আর মাত্র একটি ম্যাচ। এরপরই পর্দা নামবে ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর। রোববার (১৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন।
ইতিহাসে প্রথমবার ৪৮ দল নিয়ে আয়োজিত বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছে ফুটবলের দুই পরাশক্তি। পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়ে শেষ পর্যন্ত শিরোপার লড়াইয়ে জায়গা করে নিয়েছে তারা। ফলে শক্তি, ফর্ম ও পরিসংখ্যান—সব দিক থেকেই জমজমাট এক ফাইনালের প্রত্যাশা করছেন ফুটবলপ্রেমীরা।
পরিসংখ্যান বলছে, ফাইনালে সবচেয়ে বড় লড়াই হতে পারে স্পেনের দুর্ভেদ্য রক্ষণভাগ এবং আর্জেন্টিনার বিধ্বংসী আক্রমণভাগের মধ্যে।
চলতি বিশ্বকাপে স্পেন এখন পর্যন্ত মাত্র একটি গোল হজম করেছে। পাশাপাশি বিশ্বকাপের এক আসরে ছয়টি ম্যাচে ক্লিন শিট রেখে নতুন রেকর্ড গড়েছে দলটি। এছাড়া টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত রয়েছে স্প্যানিশরা, যা ফাইনালে আরও দীর্ঘ হতে পারে।
অন্যদিকে, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা টানা ১৪টি ম্যাচ জিতে ফাইনালে উঠেছে। লিওনেল স্কালোনির দল চলতি বিশ্বকাপে ম্যাচের ৮৫ মিনিটের পর সর্বোচ্চ আটটি গোল করেছে, যা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার তাদের মানসিকতারই প্রমাণ।
মুখোমুখি লড়াইয়ে সমানে সমান
আর্জেন্টিনা ও স্পেন এখন পর্যন্ত ১৪ বার একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে ৬টি করে ম্যাচ জিতেছে দুই দল, আর দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। অর্থাৎ অতীতের পরিসংখ্যানেও কোনো দলই অন্যটির চেয়ে এগিয়ে নয়।
বর্তমান ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং বর্তমান কোপা আমেরিকা ও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার এই লড়াইকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে উত্তেজনা। একদিকে স্পেনের সংগঠিত ও শক্তিশালী রক্ষণ, অন্যদিকে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনার আক্রমণাত্মক ফুটবল—সব মিলিয়ে ফুটবলপ্রেমীরা অপেক্ষায় রয়েছেন আরেকটি স্মরণীয় বিশ্বকাপ ফাইনালের।