মুক্তির প্রথম দিনেই বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলেছে অজয় দেবগন অভিনীত ‘দৃশ্যম ৩: দ্য কনক্লুশন’। শুক্রবার (২ অক্টোবর) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর ছবিটি প্রথম দিনেই ভারতে ৬৬ দশমিক ৭৫ কোটি রুপি নেট আয় করেছে বলে ট্রেড রিপোর্টে জানানো হয়েছে। বিশ্বব্যাপী প্রথম দিনের আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৫ কোটি রুপি। এটি অজয় দেবগনের ক্যারিয়ারের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ওপেনিং।
তবে শুধু হিন্দিভাষী দর্শকরাই নন, ছবিটি নিয়ে মালয়ালি দর্শকদের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ায় কেউ কেউ মূল মালয়ালম সংস্করণের তুলনায় অজয় দেবগনের হিন্দি সংস্করণটির নির্মাণ ও সমাপ্তির প্রশংসা করেছেন।
সম্প্রতি এক মালয়ালম কনটেন্ট ক্রিয়েটরের রিভিউ ভিডিও নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সেখানে তিনি বলেন, হিন্দি ‘দৃশ্যম’ ফ্র্যাঞ্চাইজির আগের ছবিগুলো নিয়ে তার আগ্রহ ছিল না। কিন্তু তৃতীয় পর্বের নির্মাণ ও গল্পের সমাপ্তি তাকে মুগ্ধ করেছে।
ওই কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ভাষ্য, হিন্দি ছবির নির্মাতারা যেভাবে ‘দৃশ্যম’ গল্পের সমাপ্তি টেনেছেন, তা প্রশংসনীয়। মূল মালয়ালম সংস্করণের পরিচালক জিতু জোসেফের সহায়তা ছাড়াই নতুন চিত্রনাট্যে গল্পটি এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মন্তব্যেও একই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কিছু মালয়ালি দর্শক হিন্দি সংস্করণের নির্মাণের প্রশংসা করে বলেছেন, তাদের কাছে এটি মূল ছবির তুলনায় বেশি জমজমাট মনে হয়েছে। তবে মোহনলালের ভক্তদের কেউ কেউ এর সঙ্গে একমত নন। তাদের মতে, অভিনয়ের দিক থেকে মোহনলালের বিজয় সালগাঁওকর চরিত্রের সঙ্গে তুলনা চলে না।
উল্লেখ্য, হিন্দি ‘দৃশ্যম’ ও ‘দৃশ্যম ২’ ছিল জিতু জোসেফ পরিচালিত মালয়ালম ছবির রিমেক। তবে তৃতীয় পর্বে এসে সেই ধারাবাহিকতা বদলেছে। ‘দৃশ্যম ৩: দ্য কনক্লুশন’ নতুন গল্প ও চিত্রনাট্যে তৈরি হয়েছে এবং এটিকেই হিন্দি ফ্র্যাঞ্চাইজির শেষ পর্ব হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন অভিষেক পাঠক।
ছবিতে অজয় দেবগনের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তাবু, শ্রিয়া সরন, ইশিতা দত্ত, রজত কাপুর ও জয়দীপ আহলাওয়াতসহ অন্যরা। অজয় আবারও বিজয় সালগাঁওকর চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
মুক্তির প্রথম দিনে ৬৬ দশমিক ৭৫ কোটি রুপি নেট আয় করে ছবিটি অজয়ের আগের সব ছবির ওপেনিং রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ভারতের গ্রস আয় ছিল প্রায় ৮০ দশমিক ১০ কোটি রুপি এবং বিদেশি বাজার থেকে এসেছে প্রায় ১৫ কোটি রুপি। ফলে বিশ্বব্যাপী প্রথম দিনের গ্রস আয় দাঁড়িয়েছে আনুমানিক ৯৫ দশমিক ১০ কোটি রুপি।