মেশানো জাম্বো গাঁদা, লম্বা গাছে দেশের জাত রাজ গাঁদা ইত্যাদি নানা জাতের গাঁদা ফুলের চারা এখন পাওয়া যাচ্ছে আশপাশের প্রায় সব নার্সারিতেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এরপর অন্যান্য ফুলের মধ্যে রয়েছে চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া, অ্যাস্টার, ডেইজি, ডায়ান্থাস, ফ্লক্স, ভারবেনা, কারনেশান, পপি, সূর্যমুখী, পর্তুলিকা, ক্যালেন্ডুলা, হলিহক, মর্নিং গ্লোরি, সুইট পি, অ্যাজালিয়া, জারবেরা, গ্ল্যাডিওলাস, কসমস, সিলভিয়া, এন্টিরিনাম, ন্যাস্টারশিয়াম, প্যানজি, অ্যাস্টার, ডেইজি, ডায়ান্থাস, ফ্লক্স, ভারবেনা, কারনেশান প্রভৃতি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফুলের রানি গোলাপও রয়েছে অনেক জায়গা জুড়ে। ফুলের গাছ গুলোর পাশাপাশি সঙ্গী হিসেবে পেতে পারেন। টবে গাঁদা, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, জারবেরা, কারনেশান, ক্যালেন্ডুলা, অ্যাস্টার ইত্যাদি জন্মে। তবে সরাসরি মাটিতে বা বাগানে সব ফুলের চারাগাছই লাগানো যেতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যেখানে পাবেন:&lt;br /&gt;
আমাদের দেশের প্রতিটি জেলায় নার্সারি থেকে বিভিন্ন ফুলের চারা সংগ্রহ করতে পারবেন। যারা ঢাকার ভিতরে থাকেন তারা রাজধানীর আগারগাঁও, বনানী, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মোহাম্মদপুর, নিউমার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানের সার্সারিতে কিনতে পারবেন সবধরণের ফুলের চারা এবং বীজ। কেউ যদি চান তাহলে টবসহ বিভিন্ন ফুলের চারাও কিনতে পারবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাছের যত্ন:&lt;br /&gt;
অক্টোবর-নভেম্বর মাস শীতকালীন ফুলের বীজ বপনের উপযুক্ত সময়। টবে ফুলগাছ রোপণ করতে চাইলে সাধারণত ৮ থেকে ১২ ইঞ্চি মাপের টবই যথেষ্ট। টবের মাটির সঙ্গে জৈব সার বা কম্পোস্ট সার পর্যাপ্ত পরিমাণে মেশাতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাবধানতার সঙ্গে চারা রোপণ করে ঝাঁঝরি দিয়ে উপর থেকে বৃষ্টির মতো পানি ছিটিয়ে দিতে হবে। যাতে গাছ এবং পাতা উভয়ই ভেজে। প্রয়োজনে হেলে পড়া গাছকে লাঠি পুঁতে তার সঙ্গে বেঁধে দাঁড় করিয়ে দিতে হবে। পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রয়োজনে কৃষিবিদের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখনই সময়:&lt;br /&gt;
রকমভেদে গাছগুলো মার্চ মাস পর্যন্ত ফুল দেয়। ফুল চাষ করে অনেকেই স্বচ্ছলতার মুখ দেখছে। আজকাল বিদেশেও ফুল রপ্তানি হচ্ছে। যা থেকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। তাই এখনই উপযুক্ত সময় ফুলচাষী বা ফুলপ্রেমীদের তৎপর হয়ে ওঠার।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সীমান্ত থেকে ১৭ ছাগল নিয়ে গেল বিএসএফ, অতঃপর... </title>
		<link>https://gbanglanews.com/134</link>
		<dc:creator><![CDATA[Md Helal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Jan 2023 14:01:23 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/134</guid>
		<description> কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্ত থেকে বাংলাদেশি কৃষকের ১৭টি ছাগল ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে।  রোববার (৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ধর্মপুর সীমান্তের আন্তর্জাতিক ১০৫৭ মেইন পিলারের নিকট থেকে ছাগলগুলো ধরে নিয়ে যায়। পরে সেগুলো ফেরত আনা হয়েছে বলে জানায় বিজিবি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্ত থেকে বাংলাদেশি কৃষকের ১৭টি ছাগল ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ধর্মপুর সীমান্তের আন্তর্জাতিক ১০৫৭ মেইন পিলারের নিকট থেকে ছাগলগুলো ধরে নিয়ে যায়। পরে সেগুলো ফেরত আনা হয়েছে বলে জানায় বিজিবি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সীমান্তবাসীরা জানান, রোববার সকালে ধর্মপুর সীমান্ত ১০৫৭ মেইন পিলারের নিকটে বাংলাদেশি কৃষকের ১৭টি ছাগল নোম্যান্স ল্যান্ডের অভ্যন্তরে গেলে ভারতের গুটালু ক্যাম্পের টহলরত নারী বিএসএফ সদস্যরা গেট খুলে ছাগলগুলো আটকের চেষ্টা করে। এসময় ছাগলের মালিক এগিয়ে গেলে তাদের ধাওয়া দেয় বিএসএফ সদস্যরা। পরে কৃষকরা দৌড়ে পালিয়ে গেলে ছাগলগুলো আটক করে ভারতের অভ্যন্তরে তাদের ক্যাম্পে নিয়ে যায়।&lt;br /&gt;
ধর্মপুর এলাকার কৃষক আজাদ আলী ও মজিরুল ইসলাম বলেন, ভারতের নারী বিএসএফ সদস্যরা গেটখুলে ছাগলগুলো ধরার সময় আমরা বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে তখন বিএসএফ সদস্যরা আমাদের ধাওয়া করে। আমরা পালিয়ে যাই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ছাগলের মালিক আব্দুর রহিম, মফিয়াল, ইউনুছ আলী জানান, তারা নিরুপায় হয়ে ইউপি সদস্যকে বিষয়টি জানিয়েছেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত ছাগলগুলো তাদের ক্যাম্পে ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইউপি সদস্য মো. শাজাহান আলী বলেন, সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতের মহিলা বিএসএফ সদস্যরা কয়েকটি ছাগল ধরে নিয়ে গেছে বলে শুনেছি। বিষয়টি স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পে জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজিবির ৩৫ জামালপুর ব্যাটালিয়নের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাইরেক্টর (এটি) মো. শামছুল আলম মুঠোফোনে জানান, বাংলাদেশি কয়েকটি ছাগল ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা তাদের ক্যাম্পে নিয়ে আটকে রেখেছিল। আমাদের টহলরত বিজিবি সদস্যরা বিএসএফের সঙ্গে কথা বলে ছাগলগুলো উদ্ধার করে মালিকের হাতে ফেরত দিয়েছেন।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সৌদিতে মঙ্গলবার পর্যন্ত ঝরবে বৃষ্টি, ক্লাস অনলাইনে </title>
		<link>https://gbanglanews.com/133</link>
