ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম ১৫ সেপ্টেম্বর, প্রার্থী চূড়ান্ত ১৮ তারিখ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করতে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন ফরম বিতরণ এবং ১৬ সেপ্টেম্বর তা জমা নেওয়া হবে। পরে ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় স্থায়ী কমিটির মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে প্রার্থী চূড়ান্ত করবে বিএনপি।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী।
তিনি বলেন, বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আসন ঠাকুরগাঁও-১-এ আগামী ২৯ অক্টোবর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে বিএনপির হয়ে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী, তারা ১৫ সেপ্টেম্বর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন। পরদিন ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন ফরম জমা নেওয়া হবে।
‘শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী।’
— জি বাংলা ডেস্ক
এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় স্থায়ী কমিটির মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান রিজভী।
আরও পড়ুন
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন সন্তোষজনক: রুহুল কবির রিজভী
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপির কর্মসূচি
মূল বিষয়গুলি
- ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করতে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন ফরম বিতরণ এবং ১৬ সেপ্টেম্বর তা জমা নেওয়া হবে।
- শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী।
- তিনি বলেন, বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আসন ঠাকুরগাঁও-১-এ আগামী ২৯ অক্টোবর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
- এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় স্থায়ী কমিটির মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান রিজভী।
এদিকে জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। রিজভী জানান, ডেঙ্গু নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে সারা দেশে বিএনপির পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচার চালানো হবে। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে মশারি সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিশেষজ্ঞ ও খ্যাতনামা চিকিৎসকদের পরামর্শে তৈরি সচেতনতামূলক প্রচারপত্র ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিতরণ করা হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি গণমাধ্যম, রেডিও ও টেলিভিশনেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হবে।
এ ছাড়া স্কুল, মাদরাসা ও হাটবাজারে ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য পর্যাপ্ত ডাস্টবিনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আরও যেসব উদ্যোগ নেওয়া দরকার, বিএনপির পক্ষ থেকে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান রুহুল কবীর রিজভী।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।