ছাত্রদল নেতা খুন/গুরুদাসপুর থানার ওসি প্রত্যাহার, মামলা তদন্ত করবে ডিবি
নাটোরের গুরুদাসপুরে ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম হত্যার ঘটনায় গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাঁকে বুধবারের মধ্যে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত হতে বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে শাকিল ইসলাম হত্যা মামলার তদন্তভার থানা-পুলিশের কাছ থেকে প্রত্যাহার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
‘চিঠিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নাটোর জেলায় কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল হান্নানকে ‘জনস্বার্থে’ রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হলো।’
— জি বাংলা ডেস্ক
চিঠিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নাটোর জেলায় কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল হান্নানকে ‘জনস্বার্থে’ রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হলো। তাঁকে ওই কার্যালয়ে যোগদানের উদ্দেশ্যে ছাড়পত্র দেওয়ার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
রণক্ষেত্র মিরপুর, পুলিশের গাড়িতে আগুন
পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল হান্নান ডিআইজির অফিস আদেশ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি ইতোমধ্যে গুরুদাসপুর থানা থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
মূল বিষয়গুলি
- নাটোরের গুরুদাসপুরে ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম হত্যার ঘটনায় গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
- একই সঙ্গে শাকিল ইসলাম হত্যা মামলার তদন্তভার থানা-পুলিশের কাছ থেকে প্রত্যাহার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
- রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো.
- চিঠিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নাটোর জেলায় কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল হান্নানকে ‘জনস্বার্থে’ রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক…
এদিকে শাকিল ইসলাম হত্যা মামলার তদন্তভার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা গুরুদাসপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমির হোসেন মুঠোফোনে জানান, মামলার তদন্তভার পরিবর্তনের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো অফিস আদেশ পাননি।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।