<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>

<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"

>
    <channel>
        <title>GBanglaNews.Com | Newspaper In Bangla </title>
        	<atom:link href="https://gbanglanews.com/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
        <link>https://gbanglanews.com/feed </link>
        <description>  </description>
        <language>bn</language>
                 
    
    <item>
		<title>জামালপুরে বিএনপির কার্যালয়ে আগুন </title>
		<link>https://gbanglanews.com/150</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 02:22:50 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/150</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ইউনিয়ন বিএনপির একটি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার (১৬ মে) সকালে উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বিন্ন্যাফৈর নতুন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় থাকা ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়টি কয়েকদিন ধরে তালাবদ্ধ ছিল। সকালে স্থানীয় এক ব্যক্তি সেখানে গেলে অফিসের ভেতরে আগুনে পুড়ে যাওয়া ব্যানার, ফেস্টুন ও আসবাবপত্র দেখতে পান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরে বিষয়টি জানাজানি হলে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে যান এবং ঘটনার নিন্দা জানান। সরিষাবাড়ী থানা পুলিশও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় বিএনপি নেতারা দাবি করেছেন, এটি একটি পরিকল্পিত নাশকতা। তারা ঘটনার জন্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দায়ী করে বলেন, দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে সরিষাবাড়ী থানার তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>প্রাচীনকালে হজযাত্রার প্রধান পথগুলো </title>
		<link>https://gbanglanews.com/149</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 02:13:36 +0600</pubDate>
		<category>ধর্ম</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/149</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ইসলামপূর্ব যুগ থেকে আরবের বিস্তীর্ণ অঞ্চল থেকে পবিত্র কাবাঘর তাওয়াফ করতে মানুষ মক্কায় সমবেত হতো, সে সময়ও ছিল হজের বার্ষিক কার্যক্রম। ইসলাম হজকে ফরজ করার পর মক্কা ও মদিনার অভিমুখে মানুষের স্রোতধারা আরো প্রবল হয়। পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মুসলিমরা আসতে থাকে পবিত্র দুই নগরীতে। তারা সড়ক ও নৌপথে পাড়ি দেয় হাজার মাইলের দূরত্ব। তাদের গমনাগমনের ফলে কয়েকটি প্রধান প্রধান হজপথের সৃষ্টি হয়। ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত হজযাত্রীরা এসব পথ ব্যবহার করত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;বণিজ্যপথ থেকে হজপথ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
পবিত্র মক্কা ও মদিনা নগরীর চারদিক বিবেচনা করলে হজের প্রাচীন চারটি। তা হলো মিসরীয় পথ, শামের পথ, ইরাকি পথ ও ইয়েমেনি পথ। ইসলামপূর্ব যুগে এই পথগুলো ছিল আরবের প্রধান বাণিজ্য পথ। এই পথে আরব গোত্রগুলো বাণিজ্য কাফেলা পরিচালনা করত। ইসলাম আগমনের পর সেগুলো হজপথে রূপান্তরিত হয়। প্রাচীনকালে পথগুলো পরিচালনা করতেন খলিফা, আঞ্চলিক শাসক ও গোত্রপতিরা। এসব পথে যাত্রা বিরতির স্থান, বিশ্রামাগার, বাজার, মসজিদ ও পানির উত্স নির্মাণ করতেন। হজযাত্রীদের নিরাপত্তায় তারা বিশেষ পাহারার ব্যবস্থাও করতেন। অবশ্য ইসলামী ভূখণ্ডের সম্প্রসারণ ও ইসলামের প্রসার ঘটলে এই চার পথের পরিধি ও দূরত্ব বেড়েছিল এবং এর সাথে যুক্ত হয়েছিল আরো নতুন অনেক পথ।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;প্রাচীন হজপথের গুরুত্ব&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
প্রাচীন এসব পথ শুধু ধর্মীয় কারণে গুরুত্বপূর্ণ ছিল এমন নয়, বরং সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবও ছিল অপরিসীম। কেননা এই পথগুলো পৃথিবীর নানা প্রান্তের মানুষের ভেতর ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিনিময়ের কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। এই পথগুলো কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল বহু ঐতিহাসিক শহর, নগর ও বাণিজ্য কেন্দ্র। জেদ্দা, আসার, বাহরাইন, তাইজ, ইয়ামামা ও সানআর মতো ঐতিহাসিক নগরীর জন্মকথার সঙ্গে জড়িয়ে আছে হজপথের ইতিহাস। প্রাচীন হজপথের বিস্তারিত বিবরণ ইসলামের ইতিহাস বিষয়ক প্রাচীন গ্রন্থগুলোতে পাওয়া যায়। একাধিক মুসলিম ঐতিহাসিক হজের প্রাচীন পথগুলো চিহ্নিত করে গেছেন।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;হজের প্রধান চার পথ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
হজের প্রধান চারটি প্রাচীন পথের বিবরণ তুলে ধরা হলো।&lt;br /&gt;
১. কুফা বা ইরাকি হজপথ : ঐতিহাসিক এই হজপথটি দারবে জুবায়দা নামেও পরিচিত। হজের প্রাচীন পথগুলোর ভেতর এটিই সবচেয়ে বিখ্যাত। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাহাবি সাআদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.)-এর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী সর্বপ্রথম এই পথ ধরে ইরাকে অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। এই পথ ইরাকের রাজধানী বাগদাদ থেকে শুরু হয়ে মক্কায় শেষ হয়েছে। আব্বাসীয় খেলাফতের সময় কুফা হজপথটি সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক গুরুত্ব লাভ করেছিল। কেননা তা ইসলামী খেলাফতের রাজধানী বাগদাদের সঙ্গে পবিত্র দুই দুই মসজিদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছিল। এই পথে আইনে জুবায়দা (নাহরে জুবায়দা)-সহ হজ সম্পর্কিত একাধিক ঐতিহাসিক নিদর্শন আছে। কুফা হজপথের ধারে গড়ে উঠেছিল প্রাচীন ইসলামী শহর জুবালা, সা&amp;rsquo;লাবিয়া ও রাবাতা। আধুনিক সৌদি আরবের এই পথের সীমানা হলো আকাবা স্টেশন থেকে মক্কার উত্তর প্রান্ত পর্যন্ত।&lt;br /&gt;
