আগস্টেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও দেশের বাজারে আগস্ট মাসের জন্য ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের খুচরা মূল্য অপরিবর্তিত রেখেছে সরকার। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হওয়া মূল্যহার অনুযায়ী ডিজেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকায় বিক্রি হবে।
মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে আগস্ট মাসের জন্য সর্বশেষ নির্ধারিত জ্বালানি তেলের মূল্যহারই বহাল রাখা হয়েছে।
‘প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হওয়া মূল্যহার অনুযায়ী ডিজেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকায় বিক্রি হবে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
এর আগে গত ৩১ মে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। এরপর জুন ও জুলাই মাসেও দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়। ধারাবাহিকভাবে আগস্ট মাসেও একই মূল্য বহাল থাকছে।
আরও পড়ুন
বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ কী, সন্দেহে একটি গাছ
সরকার গত বছরের মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চালু করেছে। এর আওতায় প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন মূল্য ঘোষণা করা হয়।
মূল বিষয়গুলি
- বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও দেশের বাজারে আগস্ট মাসের জন্য ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের খুচরা মূল্য অপরিবর্তিত রেখেছে সরকার।
- প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হওয়া মূল্যহার অনুযায়ী ডিজেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকায় বিক্রি হব…
- মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে আগস্ট মাসের জন্য সর্বশেষ নির্ধারিত জ্বালানি তেলের মূল্যহারই বহাল রাখা হয়েছে।
- এর আগে গত ৩১ মে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এদিকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর মূল্য নির্ধারণ করছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে মোট চাহিদার প্রায় ৭৫ শতাংশই ডিজেল, যা মূলত কৃষি সেচ, পরিবহন ও জেনারেটরে ব্যবহৃত হয়। বাকি ২৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ হয় পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিন, জেট ফুয়েল ও ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি তেলের মাধ্যমে।
বর্তমানে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের মূল্য নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। অন্যদিকে জেট ফুয়েল, ফার্নেস অয়েল এবং এলপিজির মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব পালন করছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।