ইয়েমেনে হুথিদের হামলায় সৌদি জোটের ৮ সেনা নিহত
ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় লাহিজ প্রদেশে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে চলমান সংঘর্ষে দেশটির আট সেনা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তুর আল-বাহাহ সামরিক কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, লাহিজ প্রদেশের আল-মাকাতিরাহ ফ্রন্টে এসব সেনা নিহত হন। তবে সংঘর্ষের ধরন বা হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি হুথি বিদ্রোহীরা।
এর আগে শনিবার প্রতিবেশী তাইজ প্রদেশে হুথিদের পৃথক গোলাবর্ষণে তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। নিহতদের মধ্যে দুজন নারী। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। ইয়েমেনের একটি সরকারি দপ্তরের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
‘সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তুর আল-বাহাহ সামরিক কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, লাহিজ প্রদেশের আল-মাকাতিরাহ ফ্রন্টে এসব সেনা নিহত হন।’
— আন্তর্জাতিক ডেস্ক
দেশটিতে গত জুলাই থেকে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বেড়েছে। ২০২২ সালের এপ্রিলে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর কিছু সময়ের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক শান্ত ছিল। সেই সময়ের পর এটিই সবচেয়ে বড় সামরিক উত্তেজনা বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়েও কি ক্ষমতায় থাকছেন নেতানিয়াহু?
২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে হুথি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানা ও কয়েকটি প্রদেশ দখল করে নেয়। এরপর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিতে ২০১৫ সালের মার্চে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সামরিক অভিযান শুরু করে। সেই থেকে দেশটিতে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে।
মূল বিষয়গুলি
- ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় লাহিজ প্রদেশে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে চলমান সংঘর্ষে দেশটির আট সেনা নিহত হয়েছেন।
- সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তুর আল-বাহাহ সামরিক কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, লাহিজ প্রদেশের আল-মাকাতিরাহ ফ্রন্টে এসব সেনা নিহত হন।
- এর আগে শনিবার প্রতিবেশী তাইজ প্রদেশে হুথিদের পৃথক গোলাবর্ষণে তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন।
- দেশটিতে গত জুলাই থেকে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বেড়েছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।