ঢাকা , শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬ , ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মারা গেলেন মেসির বাবা হোর্হে মেসি জুলাই জাদুঘরে কোনো ধরনের দলীয় ইতিহাস দেখতে চাই না: নাহিদ ইসলাম শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্বালানি খাতকে স্বনির্ভর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে ‘আমি বন্দী কারাগারে’ গায়ক মুজিব পরদেশী কারাগারে জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য মন্ত্রণালয়ের আহ্বান জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদার জবিতে ছাত্রদল-শিবির দফায় দফায় সংঘর্ষ, ভিপি-জিএসকে মেরে বের করে দেওয়ার অভিযোগ স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের সুফল পৌঁছাতে হবে রোগীর দোরগোড়ায়: এমপি শফিকুল ইসলাম মিলন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা ৬ আগস্ট থেকে সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ঢাকার বাতাস আজ কতটা দূষিত? মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নামআগামী ১৬ আগস্ট বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এ সময়কে সামনে রেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। সরকার ও দলীয় সূত্রের দাবি, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় ভূমিকার মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এতে কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বাদ পড়ার পাশাপাশি নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ছয় মাসে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রী প্রত্যাশিত কর্মদক্ষতা দেখাতে পারেননি বা অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়িয়েছেন, তাদের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমানে ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসম্পাদনের মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই মন্ত্রিসভায় রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন এবং প্রয়োজনে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে। এ ছাড়া টেকনোক্রেট কোটায় নতুন সদস্য, অতিরিক্ত উপদেষ্টা এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি দলের ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা এবং তরুণ সংসদ সদস্যদেরও মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি বা স্পিকার পদে নতুন করে কাউকে মনোনয়ন না দেওয়া হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান এবং সেলিমা রহমানের নাম সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া নতুন মুখ হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এবং রকিবুল ইসলাম বকুলের নামও বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে। সরকারের শরিক ও সমমনা দলগুলোর মধ্য থেকেও কয়েকজন নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ তালিকায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের নাম বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে অন্তত ১২ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। অতিরিক্ত দায়িত্বের কারণে কিছু মন্ত্রণালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছে সরকার। এ কারণে দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, মন্ত্রীদের মূল্যায়নে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি, প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন, জনভোগান্তি কমাতে নেওয়া উদ্যোগ, মাঠ প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং জাতীয় সংসদে সক্রিয় অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে সম্ভাব্য রদবদল ও আলোচিত ব্যক্তিদের নাম সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনায় রয়েছে। ছাত্র আন্দোলনের জেরে বিহার ও মধ্যপ্রদেশে মুখ থুবড়ে পড়ল বিজেপি নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই রাখার দাবিতে মানববন্ধন বলিউডকে আর আগের মতো ‘পরিবার’ মনে হয় না: সঞ্জয় দত্ত ইমরান খানকে মুক্তি দিতে পাকিস্তানে গোপন আলোচনা? পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র: সুবিধা ও কেনার নিয়ম

জুলাই জাদুঘরে কোনো ধরনের দলীয় ইতিহাস দেখতে চাই না: নাহিদ ইসলাম

  • আপলোড সময় : ০৮-০৮-২০২৬ ০৬:২৬:৪৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-০৮-২০২৬ ০৬:২৬:৪৭ অপরাহ্ন
জুলাই জাদুঘরে কোনো ধরনের দলীয় ইতিহাস দেখতে চাই না: নাহিদ ইসলাম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসকে কোনো দল বা গোষ্ঠীর একক বয়ানে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রকৃত ও পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরকে জাতীয় ইতিহাস চর্চার একটি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এখানে কোনো ধরনের দলীয় ইতিহাস দেখতে চান না তিনি।

