সার-কীটনাশকের যথেচ্ছ ব্যবহার রোধে কৃষকদের সচেতন হতে হবে: রাষ্ট্রপতি
কৃষিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কৃষকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহারে মাটির স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সাক্ষাৎকালে টেকসই ও আধুনিক কৃষিব্যবস্থা গড়ে তুলতে গবেষণালব্ধ প্রযুক্তির মাঠপর্যায়ে কার্যকর প্রয়োগ, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং পরিবেশবান্ধব কৃষিচর্চার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
‘একই সঙ্গে কৃষকদের রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের সঠিক ও পরিমিত ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।’
— জি বাংলা ডেস্ক
একই সঙ্গে কৃষকদের রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের সঠিক ও পরিমিত ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
আরও পড়ুন
বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ কী, সন্দেহে একটি গাছ
গবেষণা ও সম্প্রসারণে সমন্বয়ের তাগিদ
মূল বিষয়গুলি
- কৃষিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কৃষকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
- বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
- সাক্ষাৎকালে টেকসই ও আধুনিক কৃষিব্যবস্থা গড়ে তুলতে গবেষণালব্ধ প্রযুক্তির মাঠপর্যায়ে কার্যকর প্রয়োগ, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং পরিবেশবান্ধব কৃষিচর্চার ওপর গুরুত্ব দ…
- একই সঙ্গে কৃষকদের রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের সঠিক ও পরিমিত ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান…
সাক্ষাৎকালে কৃষিশিক্ষা, গবেষণা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমের মধ্যে আরও নিবিড় সমন্বয় প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। গবেষণায় উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ও জ্ঞান যাতে কৃষকের কাছে কার্যকরভাবে পৌঁছায়, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকার কথাও তুলে ধরা হয়।
এ সময় শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।