বান্দরবানে আগুনে পুড়ল ১৩ দোকান
বান্দরবানের থানচি উপজেলার বলীপাড়া বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ১৩টি দোকান পুড়ে গেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে বাজার পাহারার দায়িত্বে থাকা চৌকিদার একটি দোকানে আগুন দেখতে পান। পরে দ্রুত তা আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
অগ্নিকাণ্ডে ১৩টি দোকান ও সেগুলোর মালামাল পুড়ে গেছে। বলীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াঅং মারমা জানিয়েছেন, এতে আনুমানিক ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনের কাছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
‘থানচি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন মাস্টার রহিদুল ইসলাম মৃধা বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
আগুনের কারণ নিয়ে তদন্ত
আরও পড়ুন
রণক্ষেত্র মিরপুর, পুলিশের গাড়িতে আগুন
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, রাতে কোনো দোকানেই ব্যবসায়ীরা থাকেন না। তাঁদের ধারণা, কোনো দোকানে ফ্রিজ চালু থাকা কিংবা বৈদ্যুতিক ত্রুটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।
মূল বিষয়গুলি
- বান্দরবানের থানচি উপজেলার বলীপাড়া বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ১৩টি দোকান পুড়ে গেছে।
- স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে বাজার পাহারার দায়িত্বে থাকা চৌকিদার একটি দোকানে আগুন দেখতে পান।
- অগ্নিকাণ্ডে ১৩টি দোকান ও সেগুলোর মালামাল পুড়ে গেছে।
- আগুনের কারণ নিয়ে তদন্ত
থানচি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন মাস্টার রহিদুল ইসলাম মৃধা বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এর আগেও বলীপাড়া বাজারে একাধিকবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং বাজারের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি উঠেছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।