২. শামি হজপথ : হজের প্রাচীন পথগুলোর একটি শামি হজপথ বা দারবুল শাম। বৃহত্তর শাম অঞ্চল তথা সিরিয়া, জর্ডান, লেবানন ও ফিলিস্তিন অঞ্চলের হজযাত্রীরা এই পথে হজে আগমন করত। শামি হজপথের সূচনা ধরা হয় দামেশক শহরকে। এরপর তা সিরিয়া, জর্ডান, উত্তর আরব, হিজাজ অতিক্রম করে মদিনা হয়ে মক্কায় পৌঁছায়। এই পথের হজযাত্রীরা মরুভূমি, পাহাড় ও শুষ্ক উপত্যকা অতিক্রম করত। তারা যাত্রাপথে কসর আল আজরাক, মাআন, তাবুক ও আল উলাতে যাত্রা বিরতি দিত, বিশ্রাম করত এবং পাথেয় সংগ্রহ করত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শামি হজপথটি মূলত আরবের সবচেয়ে পুরাতন ও জনপ্রিয় বাণিজ্য পথ ছিল। উমাইয়া খেলাফতের সময় এই পথ বিশেষ গুরুত্ব লাভ করেছিল। তারা এই পথে হজযাত্রার সহায়ক অনেক অবকাঠামো নির্মাণ করেছিল। আব্বাসীয় শাসকরাও এই পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নিয়েছিল। উসমানীয় শাসকদের আমলে এই পথের সর্বোচ্চ উন্নয়ন ঘটেছিল। উসমানীয় শাসকরা হজ কাফেলা পরিচালনার জন্য আমিরুল হজ এবং নিরাপত্তার জন্য সেনা দল নিযুক্ত করেছিল। তারা এই পথে একাধিক নিরাপত্তা চৌকি, দুর্গ, সরাইখানা ও পানির উত্স নির্মাণ করেছিল। বিশ শতকের শুরুতে তারা এই পথে হেজাজ রেলওয়ে নামে একটি যুগান্তকরী যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৩. মিসরীয় হজপথ: ইসলামের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হজপথ মিসরীয় হজপথ। এই পথ ধরে মিসর, সুদান, মধ্য আফ্রিকা, উত্তর আফ্রিকা, আন্দালুস (মুসলিম স্পেন) ও সিসিলির মুসলিম হজে গমন করত। এই পথের বৈশিষ্ট্য হলো এর একাংশ কখনো কখনো জাহাজে অতিক্রম করা হতো। আফ্রিকা ও স্পেনের হাজিরা মিসরের কায়রোয় মিলিত হতো। সেখান থেকে তারা সিনাই উপত্যকা অতিক্রম করে লোহিত সাগরের তীর ধরে এগিয়ে যেত। লোহিত সাগরের তীরে এসে হজ কাফেলা দুটি পৃথক পথ ব্যবহার করত। প্রথমটি শাগাব, বাইদাসহ অন্যান্য জনপদের ভেতর দিয়ে মদিনায় যেয়ে শেষ হতো। দ্বিতীয়টি উপকূল ধরে আল আইনুনা, আল মুওয়ালিহ, ধুবা, আল হুরা ও নাবাত অতিক্রম করে মক্কায় যেয়ে শেষ হতো।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যান্য হজপথের মতো এই পথেও মুসলিম শাসকরা যুগে যুগে অনেক অবকাঠামো নির্মাণ করেছে। এই পথের উন্নয়নে প্রথম মনোযোগ দিয়েছিল&amp;nbsp;ফাতেমি শাসকরা। তাদের পর মামলুক ও উসমানীয়রাও এই পথের উন্নয়নে অবদান রাখেন। তারা পথের ধারে পানির নালা, কূপ ও পুকুর খনন করেন। দুর্গ, নিরাপত্তা চৌকি, বিশ্রামাগার, বাজার ও মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। আধুনিক নৌযান আবিষ্কারের পর হাজিরা মিসরের আলেকজেন্দ্রিয়া থেকে জেদ্দা পর্যন্ত জাহাজে গমন করত। প্রাচীন এই হজপথে অনেকগুলো ঐতিহাসিক নিদর্শনও রয়েছে। যেমন ওয়াদি দিবার সাতটি কূপ, ইয়ানবুর খান আল-উশারা ও বদর মসজিদ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৪. ইয়েমেনি হজপথ : আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্ত ধরে ইয়েমেনের হাজিরা মক্কা-মদিনায় গমন করত। ইয়েমেনের উচ্চভূমির ওপর দিয়ে এই রাস্তা অগ্রসর হওয়ায় এর অপর নাম &amp;lsquo;আদ-দারবুল উলয়া ইয়েমেনিয়া&amp;rsquo;। ইয়েমেনি হজপথ জল ও স্থল পথের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছিল। হাজিরা একাধিক সমুদ্র বন্দর অতিক্রম করে গন্তব্যে পৌঁছাতেন। যেমন আল-সিরিন, আল-লাইস ও জেদ্দা। ইয়েমেনের সঙ্গে আরব উপদ্বীপের উত্তরাংশের সঙ্গে একাধিক বাণিজ্যপথ থাকায় স্থলপথটি একাধিক শাখায় বিভক্ত ছিল। এর ভেতর একটি খ্রিস্টপূর্ব হাজার অব্দেরও পুরাতন, যে পথ ধরে ইয়েমেনের সাবার রানি বিলকিস ফিলিস্তিনের নবী ও শাসক সুলাইমান (আ.)-এর সঙ্গে সাক্ষাত্ করতে যান, যার বর্ণনা পবিত্র কোরআনেও পাওয়া যায়। এডেন, তায়িজ, সানা, জাবিদ, সাআদা, তুরুবাহ, তায়েফ ইত্যাদি শহর এই হজপথের সঙ্গে যুক্ত ছিল। সবুজ উপত্যকা ও জনপদের ভেতর দিয়ে হজপথটি অতিক্রম করায় তা মূল নিরাপদ ও কম কষ্টকর ছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;অন্যান্য হজপথ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
উল্লিখিত চারটি হজপথ ছাড়াও প্রাচীন আরবে আরো তিনটি হজপথের সন্ধান পাওয়া যায়। তা হলো,&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
৫. বসরা হজপথ : এই পথের সূচনা হয়েছিল বসরা নগরী থেকে এবং শেষ হয়েছে মক্কায়। পথটি আরব উপদ্বীপের উত্তর-পূর্ব প্রান্ত অতিক্রম করে ওয়াদি আল-বাতিনে প্রবেশ করে। বসরা হজপথ বেশ কয়েকটি মরু অঞ্চল অতিক্রম করেছে। যার মধ্যে সবচেয়ে দুর্গম হলো দাহানা মরুভূমি। এরপর তা (আধুনিক সৌদি আরবের) আল কাসিম প্রদেশ অতিক্রম করে কুফা হজপথের সমান্তরলে অগ্রসর হয়। এভাবে উভয় পথ উম্মে খুরমান বা আওতাসে এসে মিলিত হয়, যা জাতুল ইরক থেকে ১০ মাইল দূরে অবস্থিত। বসরা হজ পথটি পুনরায় কুফা হজ পথের সঙ্গে আন-নুকরায় এসে মিলিত হয়েছে। সেখান থেকে একটি শাখা পথ মদিনার দিকে অগ্রসর হয়েছে। বসরা হজপথের দৈর্ঘ্য এক হাজার ৫২০ কিলোমিটার। এতে মোট ২৭টি যাত্রা বিরতির স্থান ছিল। যার মধ্যে চারটি ইরাক-কুয়েত সীমান্তে অবস্থিত এবং অবশিষ্টগুলো সৌদি আরবের ভেতর অবস্থিত। প্রাচীনকালে ইরাক থেকে হাজিদের বড় অংশ এই পথে যাতায়াত করত। পথটি তুলনামূলক দুর্গম হলেও যাত্রা বিরতির এক স্থান থেকে অন্য স্থানের দূরত্ব কম হওয়ায় হাজিরা সহজেই পাথেয় সংগ্রহ করতে পারত।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৬. ওমানি হজপথ : ওমানি হজ পথ আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলকে পবিত্র দুই মসজিদের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এর দুটি শাখা ছিল। একটি উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে সৌদি আরবের পূর্ব উপকূল হয়ে পশ্চিমের ইয়ামামার দিকে এগিয়ে গেছে। এরপর তা দারিয়াহতে এসে বসরা-বাহরাইন হজ পথের সঙ্গে মিলিত হয়। অন্য পথটি ওমানের পশ্চিমের দোফার ও ফারাক হয়ে অগ্রসর হয়েছে। এই পথটি ফার্ক থেকে ওয়াখলান, হাবাহ উপকূল ও শাহোর হয়ে ইয়েমেনি পথের সঙ্গে যুক্ত হয়।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৭. মক্কা-মদিনা সংযোগ সড়ক: হজের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হলো মক্কা-মদিনা মহাসড়ক। মহানবী (সা.) ৬২৯ হিজরিতে মক্কা বিজয় অভিযানের সময় যে পথে আগমন করেছিলেন সেটাই ছিল দুই নগরীর ভেতর প্রথম সংযোগ সড়ক। এটাও হজের একটি প্রাচীন পথ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র : সৌদি পিডিয়া, আরব নিউজ, সৌদি প্রেস এজেন্সি ও ইউনেস্কোর নিজস্ব ওয়েবসাইট।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হরমুজে ট্রানজিট পেতে তেহরানের দরজায় ইউরোপের দেশগুলো </title>
