ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বাজেট নিয়ে বিরোধের জেরে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য প্রতিহতকারী ক্ষেপণাস্ত্র কেনা বন্ধ হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
১৫ বিলিয়ন শেকেল নিয়ে বিরোধ
ইসরাইলের চ্যানেল ১৩ জানিয়েছে, দুই মন্ত্রণালয়ের বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছে ১৫ বিলিয়ন শেকেল, যা প্রায় ৪ দশমিক ৯২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান। সামরিক বাহিনীর দাবি, এই অর্থ তাদের বাজেটে স্থানান্তর করার কথা ছিল।
তবে অর্থ মন্ত্রণালয় সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য, তাৎক্ষণিক সামরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এই অর্থের প্রয়োজন নেই। বরং অনুমোদন ছাড়াই জমে থাকা ঋণ পরিশোধের জন্য সামরিক বাহিনী অর্থটি চাচ্ছে।
বেড়েছে সামরিক বাজেট
ইসরাইলি পাবলিক ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে দেশটির সামরিক বাজেট প্রাথমিকভাবে ১৪৩ বিলিয়ন শেকেল বা প্রায় ৪৭ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ইরান ও লেবাননে ইসরাইলি হামলার পর প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বাজেট বাড়িয়ে ১৮৩ বিলিয়ন শেকেল বা ৬০ বিলিয়ন ডলার করার নির্দেশ দেন।
১৫ বিলিয়ন শেকেলের ওই অর্থের প্রথম কিস্তি গত আগস্টে দেওয়ার কথা থাকলেও এখনো তা স্থানান্তর করা হয়নি।
সামরিক কার্যক্রমে প্রভাব
সম্প্রচারমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সেপ্টেম্বরের শুরু থেকেই অর্থসংকটের প্রভাব ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর গাজা, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও লেবাননে পরিচালিত কার্যক্রমে পড়তে শুরু করেছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন যন্ত্রাংশের ঘাটতিও দেখা দিয়েছে।
আগস্টের শেষ দিকে ইসরাইলের সেনাপ্রধান আইয়াল জামির বাজেট নিয়ে বিরোধের বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, অর্থায়ন নিয়েও সামরিক বাহিনীকে একটি ‘অভিযান’-এর মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
স্টাফ রিপোর্টার