মেট্রোরেল নিয়ে হঠাৎ বড় সিদ্ধান্ত!
মেট্রোরেলের নিরাপত্তা জোরদার করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সন্দেহজনক মালামাল শনাক্ত করতে মেট্রোরেলের সব স্টেশনে আর্চওয়ে মেটাল ডিটেক্টর ও লাগেজ স্ক্যানার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।
ডিএমটিসিএলের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, যাত্রীদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও অন্যান্য মালামাল পরীক্ষা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে এসব নিরাপত্তা সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে স্টেশনগুলোতে তল্লাশি কার্যক্রম আরও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংগ্রহে ইতোমধ্যে দরপত্র আহ্বান করেছে ডিএমটিসিএল। সংস্থাটির স্টোর অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান গত ১৯ অক্টোবর এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।
‘এর আওতায় ডিপোতে স্থাপিত লো-ভোল্টেজ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, ডিজেল জেনারেটর সেট, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা (ইউপিএস), বায়ু চলাচল ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সাধারণ বৈদ্যুতিক কাজের বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি (এএমসি) করার পরিকল্পনা রয়েছে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
বিজ্ঞপ্তিতে আগ্রহী ও যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয় ই-গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) পোর্টালের মাধ্যমে দরপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দরপত্রে অংশগ্রহণের শর্ত, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অন্যান্য তথ্য ই-জিপি পোর্টাল এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত হেল্পডেস্ক থেকে জানা যাবে।
আরও পড়ুন
বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ কী, সন্দেহে একটি গাছ
নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংগ্রহের পাশাপাশি একই দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে এমআরটি লাইন-৬-এর ডিপোর বিদ্যুৎ বিভাগের বিভিন্ন ব্যবস্থা রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মূল বিষয়গুলি
- মেট্রোরেলের নিরাপত্তা জোরদার করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।
- ডিএমটিসিএলের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, যাত্রীদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও অন্যান্য মালামাল পরীক্ষা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে এসব নিরাপত্তা সরঞ্জাম …
- নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংগ্রহে ইতোমধ্যে দরপত্র আহ্বান করেছে ডিএমটিসিএল।
- বিজ্ঞপ্তিতে আগ্রহী ও যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয় ই-গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) পোর্টালের মাধ্যমে দরপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর আওতায় ডিপোতে স্থাপিত লো-ভোল্টেজ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, ডিজেল জেনারেটর সেট, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা (ইউপিএস), বায়ু চলাচল ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সাধারণ বৈদ্যুতিক কাজের বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি (এএমসি) করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ডিপোর এসব বৈদ্যুতিক ও বিদ্যুৎ-সহায়ক ব্যবস্থার নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করাই এ চুক্তির উদ্দেশ্য। মেট্রোরেলের পরিচালন কার্যক্রম সচল রাখতে এসব ব্যবস্থার কার্যকারিতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
প্রকাশিত দরপত্র বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১১ নভেম্বর দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে দরপত্রের প্রাথমিক প্রয়োজনীয় নথি কেনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা নিয়ম ও শর্ত অনুসরণ করে দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হবে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।