		<link>https://gbanglanews.com/148</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 02:09:26 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/148</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় দেশগুলো ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার (১৬ মে) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশ&amp;mdash;বিশেষ করে চীন, জাপান ও পাকিস্তান&amp;mdash;এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাওয়ার পর এবার ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতিনিধিরাও ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর নৌবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। তবে আলোচনায় কোন কোন দেশ অংশ নিচ্ছে, তা প্রকাশ করা হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কৌশলগত এই হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল সীমিত হয়ে পড়ে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এরপর ৮ এপ্রিল থেকে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্বের তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG)-এর প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবহন হওয়ায় হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব পড়েছে এবং ইরান এই পরিস্থিতিকে ভূরাজনৈতিকভাবে কাজে লাগাচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে চীনসহ কয়েকটি দেশের জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে একটি নতুন &amp;lsquo;প্রোটোকল&amp;rsquo; অনুযায়ী। একই সঙ্গে তারা জানায়, এই জলপথ ব্যবস্থাপনা এখন নতুন নিয়ম ও ফি কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন পেশাদার কাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে, যা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। এর মাধ্যমে শুধুমাত্র অনুমোদিত বাণিজ্যিক জাহাজ ও সহযোগী দেশগুলো সুবিধা পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চুক্তি না হলে ইরানের জন্য ‘খুব খারাপ সময়’ অপেক্ষা করছে </title>
		<link>https://gbanglanews.com/147</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 02:05:21 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/147</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[শিগগিরই কোনো শান্তিচুক্তিতে না পৌঁছালে ইরানের জন্য &amp;lsquo;খুব কঠিন সময়&amp;rsquo; অপেক্ষা করছে বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফরাসি গণমাধ্যম বিএফএমটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের উচিত দ্রুত একটি সমঝোতায় আসা, কারণ চুক্তি না হলে পরিস্থিতি তাদের জন্য নেতিবাচক হবে। ট্রাম্পের দাবি, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান&amp;mdash;উভয়ের জন্যই লাভজনক হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, নতুন করে আলোচনার বার্তা পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছে তেহরান। দুই দেশের এই উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থার মধ্যেই অচলাবস্থা ভাঙতে সম্ভাব্য বড় সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারেন ট্রাম্প&amp;mdash;এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান সংকটকে ঘিরে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রস্তুতি চলতে পারে, যদিও এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। একই সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক সমাধানের প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু হলে তা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কূটনৈতিকভাবে একটি বড় অর্জন হিসেবে দেখা যেতে পারে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হঠাৎ রাজধানীজুড়ে পুলিশের কড়া সতর্কতা </title>
		<link>https://gbanglanews.com/146</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 01:28:46 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/146</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজধানীতে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের সম্ভাব্য তৎপরতা রোধে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন কার্যক্রম নজরদারিতে রেখে শহরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, কন্ট্রোল রুম থেকে সম্প্রতি সব থানায় বিশেষ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। এতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, অলিগলি এবং ভোরের সময়গুলোতে অতিরিক্ত টহল ও নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র আরও জানায়, ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের পক্ষ থেকে কর্মসূচি পালনের আশঙ্কা থাকায় আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ বা অপরাধমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে শনিবার ভোরে বনানী এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের পোস্টার ও লিফলেটসহ মো. আশিক তপেদার (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিএমপি&amp;rsquo;র ভারপ্রাপ্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে এবং সম্ভাব্য সব ধরনের অপতৎপরতা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>‘জনস্বাস্থ্যকে গুরুত্ব না দেওয়ার ফলই বর্তমান হাম সংকট’ </title>
