গাজীপুরের সেই ওষুধ কারখানা বন্ধ ঘোষণা

আপলোড সময় : ১৫-১০-২০২৬ ০১:৪২:২০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৫-১০-২০২৬ ০১:৪২:২০ অপরাহ্ন

গাজীপুরের টঙ্গী শিল্প এলাকার স্কুইব রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিট-২-এর সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে শিল্প পুলিশের গাজীপুর-২-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন (পিপিএম সেবা) যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিট-২ বন্ধ ঘোষণা করেছে। এর আগে কারখানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ফ্যাক্টরি ইনচার্জ) মোহাম্মদ আবু সাঈদের স্বাক্ষরিত এক নোটিশেও এ তথ্য জানানো হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারখানার সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে কবে নাগাদ কার্যক্রম আবার শুরু হবে, সে বিষয়ে নোটিশে নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানাটির ইউনিট-২-এ আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রথমে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করে। পরে বিভিন্ন ফায়ার স্টেশন থেকে আরও ইউনিট যোগ দেয়। মোট ২১টি ইউনিটের সাড়ে তিন ঘণ্টার চেষ্টায় দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর ১১টি ইউনিট আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণের কাজ চালিয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়।

আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় ফায়ার সার্ভিসের তিন সদস্যসহ পাঁচজন অসুস্থ হন। আহত ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর নূর উদ্দিন ও জহিরুল ইসলামকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ফায়ার ফাইটার কালামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় কারখানার অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা মো. তালহা বিন জসিম গণমাধ্যমকে জানান, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁদের তিনজন আহত হয়েছেন এবং তাঁরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আগুন লাগার সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আগুন লাগার কারণ জানানো হবে বলে তিনি জানান।

কারখানার জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, তাঁদের কারখানায় প্রায় ২০০ শ্রমিক কাজ করেন। হঠাৎ চতুর্থ তলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে শ্রমিকেরা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। পরে জরুরি অ্যালার্ম বাজানো হয়। এরপর কারখানার সব শ্রমিক দ্রুত ও নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন। তাঁর ভাষ্য, কারখানায় কোনো দাহ্য পদার্থ নেই। তবে প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁরা ধারণা করছেন।

অন্যদিকে, ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বাদল যুগান্তরকে বলেন, কারখানার ইউনিট-২-এর কিছু অংশ বন্ধ রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, তিন-চার দিনের মধ্যে তা চালু করা সম্ভব হবে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক: শাকিলা জাহান
মোবাইল: ০১৩০১১০৪০৭০ ই-মেইল: info@gbanglanews.com

অফিস :

জি.এম বাংলা লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।

৫৬-৫৭, শরীফ ম্যানশন, মতিঝিল রোড, ঢাকা-১০০০