খুবির শিক্ষার্থী হত্যায় উঠে এলো যাদের নাম

আপলোড সময় : ২১-০৯-২০২৬ ০৯:১২:৪০ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ২১-০৯-২০২৬ ০৯:১২:৪০ পূর্বাহ্ন

খুলনার বেসরকারি নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আজমুল হোসেন হত্যা মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। তবে ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে আলোচিত মেস ম্যানেজার ও গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী পরিচয় দেওয়া মেহেদী হাসানের নাম এজাহারে নেই।

নিহতের বাবা কুতুব উদ্দিন বাদী হয়ে শনিবার রাতে নগরীর হরিণটানা থানায় চারজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন। রোববার পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

এজাহারে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাজা হলসংলগ্ন একটি মেসে মিল না দিয়ে খাবার খাওয়াকে কেন্দ্র করে আজমুলকে খাবার চুরির অপবাদ দেওয়া হয়। এরপর মেসের কয়েকজন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় কয়েকজন তাকে মারধর ও নির্যাতন করেন। একপর্যায়ে তার মাথার চুলও কেটে দেওয়া হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরে মেসের ছাদে নিয়ে আজমুলের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে তিনি চারতলার ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারভুক্ত চার আসামি হলেন—খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি (এফএমআরটি) ডিসিপ্লিনের ১৭তম ব্যাচের রবিন (২৪), একই ডিসিপ্লিনের ১৯তম ব্যাচের মবিন (২২), গণিত ডিসিপ্লিনের ১৯তম ব্যাচের সাগর (২২) এবং এগ্রো টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের ২৬তম ব্যাচের ওবায়দুল (২০)।

নিহতের বাবা কুতুব উদ্দিনের দাবি, ভুলবশত মেহেদী হাসানের নাম এজাহারে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এখন তিনি ওই নাম মামলায় যুক্ত করতে চান।

কুতুব উদ্দিন বলেন, আজমুল শুক্রবার বাড়ি থেকে খুলনায় আসেন। রাত ৯টার দিকে ফোন করে তিনি ভালো আছেন বলেছিলেন। পরে রাতে এক যুবক আজমুলের ফোন নম্বর থেকে কল করে এক লাখ টাকা নিয়ে আসতে বলেন। আজমুল নাকি ঝামেলা করেছেন—এমন কথাও তাকে বলা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন বলেন, নিহতের বাবা কুতুব উদ্দিন বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় মামলা করেছেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই আসামিদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না।

ওসি বলেন, তদন্তে কারও সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেলে তাকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে মামলাটি তদন্ত করছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। রোববার বিকেল পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক: শাকিলা জাহান
মোবাইল: ০১৩০১১০৪০৭০ ই-মেইল: info@gbanglanews.com

অফিস :

জি.এম বাংলা লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।

৫৬-৫৭, শরীফ ম্যানশন, মতিঝিল রোড, ঢাকা-১০০০