		<link>https://gbanglanews.com/145</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 01:14:27 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/145</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[দেশে সাম্প্রতিক সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে চার শতাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য ও শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এটি শুধু স্বাস্থ্য সংকট নয়; বরং দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতা, টিকাদান কর্মসূচির ঘাটতি এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অব্যবস্থাপনার প্রতিফলন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার (১৬ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট আয়োজিত &amp;lsquo;হামে শিশুমৃত্যু : জনস্বাস্থ্য সংকট ও উত্তরণের পথ&amp;rsquo; শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত দেশে অনেক শিশু হাম ও উপসর্গে মারা গেছে। এ সময়ে দেশে প্রায় ৫৫ হাজার শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৯ হাজার ১৬০ জন। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, প্রকৃত আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা জানান, দেশে সাধারণত ৯ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুরা হামে বেশি আক্রান্ত হলেও এবার ৯ মাসের আগেই অনেক শিশু সংক্রমিত হয়েছে। হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হওয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার চার দিন আগে থেকে এবং চার দিন পর পর্যন্ত অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। সময়মতো পূর্ণমাত্রায় টিকা নিলে হাম প্রতিরোধ সম্ভব হলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি টিকা সংগ্রহ, মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতাকে সামনে এনেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, হামের জটিলতা প্রতিরোধে ভিটামিন-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আগে সরকারি কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের প্রতি ছয় মাস অন্তর ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হলেও সাম্প্রতিক সময়ে সেই কার্যক্রম বন্ধ থাকায় মৃত্যুঝুঁকি বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ পরিস্থিতিতে সারাদেশে গণটিকাদান কর্মসূচি জোরদার, সরকারি হাসপাতালে বিশেষ হাম কর্নার চালু, নিয়মিত ভিটামিন-এ কর্মসূচি পুনরায় চালু, প্রান্তিক শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, টিকা উৎপাদনে জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যখাতে শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ এবং কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা পর্যায়ে জনস্বাস্থ্য কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানান বক্তারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তারা আরও বলেন, জাতীয় বাজেটের অন্তত ১৫ শতাংশ এবং জিডিপির ৫ শতাংশ স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ দিতে হবে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্যকে জনগণের মৌলিক অধিকার হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বানও জানান তারা। কোভিড-১৯ মহামারি থেকে শিক্ষা নেওয়ার পরও বাংলাদেশে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও জনস্বাস্থ্য খাতকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বর্তমান হাম পরিস্থিতি ভবিষ্যতের জন্য বড় ধরনের সতর্কবার্তা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. কাজী রকিবুল ইসলাম বলেন, দেশে বয়স্ক ও নবজাতকদের জন্য আইসিইউ থাকলেও পর্যাপ্ত পিআইসিইউ নেই। এবার ৯ মাসের আগেই শিশুদের আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা উদ্বেগজনক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, মায়ের দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে আগের মতো প্রচার-প্রচারণা না থাকায় ব্রেস্টফিডিংয়ের হার কমে গেছে। পাশাপাশি কোভিড-পরবর্তী সময়ে দারিদ্র্য ও মাতৃ পুষ্টিহীনতা বাড়ায় তার প্রভাব শিশুদের ওপরও পড়ছে। শিশুমৃত্যু ঠেকাতে আইসোলেশন ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, হামে এখনো যেভাবে শিশুমৃত্যু হচ্ছে, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। টিকাদানে গাফিলতি, জনস্বাস্থ্যকে গুরুত্ব না দেওয়া এবং কিছু ভুল নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণেই আমরা এ সংকটে পড়েছি। জনস্বাস্থ্যকে অবহেলার ফলই বর্তমান হাম সংকট। জনস্বাস্থ্যকে কোনো সরকারই কখনো গুরুত্ব দেয়নি।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ম্যাচ জিতেও শাস্তি পেলেন পান্ত </title>
		<link>https://gbanglanews.com/144</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 01:12:56 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/144</guid>
		<description> ম্যাচ জিতেও শাস্তি পেলেন পান্ত </description>
		<content:encoded><![CDATA[আইপিএলে ধীরগতির ওভার রেটের কারণে শাস্তি পেয়েছেন লক্ষ্মৌ সুপার জায়ান্টসের অধিনায়ক ঋষভ পান্ত। ১৫ মে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে নিজেদের মাঠে জয় পাওয়া ম্যাচে স্লো ওভার রেট বজায় রাখায় তাকে ১২ লাখ ভারতীয় রুপি জরিমানা করেছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলতি মৌসুমে লক্ষ্মৌ ও পান্তের জন্য এটি ছিল প্রথম ওভার রেট&amp;ndash;সংক্রান্ত শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা। আইপিএলের আচরণবিধির ২.২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রথমবার এমন অপরাধ করলে ১২ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়। দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে জরিমানার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ২৪ লাখ রুপিতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ মৌসুমে আইপিএলে ধীর ওভার রেটের ঘটনা যেন নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় সব দলের অধিনায়কই কোনো না কোনো সময়ে এ কারণে শাস্তি পেয়েছেন। এর আগে চলতি সপ্তাহে ধর্মশালায় পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে ম্যাচে একই কারণে ১২ লাখ রুপি জরিমানা গুনতে হয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেলকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলতি আসরে একই অপরাধে শাস্তি পেয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অজিঙ্কা রাহানে, চেন্নাই সুপার কিংসের রুতুরাজ গায়কোয়াড়, গুজরাট টাইটান্সের শুভমান গিল ও পাঞ্জাব কিংসের শ্রেয়াস আইয়ারও।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ম্যাচে লক্ষ্মৌর তিনটি উইকেট পড়লেও ব্যাট করতে নামেননি পান্ত। পরে ম্যাচ শেষে তিনি জানান, যেসব ব্যাটার এখনো পর্যাপ্ত সুযোগ পাননি, তাদের ম্যাচের অভিজ্ঞতা দিতেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পান্ত বলেন, &amp;lsquo;আমি ব্যাট করতে প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু তখন মনে হলো, যারা খুব বেশি ম্যাচ খেলেনি বা সুযোগ পায়নি, তাদের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। এটাই ছিল মূল ভাবনা। আমি নিজেও মাঠে থাকতে চেয়েছিলাম, তবে কখনো কখনো দলীয় ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্তকেও সম্মান জানাতে হয়।&amp;rsquo;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>‘আমাদের সুন্দর একটি আগামী হারিয়ে গেল’ </title>
