হরমুজের কাছে আসলে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি ইরানের
হরমুজ প্রণালির দিকে এগিয়ে এলে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলি আজমায়ি বলেছেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজের জন্য অপেক্ষা করছে ইরানি বাহিনী।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।
অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তেহরানের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি বলেছে, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এর মধ্যে প্রণালিতে একটি কনটেইনারবাহী জাহাজে অজ্ঞাত কোনো বস্তু বা অস্ত্রের আঘাতের খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা।
‘তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি দেখতে চায় হরমুজ প্রণালি খোলা নাকি বন্ধ, তাহলে তারা সরাসরি এখানে এসে দেখুক—কার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এই সমুদ্রপথ।’ এদিকে, হরমুজ প্রণালির ভেতরে অজ্ঞাত কোনো বস্তু বা অস্ত্রের আঘাতে একটি কনটেইনারবাহী জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে…’
— আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আলি আজমায়ি বলেন, ‘আমরা অপেক্ষা করছি, কখন মার্কিন যুদ্ধজাহাজ হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে আসবে, যাতে আমরা সেগুলো ডুবিয়ে দিতে পারি।’
আরও পড়ুন
সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়েও কি ক্ষমতায় থাকছেন নেতানিয়াহু?
এ ধরনের মুখোমুখি সংঘর্ষের জন্য ইরানি বাহিনী ‘সময় গুনছে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মূল বিষয়গুলি
- হরমুজ প্রণালির দিকে এগিয়ে এলে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান।
- মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
- অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তেহরানের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
- আলি আজমায়ি বলেন, ‘আমরা অপেক্ষা করছি, কখন মার্কিন যুদ্ধজাহাজ হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে আসবে, যাতে আমরা সেগুলো ডুবিয়ে দিতে পারি।’
আজমায়ির দাবি, নিজেদের দুর্বলতার কারণে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথের কাছে আসার ‘সাহস পাচ্ছে না’।
তিনি বলেন, ১৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবাহী রণতরি হরমুজ প্রণালি থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে সরে গেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি দেখতে চায় হরমুজ প্রণালি খোলা নাকি বন্ধ, তাহলে তারা সরাসরি এখানে এসে দেখুক—কার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এই সমুদ্রপথ।’
এদিকে, হরমুজ প্রণালির ভেতরে অজ্ঞাত কোনো বস্তু বা অস্ত্রের আঘাতে একটি কনটেইনারবাহী জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্যবিষয়ক সংস্থা ইউকেএমটিও।
অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং কাছে এলে মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া হবে—আইআরজিসির এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেন্টকম বলেছে, ‘আইআরজিসির নৌবাহিনীর কমান্ডারের কোনো নৌবাহিনীই নেই। হরমুজ প্রণালি স্পষ্টতই যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও আঞ্চলিক মিত্রদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ তেহরানের হাতে রয়েছে বলে ইরানি নৌকমান্ডারের মন্তব্যও প্রত্যাখ্যান করেছে সেন্টকম।
মার্কিন সামরিক এই কমান্ড জানিয়েছে, গত সোমবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে এক কোটি ৯০ লাখ ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল পরিবহনে উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্রদের সহায়তা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।