ইরানের হামলায় জর্ডানে ক্ষতিগ্রস্ত ৯ মার্কিন যুদ্ধবিমান
জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত নয়টি মার্কিন যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ। তবে হামলায় কোনো মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে বুধবার ভোরে জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে এ হামলা চালানো হয়। হামলায় একটি A-10 Thunderbolt যুদ্ধবিমান গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সূত্রের বরাতে সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, বিমানটির একটি ডানা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
এ ছাড়া প্রায় আটটি F-15 যুদ্ধবিমান সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এসব বিমান পরে মেরামত করে পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
‘জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত নয়টি মার্কিন যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ।’
— জি বাংলা ডেস্ক
হামলার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো স্বীকারোক্তি বা ব্যাখ্যা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।
আরও পড়ুন
সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়েও কি ক্ষমতায় থাকছেন নেতানিয়াহু?
সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলা প্রতিহত করতে জর্ডানে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী ৩০টির বেশি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।
মূল বিষয়গুলি
- জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত নয়টি মার্কিন যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ।
- মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে বুধবার ভোরে জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে এ হামলা চালানো হয়।
- এ ছাড়া প্রায় আটটি F-15 যুদ্ধবিমান সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- হামলার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো স্বীকারোক্তি বা ব্যাখ্যা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের হাতে পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার ধ্বংসের পর এ হামলা চালানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে ইরান একটি মার্কিন নৌযান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল বলে দাবি করে ওয়াশিংটন। এরপর পাল্টা জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ট্যাংকারগুলোতে হামলা চালায়।
পরে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জর্ডানে থাকা মার্কিন ঘাঁটিসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করে।
তবে জর্ডানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামলায় ছোড়া ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ১৮টি তারা ভূপাতিত করেছে। বাকি দুটি ক্ষেপণাস্ত্র জনবসতিহীন এলাকায় গিয়ে পড়ে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।