		<link>https://gbanglanews.com/143</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 01:11:37 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/143</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার-এর অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে দেশের বিনোদন অঙ্গনে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী ও ভক্তরা তাকে স্মরণ করছেন গভীর ভালোবাসা ও বেদনায়। এবার কারিনাকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা তারিক আনাম খান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিচালক রেজাউর রহমান পরিচালিত &amp;lsquo;একসাথে আলাদা&amp;rsquo; সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছিলেন তারা। সিনেমাটির গল্প ও চিত্রনাট্য যৌথভাবে লিখেছিলেন কারিনা কায়সার ও রেজাউর রহমান। সেই কাজের স্মৃতি তুলে ধরে ফেসবুকে তারিক আনাম খান লেখেন, &amp;ldquo;আমাদের সুন্দর একটি আগামী হারিয়ে গেল। একসাথে থেকে আলাদা হয়ে গেল কারিনা কায়সার।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও লেখেন, &amp;ldquo;খুব অল্প সময়ের জন্য আমাদের দেখা, অল্প কথা, একটাই কাজ&amp;mdash; &amp;lsquo;একসাথে আলাদা&amp;rsquo;। অত্যন্ত আধুনিক ভাবনার একটি গল্প ছিল এটি। দুটি মানুষ কাছে থেকে কষ্ট পাওয়ার চেয়ে আলাদা হয়ে বন্ধু হয়ে থাকতে পারে কিনা, সেটাই ছিল গল্পের মূল বিষয়।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কারিনার কাজের প্রতি নিষ্ঠার কথাও উল্লেখ করেন এই অভিনেতা। তার ভাষায়, কারিনা কমেডি ঘরানার কাজ খুব ভালো বুঝতেন। সংলাপ, পরিস্থিতি ও অভিনয়ের সূক্ষ্ম দিকগুলো নিয়ে তিনি সবসময় মনোযোগী থাকতেন। শুটিং সেটে মনিটরের সামনে তীক্ষ্ণ নজরে পুরো কাজ পর্যবেক্ষণ করতেন এবং টিমের সঙ্গে নিরবে আলোচনা চালিয়ে যেতেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নতুন একটি পারিবারিক কমেডি ধারাবাহিক একসঙ্গে করার পরিকল্পনার কথাও জানান তারিক আনাম খান। তবে সেই স্বপ্ন পূরণের আগেই কারিনার চলে যাওয়া তাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। তিনি লেখেন, &amp;ldquo;সবাইকে কাঁদিয়ে কারিনা চলে গেল। হায়রে জীবন!&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একই সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে কারিনাকে ঘিরে নেতিবাচক আলোচনা না করার আহ্বানও জানান তিনি। বলেন, &amp;ldquo;দয়া করে কেউ তার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আর নোংরা আলাপ করবেন না। ও তো আর রইলো না।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দেন এই অভিনেতা। তিনি সবাইকে স্বাস্থ্য ও জীবনযাপনে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, &amp;ldquo;জীবন সুন্দর, জীবন মূল্যবান।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে সাধারণ জ্বরে আক্রান্ত হলেও পরে কারিনা কায়সারের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একইসঙ্গে হেপাটাইটিস এ ও ই-এর জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চেন্নাই নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকরা তাকে বাঁচাতে পারেননি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সামাজিক মাধ্যমে প্রাণবন্ত ও বাস্তবধর্মী কনটেন্ট নির্মাণের মাধ্যমে তরুণদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন কারিনা কায়সার। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও কাজ করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ইন্টার্নশিপ এবং ৩৬-২৪-৩৬।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আগামী ৫ বছরে জিডিপিতে আইসিটি-টেলিকম খাতের অবদান ১৫% করার লক্ষ্য সরকারের </title>
		<link>https://gbanglanews.com/142</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 01:09:17 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/142</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর টেলিকম ও আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেছেন, টেলিকম ও আইসিটি খাতকে সরকার দেশের অন্যতম &amp;lsquo;থ্রাস্ট সেক্টর&amp;rsquo; হিসেবে বিবেচনা করছে। আগামী পাঁচ বছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) এ খাতের অবদান ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের শীর্ষ ২০ দেশের মধ্যে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে আয়োজিত &amp;lsquo;টেলিকম খাতের ভবিষ্যৎ : নতুন সরকার কী ভাবছে&amp;rsquo; শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রেহান আসিফ আসাদ বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশের টেলিকম ও আইসিটি খাতের জিডিপিতে অবদান ১ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। তবে সঠিক নীতিমালা, প্রযুক্তি অবকাঠামো এবং সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে এই অবদান কয়েকগুণ বাড়ানো সম্ভব বলে সরকার মনে করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি জানান, গ্রাহকসংখ্যার বিচারে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ২০ দেশের একটি হলেও সেবার মানের সূচকে দেশের অবস্থান এখনও ৯০-এর পরে। আগামী পাঁচ বছরে এই অবস্থান পরিবর্তন করে আন্তর্জাতিক মানের টেলিকম সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কর কাঠামো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে মোবাইল অপারেটরদের কার্যকর করহার ৫৫ থেকে ৫৬ শতাংশ, যেখানে বৈশ্বিক গড় মাত্র ২২ শতাংশ। উচ্চ করহার বিনিয়োগ ও সেবার মান উন্নয়নে চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে আসন্ন বাজেটে গ্রাহকবান্ধব কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিদেশি বিনিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের এফডিআই-জিডিপি অনুপাত মাত্র শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশ, যা অত্যন্ত কম। