গাজায় ধসে পড়ার ঝুঁকিতে প্রায় দুই হাজার ভবন
গাজা সিটিতে ইসরাইলি হামলায় আগে থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত একটি ছয়তলা আবাসিক ভবন ধসে পড়েছে। ভবনটি বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ধসের সময় ভবনটি আশপাশের তাঁবুর ওপরও পড়ে। এতে শিশুসহ কয়েকজন নিহত ও অনেকে আহত হয়েছেন; ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কয়েক ডজন মানুষ আটকে বা নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
বুধবার ভোরে গাজার তাল আল-হাওয়া এলাকায় ভবনটি ধসে পড়ে। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, ভবনটি যুদ্ধের সময় ইসরাইলি হামলায় কাঠামোগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং এতে ৬০ জনের বেশি মানুষ অবস্থান করছিলেন। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছেন।
উদ্ধারকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতির ঘাটতি। ধ্বংসস্তূপের ভারী কংক্রিট সরাতে সীমিত সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে উদ্ধারকর্মীদের। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজাজুড়ে যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বহু ভবন এখনো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
‘গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, ভবনটি যুদ্ধের সময় ইসরাইলি হামলায় কাঠামোগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং এতে ৬০ জনের বেশি মানুষ অবস্থান করছিলেন।’
— জি বাংলা ডেস্ক
জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক দপ্তরও জানিয়েছে, গাজায় যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো এবং আশ্রয়কেন্দ্রের দুরবস্থা ক্রমেই বাড়ছে। বর্ষা ও শীত মৌসুম সামনে থাকায় অস্থায়ী আশ্রয়স্থল ও ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
আরও পড়ুন
সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়েও কি ক্ষমতায় থাকছেন নেতানিয়াহু?
সূত্র: আল জাজিরা
মূল বিষয়গুলি
- গাজা সিটিতে ইসরাইলি হামলায় আগে থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত একটি ছয়তলা আবাসিক ভবন ধসে পড়েছে।
- বুধবার ভোরে গাজার তাল আল-হাওয়া এলাকায় ভবনটি ধসে পড়ে।
- উদ্ধারকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতির ঘাটতি।
- জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক দপ্তরও জানিয়েছে, গাজায় যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো এবং আশ্রয়কেন্দ্রের দুরবস্থা ক্রমেই বাড়ছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।