একদিন বন্ধ থাকার পর কিশোরগঞ্জ-মহাখালী রুটে বাস চলাচল শুরু
কিশোরগঞ্জ ও ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনালের পরিবহন মালিকদের দ্বন্দ্বের জেরে একদিন বন্ধ থাকার পর কিশোরগঞ্জ-ঢাকা (মহাখালী) রুটে বাস চলাচল শুরু হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল থেকে অনন্যা, অনন্যা ক্লাসিক, উজানভাটি ও জলসিঁড়ি পরিবহনের বাস চলাচল শুরু হয়। এতে ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা চাকরিজীবীসহ ঢাকাগামী যাত্রীদের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে রোববার সকালে গাইটাল বাস টার্মিনালে গিয়ে চারটি পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ দেখতে পান যাত্রীরা। এ সময় ‘অনন্যা সুপার’ নামে একটি পরিবহনের বাস গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন করছিল। যাত্রীদের অভিযোগ, মহাখালী পর্যন্ত ৩৮০ টাকা ভাড়ার বিপরীতে গাজীপুর পর্যন্ত ৪০০ টাকা নেওয়া হচ্ছিল। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে। কেউ কেউ বাসের পরিবর্তে ট্রেনে ঢাকায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
‘কিশোরগঞ্জ জেলা পরিবহন মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর রেজা মুরাদ বলেন, বাস চলাচল বন্ধের পেছনে থাকা সমস্যাগুলো নিয়ে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় কমিটির সভা হবে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
সোমবার সকাল থেকে বাস চলাচল শুরু হওয়ায় যাত্রীদের দুর্ভোগ কিছুটা কমেছে। তবে পরিবহন মালিকদের বিরোধের স্থায়ী সমাধান হবে কি না, তা নির্ভর করছে কেন্দ্রীয় কমিটির সভা ও পরবর্তী আলোচনার ওপর।
আরও পড়ুন
রণক্ষেত্র মিরপুর, পুলিশের গাড়িতে আগুন
কিশোরগঞ্জ জেলা পরিবহন মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর রেজা মুরাদ বলেন, বাস চলাচল বন্ধের পেছনে থাকা সমস্যাগুলো নিয়ে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় কমিটির সভা হবে। ঢাকার পক্ষ থেকে অতিরিক্ত যে বাসগুলো দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো বন্ধ করা হয়েছে। এখন আগের বাসগুলোই চলবে। এ কারণে সোমবার সকাল থেকে কিশোরগঞ্জ-মহাখালী রুটে বাস চলাচল শুরু হয়েছে।
মূল বিষয়গুলি
- কিশোরগঞ্জ ও ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনালের পরিবহন মালিকদের দ্বন্দ্বের জেরে একদিন বন্ধ থাকার পর কিশোরগঞ্জ-ঢাকা (মহাখালী) রুটে বাস চলাচল শুরু হয়েছে।
- সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল থেকে অনন্যা, অনন্যা ক্লাসিক, উজানভাটি ও জলসিঁড়ি পরিবহনের বাস চলাচল শুরু হয়।
- এর আগে রোববার সকালে গাইটাল বাস টার্মিনালে গিয়ে চারটি পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ দেখতে পান যাত্রীরা।
- সোমবার সকাল থেকে বাস চলাচল শুরু হওয়ায় যাত্রীদের দুর্ভোগ কিছুটা কমেছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।