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে সরকার দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত রোডম্যাপ তৈরি করছে, যাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য পরিবেশ পান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্মার্টফোন ব্যবহার বাড়াতে সরকার স্থানীয়ভাবে কমদামি স্মার্টফোন উৎপাদনের উদ্যোগ নিচ্ছে বলেও জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার মধ্যে স্মার্টফোন বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি সহজ কিস্তিতে ফোন কেনার সুযোগ দিতে মোবাইল অপারেটর ও ব্যাংকগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্পেকট্রাম নীতির বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু রাজস্ব আয় নয়; বরং ডেটা সেন্টার, ক্লাউড অবকাঠামো, কনটেন্ট ডেলিভারি এবং সাইবার নিরাপত্তাসহ ডিজিটাল অর্থনীতির সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাইবার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় অবকাঠামো, সরকারি তথ্য ও গ্রাহক ডেটা সুরক্ষায় দ্রুত উন্নয়ন প্রয়োজন। একইসঙ্গে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য অনুদান, ঋণ, কর্মপরিসর ও স্কেল-আপ সহায়তা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠী ও প্রযুক্তিগত দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। ২০৪৮ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে এবং এ যাত্রায় টেলিকম ও আইসিটি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফকির মাহবুব আনাম। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী, মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব)-এর মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকারসহ সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশের স্বার্থে আপস নয় — মির্জা ফখরুল </title>
		<link>https://gbanglanews.com/141</link>
		<dc:creator><![CDATA[সাজিদুল ইসলাম পাঠান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 May 2026 01:06:22 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/141</guid>
		<description>  </description>
		<content:encoded><![CDATA[শনিবার রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত &amp;lsquo;ফারাক্কা লং মার্চ দিবস&amp;rsquo; উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি কখনোই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের স্বার্থ রক্ষায় বিএনপি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে এবং জনগণকে এ বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকার আহ্বান জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সভায় তিনি বলেন, ফারাক্কা আন্দোলন এখন শুধু একটি দিবস নয়, এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক। তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী-কে, যিনি জনগণের অধিকার ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় আজীবন সংগ্রাম করেছেন। ফখরুলের ভাষ্য অনুযায়ী, ভাসানীর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের মানুষ, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যকে রক্ষা করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, গঙ্গা বা পদ্মা নদীর পানি বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ফরাক্কা বাঁধের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পরিবেশ, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিকভাবে বিষয়টি তুলে ধরে বাংলাদেশের পক্ষে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিলেন। পরবর্তীতে খালেদা জিয়া-ও পানি চুক্তির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ সময় তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ফরাক্কা প্রকল্প চালুর অনুমতি দেওয়ার পর থেকেই দেশের জন্য সংকটের শুরু হয় বলে বিএনপির মূল্যায়ন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে। তাই এখনই দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে নতুন চুক্তি করতে হবে এবং পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায়, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎও এই চুক্তির ওপর নির্ভর করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে কিছু গোষ্ঠী অপপ্রচার চালাচ্ছে। গণতন্ত্র ও স্বাধীনতায় বিশ্বাসী সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শুরু হয়েছে শীতের মৌসুম, শীতের ফুলে রঙিন প্রকৃতি </title>
		<link>https://gbanglanews.com/135</link>
		<dc:creator><![CDATA[Md Helal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Jan 2023 14:04:17 +0600</pubDate>
		<category>লাইফস্টাইল</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/135</guid>
		<description> শুরু হয়েছে শীতের মৌসুম। আর এই শীতে প্রকৃতি ভিন্ন এক সাজে ধরা আমাদের মাঝে। ভোরবেলা শীতের বুড়ি কুয়াশার চাদরে ঢেকে দেয় মাঠের পর মাঠ। পাতায় পাতায় কুয়াশা আর শিশির বিন্দু সোনালী রোদে চকচক হয়ে ওঠে।  শীতের বেলায় রঙিন থাকে প্রকৃতি। আর এই রঙের উৎসবে বাড়তি আলো যোগ করে শীতকালীন বিভিন্ন রঙিন ফুল। ফুল ভালোবাসেনা এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।  </description>
