বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের চার যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন।
শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার শিকলবাহা চৌমুহনী এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন কক্সবাজারের ঈদগাহ এলাকার বাসিন্দা নিয়াজ মোর্শেদ (২২), তাঁর ছোট বোন মিমতাহ (১৭), তাদের মামা মো. ফেরদৌস আলম (৫৫) এবং মাইক্রোবাসের চালক মো. মুন্না।
‘কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ চারজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার পর কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
নিহত ফেরদৌস আলমের আত্মীয় মো. ওমর ফারুক জানান, শনিবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদের একটি কমিউনিটি সেন্টারে মিমতাহর বড় বোনের বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। অনুষ্ঠান শেষে পরিবারের কয়েকজন সদস্য ও আত্মীয়স্বজন একটি মাইক্রোবাসে করে কক্সবাজারের ঈদগাহ এলাকায় ফিরছিলেন।
আরও পড়ুন
রণক্ষেত্র মিরপুর, পুলিশের গাড়িতে আগুন
পথে শিকলবাহা এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তারা।
মূল বিষয়গুলি
- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের চার যাত্রী নিহত হয়েছেন।
- শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার শিকলবাহা চৌমুহনী এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
- নিহতরা হলেন কক্সবাজারের ঈদগাহ এলাকার বাসিন্দা নিয়াজ মোর্শেদ (২২), তাঁর ছোট বোন মিমতাহ (১৭), তাদের মামা মো.
- নিহত ফেরদৌস আলমের আত্মীয় মো.
পুলিশ জানায়, শিকলবাহা এলাকা অতিক্রম করার সময় একটি কাভার্ডভ্যান ইউটার্ন নেওয়ার সময় মাইক্রোবাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই ফেরদৌস আলম ও মিমতাহ নিহত হন।
পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে আরও দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। দুর্ঘটনায় আহত সাতজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজনের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা উদ্ধারকাজ চালান।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ চারজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার পর কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে।
তবে কাভার্ডভ্যানের চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছেন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।