সাগরের ‘সাদা সোনা’, কেজি লাখ টাকা

আপলোড সময় : ৩০-০৯-২০২৬ ১১:৫৩:৪৮ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ৩০-০৯-২০২৬ ১১:৫৩:৪৮ পূর্বাহ্ন

সারি সারি ঝুলিয়ে রাখা মাছের পটকা দেখে সাধারণ শুঁটকি বা প্লাস্টিকের আবরণ মনে হতে পারে। তবে এগুলো আসলে বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছের পেট থেকে সংগ্রহ করা বায়ুথলি, যা রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। উপকূলীয় এলাকায় এ পণ্যটি ‘সাদা সোনা’ নামে পরিচিত এবং এর আন্তর্জাতিক বাজারে রয়েছে উল্লেখযোগ্য চাহিদা।

সামুদ্রিক ভোল, পোয়া, লাক্কা ও কামিলা মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের বায়ুথলি সংগ্রহ করে পরিষ্কার করার পর রোদে শুকিয়ে প্রস্তুত করা হয় পটকা। মাছের ধরন, আকার, গুণমান ও শুকানোর প্রক্রিয়ার ওপর এর বাজারমূল্য নির্ভর করে।

চীন, হংকংসহ পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মাছের পটকার চাহিদা রয়েছে। সেখানে এটি বিভিন্ন ধরনের সি-ফুড ও স্যুপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। কোলাজেন ও প্রোটিনের উপস্থিতির কারণে প্রসাধনী ও ঐতিহ্যবাহী কিছু ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এর চাহিদা রয়েছে।

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় বায়ুথলি আলাদা করে সংগ্রহ করা হয়। পরে সেগুলো পরিষ্কার করে শুকিয়ে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয়। মান ও আকারভেদে দেশের বাজারে প্রতি কেজি মাছের পটকার দাম কয়েক হাজার টাকা থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

মৎস্যজীবীদের জন্য মাছের পটকা বাড়তি আয়ের একটি উৎস। মাছের মূল অংশ বিক্রির পাশাপাশি বায়ুথলি আলাদাভাবে সংরক্ষণ ও বিক্রি করায় একই মাছ থেকে অতিরিক্ত মূল্য পাওয়া যায়।

আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা থাকায় মাছের পটকা বাংলাদেশের সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের একটি মূল্যবান উপজাত হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। উপকূলীয় অঞ্চলে এর সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাণিজ্য স্থানীয় অর্থনীতিতে বাড়তি ভূমিকা রাখছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক: শাকিলা জাহান
মোবাইল: ০১৩০১১০৪০৭০ ই-মেইল: info@gbanglanews.com

অফিস :

জি.এম বাংলা লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।

৫৬-৫৭, শরীফ ম্যানশন, মতিঝিল রোড, ঢাকা-১০০০