		<content:encoded><![CDATA[শুরু হয়েছে শীতের মৌসুম। আর এই শীতে প্রকৃতি ভিন্ন এক সাজে ধরা&amp;nbsp;আমাদের মাঝে। ভোরবেলা শীতের বুড়ি কুয়াশার চাদরে ঢেকে দেয় মাঠের পর মাঠ। পাতায় পাতায় কুয়াশা আর শিশির বিন্দু সোনালী রোদে চকচক হয়ে ওঠে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শীতের বেলায় রঙিন থাকে প্রকৃতি। আর এই রঙের উৎসবে বাড়তি আলো যোগ করে শীতকালীন বিভিন্ন রঙিন ফুল। ফুল ভালোবাসেনা এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শখের বসে নিজের বাড়ির আঙিনা রাঙিয়ে তোলেন অনেকেই। বিভিন্ন অফিস-আদালত প্রাঙ্গনও সাজে বিভিন্ন ফুলে। প্রকৃতিতে এক ভিন্নমাত্রা যোগ করে। রূপ-বৈচিত্র্যে আর কোনো মৌসুমেই এরা এতটা মুগ্ধ করতে পারে না ফুলগুলো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিকেল বা সন্ধ্যায় চায়ের কাপের আড্ডায় প্রিয়জনের সাথে বেশ ভালোই কেটে যাবে বারান্দা বাগানে। অবসরে বিকেলে চায়ের কাপ হাতে অনেকেই রবীন্দ্রনাথ-শরৎচন্দ্রও পড়ে থাকেন। সময় কাটাতে এই ফুল গাছের যত্ন নিতে পারেন আপনিও।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শীতের মৌসুমে ফুল সবচেয়ে বেশি ফোটে। আজকাল দেশি বিভিন্ন ফুলের পাশাপাশি বিদেশি অনেক ফুলও হরহামেশা দেখা যায় বিভিন্ন জায়গায়। দেশে বাণিজ্যিক ভাবে সেসব ফুলের চাষও হচ্ছে। সেসব ফুলের সৌন্দর্যে সবাই মুগ্ধ হয়ে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশি-বিদেশি এই ফুলগুলোর ভিতর গাঁদা ফুলেরই অনেকগুলো জাত রয়েছে। বড় বড় ইনকা গাঁদা, ছোট ছোট চায়না গাঁদা, দেশি গাঁদা, রক্ত গাঁদা, হলুদে লাল মেশানো জাম্বো গাঁদা, লম্বা গাছে দেশের জাত রাজ গাঁদা ইত্যাদি নানা জাতের গাঁদা ফুলের চারা এখন পাওয়া যাচ্ছে আশপাশের প্রায় সব নার্সারিতেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এরপর অন্যান্য ফুলের মধ্যে রয়েছে চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া, অ্যাস্টার, ডেইজি, ডায়ান্থাস, ফ্লক্স, ভারবেনা, কারনেশান, পপি, সূর্যমুখী, পর্তুলিকা, ক্যালেন্ডুলা, হলিহক, মর্নিং গ্লোরি, সুইট পি, অ্যাজালিয়া, জারবেরা, গ্ল্যাডিওলাস, কসমস, সিলভিয়া, এন্টিরিনাম, ন্যাস্টারশিয়াম, প্যানজি, অ্যাস্টার, ডেইজি, ডায়ান্থাস, ফ্লক্স, ভারবেনা, কারনেশান প্রভৃতি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফুলের রানি গোলাপও রয়েছে অনেক জায়গা জুড়ে। ফুলের গাছ গুলোর পাশাপাশি সঙ্গী হিসেবে পেতে পারেন। টবে গাঁদা, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, জারবেরা, কারনেশান, ক্যালেন্ডুলা, অ্যাস্টার ইত্যাদি জন্মে। তবে সরাসরি মাটিতে বা বাগানে সব ফুলের চারাগাছই লাগানো যেতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যেখানে পাবেন:&lt;br /&gt;
আমাদের দেশের প্রতিটি জেলায় নার্সারি থেকে বিভিন্ন ফুলের চারা সংগ্রহ করতে পারবেন। যারা ঢাকার ভিতরে থাকেন তারা রাজধানীর আগারগাঁও, বনানী, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মোহাম্মদপুর, নিউমার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানের সার্সারিতে কিনতে পারবেন সবধরণের ফুলের চারা এবং বীজ। কেউ যদি চান তাহলে টবসহ বিভিন্ন ফুলের চারাও কিনতে পারবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাছের যত্ন:&lt;br /&gt;
অক্টোবর-নভেম্বর মাস শীতকালীন ফুলের বীজ বপনের উপযুক্ত সময়। টবে ফুলগাছ রোপণ করতে চাইলে সাধারণত ৮ থেকে ১২ ইঞ্চি মাপের টবই যথেষ্ট। টবের মাটির সঙ্গে জৈব সার বা কম্পোস্ট সার পর্যাপ্ত পরিমাণে মেশাতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাবধানতার সঙ্গে চারা রোপণ করে ঝাঁঝরি দিয়ে উপর থেকে বৃষ্টির মতো পানি ছিটিয়ে দিতে হবে। যাতে গাছ এবং পাতা উভয়ই ভেজে। প্রয়োজনে হেলে পড়া গাছকে লাঠি পুঁতে তার সঙ্গে বেঁধে দাঁড় করিয়ে দিতে হবে। পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রয়োজনে কৃষিবিদের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখনই সময়:&lt;br /&gt;
রকমভেদে গাছগুলো মার্চ মাস পর্যন্ত ফুল দেয়। ফুল চাষ করে অনেকেই স্বচ্ছলতার মুখ দেখছে। আজকাল বিদেশেও ফুল রপ্তানি হচ্ছে। যা থেকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। তাই এখনই উপযুক্ত সময় ফুলচাষী বা ফুলপ্রেমীদের তৎপর হয়ে ওঠার।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সীমান্ত থেকে ১৭ ছাগল নিয়ে গেল বিএসএফ, অতঃপর... </title>
		<link>https://gbanglanews.com/134</link>
		<dc:creator><![CDATA[Md Helal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Jan 2023 14:01:23 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/134</guid>
		<description> কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্ত থেকে বাংলাদেশি কৃষকের ১৭টি ছাগল ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে।  রোববার (৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ধর্মপুর সীমান্তের আন্তর্জাতিক ১০৫৭ মেইন পিলারের নিকট থেকে ছাগলগুলো ধরে নিয়ে যায়। পরে সেগুলো ফেরত আনা হয়েছে বলে জানায় বিজিবি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্ত থেকে বাংলাদেশি কৃষকের ১৭টি ছাগল ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ধর্মপুর সীমান্তের আন্তর্জাতিক ১০৫৭ মেইন পিলারের নিকট থেকে ছাগলগুলো ধরে নিয়ে যায়। পরে সেগুলো ফেরত আনা হয়েছে বলে জানায় বিজিবি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সীমান্তবাসীরা জানান, রোববার সকালে ধর্মপুর সীমান্ত ১০৫৭ মেইন পিলারের নিকটে বাংলাদেশি কৃষকের ১৭টি ছাগল নোম্যান্স ল্যান্ডের অভ্যন্তরে গেলে ভারতের গুটালু ক্যাম্পের টহলরত নারী বিএসএফ সদস্যরা গেট খুলে ছাগলগুলো আটকের চেষ্টা করে। এসময় ছাগলের মালিক এগিয়ে গেলে তাদের ধাওয়া দেয় বিএসএফ সদস্যরা। পরে কৃষকরা দৌড়ে পালিয়ে গেলে ছাগলগুলো আটক করে ভারতের অভ্যন্তরে তাদের ক্যাম্পে নিয়ে যায়।&lt;br /&gt;
ধর্মপুর এলাকার কৃষক আজাদ আলী ও মজিরুল ইসলাম বলেন, ভারতের নারী বিএসএফ সদস্যরা গেটখুলে ছাগলগুলো ধরার সময় আমরা বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে তখন বিএসএফ সদস্যরা আমাদের ধাওয়া করে। আমরা পালিয়ে যাই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ছাগলের মালিক আব্দুর রহিম, মফিয়াল, ইউনুছ আলী জানান, তারা নিরুপায় হয়ে ইউপি সদস্যকে বিষয়টি জানিয়েছেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত ছাগলগুলো তাদের ক্যাম্পে ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইউপি সদস্য মো. শাজাহান আলী বলেন, সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতের মহিলা বিএসএফ সদস্যরা কয়েকটি ছাগল ধরে নিয়ে গেছে বলে শুনেছি। বিষয়টি স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পে জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজিবির ৩৫ জামালপুর ব্যাটালিয়নের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাইরেক্টর (এটি) মো. শামছুল আলম মুঠোফোনে জানান, বাংলাদেশি কয়েকটি ছাগল ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা তাদের ক্যাম্পে নিয়ে আটকে রেখেছিল। আমাদের টহলরত বিজিবি সদস্যরা বিএসএফের সঙ্গে কথা বলে ছাগলগুলো উদ্ধার করে মালিকের হাতে ফেরত দিয়েছেন।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সৌদিতে মঙ্গলবার পর্যন্ত ঝরবে বৃষ্টি, ক্লাস অনলাইনে </title>
