ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’
বায়ুদূষণের মাত্রায় বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার বাতাসের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI) স্কোর ১৬২, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের সূচকে এ তথ্য উঠে এসেছে। একই সময়ে ১৯৩ স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর।
দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে যারা
‘এ ছাড়া ১৫৮ স্কোর নিয়ে ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি চতুর্থ এবং ১৫৬ স্কোর নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের রাজধানী মেদান রয়েছে পঞ্চম অবস্থানে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, ১৬২ স্কোর নিয়ে ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়। ১৬১ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা।
আরও পড়ুন
বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ কী, সন্দেহে একটি গাছ
এ ছাড়া ১৫৮ স্কোর নিয়ে ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি চতুর্থ এবং ১৫৬ স্কোর নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের রাজধানী মেদান রয়েছে পঞ্চম অবস্থানে।
মূল বিষয়গুলি
- বায়ুদূষণের মাত্রায় বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা।
- সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের সূচকে এ তথ্য উঠে এসেছে।
- দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে যারা
- আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, ১৬২ স্কোর নিয়ে ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়।
কোন মাত্রার বাতাস কেমন
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, AQI স্কোর ০ থেকে ৫০ হলে বাতাসের মান ‘ভালো’ বা স্বাস্থ্যসম্মত হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা ‘মাঝারি বা সহনীয়’।
স্কোর ১০১ থেকে ১৫০ হলে বাতাস ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ এবং ১৫১ থেকে ২০০ হলে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে ধরা হয়।
ধুলা, ধোঁয়া ও ক্ষতিকর বস্তুকণার কারণে বায়ুদূষণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি নগরায়ণ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও অন্যান্য দূষণকারী কার্যক্রমের কারণে বিভিন্ন শহরে বায়ুমানের অবনতি ঘটছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।