লক্ষ্মীপুরে মাদক কারবারিকে গলা কেটে হত্যা
লক্ষ্মীপুরে জাকির হোসেন জুয়েল নামে এক যুবককে গলায় ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মাদক ব্যবসাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
সোমবার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের পূর্ব নন্দনপুর গ্রামের ডিপুটি বাড়ি এলাকার একটি সুপারি বাগান থেকে জুয়েলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এর আগে রাত ১১টার দিকে তাঁকে হত্যা করে মরদেহটি বাগানে ফেলে রাখা হয়।
নিহত জুয়েল পূর্ব নন্দনপুর এলাকার তোফায়েল আহমেদের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকসংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, জুয়েল এলাকায় ইয়াবা বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
‘সোমবার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের পূর্ব নন্দনপুর গ্রামের ডিপুটি বাড়ি এলাকার একটি সুপারি বাগান থেকে জুয়েলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।’
— জি বাংলা ডেস্ক
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জুয়েলের গলায় ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হত্যার পর দুর্বৃত্তরা তাঁর মরদেহ সুপারি বাগানে ফেলে রেখে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
আরও পড়ুন
রণক্ষেত্র মিরপুর, পুলিশের গাড়িতে আগুন
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, কিছুদিন আগে জুয়েল মাদক মামলায় জামিন পেয়েছিলেন। মাদক নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মূল বিষয়গুলি
- লক্ষ্মীপুরে জাকির হোসেন জুয়েল নামে এক যুবককে গলায় ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
- সোমবার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের পূর্ব নন্দনপুর গ্রামের ডিপুটি বাড়ি এলাকার একটি সুপারি বাগান থেকে জুয়েলের মরদেহ উদ্ধ…
- নিহত জুয়েল পূর্ব নন্দনপুর এলাকার তোফায়েল আহমেদের ছেলে।
- পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জুয়েলের গলায় ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
ওসি আরও বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।