ব্যালন ডি’অর হাতছাড়ার পর ইয়ামাল, ‘একদিন আমার সময়ও আসবে’
২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জিততে না পারলেও নিজের স্বপ্ন নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল। সম্প্রতি লন্ডনে অনুষ্ঠিত ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানের পর সামাজিকমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ১৯ বছর বয়সি এই স্প্যানিশ উইঙ্গার। এবারের ভোটাভুটিতে হ্যারি কেইন ও কিলিয়ান এমবাপ্পের পেছনে থেকে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন তিনি।
পুরস্কার জিততে না পারার আক্ষেপ থাকলেও বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন ইয়ামাল। একই সঙ্গে নিজের সময়ের অপেক্ষায় থাকার কথাও দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন তিনি।
ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় ইয়ামাল লিখেছেন, ‘এটা আসবেই। ভালো জিনিসের জন্য একটু সময় লাগে, আর আমি নিজের গড়া পথটার ওপর বিশ্বাস রাখি। কোনো তাড়াহুড়ো নেই। আমি আশা ও আত্মবিশ্বাসে ভরপুর যে একদিন আমার সময়ও আসবে। জয়ীদের অভিনন্দন। এখন আমার সম্পূর্ণ মনোযোগ কেবল একটি কাজেই—বার্সেলোনাকে আবারও জেতানো।’
‘২০২৪ ও ২০২৫ সালের পর টানা তৃতীয়বারের মতো ‘মেন্স ইয়াং ট্যালেন্ট অব দ্য ইয়ার’ বা বর্ষসেরা তরুণ প্রতিভার পুরস্কার জিতেছেন এই স্প্যানিশ উইঙ্গার।’
— স্পোর্টস ডেস্ক
লন্ডনের অনুষ্ঠান থেকে অবশ্য খালি হাতে ফিরতে হয়নি ইয়ামালকে। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের পর টানা তৃতীয়বারের মতো ‘মেন্স ইয়াং ট্যালেন্ট অব দ্য ইয়ার’ বা বর্ষসেরা তরুণ প্রতিভার পুরস্কার জিতেছেন এই স্প্যানিশ উইঙ্গার।
আরও পড়ুন
ফাইনালের আগে বাবরকে নিয়ে উদ্বিগ্ন নন পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ
এর আগে ২০২৫ সালের ব্যালন ডি’অর ভোটাভুটিতেও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিলেন ইয়ামাল। সেবার পুরস্কার জিতেছিলেন উসমান দেম্বেলে। এবারও শীর্ষ পুরস্কার জিততে না পারলেও টানা দুই বছর সেরা তিনে থাকলেন বার্সেলোনার এই তরুণ তারকা।
মূল বিষয়গুলি
- ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জিততে না পারলেও নিজের স্বপ্ন নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল।
- পুরস্কার জিততে না পারার আক্ষেপ থাকলেও বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন ইয়ামাল।
- ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় ইয়ামাল লিখেছেন, ‘এটা আসবেই।
- লন্ডনের অনুষ্ঠান থেকে অবশ্য খালি হাতে ফিরতে হয়নি ইয়ামালকে।
ব্যক্তিগত অর্জনের পাশাপাশি এখন বার্সেলোনার হয়ে নতুন সাফল্য পাওয়াই ইয়ামালের প্রধান লক্ষ্য। নিজের বক্তব্যেও সেই লক্ষ্যকে গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।