চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে তিন মেয়াদি পরিকল্পনা
দেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার। চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) ‘ফিল্ম ডিরেক্টরস ডে ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, সেগুলো বাস্তবায়নের কৌশল এবং প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতা উল্লেখ করে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে।
‘প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, সেগুলো বাস্তবায়নের কৌশল এবং প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতা উল্লেখ করে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি, যার মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে চলচ্চিত্র শিল্পের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরকে আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে। এফডিসিও এ পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’
আরও পড়ুন
বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ কী, সন্দেহে একটি গাছ
ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, সরকার শুধু এফডিসির উন্নয়ন নয়, সামগ্রিক চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশকে গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অতীতে গুণী পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা যে সমৃদ্ধ ঐতিহ্য তৈরি করেছেন, সেটিকে সামনে রেখে চলচ্চিত্রের মান ও শিল্পের সক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মূল বিষয়গুলি
- দেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার।
- বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) ‘ফিল্ম ডিরেক্টরস ডে ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
- প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, সেগুলো বাস্তবায়নের কৌশল এবং প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতা উল্লেখ করে…
- তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি, যার মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়া হবে।
চলচ্চিত্রের অভিজ্ঞ ও গুণী ব্যক্তিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে নেতৃত্ব দেবেন এ শিল্পের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত ব্যক্তিরাই। সরকার তাদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।
অনুষ্ঠানে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে ‘ফিল্ম ডিরেক্টরস ডে ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। স্বাগত বক্তব্য দেন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন।
চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি অঙ্গনে অবদানের জন্য অনুষ্ঠানে ফরিদুর রেজা সাগর, বরেণ্য সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন, মাসুদ পারভেজ, এ জে মিন্টু, কাজী হায়াৎ, দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, ড. মতিন রহমান ও মসিহ উদ্দিন শাকেরসহ বেশ কয়েকজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও দর্শকদের অনুরোধে গান পরিবেশন করেন সাবিনা ইয়াসমিন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান, এফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা তানি, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব শাহীন কবির টুটুলসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের পরিচালক, প্রযোজক, শিল্পী, কলাকুশলী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।