		<dc:creator><![CDATA[Md Helal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Jan 2023 13:47:08 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/133</guid>
		<description> ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে সৌদি আরবের আবহাওয়া। কয়েক দিন আগেই মক্কার পাহাড়ি এলাকা গাছপালায় সবুজ হয়ে যাওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এখন টানা দুই-তিন দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে সৌদির আবহাওয়া বিভাগ।  স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে খালিজ টাইমস জানিয়েছে, বৃষ্টিপাতের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে সৌদি আরবের আবহাওয়া বিভাগ। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় অনলাইনে ক্লাস হবে।  সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি ও ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার অব মেটিওরোলজি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে সৌদি আরবের আবহাওয়া। কয়েক দিন আগেই মক্কার পাহাড়ি এলাকা গাছপালায় সবুজ হয়ে যাওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এখন টানা দুই-তিন দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে সৌদির আবহাওয়া বিভাগ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে খালিজ টাইমস জানিয়েছে, বৃষ্টিপাতের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে সৌদি আরবের আবহাওয়া বিভাগ। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় অনলাইনে ক্লাস হবে। সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি ও ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার অব মেটিওরোলজি। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মক্কা, মদিনা, উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্ত, আল জৌফ, তাবুক, হেইল, আল কাসিম, আল শারকিয়া, রিয়াদ ও আল বাহায় মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। এসময় মুষলধারে বৃষ্টিপাত হতে পারে। পাশাপাশি শিলা পড়তে পারে ও ধুলার ঝড় হতে পারে। এতে করে দৃশ্যমানতা কমে যেতে পারে। জেদ্দার কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়,&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিরাপত্তার জন্য সবার উচিত কর্মকর্তাদের সতর্কবার্তা মেনে চলা। এদিকে স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ক্লাস &amp;lsquo;মাদরাসাতি প্লাটফর্মে&amp;rsquo; হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে তাবুক অঞ্চলের উচ্চভূমিসহ আল লাওজ, আলকান ও আল দাহারে তুষারপাত হওয়ারও পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সুপারিশ </title>
		<link>https://gbanglanews.com/4</link>
		<dc:creator><![CDATA[Md Helal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 08 Jan 2023 18:37:14 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/4</guid>
		<description> গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। রোববার (৮ জানুয়ারি) বিইআরসি কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি এ সুপারিশ করে। তবে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়লে ২০২৩ সালের মূল্যস্ফীতিকে তা উসকে দেবে বলে মন্তব্য করেছেন ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা শামসুল আলম। রোববার (৮ জানুয়ারি) রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশনের শহীদ এ কে এম শামসুল হক খান অডিটরিয়ামে বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ে গণশুনানি চলাকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে&amp;nbsp;বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।&lt;br /&gt;
রোববার (৮ জানুয়ারি) বিইআরসি কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি এ সুপারিশ করে।&lt;br /&gt;
তবে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়লে ২০২৩ সালের মূল্যস্ফীতিকে তা উসকে দেবে বলে মন্তব্য করেছেন ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা শামসুল আলম।&lt;br /&gt;
রোববার (৮ জানুয়ারি) রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশনের শহীদ এ কে এম শামসুল হক খান অডিটরিয়ামে বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ে গণশুনানি চলাকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;br /&gt;
শাসসুল আলম বলেন, বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি, সিস্টেম লস, অনিয়ম বন্ধে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না সরকার। অন্যদিকে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে জনগণের কষ্ট বাড়ছে।&lt;br /&gt;
শুনানিতে বিইআরসির চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল, সদস্য আবু ফারুক, সদস্য মকবুল ই ইলাহীসহ অন্যান্য সদস্য, সঞ্চালন ও বিতরণ কোম্পানির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
গত বছরের আগস্টে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর বেড়েছে বেশির ভাগ পণ্য ও সেবার খরচ। নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন স্বল্প আয়ের মানুষেরা। এর মধ্যে খরচের খাতায় যুক্ত হচ্ছে নতুন আরেক খাত। এবার গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৫ শতাংশের বেমি বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সর্বশেষ ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। গত ২১ নভেম্বর বিদ্যুতের পাইকারি দাম ১৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বৃদ্ধি করে বিইআরসি। এরপর বিদ্যুতের খুচরা দাম বৃদ্ধির আবেদন করে পাঁচ প্রতিষ্ঠান।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

</channel>
</rss>