৬৯ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি, সে রেকর্ড এখন এমবাপ্পের
ব্যালন ডি’অরের মঞ্চে এবার হতাশ হতে হয়েছে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে। একের পর এক গোল্ডেন বুট জিতে এবারের পুরস্কারের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরাসি তারকা। তবে শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় স্থান নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাঁকে।
পুরস্কার জিততে না পারলেও নিজের ক্যারিয়ারে নতুন এক রেকর্ড গড়েছেন এমবাপ্পে। ব্যালন ডি’অরের ৬৯ বছরের ইতিহাসে এমন ধারাবাহিকতার নজির গড়েছেন তিনি।
টানা নবমবারের মতো ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ এই ব্যক্তিগত পুরস্কারের সেরা দশে জায়গা করে নিয়েছেন এমবাপ্পে। এর মধ্য দিয়ে ফরাসি ফুটবলারদের মধ্যে নতুন কীর্তি গড়েছেন তিনি। ফ্রান্সের আর কোনো খেলোয়াড় এর আগে টানা নয়বার ব্যালন ডি’অরের সেরা দশে জায়গা করে নিতে পারেননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
‘ফ্রান্সের আর কোনো খেলোয়াড় এর আগে টানা নয়বার ব্যালন ডি’অরের সেরা দশে জায়গা করে নিতে পারেননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের চূড়ান্ত তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জনের মধ্য দিয়ে এমবাপ্পের এই ধারাবাহিকতা আরও একবার সামনে এসেছে। বছরের পর বছর বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিজের অবস্থান ধরে রাখার স্বীকৃতি হিসেবেও দেখা হচ্ছে এই অর্জনকে।
আরও পড়ুন
ফাইনালের আগে বাবরকে নিয়ে উদ্বিগ্ন নন পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ
তবে ব্যক্তিগত রেকর্ড গড়লেও ব্যালন ডি’অর জিততে না পারার আক্ষেপ থেকেই যাচ্ছে এমবাপ্পের। ক্যারিয়ারের অন্যতম কাঙ্ক্ষিত এই ব্যক্তিগত পুরস্কার এখনো জেতা হয়নি তাঁর। এবার শিরোপার লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় স্থানেই থামতে হয়েছে তাঁকে।
মূল বিষয়গুলি
- ব্যালন ডি’অরের মঞ্চে এবার হতাশ হতে হয়েছে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে।
- পুরস্কার জিততে না পারলেও নিজের ক্যারিয়ারে নতুন এক রেকর্ড গড়েছেন এমবাপ্পে।
- টানা নবমবারের মতো ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ এই ব্যক্তিগত পুরস্কারের সেরা দশে জায়গা করে নিয়েছেন এমবাপ্পে।
- ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের চূড়ান্ত তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জনের মধ্য দিয়ে এমবাপ্পের এই ধারাবাহিকতা আরও একবার সামনে এসেছে।
আগামী আসরে সেরা দশে টানা উপস্থিতির রেকর্ড দশবারে উন্নীত করার পাশাপাশি ব্যালন ডি’অরের শিরোপাও জিততে চাইবেন এমবাপ্পে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।