শনিবার রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত ‘ফারাক্কা লং মার্চ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি কখনোই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের স্বার্থ রক্ষায় বিএনপি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে এবং জনগণকে এ বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকার আহ্বান জানান।
সভায় তিনি বলেন, ফারাক্কা আন্দোলন এখন শুধু একটি দিবস নয়, এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক। তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী-কে, যিনি জনগণের অধিকার ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় আজীবন সংগ্রাম করেছেন। ফখরুলের ভাষ্য অনুযায়ী, ভাসানীর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের মানুষ, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যকে রক্ষা করা।
তিনি বলেন, গঙ্গা বা পদ্মা নদীর পানি বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ফরাক্কা বাঁধের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পরিবেশ, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।
বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিকভাবে বিষয়টি তুলে ধরে বাংলাদেশের পক্ষে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিলেন। পরবর্তীতে খালেদা জিয়া-ও পানি চুক্তির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ফরাক্কা প্রকল্প চালুর অনুমতি দেওয়ার পর থেকেই দেশের জন্য সংকটের শুরু হয় বলে বিএনপির মূল্যায়ন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে। তাই এখনই দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে নতুন চুক্তি করতে হবে এবং পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায়, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎও এই চুক্তির ওপর নির্ভর করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে কিছু গোষ্ঠী অপপ্রচার চালাচ্ছে। গণতন্ত্র ও স্বাধীনতায় বিশ্বাসী সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না।
সভায় তিনি বলেন, ফারাক্কা আন্দোলন এখন শুধু একটি দিবস নয়, এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক। তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী-কে, যিনি জনগণের অধিকার ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় আজীবন সংগ্রাম করেছেন। ফখরুলের ভাষ্য অনুযায়ী, ভাসানীর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের মানুষ, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যকে রক্ষা করা।
তিনি বলেন, গঙ্গা বা পদ্মা নদীর পানি বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ফরাক্কা বাঁধের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পরিবেশ, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।
বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিকভাবে বিষয়টি তুলে ধরে বাংলাদেশের পক্ষে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিলেন। পরবর্তীতে খালেদা জিয়া-ও পানি চুক্তির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ফরাক্কা প্রকল্প চালুর অনুমতি দেওয়ার পর থেকেই দেশের জন্য সংকটের শুরু হয় বলে বিএনপির মূল্যায়ন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে। তাই এখনই দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে নতুন চুক্তি করতে হবে এবং পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায়, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎও এই চুক্তির ওপর নির্ভর করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে কিছু গোষ্ঠী অপপ্রচার চালাচ্ছে। গণতন্ত্র ও স্বাধীনতায় বিশ্বাসী সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না।