পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর পরিচালিত একটি নিরাপদ বিনিয়োগ প্রকল্প। এতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে নিয়ম অনুযায়ী মুনাফা পাওয়া যায় এবং ৫ বছর শেষে মূলধনও ফেরত নেওয়া যায়।
কারা কিনতে পারবেন?
- সব শ্রেণি ও পেশার বাংলাদেশি নাগরিক।
- আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪ অনুযায়ী স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিল।
- ভবিষ্যৎ তহবিল আইন, ১৯২৫ অনুযায়ী পরিচালিত ভবিষ্যৎ তহবিল।
কোথা থেকে কিনবেন?
- জেলা সঞ্চয় অফিস
- জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের কার্যালয়
- বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা
- তফসিলি ব্যাংক
- ডাকঘর
সঞ্চয়পত্র কিনতে সাধারণত প্রয়োজন হয়:
- জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)
- একটি ব্যাংক হিসাব
- নির্ধারিত আবেদনপত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
কী সুবিধা পাবেন?
- সরকারি বিনিয়োগ হওয়ায় তুলনামূলক নিরাপদ।
- বর্তমানে নির্ধারিত হারে বার্ষিক ১০.৪৪% মুনাফা।
- ৫ বছর শেষে মূলধন উত্তোলনের সুযোগ।
- দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় গঠনে সহায়ক।
- বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কেনা যায়।
- নমিনি মনোনয়নের সুবিধা রয়েছে। ক্রেতার মৃত্যু হলে নমিনি নিয়ম অনুযায়ী মেয়াদপূর্তির আগে বা পরে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারেন।
মনে রাখবেন: সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা, কর কর্তন এবং মুনাফার হার সময় সময় সরকার পরিবর্তন করতে পারে। তাই বিনিয়োগের আগে সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা যাচাই করা উচিত।