মক্কার কাছে হুথিদের ড্রোন হামলার চেষ্টা, ভূপাতিত করল সৌদি
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুথি গোষ্ঠীর ছোড়া একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি, নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ড্রোনটি ধ্বংস করা হয়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে এ তথ্য জানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটি শনাক্ত করে। পরে এটি নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ভূপাতিত করা হয়। ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ মক্কার দক্ষিণে গিয়ে পড়ে বলে জানান তিনি।
‘এর আগে মঙ্গলবার সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছিল, হুথিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন।’
— জি বাংলা ডেস্ক
আল-মালিকির দাবি, মক্কাকে লক্ষ্য করে হুথিদের এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন
সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়েও কি ক্ষমতায় থাকছেন নেতানিয়াহু?
জোটের এই মুখপাত্র বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ এবং সেখানে আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তা সৌদি আরবের জন্য ‘রেড লাইন’। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলার চেষ্টা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
মূল বিষয়গুলি
- সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুথি গোষ্ঠীর ছোড়া একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে এ তথ্য জানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
- জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটি শনাক্ত করে।
- আল-মালিকির দাবি, মক্কাকে লক্ষ্য করে হুথিদের এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা।
এর আগে মঙ্গলবার সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছিল, হুথিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। এসব হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
দীর্ঘদিন তুলনামূলক শান্ত থাকার পর গত জুলাইয়ের শুরু থেকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে সংঘাত আবারও বেড়েছে।
২০১৪ সালে হুথিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও দেশটির কয়েকটি অঞ্চল দখল করার পর থেকেই দেশটিতে গৃহযুদ্ধ চলছে। পরের বছর, ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি আরব জোট দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ করে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।