প্রথমবারের মতো এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে অংশ নিতে কুয়েতে বাংলাদেশ দল
প্রথমবারের মতো এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের গ্রুপ পর্বে অংশ নিতে কুয়েতে পৌঁছেছে বাংলাদেশের ফুটবল ক্লাব ফর্টিজ এফসি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে স্থানীয় সময় দুপুরে কুয়েতে পৌঁছায় দলটি। এ সময় বিমানবন্দরে কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশিরা ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন। আগামী ১৭ অক্টোবর রাতে স্বাগতিক কুয়েতের আল কাদসিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ফর্টিজের ঐতিহাসিক এই অভিযান শুরু হবে।
গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের ক্লাবটির অন্য দুই প্রতিপক্ষ ভারতের এফসি গোয়া এবং তাজিকিস্তানের এফসি রেগার তাদাজ। কুয়েতের হাওয়াল্লিতে অবস্থিত মোহাম্মদ আল হামাদ স্টেডিয়ামে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে।
‘শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়াকু ফুটবল উপহার দেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের ফুটবলের সক্ষমতা তুলে ধরবে ফর্টিজ—এমনটাই প্রত্যাশা তাঁদের।’
— জি বাংলা ডেস্ক
এদিকে, প্রথমবারের মতো এশিয়ার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ফর্টিজকে ঘিরে কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়াকু ফুটবল উপহার দেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের ফুটবলের সক্ষমতা তুলে ধরবে ফর্টিজ—এমনটাই প্রত্যাশা তাঁদের।
আরও পড়ুন
ব্রাডফোর্ডে গুলজার-কুদ্দুস-মনির প্যানেলের জমজমাট প্রচারণা
প্রবাসের মাটিতে দেশের ক্লাবকে সমর্থন জানাতে মাঠে উপস্থিত থাকার আশাও করছেন কুয়েতের বাংলাদেশি ক্রীড়াপ্রেমীরা।
মূল বিষয়গুলি
- প্রথমবারের মতো এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের গ্রুপ পর্বে অংশ নিতে কুয়েতে পৌঁছেছে বাংলাদেশের ফুটবল ক্লাব ফর্টিজ এফসি।
- মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে স্থানীয় সময় দুপুরে কুয়েতে পৌঁছায় দলটি।
- গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের ক্লাবটির অন্য দুই প্রতিপক্ষ ভারতের এফসি গোয়া এবং তাজিকিস্তানের এফসি রেগার তাদাজ।
- এদিকে, প্রথমবারের মতো এশিয়ার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ফর্টিজকে ঘিরে কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
গ্রুপ পর্বের ম্যাচ শেষে আগামী ২৪ অক্টোবর বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে দেশে ফেরার কথা রয়েছে ফর্টিজ এফসির।
এশিয়ার ফুটবল মঞ্চে প্রথম অভিযান কতটা স্মরণীয় করে রাখতে পারে বাংলাদেশের ফর্টিজ, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।





মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।