পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র: সুবিধা ও কেনার নিয়ম

আপলোড সময় : ০৩-০৮-২০২৬ ০৪:৩১:০৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৩-০৮-২০২৬ ০৪:৩১:০৭ অপরাহ্ন

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর পরিচালিত একটি নিরাপদ বিনিয়োগ প্রকল্প। এতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে নিয়ম অনুযায়ী মুনাফা পাওয়া যায় এবং ৫ বছর শেষে মূলধনও ফেরত নেওয়া যায়।

কারা কিনতে পারবেন?

  • সব শ্রেণি ও পেশার বাংলাদেশি নাগরিক।
  • আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪ অনুযায়ী স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিল।
  • ভবিষ্যৎ তহবিল আইন, ১৯২৫ অনুযায়ী পরিচালিত ভবিষ্যৎ তহবিল।

কোথা থেকে কিনবেন?

  • জেলা সঞ্চয় অফিস
  • জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের কার্যালয়
  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা
  • তফসিলি ব্যাংক
  • ডাকঘর

সঞ্চয়পত্র কিনতে সাধারণত প্রয়োজন হয়:

  • জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)
  • একটি ব্যাংক হিসাব
  • নির্ধারিত আবেদনপত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

কী সুবিধা পাবেন?

  • সরকারি বিনিয়োগ হওয়ায় তুলনামূলক নিরাপদ।
  • বর্তমানে নির্ধারিত হারে বার্ষিক ১০.৪৪% মুনাফা।
  • ৫ বছর শেষে মূলধন উত্তোলনের সুযোগ।
  • দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় গঠনে সহায়ক।
  • বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কেনা যায়।
  • নমিনি মনোনয়নের সুবিধা রয়েছে। ক্রেতার মৃত্যু হলে নমিনি নিয়ম অনুযায়ী মেয়াদপূর্তির আগে বা পরে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারেন।

মনে রাখবেন: সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা, কর কর্তন এবং মুনাফার হার সময় সময় সরকার পরিবর্তন করতে পারে। তাই বিনিয়োগের আগে সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা যাচাই করা উচিত।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক: শাকিলা জাহান
মোবাইল: ০১৩০১১০৪০৭০ ই-মেইল: info@gbanglanews.com

অফিস :

জি.এম বাংলা লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।

৫৬-৫৭, শরীফ ম্যানশন, মতিঝিল রোড, ঢাকা-১০০০