ঢাকা , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ , ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তথ্যমন্ত্রীর গ্রামের বাড়িতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, ইলিশ-রসমালাইয়ের স্বাদে আপ্লুত ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ মারা গেলেন মেসির বাবা হোর্হে মেসি জুলাই জাদুঘরে কোনো ধরনের দলীয় ইতিহাস দেখতে চাই না: নাহিদ ইসলাম শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্বালানি খাতকে স্বনির্ভর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে ‘আমি বন্দী কারাগারে’ গায়ক মুজিব পরদেশী কারাগারে জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য মন্ত্রণালয়ের আহ্বান জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদার জবিতে ছাত্রদল-শিবির দফায় দফায় সংঘর্ষ, ভিপি-জিএসকে মেরে বের করে দেওয়ার অভিযোগ স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের সুফল পৌঁছাতে হবে রোগীর দোরগোড়ায়: এমপি শফিকুল ইসলাম মিলন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা ৬ আগস্ট থেকে সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ঢাকার বাতাস আজ কতটা দূষিত? মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নামআগামী ১৬ আগস্ট বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এ সময়কে সামনে রেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। সরকার ও দলীয় সূত্রের দাবি, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় ভূমিকার মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এতে কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বাদ পড়ার পাশাপাশি নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ছয় মাসে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রী প্রত্যাশিত কর্মদক্ষতা দেখাতে পারেননি বা অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়িয়েছেন, তাদের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমানে ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসম্পাদনের মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই মন্ত্রিসভায় রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন এবং প্রয়োজনে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে। এ ছাড়া টেকনোক্রেট কোটায় নতুন সদস্য, অতিরিক্ত উপদেষ্টা এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি দলের ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা এবং তরুণ সংসদ সদস্যদেরও মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি বা স্পিকার পদে নতুন করে কাউকে মনোনয়ন না দেওয়া হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান এবং সেলিমা রহমানের নাম সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া নতুন মুখ হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এবং রকিবুল ইসলাম বকুলের নামও বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে। সরকারের শরিক ও সমমনা দলগুলোর মধ্য থেকেও কয়েকজন নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ তালিকায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের নাম বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে অন্তত ১২ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। অতিরিক্ত দায়িত্বের কারণে কিছু মন্ত্রণালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছে সরকার। এ কারণে দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, মন্ত্রীদের মূল্যায়নে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি, প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন, জনভোগান্তি কমাতে নেওয়া উদ্যোগ, মাঠ প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং জাতীয় সংসদে সক্রিয় অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে সম্ভাব্য রদবদল ও আলোচিত ব্যক্তিদের নাম সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনায় রয়েছে। ছাত্র আন্দোলনের জেরে বিহার ও মধ্যপ্রদেশে মুখ থুবড়ে পড়ল বিজেপি নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই রাখার দাবিতে মানববন্ধন

সীমান্ত থেকে ১৭ ছাগল নিয়ে গেল বিএসএফ, অতঃপর...

  • আপলোড সময় : ০৯-০১-২০২৩ ০২:০১:২৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৫-২০২৬ ১২:৫৫:৩২ পূর্বাহ্ন
সীমান্ত থেকে ১৭ ছাগল নিয়ে গেল বিএসএফ, অতঃপর...
কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্ত থেকে বাংলাদেশি কৃষকের ১৭টি ছাগল ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে।

রোববার (৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ধর্মপুর সীমান্তের আন্তর্জাতিক ১০৫৭ মেইন পিলারের নিকট থেকে ছাগলগুলো ধরে নিয়ে যায়। পরে সেগুলো ফেরত আনা হয়েছে বলে জানায় বিজিবি।

সীমান্তবাসীরা জানান, রোববার সকালে ধর্মপুর সীমান্ত ১০৫৭ মেইন পিলারের নিকটে বাংলাদেশি কৃষকের ১৭টি ছাগল নোম্যান্স ল্যান্ডের অভ্যন্তরে গেলে ভারতের গুটালু ক্যাম্পের টহলরত নারী বিএসএফ সদস্যরা গেট খুলে ছাগলগুলো আটকের চেষ্টা করে। এসময় ছাগলের মালিক এগিয়ে গেলে তাদের ধাওয়া দেয় বিএসএফ সদস্যরা। পরে কৃষকরা দৌড়ে পালিয়ে গেলে ছাগলগুলো আটক করে ভারতের অভ্যন্তরে তাদের ক্যাম্পে নিয়ে যায়।
ধর্মপুর এলাকার কৃষক আজাদ আলী ও মজিরুল ইসলাম বলেন, ভারতের নারী বিএসএফ সদস্যরা গেটখুলে ছাগলগুলো ধরার সময় আমরা বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে তখন বিএসএফ সদস্যরা আমাদের ধাওয়া করে। আমরা পালিয়ে যাই।


ছাগলের মালিক আব্দুর রহিম, মফিয়াল, ইউনুছ আলী জানান, তারা নিরুপায় হয়ে ইউপি সদস্যকে বিষয়টি জানিয়েছেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত ছাগলগুলো তাদের ক্যাম্পে ছিল।

ইউপি সদস্য মো. শাজাহান আলী বলেন, সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতের মহিলা বিএসএফ সদস্যরা কয়েকটি ছাগল ধরে নিয়ে গেছে বলে শুনেছি। বিষয়টি স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পে জানানো হয়েছে।

বিজিবির ৩৫ জামালপুর ব্যাটালিয়নের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাইরেক্টর (এটি) মো. শামছুল আলম মুঠোফোনে জানান, বাংলাদেশি কয়েকটি ছাগল ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা তাদের ক্যাম্পে নিয়ে আটকে রেখেছিল। আমাদের টহলরত বিজিবি সদস্যরা বিএসএফের সঙ্গে কথা বলে ছাগলগুলো উদ্ধার করে মালিকের হাতে ফেরত দিয়েছেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : সাজিদুল ইসলাম পাঠান

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
তথ্যমন্ত্রীর গ্রামের বাড়িতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, ইলিশ-রসমালাইয়ের স্বাদে আপ্লুত

তথ্যমন্ত্রীর গ্রামের বাড়িতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, ইলিশ-রসমালাইয়ের স্বাদে আপ্লুত