		<link>https://gbanglanews.com/133</link>
		<dc:creator><![CDATA[Md Helal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Jan 2023 13:47:08 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/133</guid>
		<description> ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে সৌদি আরবের আবহাওয়া। কয়েক দিন আগেই মক্কার পাহাড়ি এলাকা গাছপালায় সবুজ হয়ে যাওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এখন টানা দুই-তিন দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে সৌদির আবহাওয়া বিভাগ।  স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে খালিজ টাইমস জানিয়েছে, বৃষ্টিপাতের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে সৌদি আরবের আবহাওয়া বিভাগ। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় অনলাইনে ক্লাস হবে।  সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি ও ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার অব মেটিওরোলজি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে সৌদি আরবের আবহাওয়া। কয়েক দিন আগেই মক্কার পাহাড়ি এলাকা গাছপালায় সবুজ হয়ে যাওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এখন টানা দুই-তিন দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে সৌদির আবহাওয়া বিভাগ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে খালিজ টাইমস জানিয়েছে, বৃষ্টিপাতের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে সৌদি আরবের আবহাওয়া বিভাগ। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় অনলাইনে ক্লাস হবে। সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি ও ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার অব মেটিওরোলজি। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মক্কা, মদিনা, উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্ত, আল জৌফ, তাবুক, হেইল, আল কাসিম, আল শারকিয়া, রিয়াদ ও আল বাহায় মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। এসময় মুষলধারে বৃষ্টিপাত হতে পারে। পাশাপাশি শিলা পড়তে পারে ও ধুলার ঝড় হতে পারে। এতে করে দৃশ্যমানতা কমে যেতে পারে। জেদ্দার কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়,&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিরাপত্তার জন্য সবার উচিত কর্মকর্তাদের সতর্কবার্তা মেনে চলা। এদিকে স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ক্লাস &amp;lsquo;মাদরাসাতি প্লাটফর্মে&amp;rsquo; হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে তাবুক অঞ্চলের উচ্চভূমিসহ আল লাওজ, আলকান ও আল দাহারে তুষারপাত হওয়ারও পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সুপারিশ </title>
		<link>https://gbanglanews.com/4</link>
		<dc:creator><![CDATA[Md Helal Uddin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 08 Jan 2023 18:37:14 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://gbanglanews.com/4</guid>
		<description> গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। রোববার (৮ জানুয়ারি) বিইআরসি কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি এ সুপারিশ করে। তবে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়লে ২০২৩ সালের মূল্যস্ফীতিকে তা উসকে দেবে বলে মন্তব্য করেছেন ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা শামসুল আলম। রোববার (৮ জানুয়ারি) রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশনের শহীদ এ কে এম শামসুল হক খান অডিটরিয়ামে বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ে গণশুনানি চলাকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে&amp;nbsp;বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।&lt;br /&gt;
রোববার (৮ জানুয়ারি) বিইআরসি কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি এ সুপারিশ করে।&lt;br /&gt;
তবে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়লে ২০২৩ সালের মূল্যস্ফীতিকে তা উসকে দেবে বলে মন্তব্য করেছেন ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা শামসুল আলম।&lt;br /&gt;
রোববার (৮ জানুয়ারি) রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশনের শহীদ এ কে এম শামসুল হক খান অডিটরিয়ামে বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ে গণশুনানি চলাকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;br /&gt;
শাসসুল আলম বলেন, বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি, সিস্টেম লস, অনিয়ম বন্ধে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না সরকার। অন্যদিকে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে জনগণের কষ্ট বাড়ছে।&lt;br /&gt;
শুনানিতে বিইআরসির চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল, সদস্য আবু ফারুক, সদস্য মকবুল ই ইলাহীসহ অন্যান্য সদস্য, সঞ্চালন ও বিতরণ কোম্পানির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
গত বছরের আগস্টে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর বেড়েছে বেশির ভাগ পণ্য ও সেবার খরচ। নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন স্বল্প আয়ের মানুষেরা। এর মধ্যে খরচের খাতায় যুক্ত হচ্ছে নতুন আরেক খাত। এবার গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৫ শতাংশের বেমি বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সর্বশেষ ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। গত ২১ নভেম্বর বিদ্যুতের পাইকারি দাম ১৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বৃদ্ধি করে বিইআরসি। এরপর বিদ্যুতের খুচরা দাম বৃদ্ধির আবেদন করে পাঁচ প্রতিষ্ঠান।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

</channel>
</rss>