এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেটের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ৬ উইকেটে হেরে ফাইনালে ওঠার সুযোগ হারিয়েছে বাংলাদেশ। ১৩ ওভারে ৭ উইকেটে ১১১ রান করা বাংলাদেশের দেওয়া লক্ষ্য পাকিস্তান ৯ বল হাতে রেখে ৬ উইকেট হারিয়ে পেরিয়ে যায়।
পাকিস্তানের শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না। ৫৩ রানের মধ্যেই চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। অধিনায়ক সাহিবজাদা ফারহান মাত্র ১ রান করে মাহেদি হাসানের বলে তাওহিদ হৃদয়ের হাতে ক্যাচ দেন। ৬ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর মাজ সাদাকাতও নাসুম আহমেদের বলে হৃদয়ের ক্যাচে পরিণত হন। তিনি ১৫ রান করেন।
এরপর মোস্তাফিজুর রহমানের বলে ২১ রান করে তামিমের হাতে ক্যাচ দেন সাইম আইয়ুব। ৩৮ রানে তৃতীয় উইকেট হারানো পাকিস্তানকে আরও চাপে ফেলেন নাসুম আহমেদ ও রিশাদ হোসেন। উসমান খানকে নাসুমের ক্যাচে পরিণত করেন রিশাদ। ১৪ রান করে উসমান ফিরলে ৫৩ রানে চার উইকেট হারায় পাকিস্তান।
তবে এরপর আর কোনো উইকেট হারায়নি পাকিস্তান। হাসান নওয়াজ ও আব্দুল সামাদ মিলে অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন। হাসান ২৭ ও সামাদ ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন। তাদের জুটিতেই ৯ বল হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান।
এর আগে বৃষ্টির কারণে নয়, মাঠ প্রস্তুতিতে দেরি হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের পর শুরু হয় ম্যাচটি। ফলে খেলা কমিয়ে ১৩ ওভারে নামিয়ে আনা হয়। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ তাওহিদ হৃদয়ের ৪২ রানের ইনিংসে ভর করে ৭ উইকেটে ১১১ রান সংগ্রহ করে।
বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ রান করেন হৃদয়। তবে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিংয়ের কাছে সেই সংগ্রহ যথেষ্ট হয়নি। সেমিফাইনালে হেরে এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট থেকে বিদায় নিতে হলো বাংলাদেশকে।