শনিবার রাজধানীর গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, জাদুঘরের বর্তমান প্রদর্শনীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসের কিছু অংশ তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। পরিচিত কিছু মুখ ও ঘটনা বারবার এসেছে। তবে গণঅভ্যুত্থানের বিস্তৃত পরিসর, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও অঞ্চলের মানুষের অংশগ্রহণ সেভাবে উঠে আসেনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরতে হবে। সময়ের ধারাবাহিকতায় আন্দোলনের ঘটনাগুলো সাজানোর পাশাপাশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ভূমিকা এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলার আন্দোলনের ঘটনাগুলো আলাদাভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। এসব জায়গায় নির্যাতন, প্রতিরোধ ও মানুষের অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘জুলাই জাদুঘরে কোনো ধরনের দলীয় ইতিহাস দেখতে চাই না। এটা প্রকৃত ইতিহাস চর্চার জায়গা এবং জাতীয় ইতিহাসের একটি কেন্দ্র হওয়া উচিত।’

অতীতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস দলীয়করণের অভিযোগ এবং সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে পাঠ্যপুস্তক ও ইতিহাসের বয়ান পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষেত্রেও যেন একই পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস এমনভাবে সংরক্ষণ ও উপস্থাপন করতে হবে, যাতে দেশের সবাই এটিকে নিজেদের ইতিহাস হিসেবে ধারণ করতে পারেন। একই সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দলের স্বার্থে প্রকৃত সত্য পরিবর্তিত না হয়, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি।

জনবল সংকট নিয়ে উদ্বেগ

জাদুঘরের বর্তমান কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীর চাপ সামলানোর মতো পর্যাপ্ত জনবল বর্তমানে নেই। প্রায় ২০০ জনের মতো জনবল প্রয়োজন হলেও এখন মাত্র ১৫ থেকে ২০ জন কাজ করছেন। স্বল্প জনবল দিয়ে আপাতত স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তার মতে, এতে জাদুঘরের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের বিভিন্ন নিদর্শন ও ইতিহাস সম্পর্কে সঠিকভাবে জানাতে প্রশিক্ষিত জনবল প্রয়োজন।

জাদুঘর পরিচালনায় আমলাতান্ত্রিক কাঠামোর পরিবর্তে বিশেষজ্ঞ এবং জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করেন—এমন ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করার দাবি জানান তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘরটি স্বায়ত্তশাসিত কাঠামোয় পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আইন ও কাঠামো তৈরি করা দরকার। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থী, গবেষক, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। শুরু থেকে যারা জাদুঘর প্রতিষ্ঠার কাজে যুক্ত ছিলেন, তাদের অভিজ্ঞতাও কাজে লাগানো উচিত।

আবু সাঈদসহ শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন প্রদর্শনের আহ্বান

জাদুঘরে শহীদ আবু সাঈদের উপস্থিতি নিয়েও কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আবু সাঈদ গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান প্রতীক। বর্তমানে প্রদর্শনীতে তাঁর ছবি না থাকার বিষয়টি জাদুঘর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবু সাঈদকে নিয়ে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে এবং সেটি জাদুঘরে প্রদর্শন করা হবে।

শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন আরও বেশি পরিমাণে প্রদর্শনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, শহীদ পরিবারের কাছ থেকে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ বিপুলসংখ্যক স্মৃতিচিহ্ন পেয়েছে। এর একটি অংশ বর্তমানে প্রদর্শিত হচ্ছে। বাকি স্মৃতিচিহ্নগুলোও শৈল্পিকভাবে প্রদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

গণভবনের পুরো ১৭ একর জায়গাকে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে জাদুঘরের পরিসর আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। বিভিন্ন ঘটনা, স্মৃতি ও নিদর্শন আরও বিস্তৃতভাবে দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্ব দেন।

বাদ না দিয়ে পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস সংরক্ষণের তাগিদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসে সীমান্ত হত্যা, ভারতবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন ঘটনার স্মৃতি সরিয়ে ফেলার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। তাঁর মতে, ইতিহাসের অংশ হিসেবে এসব ঘটনাও যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা উচিত।

তিনি বলেন, বিগত ১৬ বছরে দেশের ওপর যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার পাশাপাশি মানুষের প্রতিরোধ ও বিজয়ের ইতিহাসও জাদুঘরে তুলে ধরতে হবে। কোনো ঘটনা বাদ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস তৈরি করা সম্ভব নয়।


নিউজটি আপডেট করেছেন : M Mehedi Hasan Arif

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মারা গেলেন মেসির বাবা হোর্হে মেসি

মারা গেলেন মেসির বাবা হোর্হে মেসি