ভারত যাওয়ার পথে ইমিগ্রেশন থেকে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার
ভারতে যাওয়ার পথে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন থেকে হিমাংশু দাস (৫২) নামের আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পাসপোর্ট যাচাইয়ের সময় ‘স্টপ লিস্টে’ তাঁর নাম পাওয়ায় প্রথমে তাঁকে আটক করা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান।
গ্রেপ্তার হিমাংশু দাস বাগেরহাটের হাড়িখালী পিসি কলেজ এলাকার অমলেন্দু দাসের ছেলে। তিনি স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে বাগেরহাট সদর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে।
‘ভারতে যাওয়ার পথে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন থেকে হিমাংশু দাস (৫২) নামের আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।’
— জি বাংলা ডেস্ক
ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে পাসপোর্ট জমা দেন হিমাংশু দাস। এ সময় পাসপোর্ট যাচাই করে ‘স্টপ লিস্টে’ তাঁর নাম পাওয়া যায়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে আটক করা হয়। বাগেরহাট সদর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁকে গ্রেপ্তার করে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আরও পড়ুন
গাজীপুরে ঝুট গুদামে আগুন
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহীদ তিতুমির বলেন, ইমিগ্রেশনে আটক আওয়ামী লীগ নেতাকে তাঁদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাগেরহাট সদর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা থাকায় তাঁকে বাগেরহাট সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মূল বিষয়গুলি
- ভারতে যাওয়ার পথে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন থেকে হিমাংশু দাস (৫২) নামের আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
- বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে এ ঘটনা ঘটে।
- গ্রেপ্তার হিমাংশু দাস বাগেরহাটের হাড়িখালী পিসি কলেজ এলাকার অমলেন্দু দাসের ছেলে।
- ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে পাসপোর্ট জমা দেন হিমাংশু দাস।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।