কুমিল্লায় বিশেষ অভিযানে আটক ২৯৯
কুমিল্লায় মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ২৯৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ১৫৯ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি ১৪০ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
‘বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।’
— জি বাংলা ডেস্ক
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। বিশেষ করে যেসব এলাকায় কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত রয়েছে, সেসব স্থানে অভিযান জোরদার করা হয়। এতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন।
আরও পড়ুন
৩৫ বছর পর পিরোজপুর জেলায় জামায়াতের নতুন আমির
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ৬ হাজার ৮৫৭ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩ হাজার ৯৬৪ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ২ হাজার ৮৯৩ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মূল বিষয়গুলি
- কুমিল্লায় মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ২৯৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
- বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
- আটক ব্যক্তিদের মধ্যে অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ১৫৯ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
- জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার মো.
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, উঠতি বয়সী কিশোরেরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে নিয়মিত এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশ এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।