তারেক রহমানকে আমন্ত্রণের বিষয়ে যা জানাল ভারত
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর একটি ছিল দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ, অন্যটি বিমসটেকের (BIMSTEC) চেয়ার হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ।
মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানোর পর বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্যও তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ফলে তার কাছে দুটি পৃথক আমন্ত্রণ ছিল।
বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য বা অংশীদার দেশ নয়। তবে বিমসটেকের বর্তমান চেয়ার হিসেবে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানায় ভারত।
‘এ নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বক্তব্য আসার পর মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ব্রিকসের আমন্ত্রণের পাশাপাশি তারেক রহমানকে আলাদাভাবে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণও দেওয়া হয়েছিল।’
— জি বাংলা ডেস্ক
১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় এবারের ব্রিকস সম্মেলন। এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছিলেন, আমন্ত্রণটি বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে নয়, বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বহুপক্ষীয় সম্মেলনের চেয়ে দ্বিপক্ষীয় সফরকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল।
আরও পড়ুন
সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়েও কি ক্ষমতায় থাকছেন নেতানিয়াহু?
এ নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বক্তব্য আসার পর মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ব্রিকসের আমন্ত্রণের পাশাপাশি তারেক রহমানকে আলাদাভাবে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণও দেওয়া হয়েছিল।
মূল বিষয়গুলি
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানান।
- বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য বা অংশীদার দেশ নয়।
- ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় এবারের ব্রিকস সম্মেলন।
ভারত জানিয়েছে, তারেক রহমানের জন্য দেওয়া দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ এখনো বহাল রয়েছে। তবে মঙ্গলবারের ব্রিফিংয়ে জয়সওয়াল বলেন, এ সফরের বিষয়ে বাংলাদেশের কাছ থেকে এখনো নতুন কোনো তথ্য তারা পায়নি।
গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে বিএনপির সরকার গঠনের পর লোকসভার স্পিকার ওমপ্রকাশ বিড়লা ঢাকায় সফর করেন। সে সময় তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অভিনন্দনপত্র তারেক রহমানের কাছে পৌঁছে দেন এবং তাকে সপরিবারে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এর আগে বলা হয়েছিল, তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফরটি বহুপক্ষীয় কোনো সম্মেলনের পরিবর্তে দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়াকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সুবিধাজনক সময়ে এ সফর আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানানো হয়েছিল।
দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান, প্রত্যর্পণ এবং পানি ভাগাভাগিসহ বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয় রয়েছে। এসব ইস্যুকে ঘিরে ঢাকা-নয়াদিল্লির সম্পর্কে টানাপোড়েনের মধ্যেই তারেক রহমানের ভারত সফরের আমন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।